-
‘বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী’ কথাটা যেমন দিনের মতো সত্য, ‘বাণিজ্যে বসতে মিথ্যা’ কথাটা তেমনই রাতের মতো অন্ধকার। শিল্প-বাণিজ্যের উন্নতি না করিতে পারিলে জাতির পতন যেমন অবশ্যম্ভাবী, সত্যের উপর ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত না করিলে বাণিজ্যের পতনও আবার তেমনই অবশ্যম্ভাবী। মদকে মদ বলিয়া খাওয়ানো তত দোষের নয়, যত দোষ হয় মদকে দুধ বলিয়া খাওয়ানোতে। দুধের সঙ্গে জল মিশাইয়া বিক্রি করিলে লাভ হয় যত, প্রবঞ্চনা করার পাপটা হয় তার চেয়ে অনেক বেশি। একটা জাতি ব্যবসা-বাণিজ্য দ্বারা যত বড়ো হয় হউক, কিন্তু প্রবঞ্চনা বা মিথ্যার বিনিময়ে যেন তাহার জাতির বিশ্বস্ততা আর সুনাম বিক্রি করিয়া সে ছোটো না হইয়া বসে। ভণ্ড লক্ষপতি অপেক্ষা দরিদ্র তপস্বী ঢের ভালো।
-
আজ মনে পড়ে সেই দিন আর সেই ক্ষণ – বিকাল আড়াইটা যখন কলিকাতার সারা বিক্ষুব্ধ জনসংঘ টাউনহলের খিলাফত-আন্দোলন-সভায় তাহাদের বুকভরা বেদনা লইয়া সম্রাটের সম্রাট বিশ্বপিতার দরবারে তাহাদের আর্ত-প্রার্থনা নিবেদন করিতেছিল, আর পুত্রহীনা জননীর মতো সারা আকাশ জুড়িয়া কাহার আকুল-ধারা ব্যাকুলবেগে ঝরিতেছিল! সহসা নিদারুণ অশনিপাতের মতো আকাশ বাতাস মন্থন করিয়া গভীর আর্তনাদ উঠিল, – ‘তিলক আর নাই!’ আমাদের জননী জন্মভূমির বীরবাহু, বড়ো স্নেহের সন্তান – ‘তিলক আর নাই!’ হিন্দুস্থান কাঁপিয়া উঠিল – কাঁপিতে কাঁপিতে মূর্ছিত হইয়া পড়িল। ওরে, আজ যে তাহার বুকে তাহারই হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা ধসিয়া পড়িল! হিন্দুস্থানের আকাশে বাতাসে কোন্ প্রিয়তম-পুত্রহারা অভাগি মাতার মর্মবিদারী কাতরানি আর বুকচাপড়ানি রণিয়া রণিয়া গুমরিয়া
-
আজ মহাবিশ্বে মহাজাগরণ, আজ মহামাতার মহা আনন্দের দিন, আজ মহামানবতার মধ্যযুগের মহা উদ্বোধন! আজ নারায়ণ আর ক্ষীরোদসাগরে নিদ্রিত নন। নরের মাঝে আজ তাঁহার অপূর্ব মুক্তি-কাঙাল বেশ। ওই শোনো, শৃঙ্খলিত নিপীড়িত বন্দিদের শৃঙ্খলের ঝনৎকার। তাহারা শৃঙ্খল-মুক্ত হইবে, তাহারা কারাগৃহ ভাঙ্গিবে। ওই শোনো মুক্তি-পাগল মৃত্যুঞ্জয় ঈশানের মুক্তি-বিষাণ! ওই শোনো মহামাতা জগদ্ধাত্রীর শুভ শঙ্খ! ওই শোনো ইস্রাফিলের শিঙায় নব সৃষ্টির উল্লাস-ঘন রোল! ওই যে ভীম রণ কোলাহল, তাহাতেই মুক্তিকামী দৃপ্ত তরুণের শিকল টুটার শব্দ ঝনঝন করিয়া বাজিতেছে! সাগ্নিক ঋষির ঋক্মন্ত্র আজ বাণীলাভ করিয়াছে অগ্নি-পাথারে অগ্নি-কল্লোলে। আজ নিখিল উৎপীড়িতের প্রাণ-শিখা জ্বলিয়া উঠিয়াছে ওই মন্ত্র-শিখার পরশ পাইয়া। আজ তাহারা অন্ধ নয়, তাহাদের চোখের উপরকার কৃষ্ণ
-
আমরা ইহারই মধ্যে ভুলিয়া যাই নাই হতভাগ্য হাবিবুল্লার হত্যা-বীভৎসতা। আজও মনে পড়ে সেই দিন, যেদিন খবর আসিয়াছিল যে, সামরিক পুলিশের সঙ্গে একদল মুহাজিরিন গোলমাল করায় কাঁচাগাড়ি নামক স্থানে মুহাজিরিনদের উপর গুলিবর্ষণ করা হয়। একজন ভারতীয় সৈন্য তিন তিনবার গুলিবর্ষণ করে, তাহাতে মাত্র একজন নিহত ও একজন আহত হয়! কোনো মূর্খ বিশ্বাস করিবে এ কথা?
