২৬ বছর
প্রক্রিয়াধীন
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
যাত্রা সম্ভবতঃ অনেক আগেই শুরু হয়েছিল, যদিও তার সঠিক কোন দিনপঞ্জী নেই। উনিশশো সাইত্রিশ সালে ঢাকার বৃষ্টিস্নাত এক নিদাঘ অপরাহ্নে বিশ্বখ্যাত আইলিংটন কোরিম্বিয়ানস ফুটবল দলকে হারিয়ে এ দেশের খেলাধুলার প্রথম স্বীকৃতি ঘটে। তখন বৃটিশ আমল। সারা দেশে জেলা ক্রীড়া সংস্থা আর সংস্থার মাঠ সবে গড়ে উঠতে শুরু করেছে। বৃটিশ জাতের যত দোষই থাকুক না কেন তাদের একটা গুণ অনেক দোষকে ঢেকে দেবে সন্দেহ নেই। এ গুণটা হচ্ছে খেলাধুলার প্রতি তাদের ভালবাসার, আকর্ষণ ও ঐকান্তিকতা। তারা জাতীয় জীবনে রাষ্ট্রীয় জীবনে মানবিক জীবনে এই খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের কথা বুঝেছিল। যার জন্য আমাদের নিজেদের প্রচেষ্টার চেয়ে তাদের খেলাধুলার প্রতি এই দৃষ্টিভঙ্গি ক্রীড়া
-
সাক্ষাৎকার গ্রহণ: মুসা সাদিক
“শত্রুর কামানের গোলায় বুক পেতে দিয়ে আত্মদানের ঘটনা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও শোনা যায় না“
[১৯৭১-এর ৭ ডিসেম্বর যুদ্ধের শেষ পর্যায়। কিন্তু কেউ জানত না যে যুদ্ধ শেষ হয়ে আসছে, অন্তর্যামী ব্যতীত। রণাঙ্গনের বাতাস মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর রক্তের গন্ধে একাকার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ১১টি সেক্টরের শত শত ফ্রন্ট তখন মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর বীরদের পদভারে কাঁপছে। তাঁদের মিলিত শোণিতে সিক্ত হয়ে উঠেছে শত শত রণাঙ্গনের মাটি-ঘাস-ফুল। সেই ৭ ডিসেম্বরে ইস্টার্ন সেক্টর গোপন সফরে এলেন জেনারেল এস.এইচ.এফ.জে. মানেকশ'। কোন কর্মসূচী ও সংবাদ ছাড়াই জেনারেল ওসমানীসহ জেনারেল মানেকশ' আকস্মিকভাবে ৮নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্যারের অফিসে
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
সামরিক নৌবাহিনীতে চাকরির দীর্ঘ বৎসরসমূহে, বিশেষত উত্তরাঞ্চলীয় নৌবহরে উদ্ধারকারী ও সহায়তাকারী ইউনিটসমূহের অধিনায়কের পদে থাকাকালীন আমি নানা ধরনের আকস্মিক কর্মকাণ্ডে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। আমার দায়িত্বের ধরনটাই এমন ছিল যে, যেখানে যখনই কোনো জাহাজ কিংবা মানুষ দুর্ঘটনাকবলিত হোক তৎক্ষণাৎ সেখানে উদ্ধারকর্মে বেরিয়ে যেতে হবে তা নৌযানে কিংবা উড়োজাহাজে বা হেলিকপ্টারে বা মোটরগাড়ি বা রেলগাড়িতে যেভাবেই হোক। এ সমস্ত ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় জাহাজে রিপোর্ট করার বিষয়ে খুব কড়াকড়িভাবে নিয়ম মানা হত। এ জন্য যেখানেই থাকি আর যাই করি না কেন আমার অবস্থান সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবগত রাখা ছিল বাধ্যতামূলক। ফলে, আমার ঘরে সব সময়ে একটা বিশেষ 'দুর্যোগ বাক্স' রাখা
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
বন্দর থেকে বড়ো ধরনের তিনটি জাহাজ নিরাপদে সরানোর পরে পরবর্তী অন্যান্য জাহাজের জন্য একটি স্থায়ী রুট তৈরি হল। তবে তা ছিল ভারতীয় মাইন-অনুসন্ধানকারীদের তৈরি করা রুটের চেয়ে অনেক বেশি দীর্ঘ। বঙ্গোপসাগরে জোয়ার-ভাঁটার ধারাবাহিকতা পর্যবেক্ষণ করে ও সাগরে মাইন স্থাপনের বিন্যাস বিশেষণ করে আমরা বুঝতে পেরেছিলাম সাগরে চলাফেরার জন্য কোন্ ব্যবস্থা সবচেয়ে নিরাপদ হবে। বর্তমান কার্যকর রুট ২রা মে থেকে স্বল্পতম সময়ে তিন মাইল পর্যন্ত চওড়া করা যাতে যে কোনো জাহাজ বন্দরে নিরাপদে পৌঁছতে পারে। কার্যকর রুটের দৈর্ঘ্য বরাবর বিশেষ সংকেতচিহ্ন (সিগন্যাল) স্থাপন করে রুটের পুব পাশের সকল মাইন একযোগে নিষ্ক্রিয় করার কাজ আরম্ভ করতে হবে।
