-
প্রায় চার হাজার বছর আগে সুমেরে লিখিত ‘ছাত্র জীবন’ নামে একটি ব্যাঙ্গাত্মক প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছি:
‘আমি শিক্ষাফলক (ট্যাবলেট) থেকে আবৃত্তি করলাম। তারপর খেয়ে দেয়ে নূতন মৃৎফলক বানিয়ে নিয়ে তার উপর আমার লেখার কাজ শেষ করলাম। পরে আমাকে আগামী দিনের জন্য মৌখিক পাট বুঝিয়ে দেওয়া হলো এবং বিকাল বেলা পরদিন কি কি লিখে নিয়ে আসতে হবে, তাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হলো। বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেলে পর বাড়ি ফিরে এলাম। ঘরে ঢুকে দেখি বাবা বসে আছেন। আমি আজ যা যা লিখেছি, বাবার কাছে বললাম এবং ফলক থেকে আবৃত্তি করে শোনালাম। বাবা শুনে মহা খুশী। পরদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে আমি আমার
-
যদি আপনার হাতে সময় থাকে আর মনে বাসনা থাকে তবে চলুন, সিন্ধসভ্যতার যুগে অর্থাৎ মোহেনজোদারো আর হরপ্পার যুগে এক চক্কর বেরিয়ে আসা যাক। যারা কিছু কিছু পড়াশোনা করেন, তাঁরা হয়তো বলবেন, এই বিষয়টা নিয়ে তো ইংরাজী আর বাংলায় যথেষ্ট লেখালেখি হয়ে গিয়েছে, আর কত? সেই একই পুরানো কাসুন্দি আর বেশী ঘেঁটে কি হবে? কিন্তু আমার কি মনে হয় জানেন, কাসুন্দিটা আরও একটু ভালো করে ঘাঁটা দরকার। এই নিয়ে অনেক কিছু জানবার ও চিন্তা করবার রয়েছে। এটা স্মরণ রাখতে হবে, আমাদের এই উপমহাদেশের সভ্যতার ইতিহাস সম্পর্কে যে প্রচলিত ধারণা চলে আসছিল, সিন্ধু-সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের আবিষ্কারের ফলে তার মধ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসে গেছে।
-
প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ইতিহাসে সে নামটি সবচেয়ে বিখ্যাত হয়ে আছে সেটি হচ্ছে হাম্বুরাব্বি। ব্যাবিলনের এই বিখ্যাত নৃপতির নাম তাঁর একটি বিশেষ কীর্তির জন্য মানব সভ্যতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। এই অনুপম কীর্তিটি হচ্ছে হাম্মুরাব্বি প্রণীত আইনসংহিতা। সভ্যতার ইতিহাসে হাম্মুরাব্বির আইনসংহিতা প্রথম সুসংবদ্ধ বিধানমালা। হাম্মুরাব্বির রাজত্বকাল হচ্ছে খ্রিষ্টপুর্ব ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ সাল। এই দীর্ঘ বিয়াল্লিশ বছর হাম্মুরাব্বি অত্যন্ত পারদর্শিতার সঙ্গে এক বিশাল ভূখণ্ড শাসন করেন। তাঁর এই নির্বিঘ্ন শাসন তাকে পৃথিবীর ইতিহাসে একজন অন্যতম সার্থক নৃপতি হিসেবে স্থান দিয়েছে। তার সিংহাসনারোহণের সময় প্রাচীন মেসোপটেমিয়া খণ্ড খণ্ড রাজত্বে বিভক্ত ছিল। হাম্মুরাব্বি তাঁর প্রতিবেশী রাজ্যগুলো যুদ্ধবিগ্রহের মাধ্যমে তাঁর কর্তৃত্বাধীনে আনেন এবং সমগ্র মেসোপটেমিয়ার এক
-
মেসোপটেমিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান মূলতঃ এসেছে আসূরবানিপালের গ্রন্থাগার থেকে। আসিরীয়ার দ্বিগ¦ীজয়ী সম্রাট আসূরবানিপালের গ্রন্থাগার ইংরেজ পুরাতত্ত্ববিদ হেনরী লেয়ার্ড ১৮৫০ খৃষ্টাব্দে প্রাচীন নিনেভা শহরের ধ্বংসস্তূপ খনন কাজ চালানোর সময় খুঁড়ে বের করেন।
