সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
লেখক: সৈয়দ আবুল মকসুদ
বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে কবি-শিল্পী-সাহিত্যিকেরা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একাত্তরের মার্চে বঙ্গবন্ধুর ডাকে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে তাঁদের ভূমিকা ছিল অগ্রসৈনিকের। শুধু লেখালেখি নয়, তাঁরা রাজপথে মিটিং-মিছিল করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দেশের ভেতরে থেকে কবি-সাহিত্যিকদের অনেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নিয়েছেন। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যাঁদের পক্ষে ভারতে যাওয়া সম্ভব হয়, তাঁরাও সেখানে গিয়ে বিভিন্নভাবে সাধ্যমতো ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের কবি-লেখক-শিল্পীদের সঙ্গে তখন যোগ দেন ভারতের বাঙালি কবি-সাহিত্যিকেরা। তাঁরা বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনে অসামান্য ভূমিকা রাখেন।
কলকাতার উর্দুভাষী কবি-সাহিত্যিকেরা অনেকেই বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে এগিয়ে আসেননি। তবে কেউই আসেননি তা
-
জাতিসংঘের শরণার্থী সংক্রান্ত হাই কমিশনার মি. অনটোনিও গুটারেস, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন বিশ্বে ৬০ মিলিয়ন জনগণ এখন হচ্ছে শরণার্থী। এতো অধিক সংখ্যক শরণার্থীর সংখ্যা আগে আর কখনো দেখা যায়নি। হাই কমিশনার মনে করেন বর্তমান বিশ্বে প্রতি ১২২ জনের মধ্যে একজন ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন এবং শরণার্থী হিসেবে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। সিরিয়ার যুদ্ধে কমপক্ষে ২০.২ মিলিয়ন লোকজন গৃহহীন হয়েছে। ইয়েমেনের যুদ্ধে ৯,৩৩,৫০০ জন ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র নিরুদ্দেশে যাত্রা করেছে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে শুধুমাত্র ২০১১ সালে মোট ৭.৬ মিলিয়ন অধিবাসী গৃহহীন হয়েছে। ইউক্রেনের বিছিন্নতাবাদীদের সাথে সংঘাতে ২০১৪ সালে প্রায় ৪.১৪ লক্ষ লোকজন ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এছাড়া কয়েকেটি
-
বাংলাদেশে যখন মোট জনসংখ্যা ছিল মাত্র সাত কোটি, তখন দেশের এক কোটি লোক দেশ ছাড়তে বাধ্য হলো। কেন এক কোটি বাংলাদেশি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল তার কয়েকটি রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক কারণ ও প্রেক্ষাপট উল্লেখ করা যেতে পারে:
রাজনৈতিক:
শরণার্থীদের এক বৃহৎ অংশ ছিল হিন্দু ধর্মের অনুসারী। এ সকল বাংলাভাষাবাসী হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা প্রধানত ভোট দিয়েছে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এককভাবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদেরকে। কারণ অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারে সব সময় বলে আসছে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে তারা বিশ্বাসী এবং এই দল নির্বাচিত হলে তারা ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকল মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। সকল ধর্মের অনুসারীরা
-
মাননীয় প্রেসিডেন্ট মহাশয়, ঢাকার আলোচনা ভেঙে যাওয়ার খবর এবং সামরিক প্রশাসন চূড়ান্ত ব্যবস্থা অবলম্বন প্রয়োজন মনে করে পূর্ব পাকিস্তানের জনসাধারণের বিরুদ্ধে সামরিক বলপ্রয়োগ করেছেন-এই মর্ম খবর সোভিয়েত ইউনিয়নের গভীর উদ্বেগের সঞ্চার করেছে।
এই ঘটনার ফলে পাকিস্তানের অগণিত মানুষের প্রাণহানি, নিপীড়ন ও দুঃখ-কষ্টের খবরে সোভিয়েতের জনগণ বিচলিত না হয়ে পারে না। মুজিবুর রহমান ও অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বন্দী ও নির্যাতন করায়ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এই নেতারা হালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সন্দেহাতীত সমর্থন লাভ করেছিলেন। সোভিয়েত জনগণ সর্বদাই পাকিস্তানের মানুষের মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করেছে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশের জটিল সমস্যার সমাধানে তাদের সফলতায় আনন্দিত
-
লেখক: ফাদার রিগন
'১৯৭১-এর ১ মার্চ আমি ছিলাম ঢাকায়। ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলেন। পূর্ব বাংলায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঘৃণা আর প্রতিবাদের উত্তাল তরঙ্গ। এই তরঙ্গের আছাড়েই আমি আমার কর্মক্ষেত্র বানিয়ারচরে ফিরে এলাম। এরপর আরও অস্থিরতা! অপেক্ষা একটি স্বাধীনতা যুদ্ধ!'
