-
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা বাঙালি বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা (১৮৯৩-১৯৫৬)। বিজ্ঞান জগতে তাঁর সেরা অবদান হলো ‘তাপীয় আয়নন তত্ত্ব’। আর তাপীয় আয়নন ব্যাখ্যা করার জন্য যে সূত্র প্রণয়ন করেন তা ‘সাহা সমীকরণ’ নামে খ্যাত। জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞানে একাধিক জটিল রহস্য উদঘাটনের জন্য তার সার্থক প্রয়োগ রয়েছে। ফলে এ-তত্ত্বটি বিজ্ঞান জগতে নতুন যুগের সূচনা করেছিলো। তার সুদূর প্রসারী প্রভাব ও পরবর্তীকালে লক্ষ্য করা গেছে। ১৯২০ সালে এ-তত্ত্বটি উদ্ভাবনকালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন এবং তাঁর বয়স ছিলো ২৭ বছর। তাঁর এ-গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বটি সম্পর্কে সেকালের প্রতিথযশা জোতির্বিজ্ঞানী আর্থার স্ট্যানলি এডিংটন মন্তব্য করে বলেছিলেন যে, ‘গ্যালিলিওয়ের পর থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে যে ১২টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের উল্লেখ
-
বিংশশতাব্দীর মহাদিকপাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) এবং বিশ্ববিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫)। প্রাচ্যের কবি ১৯১৩ সালে, আর পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানী ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কার পেলেন। গত শতাব্দীর বিশের দশকের আগে এদের দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। কিন্তু উভয়ই উভয়কে জানতেন। তাঁদের চলার পথ ভিন্ন হলেও সত্যসন্ধানে তাঁরা ছিলেন একই আলোর পথযাত্রী। সত্য ও সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় তাঁরা প্রয়াসী ছিলেন। মানবতার সুমহান আদর্শকে তাঁরা উর্ধ্বে তুলে ধরেছেন। দু দুটি বিশ্বযুদ্ধের ফলে বিশ্বজোড়া অনাহার, অবদমন ও অশান্তির প্রতিটি দিকেই ছিল তাঁদের সুতীক্ষ্ণ দৃষ্টি। তাছাড়া স্ব-স্ব দেশে নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাঁরা প্রতিবাদ করেছেন এবং জনমত গঠনের প্রচেষ্টা নিয়েছেন। ১৯১৯ সালে রবীন্দ্রনাথ জালিয়ানওয়ালাবাগের নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেছেন এবং
-
আনিসুজ্জামান বাংলা বিদ্যাভুবনের এক বিরাট ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বলতম ছাত্র। মুহম্মদ শহীদুল্লাহর স্নেহধন্য তিনি। মুহম্মদ আবদুল হাই, মুনীর চৌধুরী, আহমদ শরীফ, সৈয়দ আলী আহসান প্রমুখ বিখ্যাত শিক্ষকেরা সবাই একবাক্যে বলে গেছেন তাঁদের সেরা ছাত্রটি হলেন আনিসুজ্জামান। তাঁর শিক্ষক ডক্টর কাজী দীন মুহম্মদেরও একই কথা। আনিসুজ্জামানের ছাত্রত্বের অবসান হয়েছে পঞ্চাশ বছর আগে। তারপর তিনি নিজেও হাজার হাজার ছাত্রের জন্ম দিয়েছেন, ঐ ছাত্ররা আবার তাদের ছাত্র গড়েছে। আসলে আনিসুজ্জামান কয়েক প্রজন্মের শিক্ষক। তিনি এখনও শিক্ষকতা করছেন এবং নিশ্চয়ই আজীবন তাঁর শিক্ষকতার অবসান হবে না। কেবল পরীক্ষার ফলে নয়, বিদ্যাবত্তা, পাণ্ডিত্য ও গবেষণার জন্য তরুণ বয়স থেকেই আনিসুজ্জামানের খ্যাতি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল।
-
আমাদের কালের অন্যতম এক শ্রেষ্ঠ বাঙালি আনিসুজ্জামান। জীবনাচরণে মার্জিত রুচির এমন বাঙালি সহজে চোখে পড়ে না। বাংলাদেশের যে-কোনো সংকটে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা পথিকৃতের। তাঁর অ্যাকাডেমিক প্রত্যয় ও অর্জন ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বাঙালি সমাজের পুরোধা। তাঁকে ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ উপাধি দিয়ে যে সম্মান প্রদর্শন করেছে তাতে আমরা গর্বি। তাঁর বহুমুখী কর্ম এ দেশের সমাজ ও সংস্কৃতিকে যে শক্তি জুগিয়েছে তা হয়ে উঠেছে অনুকরণী। অসাম্প্রদায়িক চেতনা সঞ্চার, গণতন্ত্র ও একটি শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণের জন্য তাঁর অবিচলিত ও দৃঢ় প্রত্যয় বাঙালিকে সতত প্রাণিত করছে।
পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে তাঁকে চিনি। প্রথমে ছিলাম তাঁর ছাত্র। দেখেছি তখন কত ছাত্রকে দীক্ষিত করেছেন সাহিত্যের রস গ্রহণে,