পৃথিবীর এই প্রাচীনতম গ্রন্থাগারের জন্য আমরা প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সম্বন্ধে এতোকিছু জানতে পেরেছি। গ্রন্থাগারটি হচ্ছে খৃষ্টপূর্ব ৬৬৮ অব্দের। এই সময় থেকে আরো দেড় হাজার বছর আগের মৃৎফলক গ্রন্থাগারে পাওয়া গেছে। রাজা আসূরবানিপাল যেমন নিষ্ঠুর তেমনই বিদগ্ধ ছিলেন। তাঁর সাম্রাজ্যের মধ্যে যত লিখিত বস্তু অর্থাৎ মৃৎফলক ছিল তা যতই প্রাচীন হোক না কেনো সেগুলো তিনি তাঁর গ্রন্থাগারে আনিয়ে ছিলেন। ফলশ্রুতি হিসাবে আমরা পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা সুমের থেকে শুরু করে
-
সুদূর মহাকাশে আছেন,
দেবতা ভয়ঙ্কর
মানুষের সামাজিক সত্তা বা অস্তিত্ব নির্ধারিত করে তার চেতনাকে। আর এই চেতনায় ধরা পড়ে সামাজিক অস্তিত্বের রূপ, সেটা হচ্ছে—বাস্তব জগত। মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি খুব উন্নত, সেজন্য তার মনের আয়নায় প্রতিফলিত বাস্তব-বিশ্বের ছবি সে রঙীন করে আঁকতে পারে। সে তার চিন্তাকে নানা অলঙ্কারে সাজায়, রূপ দেয় সুন্দর কাহিনিতে। কিন্তু এসবের ভেতরে রয়ে যায় সেই মূল জিনিসটি, যে উৎস থেকে সব কল্পকাহিনির উদ্ভব... বাস্তব পৃথিবী। কাহিনি যত জটিল আর বর্ণাঢ্যই হোক না কেনো, তার একেবারে ভেতরের মূল ব্যাপারটা কিন্তু ঠিকই থেকে যায়, হয়ত নীচে তলিয়ে থাকে। এই কল্পকাহিনি আর রূপক মানুষের সমৃদ্ধ মনীষার ফসল সমাজে মানুষের তৈরী অন্যান্য
-
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য ও সঙ্গীত এবং সাধারণভাবে সাহিত্যসৃষ্টির বৈচিত্র্য ও বহুত্বকে একটি বৃক্ষের শাখা প্রশাখা হিসাবে না দেখে একেবারে পৃথক করে করে কাণ্ডজ্ঞানহীনভাবে আমাদের যার যার পছন্দমত বেছে নেবার একটা ঝোঁক তাঁর কাজের সামগ্রিকতাকে আড়াল করে দেয় এবং উৎকর্ষকে খণ্ডিত করে। অযৌক্তিক হলেও দুঃখের বিষয়, এটাই ঘটেছে বিশেষ করে চল্লিশের দশকে। এই বিভাজন ও তার ঝোঁকের মূলে কি কি কারণ রয়েছে এবং এদের অতিক্রম করার জন্যই বা কি কি পদক্ষেপ নেয়া, হয়েছে, আমরা এদের এখানে সংক্ষেপে খতিয়ে দেখছি এক এক করে। আমাদের মূল লক্ষ্য নজরুলের অব্যাহত ও অবিভাজ্য সত্তাটিকে প্রতিষ্ঠিত দেখা।
নজরুলের বিভাজনের জন্য হয়তো নজরুল নিজেও
-
সাহিত্য একটি নিরবচ্ছিন্নভাবে চর্চার মাধ্যমে হয়ে ওঠা চিন্তা, রুচি ও মননশীলতার শৈল্পিক পাঠকেন্দ্র। সাহিত্যে তাই সততা এবং নিষ্ঠার কমতি থাকলে, তা আর সঠিকরূপে বিকশিত হতে পারে না। ভাবনায় ব্যাঘাত ঘটলে যেমন থমকে যেতে হয়, ঠিক তেমনিভাবে সাহিত্যের জন্য ব্যক্তির স্বাধীনভাবে পূর্ণ মনোনিবেশের মধ্যে দিয়ে চিন্তার উৎকর্ষ স্তরে পৌঁছতে হয়। ফলে সাহিত্য চর্চার জন্য পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সততার প্রয়োজন হয়।
বহুকাল আগে থেকে সাহিত্য চর্চা বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সত্যিকারের সাহিত্য নির্মাতা কখনও কিছুতে মাথা নত করে না, সাহিত্য সর্বদা সত্য ও সুন্দরের পথে অগ্রসরমাণ একটি প্রক্রিয়া। সমাজ বিনির্মাণে সাহিত্য চর্চার মানুষদের কদর সে কারণে অধিক। এরা রাষ্ট্র গঠন থেকে শুরু করে
-
‘গায়ত্রীকে কি তুমি ভালোবাসতে?’
