সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
কমরেড মণি সিংহ আজন্ম সংগ্রামী এক বাঙালি বীর পুরুষ। তিনি ছিলেন এ দেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের স্থপতি। তিনি ছিলেন এ দেশের প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক আন্দোলনের অগ্রসেনা। সারা জীবন আন্দোলন করেছেন নিপীড়িত-নির্যাতিত-মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য।
মেহনতি শ্রমিক-কৃষকের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে কমরেড মণি সিংহ জীবনের বহু সময় থেকেছেন আত্মগোপনে। বহুদিন তিনি বন্দি থেকেছেন জেলে। ১৯৬৭ সালে বন্দি হয়ে দীর্ঘদিন তিনি জেলে ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের চাপে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁকেও মুক্তি দেয়। কিন্তু ১৯৬৯ সালের মার্চ মাসে জেনারেল ইয়াহিয়া সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখল করলে সে বছরই জুলাই মাসে কমরেড মণি সিংহকে গ্রেপ্তার করা
-
গৃহপ্রাঙ্গণে ভবনশিখী পাখা মেলে নেচে বেড়াচ্ছে অতিমুক্তলতার পাশে পাশে। কাল রাত্রে প্রমোদগৃহে যে জাতিপুষ্পের সুগন্ধি মাল্য ব্যবহৃত হয়েছিল, সেটা বাতায়ন-বলভিতে প্রলম্বিত। বোধ হয় পরিত্যক্ত। আর সেটির কী দরকার!
অতিমুক্তলতার ফাঁকে ফাঁকে দূরের নীল শৈলশ্রেণির তুষার-মুকুট চোখে পড়ে। মাসটা চৈত্র, কিন্তু বেশ শীত।
সুন্দরী ভদ্রা প্রাঙ্গণ উত্তীর্ণ হয়ে বহির্ঘারের কাছে এসে তরুণ স্বামীর দিকে অপাঙ্গ দৃষ্টিতে চেয়ে বললে, রও, তুমি কখন ফিরবে বলে যাও।
নন্দকে অত্যন্ত অনিচ্ছায় যেতে হচ্ছে গৃহ ছেড়ে। তিনি যেতে আদৌ ইচ্ছুক নন। নবপরিণীতা সুন্দরী বধূ প্রাসাদ-অলিন্দে আলুলায়িত-কুন্তল অবস্থায় দণ্ডায়মানা, শাক্যবংশের প্রাসাদ একাই যেন আলো করেছে এই প্রভাতকালে, নবোদিত সূর্যের আলো ম্লান হয়েছে না ওর মুখের সপ্রেম চাহনির
-
দু-বছর আগের কথা বলি। এখনও অল্প-অল্প যেন মনে পড়ে। সব ভুল হয়ে যায়। কী করে এলাম এখানে! বগুলা থেকে রাস্তা চলে গেল সিঁদরানির দিকে। চলি সেই রাস্তা ধরেই। রাঁধুনি বামুনের চাকরিটুকু ছিল অনেক দিনের, আজ তা গেল।
যাক, তাতে কোনো দুঃখ নেই। দুঃখ এই অবিচারে চাকরিটা গেল। ঘি চুরি করিনি, কে করেছে আমি জানিও না, অথচ বাবুদের বিচারে আমি দোষী সাব্যস্ত হলাম। শান্তিপাড়া, সরষে, বেজেরডাঙা পার হতে বেলা দুপুর ঘুরে গেল। খিদেও বেশ পেয়েছে। জোয়ান বয়স, হাতে সামান্য কিছু পয়সা থাকলেও খাবার দোকান এ-পর্যন্ত এসব অজ পাড়াগাঁয়ে চোখে পড়ল না।
রাস্তার এক জায়গায় ভারি চমৎকার একটি পুকুর। স্নান করতে আমি
-
আমি নিজে একজন মাস্টার। ‘শিক্ষক' শব্দটা অনেক ভারী, লোকে মাস্টারই বলে। জীবিকার জন্য আমি মাস্টারি করেছি। জীবিকাই হচ্ছে মানুষের জীবনের আশ্রয়। মাস্টারি করেই আমি জীবিকা নির্বাহ করেছি। তবে অন্য মাস্টারি না-করে অন্যকিছুও তো করতে পারতাম। কিন্তু আমি অন্য কিছু করতে চাইনি। মাস্টারি করতে চেয়েছি, এবং মাস্টারিটাকেই আমার জীবন ও জীবিকার অবলম্বন করে নিয়েছি। মাস্টারি করেই আমি পরিপূর্ণ সুখী। হ্যাঁ, ‘সুখী’ শব্দটাই ব্যবহার করতে চাই আমি।
মাস্টারি ছাড়া যদি অন্য কিছু করতাম, তাহলে আমার জীবিকার মধ্য দিয়ে জীবনের স্বস্তি ও তৃপ্তি আমি পেতে পারতাম বলে মনে করি না। আমার সৌভাগ্য যে আমি মাস্টার হতে চেয়েছিলাম, মাস্টারই হতে পেরেছি। ছেলেবেলাতেই কী করে