এভাবে ধীরে ধীরে ব্যাপক পরিসরে ফাদার মারিনো রিগনের ডায়েরিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র। তাঁর দিনলিপির পাতায় পাতায় ১৯৭১ সালে তিনি ইতালীয় ভাষায় লিখে রাখেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির ওপর পাকসেনাদের আর তাদের এই দেশীয় দোসর রাজাকারদের অত্যাচারের কথা।
ক্যাথলিক এই ধর্মযাজকের বয়স হয়েছে ৮২ বছর। জীবনের বড় অংশটি তিনি কাটিয়েছেন বাংলাদেশের বুকে।
-
১৯৪৭ সালে যখন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয় তখন বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের অধিকাংশই পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিল। আজ ১৯৭১ সালে তাঁদের সকলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত। বুদ্ধিজীবীদের মানসচৈতন্যের এই পরিবর্তন বিস্ময়কর হলেও অস্বাভাবিক নয়। দেশবিভাগের পূর্বে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের একটি প্রবল প্রতিবাদ ছিল অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে। এই অর্থনৈতিক শোষণের ক্ষমতা ছিল যাদের, তারা সেই ক্ষমতার প্রয়োগে শিক্ষা ও রাজনীতি ক্ষেত্রে আপন প্রতিষ্ঠাকে সম্ভবপর করেছিল। তাই অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ একটি রাজনৈতিক পরিমণ্ডল নির্মাণ করেছিল বাংলাদেশের মানুষের জন্য। তখন অর্থনৈতিক ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত ছিলেন বাংলাদেশের হিন্দু ভূস্বামীবৃন্দ এবং এই ক্ষমতার বলে শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁরা ছিলেন অগ্রসর এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা লাভের অধিকারী।
-
অনেকদিন আগেকার কথা। কলকাতায় তখন ঘোড়ার ট্রাম চলে। সে সময় মশলাপোস্তায় গঙ্গাধর কুণ্ডুর ছোটোখাটো একখানা মশলার দোকান ছিল।
গঙ্গাধরের দেশ হুগলি জেলা, চাঁপাডাঙার কাছে। অনেক দিনের দোকান, যে সময়ের কথা বলছি, গঙ্গাধরের বয়েস তখন পঞ্চাশের ওপর। কিন্তু শরীরটা তার ভালো যাচ্ছিল না। নানারকম অসুখে ভুগত প্রায়ই। তার উপর ব্যবসায়ে কিছু লোকসান দিয়ে লোকটা একেবারে মুষড়ে পড়েছিল। দোকানঘরের ভাড়া দু-মাসের বাকি, মহাজনদের দেনা ঘাড়ে; দুপুর বেলা দোকানে বসে থেলো হুঁকো হাতে নিয়ে নিজের অদৃষ্টের কথা ভাবছিল। আজ আবার সন্ধের সময় গোমস্তা ভাড়া নিতে আসবে বলে শাসিয়ে গিয়েছে। কী বলা যায় তাকে!
