-
হাজং অঞ্চলের যে সমস্ত সংগ্রামী কৃষক সৈন্য ও পুলিশদের আক্রমণের ফলে শহীদ হয়েছিলেন, তাঁদের অনেকের নামই জানা যায় নি। আবার অনেকের নাম বিস্মৃতির তলায় চাপা পড়ে গেছে। শহীদের মধ্যে শুধু পুরুষরা নয়, মেয়েরাও ছিলেন। মেয়েদের মধ্যে শুধু একটি নাম আমাদের কাছে উজ্জ্বল আর অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি হলেন শহীদ রাসিমণি। এই বীরাঙ্গনা সশন্ত্র পুলিশের অত্যাচারের প্রতিরোধ করতে গিয়ে গুলীর মুখে জীবন দিয়েছিলেন।
এই ঘটনার পিছনকার ইতিহাসটা একটু খুলে বলি। ১৯৪৬ সনের প্রথম ভাগে ময়মনসিংহ শহরে ছাত্র ফেডারেশনের উদ্যোগে ‘ভিয়েতনাম দিবস’ উদ্যাপন করা হয়। এই উপলক্ষে ছাত্ররা বিরাট সভা ও মিছিল করেছিল। পুলিশ মিছিলের উপর গুলী চালায়। ফলে একজন ছাত্র মারা
-
জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁদের নাম বিশেষ ভাবে স্মরণীয়। কিন্তু নিজেদের ইতিহাস সম্বন্ধে অজ্ঞতার ফলে এবং অনেক ক্ষেত্রে ঐতিহাসিকদের ত্রুটি বিচ্যুতির দরুণ এই সমস্ত নাম বিস্মৃতির তলায় চাপা পড়ে যায়। এমনি একটি নাম বদরুদ্দিন তায়াবজী। ভারতীয় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্টদের নামের ধারাবাহিক তালিকায় তাঁর নামটা খুঁজে পাওয়া যায় বটে, কিন্তু ঐ পর্যন্তই। তাঁর দেশের মানুষ তার সর্ম্পকে খুব কম খবরই রাখে।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস যখন প্রথম গঠিত হয়, সে সময় যে ক’জন নেতৃস্থানীয় মুসলমান তার সঙ্গে যোগদান করেন, নিঃসন্দেহে বদরুদ্দিন তায়াবজী তার মধ্যে প্রধান। তিনি সে সময় ভারতের একজন বিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী মুসলমান হিসাবে পরিচিত ছিলেন। এটা এখনকার মুসলমান সমাজ
-
দেওবন্দ এর শিক্ষাকেন্দ্র থেকে যারা স্বাধীনতার অগ্নিমন্ত্র নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন তাঁদের মধ্যে ওবায়দুল্লাহ্ সিন্ধীর নাম উল্লেখযোগ্য। এক বিচিত্র চরিত্র, দীর্ঘকাল ধরে উল্কার মত জ্বলতে জ্বলতে চলেছেন, কিন্তু নিজে উল্কার মত পুড়ে ছাই হয়ে যাননি। বিপ্লবী ওবায়দুল্লাহ্ দেওবন্দ থেকে যে অগ্নিমশাল নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন, তা নিয়ে দেশ-দেশান্তরে অক্লান্তভাবে ছুটে বেড়িয়েছেন।
জীবনের কৈশোর থেকে তার বিদ্রোহের শুরু। এ এমন এক বিদ্রোহের ডাক যার প্রেরণায় মানুষ পুরাতনকে ছেড়ে নুতন এবং নুতনকে ছেড়ে নুতনতর লক্ষ্যের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়তে ভয় পায় না। ১৮৭১ সালে পাঞ্জাবের শৈলকোট জেলায় এক সম্ভ্রান্ত শিখ পরিবারে তাঁর জন্ম হয়েছিল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি ইসলামের উদার বাণীর অমোঘ আহ্বান শুনতে
-
ডা. আনসারী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন সর্বজন পরিচিত নেতা। তার পুরো নাম ডা. মুখতার আহ্মদ আনসারী। তাঁর পূর্বপুরুষেরা সুলতান মহম্মদ বিন তুঘলকের আমলে বাইরে থেকে এদেশে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন। সেই সময় থেকেই তাঁরা সরকারের সামরিক ও বেসামরিক বিভাগে বিশিষ্ট পদ অধিকার করে এসেছেন। ডা. আনসারী ১৮৮০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান বর্তমান উত্তর প্রদেশের গাজীপুর জেলার ইউসুফপুর গ্রামে। ডা. আনসারী তাঁদের পরিবারের অন্যান্যদের মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ লাভ করেছিলেন। মাদ্রাজ মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাশ করার পরেই তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় উচ্চতর শিক্ষালাভের জন্য নিজাম সরকারের বৃত্তি পেয়ে লণ্ডনে চলে গেলেন। সেখানে তিনি চিকিৎসা বিদ্যায় অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দেন এবং পর্যায়ক্রমে এল.