-
চিন্তা করো বেশি, বলো অল্প এবং লেখো তার চেয়েও কম।—জন রে
পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়ায় জন্ম কবি কাজী নজরুল ইসলামের, আর তার দুই স্ত্রী নার্গিস ও প্রমীলা হচ্ছেন পূর্ব বাংলার দৌলতপুর ও তেওতার মেয়ে।
প্রথমেই আসে নার্গিস অধ্যায়। এই আলোচনায় যার নাম প্রথমে আসে তিনি হচ্ছেন ঢাকা কলেজ থেকে বিএ পাস করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কুমিল্লার মুরাদনগরের দৌলতপুরের খাঁবাড়ির সন্তান আলী আকবর খান। কাজী নজরুল ইসলাম ও আলী আকবর খান উভয়েই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-ফেরত সৈনিক। উভয়ের আশ্রয় তখন কলকাতায়। কাজী নজরুলের আশ্রয় বঙ্গীয় সাহিত্য সমিতির অফিসে। এখানে তাঁর সহবাসী কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ এবং সাহিত্য সমিতি পত্রিকার প্রকাশক আফজাল উল হক। পাঠ্যপুস্তক
-
শেষ পর্যন্ত রবীন্দ্ররচনার গ্রন্থস্বত্বের মেয়াদ অর্ডিন্যান্স্ জারি করে আরো দশ বছর বাড়িয়ে দেওয়া হলো। এবং এই অর্ডিন্যান্সে রাষ্ট্রপরি স্বাক্ষর করলেন একেবারে মেয়াদ শেষ হবার তিনদিন আগে।
গত প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে রবীন্দ্রগ্রন্থস্বত্ব নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক চলেছে। বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষও সভা ডেকে গ্রন্থস্বত্ব নিয়ে নানাজনের মতামত শুনেছেন, নিজেদের মতামত দিয়েছেন। কিন্তু তারও অনেক আগে থেকে, অন্তত পাঁচ-ছ বছর আগে থেকে, বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষ রবীন্দ্রগ্রন্থস্বত্ব যাতে বিশ্বভারতীরই থাকে সে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। গ্রন্থস্বত্বের আইনকানুন নিয়েও তাঁরা ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন এবং স্বত্বের মেয়াদ বৃদ্ধির সমর্থনে কিছু কিছু দেশের নিজস্ব আইনকানুন সম্পর্কেও খোঁজখবর নিয়েছেন। অন্যদিকে, চেষ্টা চরিত্র স্বত্ত্বেও অনিশ্চয়তা থেকে যাওয়ায় সুলভে
-
‘অন্তুকে খুঁজতে বারান্দার দিকে গেলাম, বেশ ঠান্ডা পড়ে গেছে এখন আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসে। বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে ওর জ্বর এসে যাবে। এখন মা হিসেবে রোজই ছেলের সঙ্গে লুকোচুরি খেলতে হয়। দেখতে দেখতে বছরগুলো কীভাবে পার হয়ে গেল। আমার আর রাকিবের বিয়ের পাঁচ বছর হতে চলল। আমাদের পরিচয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই। আমরা ছিলাম ক্লাসমেট। বুয়েট থেকে আমরা একসঙ্গেই স্নাতক সম্পন্ন করি। বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা ও একই গ্রুপে থিসিস করতে গিয়ে আমাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। বন্ধু হিসেবে নানা সৃজনশীল কাজের সঙ্গেও সে সময় যুক্ত হই। আমরা বুয়েটে পড়ার সময় বিভিন্ন প্রদর্শনী, বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকাও প্রকাশ করেছি। ধীরে ধীরে আমি অনুভব করি যে রাকিব আমার বেস্ট
-
‘ওহ, বহুকাল অপেক্ষার পর আমরা তিন দিনের ছুটিতে সিলেটের উদ্দেশে রওনা দিলাম। তবু কেন যেন মনে হচ্ছে আমাদের মধ্যে কোনো আনন্দ নেই। দূরত্ব যেন দিন দিন বেড়েই চলছে। আমরা দুজনই চাকরিজীবী। আমি প্রাইভেট ব্যাংকে আর ও সাংবাদিক। আমাদের সারা দিনে কথা বলার সময় কয়েক ঘণ্টা, তা-ও খাবার সময়ই। অফিস থেকে ফিরতে আমাদের আটটা কি নয়টা বেজে যায়। কখনও ওর রাতেও ডিউটি থাকে, তখন সে সময়টিও নেই। আমার চাপাচাপিতেই এই বেড়ানো। আমি ছুটি পেলেও ওর ছুটি পাওয়া কঠিন ছিল। এখন বেড়াতে গিয়েও একটু পরপর অফিস থেকে আমার ফোন অথবা ওর ফোন আসছে। ইচ্ছা করছে ফোনটা ছুঁড়ে ফেলে দিই। সাথে ল্যাপটপও আছে
-
একটি শিশুছেলে ও মেয়েসন্তানের প্রতিভা, স্বপ্ন, ইচ্ছা, কল্পনার মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। কিন্তু পরে সমাজে চলতে গিয়ে একজন মেয়ে নিজেকে শুধু মেয়েমানুষ ভাবতে বাধ্য হয়, যা তার স্বপ্নগুলোকে বাধাগ্রস্ত করে। কর্মক্ষেত্রে তাকে শুনতে হয়—এটা মেয়েদের নয়, ছেলেদের কাজ। নারী তার জীবনকে একটি ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে সীমিত রাখতে বাধ্য হয়। তারই সমবয়সী পুরুষের স্বপ্নগুলো হয় বিশাল এবং এক বৃহৎ জগতে হয় তার বসবাস। সমাজের এ চিরাচরিত চিত্রের পরিবর্তন একান্তই কাম্য। সবার ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত যে—সে মানুষ।