আমরা বলি, একটি আঘাতের বদলেই তিনি তিনবার গুলিবর্ষণ করে, এ কোন্ সভ্য দেশের রীতি? তোমাদের তো সিপাহি-সৈন্যের অভাব নাই – বিশেষ করিয়া সেই সীমান্ত দেশে। চল্লিশটি নিরস্ত্র লোককে, তাহারা যদি সত্যই অন্যায় করিয়া থাকে, সহজেই তো গেরেফতার করিয়া লইতে পারিতে। তাহা না করিয়া তোমরা চালাইয়াছিলে গুলি!
-
হায়দ্রাবাদের নিজামের প্রধানমন্ত্রী সার সৈয়দ আলি ইমাম বিলাতে গত ১১ মার্চ রাত্রে লর্ড এবং লেডি রিডিং-এর সম্মানার্থে এক ভোজ দিয়াছিলেন। সেই ভোজসভায় বক্তৃতা দিবার সময় তিনি মি. মন্টেগুকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাইয়া বলেন, মি. মন্টেগু ভারতের কল্যাণের জন্য, মুক্তির জন্য প্রবল প্রতিবন্ধক সত্ত্বেও ভীষণ যুদ্ধ (অবশ্য বাকযুদ্ধ) করিয়াছেন। লর্ড হার্ডিঞ্জ আশ্চর্য তৎপরতার সহিত গত ১৯১৪ সালের মহাবিপদের সময় ভারতীয় সৈন্যদিগকে চটপট আসরে নামাইয়া ভারতীয়দিগের ভীষণ রাজভক্তির কথা সপ্রমাণ করিয়াছেন। লর্ড রিডিং ভারতের লাটগিরি করিতে স্বীকৃত হইয়া ব্যক্তিগত স্বার্থত্যাগের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করিয়াছেন! তাঁহার এই নিঃস্বার্থ বলিদানে ভারত কৃতার্থ হইয়া যাইবে! ভারতের বর্তমানে যে সংকটাপন্ন অবস্থা, তাহাতে এই রকম একজন গুণসম্পন্ন
-
খুব সোজা করিয়া বলিতে গেলে নন-কো-অপারেশন হইতেছে বিছুটি বা আলকুশি, এবং আমলাতন্ত্র হইতেছেন ছাগল! ছাগলের গায়ে বিছুটি লাগিলে যেমন দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হইয়া ছুটাছুটি করিতে থাকে, এই আমলাতন্ত্রও তেমন অসহযোগিতা – বিছুটির জ্বালায় বে-সামাল হইয়া ছুটাছুটি আরম্ভ করিয়া দিয়াছেন। কিছুতেই যখন জ্বলন ঠাণ্ডা হয় না, তখন ছাগ বেচারি জলে গিয়ে লাফাইয়া পড়ে, দেয়ালে গা ঘষিতে থাকে, কিন্তু তাহাতে জ্বালা না কমিয়া আরও বাড়িতেই থাকে, উলটো ঘষাঘষির চোটে তাহার চামড়াটি দিব্যি ক্ষৌরকর্ম করার মতোই লোমশূন্য হইয়া যায়। আমলাতন্ত্রের গায়েও বিছুটি লাগিয়াছে এবং তাই তিনি কখনও জলে নামিতেছেন, কখনও ডাঙায় ছুটিতেছেন, আর কখনও বা দেয়ালে গা ঘেঁসড়াইয়া খামকা নিজেরই নুনছাল তুলিতেছেন! তবু কিন্তু
-
কথায় বলে, ‘টকের ভয়ে পালিয়ে গিয়ে তেঁতুলতলে বাসা।’ আজকাল ‘জাতীয় শিক্ষা’, ‘জাতীয় শিক্ষা’ বলিয়া যে বিপুল সাড়া পড়িয়া গিয়াছে দেশে, ইহার প্রতিও উক্ত ব্যাঙ্গোক্তি দিব্যি খাটে! সরকারি বিদ্যালয়ে বিদ্যা লয় হয় বলিয়াই যদি আমরা তাহাকে তালাক দিই , তাহা হইলে আমরা আমাদের শিক্ষার পরিপুষ্টির জন্য বা মনের মতো শিক্ষা দিবার জন্য যে বিদ্যাপীঠ খাড়া করিয়াছি বা করিব, তাহা কিছুতেই ওই সরকারি বিদ্যালয়েরই নামান্তর বা রূপান্তর হইবে না। তাহা হইলে টকের ভয়ে আমরা বৃথাই বাঁধা বাসা ফেলিয়া পলাইয়া আসিলাম, কেননা আবার আমাদের আর একরকম ‘টকবৃক্ষ’-এরই ছায়াতলে আশ্রয় লইতে হইল।