-
পুশকিন ছিলেন রাশিয়ার বসন্ত, পুশকিন ছিলেন রাশিয়ার সকাল, পুশকিন ছিলেন রূশী আদম। দান্তে এবং পেত্রার্ক ইতালীর জন্যে যা করেছিলেন, সতেরো শতকে সাহিত্যের অতিকায় বরপুত্রগণ ফ্রান্সের জন্যে যা করেছিলেন, এবং জার্মানদের জন্যে যা করেছিলেন লেসিং, শিলার আর গ্যাটে, পুশকিন তা-ই করেছিলেন আমাদের জন্যে।' এই উত্তি আবেগতাড়িত কোনো তরুণ কবির নয়, বৃদ্ধিদীপ্ত, যুক্তিনিষ্ঠ, বিদগ্ধ রুশ সাহিত্যসমালোচক আনাতিল ল,নাচারিস্কির। অসম্ভব কোনো রুশীর পক্ষে পুশকিন বিষয়ে বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত না হওয়া। আমরা যারা বাঙালি তাদের পক্ষেও কি সম্ভব রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আবেগরহিত কোনো উত্তি করা? যে-কোনো শিক্ষিত রূশীর সত্তার অন্তর্গত আলেক-জান্দর পুশকিন। রাশিয়ার জাতীয় কবি তিনি; রুশ ভাষার অন্য কোনো কবি তাঁর সমকক্ষ নন; তাঁর
-
II ১ II
জাসদের আলোচনায় একটা অসুবিধা হলো এই যে, এটা কোন ‘পার্টি’ নয়। এই দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে: জাসদ একটি সমাজতান্ত্রিক গণ-সংগঠন; অর্থাৎ ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ এবং শ্রমিক জোটের মতো জাসদও নেহাতই একটা গণসংগঠন।
তাহলে পার্টি কোথায়? পার্টি নেই; আছে একটা ‘পার্টি প্রক্রিয়া’। সেটা হলো জাসদের মধ্য থেকেই ক্রমে একটা বিপ্লবী পার্টি গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া। জাসদ সভাপতি জনাব জলিল এটাকে একটা তুলনা দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন:
জাসদ মার্কসবাদী পার্টি নয়। জাসদকে আমরা সমাজতান্ত্রিক গণসংগঠন বলছি। এখানে বিভিন্ন শ্রেণীর সমন্বয় ঘটবে। এখানে আন্দোলনের মাধ্যমে কর্মী তৈরী হবে। যেমন ধরুন, আপনি মাখন তৈরী করতে চান। তাহলে আপনাকে একটা কড়াইয়ে দুধ জ্বাল
-
লেখক: মঈন চৌধুরী
[আমি মানুষ, তুমি মানুষ, সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মুখলোকাত। তোমার আর আমার মাঝে এমন সব গুণ সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন যার ফলে আমরা হয়েছি ফেরেশতা কিংবা জ্বীন থেকে অনেক অনেক মহৎ। আমাদের মাঝেই ঈশ্বর স্থাপন করেছেন দেবতার গুণাবলী; আমরা হয়েছি ঈশ্বরের অবতার। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত এই গুণাবলীকে কেন্দ্র করেই মাঝে মধ্যে আমরা জন্ম নিচ্ছি পীর, ফকির, সাধু, সন্ন্যাসী কিংবা সমাজ সংস্কারক হিসেবে। মানবত্বের বাণী প্রচার করে আমরা তোমাদের জীবন আর সমাজকে সুন্দর করব, আমরা জাগিয়ে তুলব তোমাদের বিবেককে। তোমরা যদি আধুনিক যুক্তিবাদী হও, যদি অবিশ্বাস কর সাধু, সন্ন্যাসী, পীর, ফকির কিংবা ধর্মকেন্দ্রিক সমাজ সংস্কারকের ভূমিকা, তবু আমরা মানবত্ব প্রচারের তাগিদেই বারবার
-
