-
এক গ্রামে তিন ভাই বাস করত। তারা ছিল প্রচণ্ড শক্তিশালী ও অসমসাহসী। সমবয়সীরা তাদের নিয়ে গর্ব করত, মেয়েরা তাদের দিকে তাকিয়ে থাকত মুগ্ধ চোখে আর বৃদ্ধেরা তাদের প্রশংসা করত। বাচ্চা বয়স থেকেই ভাইয়েদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব: কখনও তাদের ছাড়াছাড়ি হয় নি, কখনও ঝগড়া বা তর্কও হয় নি তাদের মধ্যে।
একদিন তারা বাজপাখী নিয়ে স্তেপের মধ্যে গেল শিকারের উদ্দেশ্যে।
বহুক্ষণ ধরে তাদের চোখে কোন জন্তু বা পাখী পড়ল না। তারা ঘোড়া ফিরিয়ে গ্রামে ফিরে যাবার উদ্যোগ করছে এমন সময় হঠাৎ দেখতে পেল মাটিতে দেহটা প্রায় মিলিয়ে ছুটে গেল একটা শেয়াল, আগুনের মত লাল। ওর চমৎকার চামড়ার জন্য ভাল দাম পাওয়া যাবে!
-
দুই ভাই ছিল। বড় ভাই বুদ্ধিমান, কর্মঠ আর ছোট ভাই ছিল নির্বুদ্ধি, অলস আর হিংসটে। নাম তার কাদির। তাকে নিয়েই এই গল্প।
কাদির একদিন তার ভাইয়ের কাছে এসে আক্ষেপ করে বলল: ‘কেন এমন হয় বল দেখি, ভাই! তুমি আর আমি এক বংশের ছেলে, মায়ের পেটের ভাই। কিন্তু ভাগ্য আমাদের বিভিন্ন। তোমার সবকিছুতেই সাফল্য আর আমার সবেতেই ব্যর্থতা। তোমার ভেড়াগুলো মোটা হচ্ছে, বাচ্চা দিচ্ছে, আর আমারগুলো পটাপট মরছে; তোমার ঘোড়া দৌড়ে প্রথম হল আর আমারটা মাঝপথে আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দিল; তোমার ঘরে মাংস আর কুমিস[☆]সদাই মজুত, আর আমার ঘরে বিস্বাদ সুপ তাও পেটভরা নেই; তোমার আছে স্নেহময়ী স্ত্রী, আর
-
খান জানিবেকের একটা ঘোড়া ছিল, খুব ভাল জাতের আর তেজী। ঘোড়া তো নয় যেন ঝড়। এই ঘোড়াটা ছিল খানের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও গর্বের বস্তু। হঠাৎ ঘোড়াটা অসুখে পড়ল। খান মনোকষ্টে অধীর হয়ে পড়ল। প্রতিদিনের কাজকর্ম, আমোদ-আহলাদ, এমন কি খাওয়াদাওয়া, ঘুম সব ছাড়ল। লোকদের কানে গেল তার হুমকি: ‘যদি কারুর এমন সাহস হয় যে বলে আমার ঘোড়া মারা গেছে তো আমি তার গলায় শলা ঢুকিয়ে দেব!’
