সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
অনুচর জমিদারদের নিয়ে গোপন পরামর্শ সভায় বসেছিলেন খুলনার জমিদারদের মধ্যমণি স্বনামখ্যাত রায় বাহাদুর। কি করে কৃষকদের কাছ থেকে সমস্ত জমি ছিনিয়ে নিয়ে তাদের খাস করে নেওয়া যায়, এই নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছিল। উদ্দেশ্যটা সাধু। কিন্তু আইনের নানা রকম বাধা রয়েছে। সেটা না হয় কোনো মতে সামলানো গেলো কিন্তু স্বদেশীওয়ালাদের মধ্যে ওই যে একটা দল আছে, যারা ‘কৃষক‘ ‘কৃষক’ বলে চেঁচিয়ে মরছে, ওদের নিয়েও চিন্তা করতে হয়। ইংরাজদের তাড়িয়ে দিয়ে নাকি দেশ স্বাধীন করবে, তারপর কৃষকদের করবে জমির মালিক। যেন মামার বাড়ীর আবদার। কিন্তু ওরা সহজ পাত্র নয়, একটু কিছু হলেই হৈ হুল্লোড় বাঁধিয়ে বসে। রায় বাহাদুরের কপাল চিন্তার রেখায় কুঞ্চিত হয়ে
-
শুধু বৃহত্তর ইউরোপে নয়, সমগ্র পৃথিবীর সাহিত্যানুরাগীদের কাছে মৌলিক, সহৃদয় ও বুদ্ধিদীপ্ত এক বিশ্লেষণে দস্তয়েভ্স্কিকে উপস্থিত করেছিলেন অঁদ্রে জিদ্। বলা যেতে পারে, পরবর্তীকালের দস্তয়েভ্স্কি ও রুশ সাহিত্যের ব্যাপক চর্চার মূলে আছে জিদের ওই অসাধারণ স্টাডি।
‘দস্তয়েভস্কি’-শীর্ষক গ্রন্থে সংকলিত বক্তৃতামালার এক জায়গায় জিদ্ বলেছেন: আমরা অর্থাৎ ফরাসীরা ফর্মুলা শুনতে ও প্রয়োগ করতে ভালবাসি। একজন লেখককে মার্কা দিয়ে শো-কেসে সাজিয়ে রাখার এটি একটি সহজ পথ। সহজে মনে রাখা যায় এমন তথ্যই আমরা চাই। আলাদা করে মাথা খাটাতে কে আর পছন্দ করে। ফর্মুলাগুলি এইরকম—। নীৎশে? দাঁড়াও বলছি, নীৎশে হল ‘দি সুপারম্যান। বি রুখলেস। লিভ ডেঞ্জারাসলি।’ তলস্তয় ‘নন-রেজিসটান্স টু ইভিল।’ ইবসেন? ‘নর্দার্ন মিস্টস।’ ডারউইন?
-
অনুবাদ: আশিস মুখোপাধ্যায়
আমিও তাদের মধ্যে একজন, যারা এমনকি একটি সাধারণ আকৃতির মূষিককেও বিরক্তিকর বলে মনে করে। সম্ভবত, তারা বিরক্তিতে মারা যেত, যদি তারা সেই বড়ো আকারের মূষিকটিকে দেখত; যেটি আমাদের প্রতিবেশী একটি গ্রামে কয়েক বছর আগে দেখা গিয়েছিল। এবং স্বভাবতই যেটি একরকম অল্পকালস্থায়ী প্রসিদ্ধি অর্জন করেছিল। তারপর অনেকদিন হল ঘটনাটি বিস্মৃতিতে ডুবে গেছে। এ ব্যাপারে কেবলমাত্র কিছু অস্পষ্টতা থেকে গেছে যা ব্যাখ্যা করা একেবারেই অসাধ্য। কিন্তু স্বীকার করা উচিত, সেটিকে ব্যাখ্যা করার জন্য সাধারণ মানুষ খুব একটা কষ্ট স্বীকার করেনি। এবং তাই, যে বিষয়টি নিয়ে তাদের ভাবা উচিত ছিল, যেহেতু তারা অনেক বেশী তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে ইতিপূর্বে প্রচুর আগ্রহ
-
তার একটু দেরি হয়ে গেল। কারণ শিশির-ভেজা ঘাসের জন্য পা-ঢাকা জুতো পরে নিতে হল তাকে। ঘর থেকে বেরিয়ে সে দেখতে পেল, তার স্বামী অপেক্ষা করছে, বাদামের কুঁড়ির ফুটে-ওঠা দেখতে দেখতে বিস্ময়ে তন্ময়। লম্বা লম্বা ঘাসের উপর দিয়ে ফলের গাছগুলোর চারপাশে সে সন্ধানী দৃষ্টি ফেলল।
