-
মুখ দিয়ে সবে কথা ফুটছে। তখন থেকেই আমাকে সব ব্যাপারে জ্ঞানী করে তোলার জন্য আমার ঠাকুর্দার মানে পিতামহের কী সাংঘাতিক গরজ! মুখে মুখে নিজেই প্রশ্ন করে নিজেই তার উত্তর দিয়ে, আবার আমার মুখ দিয়ে তার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে, পাখি পড়ানোর মতো শেখাতেন—
'তোমার বাড়ি কোন গ্রামে?’—চন্দ্রপাড়া। ‘কোন্ ইউনিয়ন?' -আশুজিয়া। 'থানা?’—কেন্দুয়া। ‘মহকুমা?’—নেত্রকোনা। 'জিলা?’—ময়মনসিংহ।
‘নেত্রকোনা' আর 'ময়মনসিংহ' কথা দুটো নিজেই বারবার আবৃত্তি করতাম। সেই এতটুকু বয়সেই এ-দুটো নামের প্রতি আমার প্রচণ্ড আকর্ষণের একটা গূঢ় কারণ ছিল। আমাদের গাঁয়ের আশপাশের বাজার গুলোতে হাটের দিনে তেল নুন কেরোসিন মাছ তরকারি পাওয়া যেতো, ছোট ছোট লিলি বিস্কুট কিংবা ধ্যাবড়া ধ্যাবড়া তক্তা বিস্কুটও পাওয়া যেতো; কিন্তু শখের
-
অনেক দিন ধরেই দার্জিলিং যাওয়ার ইচ্ছে ছিল আমার। গতবার গ্রীষ্মের ছুটিতেই কাজটা সেরে ফেলার প্ল্যান করছিলাম বন্ধু মিজানের সাথে বসে। সব কিছু ঠিক-ঠাকও করে রেখেছিলাম মনে মনে। কিন্তু তখনও দুশ্চিন্তা ছিল—কিভাবে যাব, কোথায় থাকব-তা নিয়ে। বাস না ট্রেন, ট্রেন না এরোপ্লেন—এই তেটানা নিয়ে ফেসবুকের নিউজফিড স্ক্রল করতে করতে এক ট্রাভেল এজেন্সির দারুণ অফারওয়ালা একটা স্পন্সরড এড চোখে পড়ল। খুশিতে ডগমগ হয়ে সেবারে দার্জিলিং ভ্রমণের একটা বিহিত করে ফেললাম সেই ট্রাভেল এজেন্সি থেকে। দার্জিলিং যাওয়ার পরেও থাকা-খাওয়াসহ আরো অনেক ব্যাপারে সাহায্য পেলাম ফেসবুক মারফত।
গল্পটা এখানেই শেষ হতে পারত। কিন্তু হঠাৎ করেই একটা প্রশ্ন সব চিন্তা-ভাবনা ওলট-পালট করে দিল। ফেসবুক জানল
-
এ বছরের প্রথম দিনে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ভিয়েতনামে বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে ছাত্র সমাজ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সংগঠিত করে। বিক্ষোভকারী ছাত্র সমাজের শান্তিপূর্ণ মিছিলের উপর পুলিশ অন্যায়ভাবে গুলিবর্ষণ করে। ফলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে দ'জন বীর সৈনিক শহীদ মতিউল ও কাদের। আহত হয় আরো অনেকে। স্বাধীন স্বদেশের মাটি আবার নতুন করে বিপ্লবী ছাত্র সমাজের বুকের রক্ত পান করে। সেই ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অবধি যে লাখো লাখো বীর মানুষের বুকের রক্তধারা সাম্রাজ্যবাদ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে উত্তাল হয়ে উঠেছিল তার সাথে নতুন করে ১লা জানুয়ারীর রক্তস্রোত মিশে গেল ৷ বায়ান্ন সালে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ
-