প্রাসাদের লোকেরা ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়ল। খানের দাসদাসীরা নিঃশ্বাস বন্ধ করে চলাফেরা করতে লাগল। সহিসরা এক মুহূর্তেও ঘোড়ার পাশ ছেড়ে নড়ে না। ঘোড়া এদিকে মাটিতে পড়ে মরে গেল। করার কিছুই নেই। সবাই জানত যে
-
অনেকদিন আগে এক সদাচারী জ্ঞানী লোক ছিল। তার তিন ছেলে ছিল। লোকে বলে: শিকারীর ছেলে তীরে শান, দেয়, দর্জির ছেলে কাপড় কাটে। জ্ঞানী লোকটির ছেলেরা ছোট বয়স থেকেই বিভিন্ন জ্ঞানবিজ্ঞানের বই পড়েই সময় কাটায়। তাদের মধ্যে বড় যে ভাই সে তখনও ঘোড়ায় উঠে বসতে পারে না আর ইতিমধ্যে বিচার, পরামর্শ করার জন্য লোক আসে ভাইয়েদের কাছে।
একদিন তাদের কাছে দুজন লোক এল দুটি উট আর একটি উটের বাচ্চা সঙ্গে নিয়ে ৷ তারা বলল: ‘আমাদের দু’জনেরই একটি করে উট আছে। উটদুটি সর্বদাই একসঙ্গে চরত মাঠে। কয়েকদিন আগে ওদের ফিরিয়ে আনতে গিয়ে দেখি দুটি সদ্যজাত উটশিশু, একটি জীবিত, অপরটি মৃত। এখন আমরা
-
লেখক: মাৎভেই তেভেলেভ
অনুবাদ: শুভময় ঘোষ ও সুপ্রিয়া ঘোষ
ভোরবেলার একটি ক্ষণস্থায়ী, অপরূপ মুহূর্ত আছে, আমি তার নাম দিয়েছি পূর্বাভাসের সময়। তা বেশিক্ষণ থাকে না, সংসারের তাড়াহুড়োয় আর সাধারণ পরিবেশে প্রায়ই আমাদের অলক্ষ্যে মিলিয়ে যায়।
স্নেগোভেৎসের কাঠের কলের বাঁশির আওয়াজটা বাচ্চা মোরগের তীক্ষ ডাকের মতো সারা উপত্যকায় ছড়িয়ে পড়ার পরই আসে এই মুহূর্তটি।
বাঁশির আওয়াজ মিলিয়ে গেলে পর নেমে আসে পাতলা সুতোর মতো পলকা নিস্তব্ধতা।
যেদিন ভাল থাকে সেদিন ভোরবেলা বিছানা ছেড়ে আমি চলে আসি সারা দোতলা জোড়া ঝুল বারান্দাটায়। ঘুম ক্লান্তি আলস্য কিছুই আমায় ঠেকিয়ে রাখতে পারে না। বারান্দা থেকে দেখতে পাই পাহাড়ের পাড় ঘেরা স্নেগোভেৎসের সমস্তটা।
সূর্য ওঠেনি।
-
লেখক: হুসেন আবাসজাদে (জন্ম: ১৯২২)
[সাহিত্যিক জীবনের শুরু কবি হিসাবে, কিন্তু সুপরিচিতি লাভ করেন গদ্যলেখক হিসাবে। পিতৃভূমির মহাযুদ্ধে সোভিয়েত জনগণের কীর্তিকাহিনী রূপায়িত হয়েছে তাঁর ‘জেনারেল’, ‘মুসি আবেল, আপনি কে?’, ‘কারাদাগের ঘটনা’ প্রভৃতি সাহিত্যরচনায়। ‘জলাবর্ত’ উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে একটা বিরাট সময়ের ছবি প্রায় শতাব্দীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত। এতে দেখান হয়েছে নতুন জীবনের ঘূর্ণাবর্তে প্রতিটি মানুষের জড়িয়ে পড়ার অনিবার্যতা, এমনকি যারা খুব সক্রিয় নয় তাদেরও। সাধারণ শ্রমিকদের চরিত্রগুলি চমৎকার পরিস্ফুট হয়েছে তাঁর ‘সুপারিশ’ উপন্যাসে এবং এই সংকলনে অন্তর্ভুক্ত ‘মানুষের নাম’ ছোট গল্পে।]
ওয়াহিফ স্ট্রীটে পিরভের্দি ট্রলিবাস থেকে নামল। রেইনকোটের পকেট থেকে ঠিকানা-লেখা-কাগজটা বার করল, কাছের বাড়ীটার নম্বর দেখল। ঠিক আছে।
-
কোন এক সময় একজন লোক ছিল। তার স্ত্রী ছিল খুব সুন্দরী আর সাজগোজ করতে খুব ভালবাসত সে। তারপর অভাবে পড়ল তারা, পয়সাকড়ি নেই হাত মোটেই। একদিন স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, ‘বাজারে গিয়ে কিছু নিয়ে আসি খাবার জন্য।’
একটা সুন্দর পোশাক পরল সে, কানে দুল ঝোলাল, সুর্মা টানল ভ্রুতে, গালে একটা তিল আঁকল, তারপর বাজারে চলল কোমর নাচাতে নাচাতে হাসতে হাসতে। দেখে মাংসওয়ালা একটা ভেড়া কেটে ছাল ছাড়াচ্ছে। মেয়েমানুষটি তার দিকে একটা রূপার মোহর এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘এই মোহরের বদলে মাংস দাও আমায়।’
‘আরে মেয়ে ও মোহরের কোন দামই নেই!’ বলল মাংসওয়ালা।
‘মোহরটার হয়ত দাম নেই, কিন্তু আমার তো দাম আছে!’