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
'অ্যাটলাস' থেকে আমি নেমে যাবার পরে সেটা স্থান বদল করে পুনরায় নোঙর ফেলে ডুবে থাকা জাহাজের উপরে অবস্থান নিল।
'সোনার তরী'র সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করার জন্য সেটার দৈর্ঘ্য বরাবর সামনের ও পিছনের দুই প্রান্তে ভাসমান সংকেত বসানো হল। জাহাজের স্থান বদলের সময় সেগুলো তার সাথে সাথে নড়াচড়া করেছিল। সবকিছু প্রস্তুত করে লক্ষ্যবস্তুর উপর ডুবুরী নামানো হল। অ্যাটলাসের ইঞ্জিন ও প্রপেলার পরীক্ষা করে কোনো ক্ষয়ক্ষতি পাওয়া যায় নি। ডুবন্ত 'সোনার তরী'র খোলের ভিতরকার স্থানগুলোতে কিছুটা পলিমাটি ভরে থাকলেও, কোনো মালামাল ছিল না। 'অ্যাটলাসের' অবস্থান ছিল মাঝনদী থেকে কিছুটা বাঁয়ে।
জন্নোতিন্ মানচিত্র নিয়ে আমার কাছে চলে এলেন।
-
লেখক: অধ্যাপক অজয় রায়
আমাদের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই তিনি চলে গেলেন। ১৯৩৩ সালে ১ অক্টোবরে ঢাকা শহরের বকশীবাজার এলাকায় নবকুমার ইনস্টিটিউটের পাশে মাতামহ পূর্ণানন্দ গুপ্তের বাড়িতে প্রিয়দর্শনের জন্ম হয়। তার শিক্ষা প্রধানত ঢাকা শহরে পগোজ হাইস্কুল, জগন্নাথ কলেজ এবং সর্বশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রি (১৯৫৪) নিয়ে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। তবে অবশ্য মাঝখানে কলকাতায় এসে বঙ্গবাসী কলেজ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে দু'বছরের বিএসসি (Hons) ডিগ্রি নিয়ে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন।
তিনি কলকাতায় ১৯৫৪ সালে বঙ্গবাসী কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে ওই কলেজ থেকে অধ্যাপকরূপে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন ছাত্র-শিক্ষকদের সম্মান ও ভালোবাসা
-
লেখক: সৈয়দ আবুল মকসুদ
বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে কবি-শিল্পী-সাহিত্যিকেরা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একাত্তরের মার্চে বঙ্গবন্ধুর ডাকে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে তাঁদের ভূমিকা ছিল অগ্রসৈনিকের। শুধু লেখালেখি নয়, তাঁরা রাজপথে মিটিং-মিছিল করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দেশের ভেতরে থেকে কবি-সাহিত্যিকদের অনেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নিয়েছেন। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যাঁদের পক্ষে ভারতে যাওয়া সম্ভব হয়, তাঁরাও সেখানে গিয়ে বিভিন্নভাবে সাধ্যমতো ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের কবি-লেখক-শিল্পীদের সঙ্গে তখন যোগ দেন ভারতের বাঙালি কবি-সাহিত্যিকেরা। তাঁরা বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনে অসামান্য ভূমিকা রাখেন।
কলকাতার উর্দুভাষী কবি-সাহিত্যিকেরা অনেকেই বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে এগিয়ে আসেননি। তবে কেউই আসেননি তা
-
