-
লেখক: মামেদকুলিজাদে (১৮৬৬-১৯৩২)
[বর্তমান আজেরবাইজান সাহিত্যের পথপ্রদর্শক, প্রাচ্যের সুপরিচিত পত্রিকা ‘মোল্লা নাসিরুদ্দিনের’ স্রষ্টা ও সম্পাদক। তিনি রেখে গেছেন অমূল্য সাহিত্যসম্পদ ছোট গল্প, হাস্যরসিক প্রবন্ধ, বড় গল্প (‘হারিয়ে যাওয়া গাধা’ ইত্যাদি), নাটক (‘লাশ’, ‘কেমান্চা’ ইত্যাদি), উপন্যাস ‘দানাবাশা গ্রামে’ ইত্যাদি। এখন পর্যন্তও আজেরবাইজানের শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প লেখক বলে স্বীকৃত। তীব্র সামাজিক বিরোধ হল তাঁর ছোট গল্পগুলির মূল বিষয়। ছোট গল্পগুলি সংক্ষিপ্ত, ভাবগর্ভ। এই সংকলনে অন্তর্ভুক্ত ছোট গল্প ‘ডাকবাক্স’—এক গরীব কৃষকের সম্বন্ধে হাস্যকর, বিষণ্ণ গল্প।]
সে দিনটা ছিল বারই নভেম্বর। শীত বেশ পড়েছে কিন্তু বরফ পড়া এখনও আরম্ভ হয় নি।
ডাক্তারবাবু ভেলি-খানের অসুস্থা স্ত্রীকে আর একবার বেশ ভাল করে পরীক্ষা করে বললেন যে
-
১৯৪২ সালের লাহোরের “আদবে-লতিফ” উর্দু মাসিকের বার্ষিক সংখ্যায় আমার “কালো সেলোয়ার” নামক একটি গল্প প্রকাশিত হয়, অনেকে একে অশ্লীল বলে মনে করে থাকে। আমি তাদের ভ্রান্তধারণা দূরীভূত করার উদ্দেশ্যে এই প্রবন্ধ লিখছি।
গল্প লেখা আমার পেশা। গল্প লেখার স্টাইল আমি সম্যক অবগত আছি এবং ইতিপূর্বে এই বিষয়বস্তু নিয়ে বেশ কয়েকটি গল্প লিখেছি। এদের একটি গল্পও অশ্লীল নয়। আগামীতেও গল্প লিখব, তা অশ্লীল হতে পারে না।
গল্প বলার প্রথা বাবা আদমের আমল থেকে প্রচলিত। আমার মতে, এই গল্প বলা কেয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং এর পট পরিবর্তন হতে থাকবে। মানুষের নিজের আবেগ ও অনুভূতিকে প্রকাশ করার ও অন্যকে জানানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত
-
ভিতিম-ওলো জাতীয় এলাকাটা হচ্ছে পূর্ব সাইবেরিয়ায়। দক্ষিণ ইয়াকুতিয়ার গায়ে লাগা এই বিরাট পাহাড়ে অঞ্চলটার উত্তরাংশ গায়ে গায়ে লাগান অজস্র পর্বতশ্রেণীতে ভরা। সাইবেরিয়ায় বোধহয় এর চেয়ে উচু পাহাড় আর নেই। দুর্গম বুনো জায়গাটা একেবারেই পাণ্ডববর্জিত। এই সেদিন পর্যন্ত জায়গাটা ছিল অনাবিষ্কৃত। পনের বছর আগে আমিই প্রথম মানচিত্রের এই ফাঁকা জায়গাটায় পা দিই। “প্রথম” মানে আবিষ্কারকদের মধ্যে প্রথম। এদেশের আদিবাসী তুংগুস আর ইয়াকুত্রা আগেই শিকারের সন্ধানে এ অঞ্চলের চারিদিকে ঘুরে বেড়িয়েছে। তুংগুস শিকারীদের কাছ থেকে নানা মূল্যবান খবর পেয়েছি। দূর দূর প্রান্তের সন্ধান তারা আমায় দিয়েছে। নদী, নদীর উৎস আর পর্বতমালার ম্যাপ ভাল করে এ'কে দিয়েছে। এখানকার খুব ছোট ছোট নদীও আগেই
-