-
তাঁর আসল নাম ছিল সৈয়দ ফজলুল হাসান। কিন্তু এই নাম বললে কেউ তাকে চিনবেনা। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি হজরত মোহানী নামেই সুপরিচিত। তিনি ১৮৭৮ সালে উত্তর প্রদেশের উন্নাউ জেলার ‘মোহান’ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কিশোর বয়স থেকে তিনি ‘হযরত মোহানী’ ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। সেই নামে আজও তিনি আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
উন্নত মেধার ছাত্র হিসাবে তিনি তার শিক্ষকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তিনি সরকারী বৃত্তি লাভ করে আলীগড় কলেজে এসে ভর্তি হলেন। এখানে অতি অল্পদিনের মধ্যেই তিনি তার রচনার গুণে এবং একজন সংস্কৃতিসেবী হিসাবে সকলেরই মন জয় করে নিয়েছিলেন। ভবিষ্যতে তিনি যে একজন উচ্চ শ্রেণীর লেখক বলে পরিচিত হবেন, এ
-
বাবা খুব ভোরে উঠতেন। উঠে গান বাজাতেন আর পড়ার টেবিলে বসতেন। সেই ছোটবেলা থেকেই আমাদের ঘুম ভাঙতো গানের সুরে। আর বাবা যে পড়ার টেবিলে বসতেন এটা আমাদের কাছে ছিল নিত্যদিনের অভ্যাসের মতো। তাঁর লেখালেখি বা তিনি যে বরিশাল উদীচীর সভাপতি—এটা খুব স্বাভাবিক ছিল আমাদের কাছে। তিনি একাধারে একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন দক্ষ সংগঠক। তবে আমার কাছে তিনি শুধুই ‘বাবা’। আর বাবার সঙ্গে একদম ছোটবেলা থেকে যেতাম উদীচীতে। বিজ্ঞজনদের কথা শুনেই আমার বড় হওয়া। কি বুঝতাম জানি না। তবে বাবার সঙ্গেই থাকতাম। একুশে ফেব্রুয়ারিতে যখন বাবার হাত ধরে হেঁটে শহিদ মিনারে যেতে পারতাম না, তখন যে ভ্যানে বাদ্যযন্ত্র থাকতো সেই ভ্যানে
-
উনবিংশ শতাব্দীতে আদর্শের সংঘাতের দিনে নূতন শিক্ষা পেয়ে যে সমস্ত লোক জাতির ঘুমন্ত জীবনে চেতনার সঞ্চার করলেন তাঁদেরই একজন মনীষী রাজনারায়ণ বসু। রামতনু লাহিড়ী, শিবনাথ শাস্ত্রী এবং আরও অন্যান্য ব্রাহ্ম নেতাদের জীবনে আমরা দেখেছি যে ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করার সময় তাঁরা তাঁদের আত্মীয় স্বজন পিতামাতার কাছ থেকে বাধা কম পান নি। কিন্তু রাজনারায়ণ বসুর জীবন অন্যদের থেকে একটু পৃথক। তাঁর পিতা রামমোহনের সঙ্গী ছিলেন। তিনি চাইতেন পুত্র রাজনারায়ণ ব্রাহ্ম হোক। হিন্দুধর্মের তৎকালীন সংস্কারের জড়ভার থেকে তিনি মুক্ত হবার সুযোগ পেয়েছিলেন। তাই নূতন চিন্তা গ্রহণের যে প্রাথমিক মানসিক সংঘাত, সেই সংঘাত তাঁকে সহ্য করতে হয়নি। কিন্তু পিতার আশ্রয় পেলেও অন্য বাধা তাঁকে
-