-
এক ছিল বুড়ো আর তার এক বুড়ী। তাদের এক ছেলে ছিল, নাম তার কাম্বার। খুবই কষ্টে দিন কাটে তাদের।
বুড়ী একদিন সূতো কেটে ছেলেকে বলল, ‘তুই বড় হয়েছিস, বাপ, এবার আমাদের সাহায্য কর। বাজারে যা, সূতো বেচে রুটি কিনবি।’
বাজারে গেলে ছেলেটা, সূতো বেচল, রুটি কিনতে যাবে, এমনসময় দেখে একটা কুকুর দৌড়াচ্ছে আর ছেলের দল তাড়া করছে তাকে, মেরে ফেলতে চাচ্ছে তারা কুকুরটাকে।
‘মেরো না কুকুরটাকে, ওটা দিয়ে দাও আমায়!’ বলল কাম্বার ছেলেদের।
‘এর জন্য দাম দাও, তাহলেই পাবে ওটাকে।’ বলল ছেলেরা।
সূতো বেঁচে পাওয়া পয়সাগুলো ছেলেদের দিয়ে দিল কাম্বার আর কুকুরটাকে নিয়ে বাড়ী ফিরল।
‘কি কিনলি?’ জিজ্ঞাসা করল তার
-
এক গরীবলোক ছিল, যার না ছিল বাড়িঘর, না ছিল জমিজমা, ছিল কেবল এক রোগা বুড়ো গাধা। লোকটি একদিন শুনল যে দুনিয়ায় এমন এক দেশ আছে যেখানে কেই কখনও গাধা দেখেনি।
‘সেখানেই নিয়ে যাব আমার গাধাটাকে, হয়ত সেখানে কেউ কিনে নেবে ওটাকে আমার কাছ থেকে।’ ভাবল লোকটি।
গাধার পিঠে বসে সে সেই দেশ খুঁজতে বেরোল। অনেক পাহাড়, উপত্যকা, হ্রদ পেরিয়ে শেষে খুঁজে পেল সেই দেশটা যেখানে কেউ কখনও গাধা দেখে নি।
তারা শহরে ঢোকামাত্রই শহরবাসীরা ছুটে এল চারদিক থেকে সেই অদ্ভুত জীবটাকে দেখতে। হঠাৎ জোরে ডেকে উঠল গাধাটা। গাধার সেই কান ফাটান চিৎকারে ভয় পেয়ে পালাল সবাই। গাধাটা প্রাণভরে চিৎকার করে
-
এক গ্রামে এক কিপ্পন বুড়ো ছিল। নিজে সে ছেঁড়া পোশাক আশাক পরে থাকে, ছেলেমেয়ে, বউকে রাখে আধপেটা খাইয়ে, নিজেও পেটভরে খায় না—এমনি ভাবে অর্থ জমাবার চেষ্টা করে। এক ঘড়া সোনার আর এক ঘড়া রূপোর মোহর জমিয়ে সে নিজের বাড়ির বেড়ার নীচে মাটিতে পুঁতে রেখে দিল।
কিন্তু সে বছর ফসল মোটে হল না, তাই বুড়োর মনে পড়ল সেই সঞ্চিত ধনের কথা।
একটা কোদাল নিয়ে গিয়ে সে মাটি খুঁড়তে লাগল সে ধন তুলবে বলে। সোনার মোহরভরা ঘড়াটা তুলে যেই খুলতে যাবে অমনি কে যেন বলে উঠল: ‘ছুঁয়ো না—এ হল কুরবানের ধন!’
