নারী নিজেই রচনা করবে তার পথরেখা
বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতার যুগ। এই যুগে টিকে থাকতে হলে শুধু পুঁথিগত জ্ঞানই যথেষ্ট নয়। জীবনে প্রতি মুহূর্তে আমাদের বাধার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ভালো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে চাকরিজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বহু পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষায় লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের মধ্যে দিয়ে প্রথম শতজনের মধ্যে স্থান করে নিতে পারলে তবেই একটা চাকরি পাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে। অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেও অনেকে বেকার ঘরে বসে রয়েছে, চাকরি নেই। দিন দিন এই প্রতিযোগিতা আরও বাড়ছে।
বর্তমান যুগের নারীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে ছোটবেলা থেকেই। আমরা এসএসসি, এইচএসসিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবনে বহু সময় বসে থেকে কাটাই। সেশন জটের কারণে অনেক মাস পার করতে হয় কিছু না করেই। অনার্সের এক বর্ষের পর আরেক বর্ষের ক্লাস শুরু হতে বেশ দেরি হয়। ওই সময়টা নষ্ট না করে নানা ধরনের কোর্স আমরা করতে পারি। মাধ্যমিক পর্যায়ের পর থেকেই হতে পারে সে চর্চার শুরু। ব্রিটিশ কাউন্সিলে, আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ইংরেজি, জার্মান, জাপানিসহ নানা ভাষার ওপর কোর্স করতে পারি। কৈশোরবেলার সেই সময়টা নতুন ভাষা শিক্ষার জন্য আদর্শ। এ জ্ঞান ভবিষ্যতে নানা দেশে উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে কাজে লাগবে। শুধু জাপানি ভাষা জানা না থাকায় হয়তো সেখানে আর মাস্টার্স করতে যাওয়া হবে না! জীবনের সেই সুযোগ যেন না হারায়, সে কথা চিন্তা করে নারীদের স্কুল-কলেজে পড়ার সময় থেকেই নিজের পথে এগিয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে কোনো বাধাই উচ্চশিক্ষার পথকে রুদ্ধ করতে পারবে না। এছাড়া ছোটবেলা থেকেই পত্রিকা পড়ার অভ্যাস নিজের মধ্যে গড়ে তুলতে হবে। পত্রিকা পড়ার কোনো বিকল্প নেই। নিজের জগৎকে ছোট্ট ঘরের বাবা-মা, ভাইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ছড়িয়ে দিতে হবে। প্রতিটি নারীর জানতে হবে সারা দেশে কী হচ্ছে, সারা বিশ্বে কী হচ্ছে। তবেই তাকে কেউ আর ঘরের মধ্যে আটকে রাখতে পারবে না। নানা পত্রিকায় একই ঘটনা নানাভাবে লেখা হয়, তা বিচার-বিশ্লেষণ করে সারমর্ম ভাবার চেষ্টা করতে হবে। নিজের এই জ্ঞানগুলোই কাজে লাগবে চাকরিজীবনে। নানা মানুষের নানা ধরনের ব্যাখ্যা থেকে খুঁজে বের করতে হবে সঠিক সমস্যাটি ও তার সমাধান।
অনেক সময় তথ্যের অভাবে নারীরা অনেক কোর্সে অংশ নিতে পারে না। পুরুষরা তাদের বড় ভাইয়ের দেখানো পথ অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারে। কিন্তু নারীদের জন্য সে সুযোগও কম। সেই তথ্য জোগাড় করার জন্যও তাদের নির্ভর করতে হয় পুরুষদের ওপর। নিজের ওপর আত্মবিশ্বাসের অভাবে নানা ধরনের ভাষা, গবেষণাধর্মী বা পরিসংখ্যানগত কোর্সে অংশ নেয়া থেকে নারীরা নিজেদের এড়িয়ে চলে। এটা কখনোই উচিত নয়। এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। একটু অনুসন্ধান করলেই তারা তাদের প্রয়োজনীয় সব তথ্যই খুঁজে পেতে পারে ইন্টারনেটে। যা থেকে আগ্রহ অনুযায়ী বেছে নিতে পারে নিজের জন্য কোর্স। এসব কোর্সের মাধ্যমে মেয়েদের নেটওয়ার্ক বড় করার উপায় তৈরি হয়। পরিচয় হয় নানা পেশার নানা ধরনের লোকের সাথে। যারা তাদের আরও নানা ধরনের তথ্য জানাতেও সাহায্য করবে। নারীদের নিজ নেটওয়ার্ক যত বড় হবে, তা তাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আরও বেশি সাহায্য করবে। শুধু সঠিক সময়ে জানতে না পারার কারণে যোগ্যতা বেশি থাকা সত্ত্বেও একজন নারী পিছিয়ে পড়বে না।
এখন ফ্রি-ল্যান্সার হিসেবে বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে ঘরে বসে অনেক ডলার আয় করা সম্ভব। অডেস্ক, ফ্রি-ল্যান্সার ডটকম এসব আউটসোর্সিং ওয়েবসাইটের মেম্বার হলে তারা দেখতে পাবে ঘরে বসে কী ধরনের কাজ তারা করতে পারে। ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকলে ওয়েব পেজে নানা বিষয়ে লেখা প্রস্তুত করার মধ্য
লেখাটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
এক বছর
এক মাস
রেজিস্ট্রেশন করা নেই? রেজিস্ট্রেশন করে ৭ দিন বিনামূল্যে ব্যবহার করুন
যোগাযোগ করতে
Leave A Comment
Don’t worry ! Your email address will not be published. Required fields are marked (*).


Comments