‘আরে ধ্যুৎ, আমার সঙ্গে তিন-চারদিনের আলাপ, প্রেসিডেন্সি কলেজের নামকরা সুন্দরী ছাত্রী ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের, তারপর কোথায় চলে গেলেন, আমেরিকা না কোথায়, ঠিক জানি না।’
‘তাহলে ওকে নিয়ে কবিতা কেন?’
‘কাউকে নিয়ে তো লিখতে হয়—আমগাছ, কাঁটাগাছ, রজনীগন্ধা নিয়ে কি চিরদিন লেখা যায়!’
উপরের প্রশ্নোত্তর পর্বটিফিরে এসো চাকা-র কবিবিনয় মজুমদারের।
সম্ভবত বিনয় মজুমদারই একমাত্র কবি যার একটি কবিতার বইয়ের নাম তিনবার দেয়া হয়েছে। বইটির প্রথম সংস্করণে নাম ছিল ‘গায়ত্রীকে’, কোনো উৎসর্গপত্র ছিল না, ধরে নেওয়া যায় বইয়ের নামেই উৎসর্গ। দ্বিতীয় সংস্করণে হলো ‘ফিরে এসো চাকা’। আর এর তৃতীয় সংস্করণে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—কবির কবিতা লেখা বন্ধ,
-
সুকান্ত! সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬-১৯৪৭) বাংলা সাহিত্যে একটি অবিস্মরণীয় নাম, বিস্ময়কর প্রতিভা। তাঁর সাহিত্যচর্চা শুরু হয়েছে শিশুকালে ৯ বছর বয়সে। কিন্তু প্রকৃত সাহিত্যজীবন (১৯৪০-১৯৪৭) ৭ বছর। একুশে পা না দিতেই তিনি চিরতরে হারিয়ে গেছেন। তাঁর জীবনের বৃহৎ অংশ কাব্যচর্চা। সাহিত্যের অন্যান্য শাখায়ও তাঁর পদচারণা ছিল। কাব্যক্ষেত্রে তিনি যে তীক্ষ্ণ ধীশক্তির পরিচয় দিয়েছেন, বিষয় ও বক্তব্যে যে দৃঢ়তা প্রকাশ করেছেন এবং বিদ্রোহ, বিপ্লব ও শ্রেণি চেতনার সুর ধ্বনিত করেছেন তা পূর্বাপর কোন কবির মধ্যে দেখা যায় না। মানব মুক্তির মহান মন্ত্রকেই তিনি জীবনের লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। আর এ কাজে তিনি নিজেকে উজাড় করে সঁপে দিয়েছিলেন। ঠিক যেমনটি তিনি কাব্যে প্রকাশ করেছিলেন:
-
বায়ান্ন সালের একুশে ফেব্রুয়ারীতে এদেশে যে গণ জাগরণের সূচনা হয়েছিল, একাত্তরের ছাবিবশে মার্চ ছিল সেই জ্বলন্ত সত্যেরই পরিণত অবয়ব। ভাষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্রীক প্রতিরোধ বাংলাদেশে ক্রমশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংগ্রামে রূপ পেয়েছিল। ইতিহাসের এই অধ্যায়ে বাংলাদেশ অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক স্বাধীনতা লাভের পরও বাংলাদেশের সংগ্রাম শেষ হয়নি। সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি যতদিন না আসবে, ততদিন এদেশের মেহনতি মানুষের সংগ্রাম অব্যহত গতিতে চলতে থাকবে, যাদের কাছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাধীনতা ছাড়া রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন।
সংগ্রামের এই নবতর প্রেক্ষিতে আমাদের জানতে হবে বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থাকে। আমাদের সমাজতাত্ত্বিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক অবস্থানের পটভ মিতে সংগ্রামের নতুন দিক চিহ্ন সুস্পষ্ট অবয়বে প্রকাশ পাবে। ক্রান্তিকালের এই