‘আরে এ আবার কি?’ অবাক হল বুড়ো, তাড়াতাড়ি সে ঘড়ার মুখটা
-
এক-যে ছিল বুড়ো আর বুড়ি। বাজারে গিয়ে বুড়ো একটা পাঁঠী কিনল। বাড়ি নিয়ে এসে রাতে ঘুমাল, পরের দিন বুড়ো ছেলেকে বললে পাঁঠীটা চরিয়ে আনতে। ছোকরা পাঁঠী চরায়, চরাল একেবারে সন্ধে পর্যন্ত। সন্ধেয় তাকে নিয়ে চলল বাড়ি। এল বেড়ার দরজা পর্যন্ত, বুড়ো সেখানে তার লাল বুট পরে দাঁড়িয়ে। শুধাল: ‘পাঁঠী আমার, ছাগলীটি, জল খেয়েছিস তুই, ঘাস খেয়েছিস?’
‘না দাদু, কিছু, খাই নি, দাই নি: কেবল সাঁকো দিয়ে যাওয়া, পাতা খুঁটে নেওয়া, খালের পাড়ে ছোটা, একফোঁটা জল জোটা—ওইটুকুনি ভোজন, ওই তেষ্টা মিটন।’
ছেলের ওপর রেগে গেল বুড়ো, দিল তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে ৷ পরের দিন ছোটো ছেলেকে পাঠাল। ছাগল চরায় সে, চরাল
-
বন দিয়ে চলেছে দাদু, পেছন পেছন কুকুরটা। যায়, যায়, যায়—দস্তানাটি ওদিকে পড়ে গেল। ছুটে এল নেংটি ইঁদুর, দস্তানার ভেতর ঢুকে বললে: ‘এখানে থাকব আমি।’
এইসময় তিড়িক তিড়িক—এল ব্যাঙ। জিগ্যেস করলে: ‘কে গো, কে থাকে দস্তানায়?’
‘কুটুর-কুটুর নেংটি ইঁদুর। কিন্তু তুমি কে?’
‘তিড়িক-ঠ্যাঙ ব্যাঙ। আমাকেও ঢুকতে দাও!’
'এসো।’
হল ওরা দুজন। ছুটছিল খরগোশ, দস্তানার কাছে এসে জিগ্যেস করলে: ‘কে গো, কে থাকে দস্তানায়?’
‘কুটুর-কুটুর নেংটি ইঁদুর, তিড়িক-ঠ্যাঙ ব্যাঙ। কিন্তু তুমি কে?’
‘আর আমি দৌড়-খোশ খরগোশ। আমাকেও ঢুকতে দাও!’
‘এসো।’
হল ওরা তিনজন। ছুটে আসে শেয়ালি: ‘কে গো, কে থাকে দস্তানায়?’
‘কুটুর-কুটুর নেংটি ইঁদুর, তিড়িক-ঠ্যাঙ ব্যাঙ আর দৌড়-খোশ খরগোশ। কিন্তু তুমি কে?’
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- তাজিক লোককাহিনী
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- কাজাখ লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- উক্রাইনীয় উপকথা
- সোনার পেয়ালা
- রূপের ডালি খেলা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- পরিচয়
- ফুলকি ও ফুল
- ভাবনা সমবায়
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- মানুষের জন্ম
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- তানিয়া
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.