এদেশে শ্রমিক-কৃষক আন্দোলন সংগঠিত করার পাশাপাশি কমিউনিস্টরা প্রথম থেকেই নতুন ধারায় সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগ নেন। সাম্যবাদ শুধু মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিই নিশ্চিত করে না, পুরনো শোষণভিত্তিক সমাজের মূল্যবোধের পরিবর্তে মানুষকে শোষণহীন সমাজ গড়ে তোলার কর্মীতে রূপান্তরের ভেতর দিয়ে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের সৃজনীশক্তি বিকাশের পথও উন্মুক্ত করে দেয় এবং সৃষ্টি করে নতুন যুগের নতুন মানুষ। কমিউনিজম এজন্যই সবদিক থেকে মানব মুক্তির এবং মানস মুক্তির মতবাদ। মানুষের চিন্তাজগতের এই পরিবর্তন বা মুক্তবুদ্ধি ও মুক্ত জীবন-ভাবনা অবশ্য সহজ-সরল পথে আপনা থেকে গঠিত হয় না। সেজন্য প্রয়োজন পুরনো, পশ্চাৎপদ, রক্ষণশীল, সামন্তবাদী, পুঁজিবাদী ভাবধারার বিরুদ্ধে অবিরাম সংগ্রাম।
কমিউনিস্ট বুদ্ধিজীবীরা এই সংগ্রামে তৎকালীন বাংলাদেশে
-
[২০২২ সালের জুলাই মাসে, ট্রাইকন্টিনেন্টাল: ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল রিসার্চ-এর পরিচালক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মার্কসবাদী তাত্ত্বিক বিজয় প্রসাদ ইনস্টিটিউটের চলমান কাজের ওপর ভিত্তি করে সেখানে একটি বক্তৃতা দেন। ডসিয়ার নং ৫৬, মার্কসবাদ ও বিউপনিবেশায়ন সম্বন্ধে দশটি থিসিস, সেই বক্তৃতার মূল ভাবনাগুলোকে ধারণ করেছে এবং সেগুলোকে আরও বিস্তৃত করেছে।]
এক. ইতিহাসের সমাপ্তি
সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব-ইউরোপের কমিউনিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থার পতন ঘটে ১৯৯১ সালে, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বৈশ্বিক দক্ষিণে (গ্লোবাল সাউথে) এক ভয়াবহ ঋণসংকট—যার সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৮২ সালে, মেক্সিকোর ঋণখেলাপি হওয়ার মধ্য দিয়ে। এই দুটি ঘটনা—সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং ‘তৃতীয় বিশ্ব প্রকল্প’-এর দুর্বলতা—কে কাজে লাগিয়ে ১৯৯০-এর দশকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং মার্কিন-পরিচালিত বিশ্বায়ন প্রকল্প
-
নিতাই দাসবাংলাদেশে কয়েক হাজার বছর আগে শিক্ষার সূচনা হলেও শিক্ষা আন্দো-লনের ব্যয়স কিন্তু খুবই কম। ইতিহাসের গত হওয়া দীর্ঘ অধ্যায়গুলোতে শিষ্য আন্দোলন গড়ে উঠতে পারেনি তৎকালীন সামাজিক বাস্তবতার কারণে। প্রাক ঐতিহাসিক যুগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই কোন অস্তিত্ব ছিলনা, যেমন ছিলনা অয়ার প্রসংগঠিত সংগঠন। অনুন্নত সই আদিম ও অসহায় জীবনে মানুষ টিকে থাকার প্রয়োজনেই নিঃশুর সংগ্রাম করে যেতে বাধ্য হতে।। অনানুষ্ঠানিক শিক্ষায় সেই দীর্ঘ কালপর্বে শিক্ষা আন্দোলন গড়ে ভোলার কোন বান্ধব অবস্থায় পৃথিবীর গঙ্গার দেশের মতো বাংলা-দেশেক ছিল না।প্রাচীন বাংলায় আাইদের আগমনের পর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে শুরু করলে শিক্ষা অনানুষ্ঠানিকতার পর্যায় অতিক্রম করে আনুষ্ঠাটিক তথা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ
-
যেখানেতে দেখি যাহা
মা-এর মতন আহা
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের মতন এত
আদর সোহাগ সে তো
আর কোনোখানে কেহ পাইবে না ভাই।
হেরিলে মায়ের মুখ
দূরে যায় সব দুখ,
মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান,
মায়ের শীতল কোলে
সকল যাতনা ভোলে
কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।
কত করি উৎপাত
আবদার দিন রাত,
সব সন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!