-
স্বাধীনতা এসেছে বিপ্লবের মধ্য দিয়ে। এ বিপ্লব রাজনৈতিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক। এই বিপ্লবটি যেন একটি তিন অংকের নাটক, যার মধ্যাংকে রয়েছি আমরা এই মুহূর্তে।
এ বিপ্লবের মধ্যে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক রূপান্তরের উপকরণ বিস্ফোরকের মতো মিশ্রিত রয়েছে। তাছাড়া এই উপকরণগুলি আনুপাতিকভাবে সুষম করে সাজানো নেই। জীবনের প্রবাহে উপকরণসমূহের সুষম সজ্জা আসে নাটকের মতোই তৃতীয় অংক। আমাদের অবস্থাটাও অনেকটা সেরকম। তবে স্বাধীনতার পরে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অবস্থান ও গতিধারা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতা রাজনৈতিক মুক্তির পথের বাধাগুলিকে অপসারিত করার সঙ্গে সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিকাশও সমৃদ্ধির বাধাগুলিকে অনেকাংশে অপসারিত করে দেওয়ার ফলে সংস্কৃতি আমাদের জীবনে কল্লোলিত হয়ে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। আমাদের রাজনীতিকে অর্থপূর্ণ এবং আমাদের
-
[১৯৮০ সালে প্রেস ক্লাবের বাৎসরিক সংখ্যায় প্রকাশিত এই লেখাটি প্রয়াত অজিত চক্রবর্তীর। তিনি প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সম্পাদক এবং যুগান্তর পত্রিকার বর্ষীয়ান সাংবাদিক ছিলেন। অজিত চক্রবর্তী দীর্ঘকাল যুগান্তর পত্রিকার ডেপুটি চিহ্ন রিপোর্টারের দায়িত্ব সামলেছেন।]
১৬ এপ্রিল, ১৯৭১।
ঐ দিনটি এবং তারপরের দিনটি কলকাতা প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লিখে রাখার মতো। আমি তখন ক্লাবে সেক্রেটারী। এখন প্রকাশ করা যেতে পারে যে যোগাযোগ ঘটিয়েছিলেন সমর বসু। সমর আমার সহপাঠী, অনেক দিনের বন্ধু। তখন বিএসএফ-এর পিআরও। ঐ যোগাযোগের উপর নির্ভর করেই বিকেল পাঁচটায় প্রেস ক্লাবে একটা প্রেস কনফারেন্স ডেকে দিলুম। লিখিত নয়, মুখে মুখে সকলকে আমন্ত্রণ জানান হল। এখনও সেদিনটির কথা মনে আছে।
ক্যাটাগরি
উৎস
- কে আমি?
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- কথা পাঞ্জাব
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- পরিচয়
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- মূল্যায়ন
- শহরের ইতিকথা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- বনে পাহাড়ে
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বিজ্ঞান পাঠ
- সুকান্তসমগ্র
- বাংলাদেশ ’৭৩
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৫)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৩৭)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৭)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৬)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৮)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.