সেপ্টেম্বর মাসের কোনো এক অন্ধকার রাত্রে, নটা বাজার কিছু পরে, জেমস্তভোর ডাক্তার কিরিলভের একমাত্র পুত্র ডিপথিরিয়া রোগে মারা গেল। ডাক্তারের স্ত্রী সবে মাত্র আশাভঙ্গের প্রথম আঘাতে মৃত সন্তানের শয্যাপাশে নতজানু হয়ে বসেছে, এমন সময় সদর দরজার ঘণ্টাটা সজোরে বেজে উঠল।
ডিপথিরিয়ার ভয়ে বাড়ির চাকরবাকরদের সকাল থেকেই বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিরিলভ যে অবস্থায় ছিল, পরনে শুধুমাত্র সার্ট আর বোতাম খোলা একটা ওয়েস্টকোট, সেই অবস্থাতেই, এমনকি চোখের জলে ভেজা মুখ ও কার্বলিক এসিডের দাগ-লাগা হাতদুটো না মুছেই, দরজা খুলতে গেল। হলঘরটা অন্ধকার, আগন্তুককে দেখে এইটুকু শুধু বোঝা গেল, সে মাঝারি লম্বা, তার গলায় একটা সাদা মাফলার জড়ানো আর তার প্রকাণ্ড
-
অনুবাদ: মুহম্মদ আবদুল হাই
ইসলাম যখন ভারতবর্ষে এলো তখন তার প্রগতিশীল ভূমিকা নিঃশেষ হয়ে এসেছে আর শিক্ষিত ও সুসংস্কৃত আরবদের হাত থেকে তার অধিনায়কত্ব করার ভারও খসে গেছে কিন্তু তার পতাকার উপরে ইসলামের শৈশব ও যৌবনের বিজয়বহুল দিনগুলোর বৈপ্লবিক নীতি ছিলো সুগ্রথিত। প্রমাণাভিলাষী মন নিয়ে ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যাবে যে, যেমন পারস্য ও খ্রীষ্টান দেশগুলোতে তেমনি এই ভারতবর্ষেও মুসলিম বিজয়ের পথ সুপ্রশস্ত ক’রে দিয়েছিলো দেশীয় কতকগুলি ঘটনা। বিজিত জাতির বিপুল জনসাধারণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা না হোক অন্তত মৌখিক সহানুভূতি, কি মৌন সম্মতি না পেলে কোন বিদেশী আক্রমণকারীরাই সুদীর্ঘ ইতিহাস ও প্রাচীন সভ্যতাসম্পন্ন কোন বড় জাতিকে অতি সহজে তাদের পদানত করতে
-
গ্রীষ্মের একটা দিনে গির্জার ঘণ্টাগুলোর শোকার্ত ধ্বনির সহযোগে দুটি রমণী এইভাবে একটি গান রচনা করেছিল। আরজামাস-এর নির্জন এক রাস্তায়, সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্তে, আমি যে বাড়িতে বাস করতাম তারই সামনের এক বেঞ্চিতে বসে। জুন মাসের একটা দিনের গুমোট নিস্তব্ধতার মধ্যে সারা শহর যেন ঝিমোচ্ছিল। জানলার ধারে একটা বই নিয়ে বসে আমি আমার প্রতিবেশী, গ্রামের প্রধানের পরিচারিকার সঙ্গে মোটাসোটা গোলগাল, মুখে বসন্তের দাগওয়ালা আমার রাঁধুনী উস্তিনাইয়ার মৃদু কন্ঠের কথপোকথন শুনছিলাম।
“আর কি লেখে তারা?” পুরুষালি কিন্তু অত্যন্ত নমনীয় কন্ঠে প্রশ্ন করলো সে। “নাঃ, আর কিছু নয়,” পরিচারিকাটি মৃদুকণ্ঠে, চিন্তান্বিত বিষণ্ণতার সঙ্গে টেনে টেনে উত্তর দিলো। মেয়েটির গায়ের রঙ অতটা উজ্জ্বল নয়, কৃশতনু,
-