আমাদের মুখ চেয়ে
নিজে রন নাহি খেয়ে,
শত দোষে দোষী তবু মা তো ত্যজে না।
ছিনু খোকা এতটুকু,
একটুতে ছোটো বুক
যখন ভাঙিয়া যেত, মা-ই সে তখন
বুকে করে নিশিদিন
আরাম-বিরামহীন
দোলা দিয়ে শুধাতেন, ‘কী হল খোকন?’
-
লেখক: আহমদ কবিরআনিসুজ্জামান বাংলা বিদ্যাভুবনের এক বিরাট ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বলতম ছাত্র। মুহম্মদ শহীদুল্লাহর স্নেহধন্য তিনি। মুহম্মদ আবদুল হাই, মুনীর চৌধুরী, আহমদ শরীফ, সৈয়দ আলী আহসান প্রমুখ বিখ্যাত শিক্ষকেরা সবাই একবাক্যে বলে গেছেন তাঁদের সেরা ছাত্রটি হলেন আনিসুজ্জামান। তাঁর শিক্ষক ডক্টর কাজী দীন মুহম্মদেরও একই কথা। আনিসুজ্জামানের ছাত্রত্বের অবসান হয়েছে পঞ্চাশ বছর আগে। তারপর তিনি নিজেও হাজার হাজার ছাত্রের জন্ম দিয়েছেন, ঐ ছাত্ররা আবার তাদের ছাত্র গড়েছে। আসলে আনিসুজ্জামান কয়েক প্রজন্মের শিক্ষক। তিনি এখনও শিক্ষকতা করছেন এবং নিশ্চয়ই আজীবন তাঁর শিক্ষকতার অবসান হবে না। কেবল পরীক্ষার ফলে নয়, বিদ্যাবত্তা, পাণ্ডিত্য ও গবেষণার জন্য তরুণ বয়স থেকেই আনিসুজ্জামানের খ্যাতি
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- ইংরেজি
- বইমেলা
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- ছোটগল্প
- ইসলাম
- জীবনী
- বই
- ভারত
- শিশুতোষ
- আন্দোলন
- গদ্য
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- অনুবাদ
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- মুক্তিযুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- বিজ্ঞান
- উদ্ভিদ
- ঢাকা
- পরিবেশ
- কবিতা
- যুক্তরাষ্ট্র
- সাম্রাজ্যবাদ
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- বাংলা
- ভাষণ
- ভাষা
- সমাজ
- লালন
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- বিজ্ঞানী
- স্মৃতিকথা
- কিশোর
- যুদ্ধ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ফুল
- চট্টগ্রাম
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- বিশ্ববিদ্যালয়
- গণহত্যা
- অতিপ্রাকৃত
- ভৌতিক
- পুঁজিবাদ
- গবেষণা
- সিলেট
- ফ্যাসিবাদ
- চিরায়ত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- রূপকথা
- কারুশিল্প
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- আলোচনা
- সমালোচনা
- শৈশব
- সাংবাদিকতা
- সরকার
- রাশিয়া
- আত্মজীবনী
- খুলনা
- ভূমিকা
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- নারী
- আর্টিস্ট
- ময়মনসিংহ
- চিঠি
- গান
- বিপ্লব
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- ছাত্র আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- দুঃসাহসিক
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- সংবাদ
- লোককাহিনী
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪১)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৭)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.