মণি সিং—রহস্য আর রোমাঞ্চ দিয়ে ঘেরা একটি নাম। পূর্ব পাকিস্তানের অধিবাসীদের মুখে মুখে প্রচারিত এই নামটি। তার সঠিক পরিচয় আর কার্যকলাপের ইতিহাস অনেকেরই জানা নেই। তাঁকে কেন্দ্র করে বাস্তবে আর কল্পনায় মিশানো বহু কাহিনি রচিত হয়ে উঠেছে। ময়মনসিংহ জেলার গ্রামাঞ্চলের বুড়ো চাষীরা তাঁদের নাতি-নাতনীদের কাছে রূপকথার মতো সেই সমস্ত কাহিনি শোনায়। ছোটরা অবাক কৌতুহলে বড় বড় চোখ করে সেই সব কথা শোনে। আধুনিক যুগের রূপকথার নায়ক মণি সিং।
কমরেড মণি সিং ময়মনসিংহ জেলার সুসং-দুর্গাপুরের রাজ পরিবারের ছেলে—এই কথাটা, কে জানে কেমন করে, ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়ে গেছে। এমনকি তাঁর পরিচিত মহলেও অনেকের মনে এই ধারণাটা বদ্ধমুল হয়ে আছে। কিন্তু কথাটা সত্যি
-
লেখক গ্রিন—আলেক্সান্দর স্তেপানভিচ গ্রিনেভস্কির মৃত্যু হয় ১৯৩২ সালের জুলাই মাসে, প্রাচীন ক্রিমিয়ায়—প্রাচীন বাদাম গাছের বনাকীর্ণ এক ছোট শহরে। গ্রিনের জীবন ছিল কঠিন। সে জীবনের মধ্যে সব কিছুই যেন একটা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এমনভাবে গড়ে উঠেছিল যা গ্রিনকে একজন অপরাধী কিংবা হীন কূপমণ্ডক করে তুলতে পারত। এই বিষণ্ন প্রকৃতির মানুষটি যে কীভাবে যন্ত্রণাদায়ক অস্তিত্বের মধ্য দিয়ে বিপুল ক্ষমতাসম্পন্ন কল্পনার প্রতিভা, অনুভূতির বিশুদ্ধতা ও সলজ্জ হাসিকে অকলঙ্কিত অবস্থায় বহন করে আনেন তা দুর্বোধ্য।
বিপ্লব-পূর্ব সমাজব্যবস্থায় যে-ধরনের মানবিক সম্পর্ক ছিল আলেক্সান্দর গ্রিনের জীবনী তার বিরুদ্ধে কঠোর দন্ডবিধান। সেকালের রাশিয়া গ্রিনকে নিষ্ঠুর পরস্কারে পুরস্কৃত করে—শিশুকাল থেকেই ছিনিয়ে নেয় বাস্তবতার প্রতি তাঁর ভালোবাসা। পরিমণ্ডল ছিল
-
ছোটবেলায় বহু রহস্যময় অভিযানের গল্প পড়ে আমাদের সবারই ইচ্ছা হয় সেসব অভিযানে অংশ নিতে। বিদেশে কিশোর-কিশোরীদের সে ধরনের অভিযানের জন্য রয়েছে নানা সুযোগ। সামার ক্যাম্প থেকে শুরু করে পর্বতারোহণ, রোমাঞ্চকর আরও অনেক ধরনের অভিযানের ব্যবস্থা। কিন্তু আমাদের দেশে কিশোর-কিশোরীদের সে সুযোগ নেই। স্কুল থেকে বাসা, আর বাসা থেকে স্কুলের মাঝেই তাদের জীবন সীমাবদ্ধ। তবে এর মাঝেও ব্যতিক্রম আছে। এ দেশের পর্বতারোহীরা তাদের সেই অভিযানের শখ পূরণ করছেন পর্বতারোহণের মতো এক রহসম্যয় এবং কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মধ্য দিয়ে। তাদের অভিজ্ঞতা জানার জন্য আমাদের দেশের প্রথম নারী পর্বতারোহী সাদিয়া সুলতানা এবং বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টজয়ী নারী নিশাত মজুমদারের সাথে আলাপ হচ্ছিল।
সাদিয়া
-
কীটস তখন ইতালী-তে। মৃত্যু শয্যায়। একদিন রাত্রে হঠাৎ তিনি তাঁর বন্ধু সেভার্ন-কে অনুরোধ করলেন, তাঁর সমাধিস্তম্ভের ওপর যেন এই কটি কথা লিখে দেওয়া হয়: ‘হীয়ার লাইজ ওআন হুজ নেম ওআজ রিট ইন ওআটার।’