এক পুরোনো পরিচিত মহাজনের কথা তার মনে পড়ে গেল। তার
-
রোহিণী রায় আমাদের গ্রামের জমিদার ছিলেন শুনেছিলাম।
আমাদের পাড়ায় তাঁদের মস্ত দোতলা বাড়ি। তিন-চার শরিকে ভাগ হয়ে এক একখানা ঘরে বাস করে এক-এক শরিক— এই অবস্থা। ধানের জোতজমি যা আছে, তাতে একটা গোলাও ভরে না। রোহিণী রায়ের বর্তমান বংশধরগণ পেটপুরে দু-বেলা খেতেও পান না।
আমি আর নন্তু রোহিণী রায়ের চণ্ডীমণ্ডপে, বেণীমাধব রায়ের পাঠশালায় রোজ পড়তে যাই। রোহিণী রায়ের চণ্ডীমণ্ডপের অবস্থাও ওদের বাড়ির মতোই।
মস্ত বড়ো চণ্ডীমণ্ডপের এধারে-ওধারে টানা রোয়াকে চুন-সুরকি খসে পড়চে, চালের খড় উড়ে যাচ্ছে, দেওয়াল ফেটে গিয়েছিল ১৩০৪ সালের বড়ো ভূমিকম্পে। এখন যদিও ১৩১৮ সাল হল, এই চোদ্দো-পনেরো বছর সে দেওয়াল যেমন তেমনি রয়েছে। সেকেলে চওড়া মজবুত মাটির
-
মুখ দিয়ে সবে কথা ফুটছে। তখন থেকেই আমাকে সব ব্যাপারে জ্ঞানী করে তোলার জন্য আমার ঠাকুর্দার মানে পিতামহের কী সাংঘাতিক গরজ! মুখে মুখে নিজেই প্রশ্ন করে নিজেই তার উত্তর দিয়ে, আবার আমার মুখ দিয়ে তার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে, পাখি পড়ানোর মতো শেখাতেন—
'তোমার বাড়ি কোন গ্রামে?’—চন্দ্রপাড়া। ‘কোন্ ইউনিয়ন?' -আশুজিয়া। 'থানা?’—কেন্দুয়া। ‘মহকুমা?’—নেত্রকোনা। 'জিলা?’—ময়মনসিংহ।
‘নেত্রকোনা' আর 'ময়মনসিংহ' কথা দুটো নিজেই বারবার আবৃত্তি করতাম। সেই এতটুকু বয়সেই এ-দুটো নামের প্রতি আমার প্রচণ্ড আকর্ষণের একটা গূঢ় কারণ ছিল। আমাদের গাঁয়ের আশপাশের বাজার গুলোতে হাটের দিনে তেল নুন কেরোসিন মাছ তরকারি পাওয়া যেতো, ছোট ছোট লিলি বিস্কুট কিংবা ধ্যাবড়া ধ্যাবড়া তক্তা বিস্কুটও পাওয়া যেতো; কিন্তু শখের
-
লেখক: দাউদ হোসেন
তেতাল্লিশতম ‘কোলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তক মেলা’য় সংঘ প্রকাশন-এর স্টলে বসে আমি তাঁকে[★]করজোড়ে অনুনয় করে বললাম, দেখুন দাদা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আমার বিশেষ কোন ভূমিকা নেই, অন্ততপক্ষে যেমনটা থাকলে সেটার একটা স্মৃতি থাকতে পারতো তেমনটা তো নেই-ই। তাই এ যাত্রায় আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর এমনিতেই আমি কোন কবি সাহিত্যিক নই যে, কলম ধরে ফসফস্ করে দু’চার পাতা লিখে দেবো। সবচেয়ে বড় কথা আমার হাতে এখন কিছু অন্তিম কাজ আছে—আমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আগেই সেগুলি সম্পূর্ণ হওয়া দরকার। মহামতি কার্ল মার্ক্সের পুঁজি’র তৃতীয় খণ্ডের সংঘ-সংস্করণের কাজ চলছে—এটা সমাধা হলেই আপনার ‘জলঘড়ি'র জন্য এক সেট বই সৌজন্য হিসেবে দিয়ে দেবো। কিন্তু
-
রাধাকৃষ্ণ
প্রকৃতির সব অনু-পরমাণু থেকে, মাটি গাছপালা লতাপাতা, সব জীবজন্ত মানুষের ভেতরের আত্মা থেকে এই ক্রন্দন, এক তীব্র আবেগ, একটিই কামনা, একটাই বোধ পরমাত্মার জন্যে “প্রতি অঙ্গ কাঁদে মোর প্রতি অঙ্গ লাগি”।