‘শুনিয়াছি, ‘বন্দেমাতরম’-এর যুগে যখন স্বদেশি জিনিসের সওদা লইয়া দেশময় একটি হইহই ব্যাপার,
-
জাতীয় (ন্যাশনাল) বিদ্যালয় লইয়া একটু খোঁচা দিয়াছি, তাহা অন্য কোনো ভাব-প্রণোদিত হইয়া নয়। জাতীয় জিনিস লইয়া জাতির প্রত্যেকেরই ভালো-মন্দ বিচার করিয়া দেখিবার অধিকার আছে। তাহা ছাড়া, ‘মুনিনাঞ্চ মতিভ্রমঃ’, ভুল সকলেরই হয়; নিজের ভুল নিজে দেখিতে পায় না। অতএব আমাদেরই জাতীয় বিদ্যালয়ের যে ভুল আমাদের চোখে পড়িবে, তাহা আমাদেরই শোধরাইয়া লইতে হইবে। প্রথম কোনো বড়ো কাজ করিতে গেলে অনেক রকম ভ্রম-প্রমাদ হওয়া স্বাভাবিক জানি, এবং তাহাকে ক্ষমা করিতেও পারা যায় – যদি জানি যে তাঁহারা জানিয়া ভুল করিতেছেন না। কিন্তু যদি দেখি যে, এই সব হোমযজ্ঞের হোতারা জানিয়া শুনিয়া ভুল করিতেছেন বা জাতীয় শিক্ষা-রূপ পবিত্র জিনিসের নামেই নিজ-নিজ স্বার্থসিদ্ধির পথ খুঁজিতেছেন,
-
সিংভূম-জেলার বন-জঙ্গল ও পাহাড়শ্রেণী ভারতবর্ষের মধ্যে সত্যিই অতি অপূর্ব্ব। বেঙ্গল-নাগপুর-রেলপথ হওয়ার আগে এই অঞ্চলে যাবার কোনো সহজ উপায় ছিল না, কেউ যেতোও না সে সময়—যা একটু আধটু যেতো—এবং যে ভাবে যেতো—তার কিছুটা আমরা বুঝতে পারি সঞ্জীবচন্দ্রের ‘পালামৌ’ পড়ে। সিংভূম জেলার ভেতরকার পাহাড় জঙ্গলের কথা ছেড়ে দিই—বাংলাদেশের প্রত্যন্ত সীমায় অবস্থিত মেদিনীপুর ও বাঁকুড়া জেলার অনেকস্থান জনহীন অরণ্যসঙ্কুল থাকার দরুণ ‘ঝাড়খণ্ড’ অর্থাৎ বনময় দেশ বলে অভিহিত হোত। এ সব লোক প্রাণ হাতে করে যেতো ঐ সব বনের দেশে। কিন্তু না গিয়ে উপায় ছিল না—যেতেই হোত।
ওই দেশের মধ্যে দিয়ে ছিল পুরী যাওয়ার রাস্তা। মেদিনীপুর জেলার বর্তমান ঝাড়গ্রাম মহকুমার মধ্যে দিয়ে এই পুরোনো
-
বাংলা শিশুসাহিত্যের প্রচলিত ধারায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্থান নির্ণয় করা ভারী শক্ত। আমার ছেলেবেলায় ‘রাজর্ষি’ ও ‘রামের সুমতি’র সঙ্গে আর একটিমাত্র বই পড়বার অনুমতি পেয়েছিলাম মায়ের কাছে, সে বইটি হল ‘পথের পাঁচালী’। দীর্ঘদিন আমার মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল ‘পথের পাঁচালী’ শিশুসাহিত্যের অন্তর্গত, তার আবার শিশুপাঠ্য সংস্করণ হয় কী করে? পরে জেনেছি বয়স্ক ও শিশু পাঠকদের সাহিত্যের আঙিনায় লক্ষ্মণের যে গণ্ডিটি টানা হয়েছে বিভূতিভূষণ বেশিরভাগ সময়েই তা মনে রাখেননি। কেন না তাঁর শিল্পীসত্তার মধ্যে সবসময় লুকিয়ে ছিল একটি কিশোর মন। তিনি ছোটোদের সঙ্গে একেবারে তাদের সমবয়সি হয়ে মিশতে পারতেন এবং তাঁর মধ্যে আরোপিত ছেলেমানুষি মোটেই থাকত না। সেইজন্য কিশোর পাঠকদের মনের খুব