“নেকড়েটা কোথায়?” জিজ্ঞেস করল সে।
কুঁড়িদের সৃষ্টি-রহস্যের দার্শনিক ও কাব্যিক জগৎ থেকে নিজেকে যেন সজোরে বিচ্ছিন্ন করে নিল ওয়াল্ট আরভিন। উত্তর দিল—“এই তো ছিল কিছুক্ষণ আগেও।” চারদিকটা দেখে নিয়ে সে বলল, “একটা খরগোশের পেছনে ছুটতে দেখেছিলাম তখন।”
ছিমছাম জায়গাটা ছেড়ে সরু পথটা ধরে যাবার সময় সে ডাকল, “নেকড়ে, নেকড়ে, এদিকে আয়, নেকড়ে।” সরু পথটা গিয়ে পড়েছে
-
পাঁউরুটির শেষ টুকরোটা দিয়ে প্লেট থেকে ময়দার তরকারির অবশিষ্টটুকু চেঁচেপুঁছে তুলে নিল টম কিঙ্। টুকরোটাকে মুখে পুরে ধীরেসুস্থে চিন্তামগ্নভাবে চিবোতে শুরু করল। খাওয়া শেষ করে টেবিল থেকে ওঠার পরেও মনে হচ্ছে খিদেটা মেটেনি। তবু তো বাড়ির মধ্যে ও একাই আজ খেয়েছে। ছেলে দুটোকে আগেভাগে ঘুম পাড়িয়ে পাশের ঘরে শুইয়ে দেওয়া হয়েছে—যাতে ওরা খেতে পায়নি বলে চেঁচামেচি না করে। টমের স্ত্রী মুখে কিছু ঠেকায়নি। চেয়ারে বসে স্নেহ-ভরা চোখে ওর দিকে তাকিয়ে আছে। শ্রমিক ঘরের মেয়ে টমের বউ। শুকনো রোগা চেহারা, কিন্তু তবু মুখ থেকে লাবণ্যটুকু এখনো পুরো মুছে যায়নি। তরকারির জন্যে ময়দাটা সে প্রতিবেশীর কাছ থেকে ধার করে এনেছিল। শেষ পুঁজি
-
আমাদিগের সমাজ এখনও প্রকৃতরূপে সংগঠিত হয় নাই। তাহার একটি সামান্য প্রমাণ দিতেছি। প্রত্যেক জাতিরই একটি নির্দিষ্ট পরিচ্ছদ আছে; সেইরূপ পরিচ্ছদ সেই জাতীয় সকল ব্যক্তিই পরিধান করিয়া থাকেন, কিন্তু আমাদিগের বাঙ্গালি জাতির একটি নির্দিষ্ট পরিচ্ছদ নাই। কোনো মজলিসে যাউন, একশত প্রকার পরিচ্ছদ দেখিবেন; পরিচ্ছদের কিছুমাত্র সমানতা নাই। ইহাতে এক এক বার বোধ হয়, আমাদিগের কিছুমাত্র জাতিত্ব নাই। বস্তুত ঐক্য না থাকিলে প্রকৃত জাতিত্ব কীরূপে সংগঠিত হইবে? আমাদিগের কোনো বিষয়ে ঐক্য নাই। ইহার উপর আমরা আবার অনুকরণ-প্রিয়। বাঙ্গালি জাতি অত্যন্ত অনুকরণ-প্রিয়; আমরা সকল বিষয়েই সাহেবদের অনুকরণ করিতে ভালোবাসি। কিন্তু বিবেচনা করি না যে, সে অনুকরণ আমাদের দেশের উপযোগী কি না, আর তদ্দ্বারা
-
নৃতত্ত্ববিদেরা মনে করেন ভারতীয় জনসৌধের প্রথম স্তর নেগ্রিটো বা নিগ্রোবটু জন। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে এবং মালয় উপদ্বীপে যে নেগ্রিটো জনের বসবাস ছিল এ তথ্য বহু পুরাতন। কিছুদিন আগে হাটন, লাপিক ও বিরজাশংকর গুহ মহাশয় দেখাইয়াছিলেন যে, আসামের অঙ্গামি নাগাদের মধ্যে এবং দক্ষিণ ভারতের পেরাম্বকুলম এবং আন্নামালাই পাহাড়ের কাদার ও পুলায়নদের ভিতর নিগ্রোবটু রক্তপ্রবাহ স্পষ্ট। ভারতীয় নিগ্রোবটুদের দেহবৈশিষ্ট্য কীরূপ ছিল তাহা নিশ্চয় করিয়া বলিবার উপায় কম, কারণ বহুযুগ পূর্বেই ভারতবর্ষের মাটিতে তাহারা বিলীন হইয়া গিয়াছিল। তবে বিহারের রাজমহল পাহাড়ের আদিম অধিবাসীদের কাহারও কাহারও মধ্যে কখনও, কখনও যে ধরনের ক্ষুদ্রকায়, কৃষ্ণাভঘনশ্যাম, ঊর্ণাবৎ কেশযুক্ত, দীর্ঘমুণ্ডাকৃতির দেহবৈশিষ্ট্য দেখা যায়, কাদারদের মধ্যে যে মধ্যমাকৃতি নরমুণ্ডের দর্শন