একটি প্রতিষ্ঠানের পঁচিশ বছর বা রজতজয়ন্তী নিছক একটি মাইলফলক নয়, এটি হচ্ছে আত্মমূল্যায়নের আয়না, অভিজ্ঞতার ভান্ডার, সৃষ্টির নেপথ্য সংগ্রামের ইতিহাস। ‘উৎস প্রকাশন’-এর (২০০১-২০২৫) রজতজয়ন্তী সে রকমই একটি গৌরবোজ্জ্বল মূহূর্ত; যার জন্ম, বিকাশ এবং প্রতিষ্ঠায় আছে একজন নিরলস, মেধাবী, স্বপ্নবান মানুষের নিরবধি শ্রম, একাগ্রতা ও শিল্পবোধ। তিনি মোস্তফা সেলিম। প্রকাশক হিসেবে যেমন তিনি অনন্যতা অর্জন করেছেন, তেমনি লেখালেখি ও গবেষণায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন সমীহ জাগানো উচ্চতায়। তিনি, সিলেটি নাগরীলিপির নবজাগরণের পথিকৃৎজন। ‘নাগরীলিপিবিদ’ হিসেবে একাডেমিক অঙ্গনে তাঁর রয়েছে স্বীকৃতি। ফোকলোর এবং মুক্তিযুদ্ধ গবেষক সেলিম ভ্রমণ নিয়েও একাধিক গ্রন্থ উপহার দিয়েছেন পাঠককে। প্রতিভাময় বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব মোস্তফা সেলিম পেশাজীবনের এক স্বর্ণক্ষণে পদার্পণ করেছেন এ-বছর।
-
১৮১৮ সালে ৫ মে জার্মানিতে মহামতি কার্ল মার্কসের জন্ম। স্বদেশের ভূমিতে তাঁর শেষ শয্যা রচিত হয়নি। প্রবাসী অবস্থায় ১৮৮৩ সালে ১৪ মার্চ তাঁর নশ্বর জীবনের মৃত্যু ঘটে। তাঁর শেষ শয্যা রচিত হয়েছে লন্ডন শহরের হাইগেট ভিলেজের সমাধিক্ষেত্রে। তাঁর এই সমাধি আজ হয়েছে বিশ্ব প্রলেতারিয়েত এবং প্রগতিশীল কোটি কোটি মানুষের তীর্থভূমি।
স্বদেশে কেন তাঁর সমাধি হলো না- সে ইতিহাস আমরা কম আর বেশি সকলেই জানি। যে লোকটি বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তিতে তত্ত্ব দিয়ে আবিষ্কার করেছিলেন পুঁজিতান্ত্রিক সমাজের ধ্বংস অনিবার্য এবং বিশ্বকে অবশ্যম্ভাবীরূপে জয় করে নেবে সর্বহারা শ্রমিকশ্রেণি, সে লোকটিকে জার্মানির ধনিকশ্রেণি এবং তাদের সেবাদাস সরকারগুলো কেন স্বদেশে থাকতে দেবে? তাই অদ্যাবধি এই বিশ্বের
-
লেখক: আহমদ কবিরআনিসুজ্জামান বাংলা বিদ্যাভুবনের এক বিরাট ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বলতম ছাত্র। মুহম্মদ শহীদুল্লাহর স্নেহধন্য তিনি। মুহম্মদ আবদুল হাই, মুনীর চৌধুরী, আহমদ শরীফ, সৈয়দ আলী আহসান প্রমুখ বিখ্যাত শিক্ষকেরা সবাই একবাক্যে বলে গেছেন তাঁদের সেরা ছাত্রটি হলেন আনিসুজ্জামান। তাঁর শিক্ষক ডক্টর কাজী দীন মুহম্মদেরও একই কথা। আনিসুজ্জামানের ছাত্রত্বের অবসান হয়েছে পঞ্চাশ বছর আগে। তারপর তিনি নিজেও হাজার হাজার ছাত্রের জন্ম দিয়েছেন, ঐ ছাত্ররা আবার তাদের ছাত্র গড়েছে। আসলে আনিসুজ্জামান কয়েক প্রজন্মের শিক্ষক। তিনি এখনও শিক্ষকতা করছেন এবং নিশ্চয়ই আজীবন তাঁর শিক্ষকতার অবসান হবে না। কেবল পরীক্ষার ফলে নয়, বিদ্যাবত্তা, পাণ্ডিত্য ও গবেষণার জন্য তরুণ বয়স থেকেই আনিসুজ্জামানের খ্যাতি
-
আমাদের কালের অন্যতম এক শ্রেষ্ঠ বাঙালি আনিসুজ্জামান। জীবনাচরণে মার্জিত রুচির এমন বাঙালি সহজে চোখে পড়ে না। বাংলাদেশের যে-কোনো সংকটে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা পথিকৃতের। তাঁর অ্যাকাডেমিক প্রত্যয় ও অর্জন ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বাঙালি সমাজের পুরোধা। তাঁকে ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ উপাধি দিয়ে যে সম্মান প্রদর্শন করেছে তাতে আমরা গর্বি। তাঁর বহুমুখী কর্ম এ দেশের সমাজ ও সংস্কৃতিকে যে শক্তি জুগিয়েছে তা হয়ে উঠেছে অনুকরণী। অসাম্প্রদায়িক চেতনা সঞ্চার, গণতন্ত্র ও একটি শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণের জন্য তাঁর অবিচলিত ও দৃঢ় প্রত্যয় বাঙালিকে সতত প্রাণিত করছে।পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে তাঁকে চিনি। প্রথমে ছিলাম তাঁর ছাত্র। দেখেছি তখন কত ছাত্রকে দীক্ষিত করেছেন সাহিত্যের রস গ্রহণে,
-
সম্প্রতি সোভিয়েট রাশিয়া ভ্রমণ উপলক্ষে সেখানকার সাহিত্যিকমণ্ডলীর সঙ্গে পরিচয় লাভের সুযোগ পেয়েছিলাম। এর আরেকটি কারণ এই যে, সোভিয়েট রাশিয়ায় আমরা ছিলাম মস্কো লেখক সংঘের অতিথি ৷
মস্কো, লেনিনগ্রাদ, তিব্লিসি, তাসখণ্ড সর্বত্র লেখক, কবি, নাট্যকার সংঘ আমাদের অভ্যর্থনা করেছেন। কেবল ভাবের আদানপ্রদান নয়, ভারতের প্রাচীন ও আধুনিক সংস্কৃতির সঙ্গে আদানপ্রদানের জন্যে তাঁদের আগ্রহ দেখেছি। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শ্রেণীসংঘর্ষ বর্জিত যে নুতন সভ্যতা গড়ে উঠছে, এই সমস্ত লেখক তাকে লালন করবার ভার নিয়েছেন। অনেকের সঙ্গে আলাপ করে এদের মনের প্রসারতা দেখে মুগ্ধ হলাম। সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এঁরা দেশবিদেশের গণ্ডি অতিক্রম করে সর্বমানবের কল্পনার কুহকমুক্ত জ্ঞানের সাধনাকে গ্রহণ করেছেন। এঁরা অনেকেই জানেন যে, ভারতের প্রাচীন
-
পাঞ্জাবী সাহিত্যের সূচনালগ্নেই পাঞ্জাবী গল্পের উদয় হয়েছে। পাঞ্জাবী সাহিত্যের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সত্ত্বেও, এই সাহিত্য-প্রবাহের গতি সমগ্র ভারতীয় সাহিত্য, বিশেষতঃ উত্তর ভারতের সাহিত্যেরই অনুরূপ। যে সময়ে হিন্দী ভাষায় রাসো সাহিত্য রচিত হচ্ছিল ও মারাঠি ভাষায় পওয়াড়ো সাহিত্য জন্ম নেয়-সেই যুগেই পাঞ্জাবী ভাষায় ‘ওয়ারোঁ’-র উদয়। ‘ওয়ারোঁ’গুলি পাঞ্জাবের বীরগাথা, কাব্যরূপে বর্ণিত। ‘ওয়ারোঁ-র নায়ক হতেন সাধারণতঃ জননেতা, এগুলি জনসাধারণের সমুখে গেয়ে শোনানো হত। পাঞ্জাবে পাঞ্জাবীর স্বাধিকার ছিল না। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত থেকে আক্রমণকারীদের আনাগোনা থাকত অব্যাহত।
পাঞ্জাবের গ্রামগুলিকে নিজেদেরই আত্মরক্ষার ব্যবস্থা করতে হত। যখনই বিদেশী সেনা সদলবলে আক্রমণ চালাতো, লোকেদের লড়তে হয়েছে আপন ধনপ্রাণ ও সম্মান রক্ষার জন্য, আর আক্রমণ শিথিল হয়ে গেলে স্বীয় যোদ্ধা
-
বোম্বাই ছেড়ে ১৯৪৮ সালের জানুয়ারী মাসে করাচী হয়ে লাহোর এসেছি। তিন মাস যাবত দারুণ টানা-পোড়নের মধ্যে কাটাই। বুঝতে পারতাম না, কোথায় বসে আছি, করাচীতে আমার বন্ধু হাসান আব্বাসের বাড়ীতে, বোম্বেতে না লাহোরে। লাহোরে কয়েকটি হোটেলে কায়েদে-আজম ফাণ্ডের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে নৃত্য গীতের আসর লেগেই আছে।