-
দুনিয়ায় খুব কমই দেখা যায়, যে একজন আর একজনকে টেনে তুলছে ওপরে। এবং সে টেনে তোলা আরও মহত্ত্বর হয়, যখন যিনি টেনে তুলছেন, তিনি খ্যাতির শীর্ষদেশে সমাসীন যাকে টেনে তুলছেন, সে রয়েছে অখ্যাত, অবহেলিত। এমনি একটি কাহিনী দিয়েই আজ আমি নজরুল ইসলামের স্মৃতি-চারণ করছি।
১৯২১ সাল। দেশে তখন প্রবল অসহযোগ আন্দোলন। সে আন্দোলনে ভাসিয়ে দিলাম আমার আসন্ন বি. এ. পরীক্ষা। স্কটিশ হস্টেল ছেড়ে দিয়ে বাসা বাঁধলাম নন্দকুমার চৌধুরী লেনের একটি মেসে।
‘বিদ্রোহী’ কবিতা লিখে কবি কাজী নজরুল ইসলাম তখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। একদিন তার কথা উঠতে পবিত্র বললেন, ‘ও কাজীটার কথা বলছিস? তা ওটাকে আনবো একদিন।’
আমি তো হাঁ! বড় বেশী
-
II ১ II
নজরুলের কথা আজ এভাবে স্মরণ করতে হবে, সে কথা সুদূরতম কল্পনাতেও ভাবিনি। সাহিত্য-ইতিহাসের ছাত্র হিসাবে, যখন পূর্ব যুগে সংঘটিত সাহিত্যিকদের প্রতি অবিচারের কাহিনী পড়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলাম, সেদিন ভাবিনি যে, আমাদের জীবদ্দশাতেই সাহিত্য-ইতিহাসের এক নিষ্ঠুরতম উদাসীনতার অসহায় সাক্ষীরূপে থাকতে হবে। মাইকেলের সমাধি স্তম্ভের পাশে দাঁড়িয়ে প্রথম জীবনে কতদিন ভেবেছি, সেদিন যদি আমি বেঁচে থাকতাম তাহ’লে সমগ্র বাংলাদেশের চেতনাকে জাগিয়ে তুলতাম, সেই নির্মম উদাসীনতার দিকে; কিন্তু আজ, সেই উদাসীনতারই পুনরাবৃত্তি ঘটে চলেছে... সেই আমিও রয়েছি...কতটুকুই বা কি করতে পেরেছি বা পারি! নিজের অক্ষমতার দৈন্যে লজ্জিত হওয়া ছাড়া, বেশী কিছু আর কি করতে পারি?
II২II
কিন্তু ভাবি, কেন
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- শহরের ইতিকথা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- বাংলাদেশ ’৭৩
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- যুগবাণী
- পরিচয়
- কথা পাঞ্জাব
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- মূল্যায়ন
- বিজ্ঞান পাঠ
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- বিজ্ঞানচেতনা
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- লেখকদের প্রেম
- বনে পাহাড়ে
- সুকান্তসমগ্র
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৩)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (১)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৯)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.