সারার পা দুখানা অচল হয়ে পড়ার আগে সে আমাদের কাছেই কাজ করতো। খুবই মোটা ছিল সে আর তার গায়ের রঙ ছিল হালকা হলদেটে-বাদামী, যেন একটা বেলুনের মতো, বেলুন ফোলালে যেমন রঙটা তার হালকা হয়ে যায়, পিগমেন্টের (প্রাণী ও উদ্ভিদের তত্ত্বরঞ্জক পদার্থ বিশেষ) পাতলা স্তরের নিচের মেদ বৃদ্ধি হলে সেটা টানটান হয়ে আরও বেশি পাতলাভাবে ছড়িয়ে যায়। গিল্টি করা ছোট্ট সরু ফ্রেমের চশমা পরতো সে আর ভালো রাঁধুনী ছিল, মাখনের ব্যাপারে শুধু যা তার হাতটা ছিল দরাজ।
তার সম্বন্ধে এই সব জিনিসগুলোই আমরা লক্ষ্য করেছিলাম।
কিন্তু এর ওপর তার ছিল একটি মাত্র স্বামী, আইনসম্মতভাবে তার সঙ্গে গীর্জায় বিবাহিত, আর ছিল তিনটি
-
[শেষের দিকে কৃষণ চন্দরের একটি সাক্ষাৎকার নেন মুম্বাইয়ের উর্দু পত্রিকা ‘সাব-রং’। কৃষণ চন্দরের মৃত্যু হয় ১৯৭৭ সালের ৭ মার্চ। পত্রিকাটি জানায় এটিই কৃষণ চন্দরের দেওয়া শেষ সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারটি ঈষৎ সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা হলো। মূল উর্দু থেকে অনুবাদ করেছেন বিখ্যাত অনুবাদক জাফর আলম]
প্রশ্ন: আপনার প্রথম গল্পের নাম কি এবং তা কিভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তর: আমার প্রথম গল্পের নাম “ঝিলামের বুকে নৌকা বিহার”। গল্পের উৎস ঝিলাম নদীতে নৌকা বিহারের পটভূমি। তখন ঝিলাম নদী পারাপারের জন্য গায়ালিয়া থেকে নৌকা ছাড়তো। নৌকায় চড়ে ঝিলাম নদী পাড়ি দেয়ার সময় এই গল্পের প্লট আমার মনে দেখা দেয়।
প্রশ্ন: সমালোচকদের মতে, আপনি শুধু কমার্শিয়াল গল্প
-
যখন পেশোয়ার স্টেশন ছেড়ে আসি তখন আমি তৃপ্তিতে এক দলা ধোঁয়া উগরে তুলেছিলাম। আমার খোপে-খোপে ছিল সব হিন্দু ও শিখ শরাণার্থীরা। তারা এসেছিল পেশোয়ার, হটিমর্দন, কোহাট, চরসরা, খাইবার, লাণ্ডি কোটাল, বানু নওশেরা, মানশেরা ইত্যাদি সীমান্ত প্রদেশের সব জায়গা থেকে। স্টেশনটা খুব সুরক্ষিত ছিল এবং সেনাবাহিনীর অফিসারেরাও খুব সজাগ ও দক্ষ ছিলেন। তবে, যতক্ষণ-না সেই রোমান্টিক পঞ্চনদীর দেশের দিকে আমি রওনা দিচ্ছিলাম, তারা অস্বস্তিতেই ভুগছিল। অন্য আর-পাঁচজন পাঠানের থেকে অবশ্য এই শরণার্থীদের তফাৎ করা যাচ্ছিল না। তাদের চেহারা ছিল বেশ লম্বা ও সুদর্শন, শক্ত গড়নের হাত-পা, পরনে ছিল কুল্লা ও লুঙ্গি, কারো-বা শালোয়ার। তাদের ভাষা ছিল গাঁয়ের পুশতু, প্রত্যেক খোপে দুজন
-
উর্দু থেকে অনুবাদ: ফহিম আনোয়ার ও স্বপন দাসাধিকারী