রাধা যখন কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে এ জাতীয় প্রেমবাণী উচ্চারণ করেন কিংবা তাঁদের ‘অবৈধ’ প্রেমলীলা যখন সামাজিক নিয়মকানুন, শৃঙ্খলাকে পদদলিত করতে উদ্যত হয় তখন সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা বলেন, “রাধা হচ্ছে প্রকৃতির প্রতীক আর কৃষ্ণ হচ্ছে পরমাত্মা; কাজেই তাদের যে প্রেমলীলা অবৈধ মনে হচ্ছে তা আসলে পাথির্ব মানবিক কিছ নয়; অতিমানবিক। তাদের মিলন আসলে আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলন।” কাজেই তার অবৈধ হবার সুযোগ নেই।
পরমাত্মার ছোঁয়া পাবার জন্যে মানুষের, প্রকৃতির অনুপরমাণু,
-
সাজ্জাদ জহীর ১৯৬৫ সালে ‘প্রগতি সাহিত্য আন্দোলনের তিরিশ বছর’ নাম দিয়ে একটি প্রবন্ধ লেখেন নিজ মাতৃভাষা উর্দুতে। এই প্রবন্ধটি তাঁর মৃত্যুর পরে একটি সংকলনের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৩৫ থেকে ১৯৬৫, এই তিরিশ বছরের প্রগতি সাহিত্যের ইতিবৃত্ত বিশ্লেষণে রবীন্দ্রনাথ এসেছেন পুরোভাগে। এতে রবীন্দ্রনাথের একটি দুষ্প্রাপ্য বক্তব্য এবং রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে সাজ্জাদ জহীরের মূল্যায়ন আমাদের মনে করিয়ে দেয় রবীন্দ্রনাথ নব নব প্রজন্মের কাছে কত প্রাসঙ্গিক।
সাজ্জাদ জহীর এই প্রবন্ধে লিখেছেন: “প্রেমচাঁদ, জোশ মলিহাবাদী ও সুমিত্রানন্দন পন্থ প্রগতি লেখক সংঘ ও তার আন্দোলনকে বৈপ্লবিক প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। তবে এঁদের সবাইকে সম্ভবত বক্তব্যের দিক থেকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।”
এই বক্তব্যের যুক্তি হিসাবে সাজ্জাদ জহীর
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- ছোটগল্প
- বইমেলা
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- হিন্দু
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- মুক্তিযুদ্ধ
- আন্দোলন
- গদ্য
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- চট্টগ্রাম
- রবীন্দ্রনাথ
- জীবনী
- বই
- শিশুতোষ
- বাংলা
- ভাষণ
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- লালন
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- বিজ্ঞান
- কিশোর
- যুদ্ধ
- ঢাকা
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- স্মৃতিকথা
- নদী
- ফুল
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- সাংবাদিকতা
- গণহত্যা
- সংবাদ
- ব্যাঙ্গাত্মক
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- ভৌতিক
- কারুশিল্প
- পুঁজিবাদ
- অর্থনীতি
- জাতীয়
- জাতীয়তাবাদ
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- বিজ্ঞানী
- অভ্যুত্থান
- ছাত্র আন্দোলন
- সমালোচনা
- নারী
- বিশ্ববিদ্যালয়
- ইংরেজি
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- খুলনা
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- গবেষণা
- সিলেট
- ফ্যাসিবাদ
- রূপকথা
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- আলোচনা
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- আর্টিস্ট
- সরকার
- অতিপ্রাকৃত
- লোককাহিনী
- চিঠি
- গান
- ভূমিকা
- চিরায়ত
- রংপুর
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- ময়মনসিংহ
- বিপ্লব
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৮)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.