বলা বাহুল্য এ গভীর অন্ধকারের কণ্ঠস্বর, বুক-ভাঙা নৈরাশ্যের আর্তনাদ। এ সত্য নয়, একেবারে সত্য নয়। কিন্তু কী দুঃখের কথা, তার কাছে তখন এটাই সত্য ছিল। তিনি যে ইতিমধ্যেই আশ্চর্য ও অবিস্মরণীয় কাব্য সৃষ্টি করেছেন এবং সবার অলক্ষ্যে তাঁর নাম যে সাহিত্যের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেছে তা তিনি অনুভব করতে পারেন নি। সেই দুঃখ, ব্যর্থতা ও নৈরাশ্যের দিনে তা অনুভব করাও বোধহয় সম্ভব ছিল না। অবশ্য তাঁর
-
অনেকের মতে চার্লস্ ডিকেন্স-ই হচ্ছেন ইংল্যাণ্ডের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। এ বিষয়ে অবশ্য মতভেদ থাকতে পারে। তবে একথা ঠিক যে, উপন্যাস লেখকের যা প্রধান গুণ সেই গল্প বলার ক্ষমতা ও চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলার শক্তি তাঁর অসাধারণ ছিল।
বলা বাহুল্য, ডিকেন্স-এর লেখার আরও অনেক গুণ ছিল এবং ত্রুটিও। সে-সব আলোচনা এখানে আমার করার ইচ্ছে নেই। তাঁর সাহিত্য-বিচারের জন্য এ প্রবন্ধ নয়। আমি যথারীতি শুধু তাঁর জীবন ও তাঁর প্রেম সম্বন্ধে খুব সংক্ষেপে সামান্য দু-চার কথা এখানে লিখবো।
১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের পোর্টসী-তে চার্লস্ ডিকেন্স-এর জন্ম হয়। জন ডিকেন্স ও এলিজাবেথ ডিকেন্স-এর তিনি দ্বিতীয় সন্তান ও প্রথম পুত্র। তাঁর বাবা জন ডিকেন্স নেভি পে-অফিসে
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- পরিচয়
- বিজ্ঞানচেতনা
- লেখকদের প্রেম
- প্রক্রিয়াধীন
- মূল্যায়ন
- শহরের ইতিকথা
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বিজ্ঞান পাঠ
- প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- কে আমি?
- গল্প ভারতী
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রাম
- জননেতা মণি সিং
- হেগেল ও মার্কস
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমৃত রাই (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ রফিক (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৭)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোপাল হালদার (২)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- জাফর আলম (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- দীননাথ সেন (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৪)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মালেকা বেগম (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- যতীন সরকার (২)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৫)
- রেবতী বর্মন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহীন রহমান (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.