নারী বলে জীবনের বহু ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে, চার দেয়ালের মধ্যেই নারীর জীবন আবদ্ধ থাকবে—তা কখনো হতে পারে না।
-
‘তোমায় আমি গড়তে চাই না, পরতে চাই না, কাটতে চাই না, নাড়তে চাই না, ফুলের মতো পাড়তে চাই না, চাইছি তোমার বন্ধুতা’—সুমনের এই গানের মতোই জীবনপথে চলতে গিয়ে প্রতিটি নতুন ধাপে আমরা বন্ধু খুঁজি। কিন্তু সবচেয়ে কাছের বা প্রিয় বন্ধুর সংখ্যা জীবনে কমই হয়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এই বন্ধুত্বের ধারণা পাল্টে যাচ্ছে। শিক্ষাজীবন, চাকরিজীবন, চাকরিপরবর্তী জীবনে নতুন নতুন বন্ধু আমরা পাই। কখনও কখনও বন্ধু চিনতে ভুল হলে নানা ভুল পথে-নেশা বা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে হয়। আবার কখনও সেই বন্ধুই বিপদে পাশে থেকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়। বিভিন্ন প্রজন্মের প্রতিনিধিদের চোখে বন্ধুত্বের প্রকৃত অর্থ ও তাদের বন্ধুকে ঘিরে গড়ে ওঠা
-
সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মনে হচ্ছে বাসায় আমার জন্য যে পরীক্ষা অপেক্ষা করছে, সেই পরীক্ষার কোনো প্রশ্নের উত্তরই আমি জানি না। কারণ, এইমাত্র পারিবারিকভাবে ঠিক করা এক পাত্রের সঙ্গে আলাপ করে এলাম আর অবজেকটিভ পরীক্ষার মতো এখনই ওই পাত্রের প্রাপ্ত মার্কস আমার পরিবারের কাছে বলতে হবে, যার উত্তর আমার জানা নেই। আপন মনে এসব ভাবতে ভাবতে শিলা পৌঁছে গেল দরজার কাছে, কিন্তু বেল আর বাজাতে পারছিল না আসন্ন পরীক্ষার ভয়ে।
এ ধরনের অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয় বহু মেয়েকেই তার জীবনে এবং সে সময় তার পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকে না। জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তের সামনে এসে অসহায়ের মতো একাকী দাঁড়িয়ে
-
বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতার যুগ। এই যুগে টিকে থাকতে হলে শুধু পুঁথিগত জ্ঞানই যথেষ্ট নয়। জীবনে প্রতি মুহূর্তে আমাদের বাধার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ভালো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে চাকরিজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বহু পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষায় লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের মধ্যে দিয়ে প্রথম শতজনের মধ্যে স্থান করে নিতে পারলে তবেই একটা চাকরি পাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে। অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেও অনেকে বেকার ঘরে বসে রয়েছে, চাকরি নেই। দিন দিন এই প্রতিযোগিতা আরও বাড়ছে।
বর্তমান যুগের নারীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে ছোটবেলা থেকেই। আমরা এসএসসি, এইচএসসিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবনে
ক্যাটাগরি
উৎস
- কে আমি?
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- কথা পাঞ্জাব
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- বিজ্ঞানচেতনা
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- মূল্যায়ন
- পরিচয়
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- আলোর উদ্দাম পথিক
- সুকান্তসমগ্র
- শহরের ইতিকথা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বনে পাহাড়ে
- বিজ্ঞান পাঠ
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৫)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৩৭)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৭)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৬)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৮)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.