তিন মাস যাবত আমার চিন্তা বা কল্পনা রাজ্যে কোন স্থিতিশীলতা আসেনি। কখনও করাচীর দ্রুতগামী ট্রাম, গাধার গাড়ী, আবার বোম্বের বাজার ও অলিগলি, অনেক সময় লাহোরের জমজমাট হোটেলের দৃশ্য আমার মনের পর্দায় ভেসে ওঠে। সারাদিন চেয়ারে বসে কল্পনা রাজ্যে হারিয়ে যেতাম। অবশেষে বোম্বে থেকে যা টাকা সঙ্গে এনেছিলাম, বাড়ীতে ও বাড়ীর অদুরে “ক্লিফটন পান্থসালায়” নিঃশেষ
-
যে-কোন নগণ্য বস্তু সমস্যার কারণ হতে পারে। মশারির অভ্যন্তরে একটি মশা অনুসন্ধান করে টিপে মারা আবার অন্যান্য মশার প্রবেশ রুদ্ধ করাও অনেক সময় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বিশ্বের প্রথম মানব যখন ক্ষুধা অনুভব করলেন তখন থেকে সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। ক্ষুধাই হচ্ছে সব সমস্যার মূল ভিত্তি। বিশ্বের প্রথম মানব যখন প্রথম মহিলার দেখা পেলেন তখন দ্বিতীয় সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই দুটি সমস্যা আপনারা জানেন দুটি ভিন্ন ধরনের ক্ষুধার ফলে সৃষ্ট। কিন্তু এদের মাঝে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাই বর্তমানে যতগুলি সামাজিক, রাজনৈতিক ও যুদ্ধ-সমস্য। রয়েছে সবকিছুর পেছনে উপরোক্ত দুটি ক্ষুধার সংযোগ পরিলক্ষিত হয়।
বর্তমান যুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পেছনে হাজার হাজার নিহত মানুষের লাশের
-
‘প্রাচীন যুগের’ আদালতের ইতিহাসের কথা বলতে চলেছি, কিন্তু আপনাদের মনে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নটাই জাগা উচিত, এই ‘প্রাচীন যুগ’ বলতে কোন যুগটাকে বোঝায়? কথাটা এভাবে বললে ঠিক হয়, সভ্যতার প্রাথমিক যুগের আদালত। শিরোনামটা যেমন আছে তেমনি থাক, আপনারা এই অর্থেই বুঝে নেবেন। তা হলেই হবে।
কতকাল আগেকার কথা বলা হচ্ছে? মোটামুটি ধরে নিন খ্রিষ্টপূর্ব তিন সহস্রাব্দ (খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০) থেকে দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মাঝামাঝি (খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০) কাল পর্যন্ত। এই প্রসঙ্গে মিসর, সুমেরীয়া, ব্যাবিলন এই কটি দেশ এবং হিট্টীয় ও ইহুদী জাতির মধ্যে কি ধরনের আদালত ব্যবস্থা ছিল? এই সম্পর্কে যে সমস্ত দলিলপত্র পাওয়া গেছে, তা থেকে যা বলার বলবো। তার বেশী আর কেমন
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- মূল্যায়ন
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- বিজ্ঞানচেতনা
- বিজ্ঞান পাঠ
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- আলোর উদ্দাম পথিক
- পরিচয়
- সুকান্তসমগ্র
- শহরের ইতিকথা
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- বাংলাদেশ ’৭৩
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- কথা পাঞ্জাব
- বনে পাহাড়ে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২২)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (১)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৯)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.