-
তিন মাস পর সরকারের এক বছর পূর্ণ হবে। নির্বাচন বা ভোট কি ধরনের হয়েছে নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তা জনগণ জানে। জনগণকে তা বলার বা বুঝানোর প্রয়োজন নেই। জনগণ জানতে চায় কেন তাদের ভোটাধিকার বারবার ছিনতাই হয়ে যায়। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?
এই সময়কালের মধ্যে আমরা দেখেছি, কৃষক ধানের দামে চরমভাবে মার খেয়েছে। তার উৎপাদন খরচও উঠেনি। এরপর মানুষের ঘরবাড়ি ডুবেছে বন্যায়, পুকুরের মাছ গেছে ভেসে, ফসলের হয়েছে ক্ষতি। জুন মাসে সরকার বাজেট দিয়েছে। ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীর সুদের হার কমিয়ে তাদের জীবন করেছে দুর্বিষহ। ধনীদের উপর প্রত্যক্ষ কর না বাড়িয়ে বহুমাত্রিক অপ্রত্যক্ষ কর বাড়িয়েছে। যার সিংহভাগ বোঝা বহন করতে
-
কামরূপ-রংপুর
কোনো দেশের ইতিহাস লিখিতে গেলে সেই দেশের ইতিহাসের প্রকৃত যে ধ্যান, তাহা হৃদয়ঙ্গম করা চাই। এই দেশ কী ছিল? আর এখন এ দেশ যে অবস্থায় দাঁড়াইয়াছে, কী প্রকারে—কীসের বলে এ অবস্থান্তর প্রাপ্তি, ইহা আগে না বুঝিয়া ইতিহাস লিখিতে বসা অনর্থক কালহরণ মাত্র। আমাদের কথা দূরে থাক, ইংরেজ ইতিহাসবেত্তাদিগের মধ্যে এই ভ্রান্তির বাড়াবাড়ি হইয়াছে। ‘বাঙ্গালার ইতিহাস’ ইহার এক প্রমাণ। বাঙ্গালার ইতিহাস পড়িতে বসিয়া আমরা পড়িয়া থাকি, পালবংশ সেনবংশ বাঙ্গালার রাজা ছিলেন, বখ্তিয়ার খিলিজি বাঙ্গালা জয় করিলেন, পাঠানেরা বাঙ্গালায় রাজা হইলেন, ইত্যাদি ইত্যাদি। এ সকলই ভ্রান্তি; কেন না, সেন, পাল ও বখ্তিয়ারের সময় বাঙ্গালা বলিয়া কোনো রাজ্য ছিল না। এখনকার এই
-
গোড়াতেই বলিয়া রাখা ভালো, এই ক্ষুদ্র প্রবন্ধে আমি যে সাহিত্যের সকল দিক ও বিভাগ লইয়া প্রকাণ্ড একটা কাণ্ড বাধাইয়া দিতে পারিব, আমার এমন কোনো মহৎ উদ্দেশ্য বা ভরসা নাই। তবে মাতৃভাষা এবং সাহিত্যের সাধারণ ধর্ম এবং প্রকৃতি এই ক্ষুদ্র স্থানে যতটা সম্ভব আলোচনা করিবার চেষ্টা করিব মাত্র। আমার উদ্দেশ্য বৃহৎ নহে; অতএব যিনি বৃহৎ একটা আশা লইয়া আমার এই ক্ষুদ্র প্রবন্ধ পড়িতে বসিবেন, তাঁহার আশার তৃপ্তি সাধন করিতে আমি একান্ত অপারগ।
একটা কথা আমার অত্যন্ত দুঃখের সহিত মনে পড়িতেছে, আমার জীবনে আমি এমন দুই-একটি কৃতবিদ্য বাঙ্গালিকে ঘনিষ্ঠভাবে জানিয়াছি, যাঁহারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত পরীক্ষাগুলাই কৃতিত্বের সহিত উত্তীর্ণ হইয়াও মাতৃভাষা জানা এবং না-জানার
-
বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্যে ঢাকায় এলাম, পড়াশুনা করার ইচ্ছে ছিল খুবই কিন্তু আমার সেই যে টাইফয়েড হয়েছিল তার পর থেকে আমি আর এক সঙ্গে বেশীক্ষণ পড়ায় মনোনিবেশ করতে পারতেম না। ছাত্র হিসেবে আমার যেটুকু সুনাম ছিল স্কুল জীবনে তা পরবর্তী জীবনে আমি আর অক্ষুন্ন রাখতে পারিনি। পরীক্ষায় কোন দিনই খুব বেশী খারাপ না করলেও খুব একটা ভালও কিছু করিনি। এরপর হ’তে ছাত্র হিসেবে ‘মিডিওকার’ বলেই আমার পরিচয় ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর থেকে স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ দৃষ্টির ফলেই হউক বা ঢাকার জলবায়ুর জন্যেই হউক আবার আমি খেলাধুলা করতে সক্ষম হই। তবে টেনিসের
-
লেখক: ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়
মনের রোগ নিয়ে জ্ঞানী-গুণীজন যে উঁচুদরের আলোচনা করেছেন এবং করবেন তার জন্য তাঁদের আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাধারণ মানুষের রোগ সম্পর্কে ধারণা কিন্তু কেতাবী তত্ত্বের সঙ্গে অনেক সময়েই মেলে না। আমার কাছে সাধারণ মানুষের ধারণা যেভাবে ধরা পড়েছে, তারই কিছু বিবরণ এখানে দিচ্ছি।
এমন এক সময় ছিল একথা আপনারা সকলেই জানেন-মনের রোগকে শয়তান বা প্রেতাত্মা প্রভাবিত বলে মনে করা হত। তখন তাদের যে চিকিৎসা হত তাও আমাদের সবার জানা। তবুও পুনরুল্লেখ করছি। তাদের পা বেঁধে মাথা নীচুর দিকে করে ঘরের ছাদের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হত এবং মাঝে মাঝে তাদের নগ্ন দেহের উপর আঘাত করে প্রেতাত্মা বা শয়তানকে
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- বইমেলা
- ছোটগল্প
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- জীবনী
- বই
- শিশুতোষ
- মুক্তিযুদ্ধ
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- গদ্য
- নদী
- ফুল
- স্মৃতিকথা
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- সাম্যবাদ
- চট্টগ্রাম
- লালন
- বিজ্ঞান
- অনুবাদ
- ঢাকা
- অর্থনীতি
- বাংলা
- ভাষণ
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ভাষা
- সমালোচনা
- গণহত্যা
- সংবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- কিশোর
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- রূপকথা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- সমাজ
- সাংবাদিকতা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- সরকার
- রাশিয়া
- খুলনা
- ভূমিকা
- ফ্যাসিবাদ
- বিজ্ঞানী
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- অভ্যুত্থান
- ছাত্র আন্দোলন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- ইংরেজি
- আর্টিস্ট
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- চিঠি
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- গান
- চিরায়ত
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- রংপুর
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- নারী
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ময়মনসিংহ
- বিপ্লব
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.