লেখক: মশিউল আলমস্নায়ুযুদ্ধের কালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দক্ষিণ এশিয়ায় নিজের প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিল। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর তাসখন্দে ওই দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা সোভিয়েত নেতাদের মধ্যস্থতার ফল। তার পরের বছরগুলোতেও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয় দেশকে নিজের প্রভাব বলয়ের মধ্যে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখে। পাকিস্তান মার্কিন শিবিরের অধিকতর ঘনিষ্ঠ দেশ হওয়া সত্ত্বেও সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে তার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। ১৯৬৮ সালে মস্কো ও ইসলামাবাদের মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন পাকিস্তানকে সীমিত পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে রাজি হয়। এ ছাড়া পাকিস্তানের সবচেয়ে
-
লেখক: আ ন ম আমিনুর রহমানজেমকন স্টেট হারবাল গার্ডেনের কর্মকর্তা অনুজ সাজ্জাদের আমন্ত্রণে ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর দুর্গা পূজার ছুটি কাটাতে গেলাম পঞ্চগড়ে। ৬ অক্টোবর ওর সাথে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্থান ও চা বাগান ঘুরে দেখছিলাম। বেলা সাড়ে এগারটায় পুরনো তেঁতুলিয়ায় পৌঁছালাম। মহিষের এক পরিত্যক্ত বাথান দেখে গাড়ি থেকে নামলাম। সামনেই মহানন্দা নদী। হ্যাঁ, যাদের খুঁজছি এদিকেই তাদের পাওয়া যেতে পারে। অতএব, দেরি না করে নদীর তীর ধরে হাঁটা দিলাম। এদিক ওদিক তাকিয়ে হঠাৎ একজোড়া অন্যরকম পাখির দেখা পোলাম। হ্যাঁ, পেয়ে গেছি। ফোকাস করে যেই না ক্লিক করবো, পাখি দু’টো উড়ে গিয়ে মহানন্দার অন্য তীরে গিয়ে বসল। একেবারে সীমান্তের ওপারে।
-
লেখক: মীর মোশাররফ হোসেনআমরা বরং ‘অংক’ নিয়ে কথা বলি। ছোটবেলায় গণিতকে আমরা বেশিরভাগ সময়ই ‘অংক’ বলতাম। আমরা কেন, বোধকরি সিংহভাগ শিক্ষার্থী এখনও একে এ নামেই চেনে। অথচ ‘অংক’ হচ্ছে ‘গণিত’ এর যুক্তি বোঝানোর প্রতীক। গণিত যদি ভাষা হয়, অংক তাহলে অক্ষর; গণিত যদি যুক্তি হয়, অংক তাহলে ‘টুলস’।ছোট্ট এই পার্থক্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দৈন্য। গণিতের ক্ষেত্রে যা ‘ভয়াবহতম’।II ১ IIঅন্য আলোচনায় ঢোকার আগে প্রথমে আমরা কিছু অনুষঙ্গ খুঁজি। এই যেমন গণিতে ‘ভালো’ হলে কি কি হয়? যেসব দেশের ছেলেমেয়েরা যুক্তিবাদী এবং অনুসন্ধিৎসু, সেসব দেশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় বিজ্ঞান, বিশেষত গণিত শিক্ষায়। অধুনা ইউরোপ -
লেখক: মুহম্মদ আশরাফউজ্জামানযাদের জীবন আছে তাদের আমরা জীব বলি। বাকিরা জড়। এখন জীবন কি সেই প্রশ্নে আলোচনা স্থগিত রেখে এইটুকু মোটা দাগে বলা যায় জীব-জড় মিলিয়ে পৃথিবীর পরিবেশ গঠন করে। জীবদের আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায় উদ্ভিদ ও প্রাণি। উদ্ভিদ ও প্রাণি যেমন এক অপরের উপর নির্ভরশীল তেমনি তারা উভয়েই জড়জগতের উপর ও নির্ভরশীল। তাই আমরা বলতে পারি যে এই পরষ্পর নির্ভরশীলতার সার্বিক অবস্থাটাই হলো পরিবেশ। আমরা এটাও লক্ষ করবো যে এই পরষ্পর নির্ভরশীলতার মধ্যে একটি ভারসাম্য আছে। প্রকৃতি এই ভারসাম্য রক্ষা করে। চট করে বিনষ্ট হতে দেয় না।জীববিজ্ঞান পড়তে গেলে আমরা উদ্ভিদ ও প্রাণির মধ্যে বেশ
-
লেখক: তুষারকান্তি মহাপাত্র
অপরূপা ত্রিপুরা। অনুচ্চ পাহাড় ও শ্যামল বনানীর কোলে সেখানে নানা সংস্কৃতির মেলা। কোন স্মরণাতীত কালে ত্রিপুরায় এসে ঘর বেঁধেছিল কিরাত বা ইন্দো-মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠী। তারপর এসেছে নানা জাতি ও ধর্মের মানুষ। নিজ নিজ সংস্কৃতি বজায় রেখেই সকলে মিলেছে, মিশেছে। ত্রিপুরা তাই নানা ধর্ম ও সংস্কৃতির ধারণভূমি। বাংলা-ত্রিপুরার দীর্ঘদিনের নিবিড় যোগ। আজ ত্রিপুরীর চেয়েও বাঙালির সংখ্যা সেখানে বেশি। বাঙালির প্রভাবে ত্রিপুরার উপজাতীয় মানুষ হিন্দুধর্ম ও বাংলাভাষা গ্রহণ করেছে এবং সেইসূত্রে বাঙালি সংস্কৃতি সেখানে পরমাদরে গৃহীত হয়েছে।