হাওয়ার কেল্লার বিষয়বস্তু হলো হিন্দুস্থানের কাল্পনিক পোলাও। হিন্দুস্থানের আদর্শ হলো ক্ষুধা এবং এটি তার প্রতি একটি চমৎকার ইঙ্গিত। এ একটি সীমিত বাগ্বিধি এবং এর কেন্দ্রবিন্দু শুধু পেট, কিন্তু হাওয়ার কেল্লা একটি বিস্তীর্ণ ও সু-উচ্চ বাগ্বিধি এবং তাতে কাল্পনিক পোলাও ছাড়াও কয়েকটি সুন্দর বস্তু মিশে আছে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কাল্পনিক পোলাওতে হাওয়ার কেল্লা ঢুকতে পারবে না, কিন্তু হাওয়ার কেল্লায় বসে কাল্পনিক পোলাও পাকানো যায়। এই ভাবেও ভাবা যায় যে সারা ভারতবর্ষ একটি হাওয়ার কেল্লা। আপনি কোন হাওয়ার কেল্লা তৈরী করেছেন? আমি আপনার ছোট বেলার কথা বলছি না, কেননা সারা জীবনকেই আমার
-
লোকটা অদ্ভুত। ছাই রঙা ফেল্ট টুপিটার তলায় তার দ্বিধায় ভরা হাসিটা আমায় খানিকটা বিভ্রান্ত ক’রে দিয়েছিলো, কেননা হঠাৎ আমার কেমন একটা অদ্ভুত ধারণা হ’লো যে আমি তাকে অস্বস্তিতে ফেলছি। সে অনেকক্ষণ চুপ ক’রে রইলো। আমি তার মধ্যে একটা অলুক্ষুনে কিছু খুঁজে পাচ্ছিলাম।
হঠাৎ প্রায় ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিতে সে ব’লে উঠলো, ‘তুমি কি মিস্ গ্ল্যাডিসের ছেলে?’ দাঁতের মাজন আর মদের একটা মৃদু গন্ধ। আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। সে অনেকক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইলো, মুখটা আধখোলা। চোখদুটো কেমন জলে ভরা, কৌতূহলী আর খানিকটা ব্যথাতুর।
আমি জিগেস করলাম, ‘আমি কি ওঁকে আপনার কাছে ডেকে আনবো?’
‘অ্যাঁ?’ আমি যে কোনো প্রশ্ন করতে পারি,
-
দিল্লী আসার আগে ও আম্বালা ছাউনিতে থাকত, সেখানে কয়েকজন গোরা ওর খদ্দের ছিল। এই গোরাদের সঙ্গে মেলামেশার জন্যে ও দশ-পনেরোটা ইংরেজী শব্দ শিখে গিয়েছিল। ওদের কাছ থেকে শেখা এইসব শব্দ ও অবশ্য সব সময় ব্যবহার করত না। কিন্তু দিল্লী এসে ওর কারবার যখন মন্দা হল, তখন ও ওর প্রতিবেশী তমনচা জানকে বলল, “দিস লাইফ ভেরি ব্যাড।—এই জীবন এত কষ্টকর যে একটু খাবারও জোগাড় হয় না।”
আম্বালা ছাউনিতে ওর ধান্ধা খুব ভালোভাবে চলত। ছাউনির গোরারা মদ খেয়ে ওর কাছে আসত। আর ও তিন চার ঘণ্টার মধ্যে আট দশটি গোরার সঙ্গে কাজ-কারবার পুরো করে বিশ ত্রিশ টাকা রোজগার করে নিত। এই গোরারা
উৎস
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- প্রক্রিয়াধীন
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- মানুষের জন্ম
- রাঙা পাল
- উক্রাইনীয় উপকথা
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- সোনার পেয়ালা
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- কথা পাঞ্জাব
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- কাজাখ লোককাহিনী
- রূপের ডালি খেলা
- পরিচয়
- ফুলকি ও ফুল
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- তানিয়া
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- ভাবনা সমবায়
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.