ভারতের পূর্বপ্রান্তীয় রাজ্য ত্রিপুরা। তার উত্তর-পশ্চিম-দক্ষিণ তিন দিক ঘিরে বাংলাদেশ। শুধু পূর্বে ও উত্তর-পূর্বে যথাক্রমে মিজোরাম ও আসাম। আয়তনে ত্রিপুরা অতিক্ষুদ্র (১০,৪৭৭ বর্গ
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- অপরাধ
- গোয়েন্দা
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- শিল্পকলা
- নারী
- বাংলা
- জীবনী
- লেখক
- লোককাহিনী
- মুক্তিযুদ্ধ
- স্মৃতিকথা
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- অনুবাদ
- কিশোর
- লোককাহানি
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আন্দোলন
- গদ্য
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- ভারত
- মার্কসবাদ
- ইউরোপ
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- বিজ্ঞান
- ভাষণ
- রূপকথা
- বই
- গণহত্যা
- পশ্চিমবঙ্গ
- পাকিস্তান
- যুক্তরাষ্ট্র
- পুঁজিবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- উদ্ভাবন
- ওষুধ
- জ্যোতির্বিদ্যা
- মহাকাশ
- আলোচনা
- গবেষণা
- সঙ্গীত
- দাঙ্গা
- চিঠি
- বিজ্ঞানী
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- যুক্তরাজ্য
- সরকার
- খাদ্য
- নৃত্য
- নির্বাচন
- সমাজ
- ভাষা
- পাখি
- প্রাণিবিদ্যা
- কবিতা
- রবীন্দ্রনাথ
- পৌরাণিক
- সাংবাদিকতা
- হিন্দু
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- গণতন্ত্র
- সংঘর্ষ
- শিশুতোষ
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- সমালোচনা
- ইংরেজি
- লালন
- সংবাদ
- ইসলাম
- কৃষি
- বিপ্লব
- খুলনা
- রোজনামচা
- ক্রিকেট
- চলচ্চিত্র
- গণিতশাস্ত্র
- উদ্ভিদ
- দর্শন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- ফুটবল
- বইমেলা
উৎস
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- পরিচয়
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- বাংলাদেশ কথা কয়
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, পঞ্চদশ খণ্ড
- মূল্যায়ন
- ঢাকা প্রকাশ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বিজ্ঞানচেতনা
- সাহিত্যচিন্তা
- কাজাখ লোককাহিনী
- বিজ্ঞান পাঠ
- প্রবাসী
- সমকালীন
- গল্পগুচ্ছ
- উক্রাইনীয় উপকথা
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- আশ্বাস
- বাংলাদেশ ’৭৩
আর্কাইভ
- ২০২৬ (১২)
- ২০২৫ (১২)
- ২০২৪ (৩১)
- ২০২২ (১)
- ২০১৯ (৪)
- ২০১৬ (১)
- ২০১৫ (১৪)
- ২০১১ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৫ (১)
- ২০০৩ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৮ (৫)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৯০ (১৮)
- ১৯৮৯ (১০)
- ১৯৮৮ (২৯)
- ১৯৮৭ (১)
- ১৯৮৫ (৩)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৮ (৪)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (১৯)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৮ (২)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (৬)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৪৬ (১)
- ১৯০৪ (১)
- ১৯০৩ (১)
- ১৯০১ (১)
- ১৮৯২ (১)
- ১৮৯১ (১)
- ১৮৯০ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.


