সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
ছুটির ঘণ্টা পড়িতেই বগলে খানকয়েক বই খাতা লইয়া নরেশ বাড়ির পথটি ধরিয়া চলিতে থাকে। পশ্চাতে যে এক বুড়া ডিটেকটিভের মত তাহার গতিবিধি লক্ষ করিতে পিছু লইয়াছে, ইহা সে লক্ষ করে নাই। লক্ষ করিলে বুড়ার ক্ষুধিত দৃষ্টি হইতে নিজেকে বাঁচাইবার জন্য সচেষ্ট হইত।
নরেশ মাইনর স্কুলের ছাত্র, তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। ভূষণের পারিপাটা নাই, চুলগুলি উদ্বু-খুস্থ।
অর্ধমলিন পাঞ্জাবীর হাতাটায় এক ছোপ কালির দাগ। উহা দ্বারা কখন সে মুখের ঘাম মুছিয়াছিল—মুখেও কালির সবুজ স্পর্শ লাগিয়াছে। কোঁচাটা মাটিতে লুটাইত যদি সে বাম হাতে উহা উঁচু করিয়া ধরিয়া
না রাখিত। মোটের উপর বেশ নিরীহ গোবেচারা ছেলে। ক্ষুধার তাড়নায় বেশ একটু জোরে জোরেই পা ফেলিয়া চলিতে
-
ক্রুদ্ধ গর্জনে প্ল্যাটফরম কাঁপাইয়া ভীষণ অজগরটা আসিবা মাত্রই, প্রকাণ্ড লোহার দরজাটা আগলাইয়া দাঁড়ায় শ্রীপতি। ইষ্টিশানের টিকিট কালেক্টার সে। প্রচণ্ড বেগে ধূম নির্গত করিয়া নিষ্ফল আক্রোশে ফুঁসিতে ফুঁসিতে গাড়ীটা ক্রমে নিশ্চল হয়ে যায়। যাত্রীর দল হুলস্থুল বাধায়—কার আগে কে নামিবে!
প্ল্যাটফরমের লোহার বেড়ার একটী মাত্র দরজা দিয়া যাত্রীদের যাইতে হয় এক এক জন করিয়া। শ্রীপতি একটা একটা করিয়া টিকিট গনিয়া লয়,—কারো ফাঁকী দিবার জো নাই।
—এই ছোকড়া!
বার-তের বছরের একটি ছেলে থমকিয়া দাঁড়ায়। আহত বিহঙ্গের মতই শঙ্কাতুর দৃষ্টিতে তাকায় শ্রীপতির মুখের দিকে। ধমকা দিয়া শ্রীপতি বলে, হাফ-টিকিট করেছিস যে বড়! লম্বায় তো আর কম হোস নি!
মাথা নীচু করিয়া চুপ করিয়া
-
লাইট হাউস
জাহাজ ধীরে ধীরে সাগরে গিয়ে পড়ল। টের পেলুম না, কখন, কি করে সাগরে এসে গেছি। তীরের উপর চোখ রেখে চলছিলুম—সেই তটরেখা এক সময় চোখের সামনে থেকে মিলিয়ে গেল—স্বপ্ন যে ভাবে মিলিয়ে যায়—তেমনি ধীরে ধীরে।
যাত্রীদের দিকে তাকালে করুণা জাগে—এত বড় একটা সাগর, যার সঙ্গে মিশেছে মহাসাগর—দুনিয়ার সকল মহাসাগরের সঙ্গে যার যোগাযোগ—তার সম্বন্ধে তারা একান্তই উদাসীন। চোখ খুলে তাকাবারও যেন গরজ নেই কারো। বিরাট একখানা উপন্যাসের মত জাহাজটা সাঁতার কেটে চলেছে। তার ভেতরে অনেক চরিত্র, অনেক চঞ্চলতা, অনেক উপাখ্যান—আপনাতে আপনি মশগুল তারা, বাইরের দিকে বড় একটা কেউ তাকায় না—তাকালেই যেন তাদের জীবনের ছন্দপতন হয়ে যাবে। উপন্যাস এগিয়ে চলেছে নিজের
-
‘তাহলে আপনারা বলছেন ভালোমন্দের স্বাধীন বিচারশক্তি মানুষের নেই, সব হচ্ছে পরিবেশের ব্যাপার, মানুষ পরিবেশের ক্রীড়নক। কিন্তু আমার মনে হয় সব হল দৈবের হাতে। নিজের বিষয়ে বলি শুনুন...’
বললেন আমাদের সকলের মাননীয় বন্ধু ইভান ভাসিলিয়েভিচ একটি আলোচনার উপসংহারে। ব্যক্তির উন্নয়নের জন্য আগে দরকার পরিবেশ বদলানো, যে অবস্থায় লোকে আছে সে অবস্থাটা বদলানো, এই নিয়ে চলেছিল আমাদের কথাবার্তা। সত্যি বলতে, ভালো কা মন্দের বিচারশক্তি অসম্ভব- এমন কথা কেউ বলে নি, কিন্তু ইভান ভাসিলিয়েভিচের অভ্যেস ছিল, আলোচনা প্রসঙ্গে নিজের মনেই যে সব ভাবনা উঠেছে তারই জবাব দেওয়া এবং সেই উপলক্ষে নিজের জীবনের নানা ঘটনার কথা বলা। মাঝে মাঝে গল্পতে তিনি এত মত্ত হয়ে
-
[প্রাচীন কাল থেকে তাজিক সাংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে পারস্য ও ভারতে সাংস্কৃতির।
সাদ্রিদ্দীন আইনি (১৮৭৮-১৯৫৪) ছিলেন মহাপন্ডিত ও ধ্রুপদী কবি এবং তাজিক গদ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর রচনাবলী তাজিক জনগণের উপকথা বিশেষ।
বারো বছরের সাদ্রিদ্দীন বোখারায় আসেন জ্ঞান পিপাসার তাগিদে। কিন্তু মাদ্রাসার দুঃস্থ ছাত্রটির বেশির ভাগ সময় কাটত অন্য লোকের কাপড়জামা ধোওয়ায়, পড়াশুনোয় নয়। সুদীর্ঘ রাত্রে ঘুমের কথা ভুলে সে সাগ্রহে পড়ত হাফিজ, সাদি, কামল খুজান্তি এবং আহমেদ দানিশ এর মতো মহাকবিদের রচনা।
বিপ্লবের পর বোখারা আমিরের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সাদ্রিদ্দীন আইনি, তাঁর নিজের ভাষায়, ‘অক্টোবর বিপ্লবের পাঠশালায় চল্লিশ বছর বয়সের পড়ুয়া হলেন,’’ নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োগ করলেন সাহিত্য সেবায়। তাজিক
-
পুলিস ইনস্পেক্টর ওচুমেলভ[১] হেঁটে যাচ্ছিলেন বাজারের মধ্যে দিয়ে। গায়ে তাঁর নতুন ওভারকোট, হাতে পাটুলি এবং পিছনে এক কনেস্টবল। চুলের রঙটা তাঁর লাল, হাতের চালুনিটা ভর্তি হয়ে গেছে বাজেয়াপ্ত-করা গুজবেরিতে। কোথাও কোনো সাড়াশব্দ নেই...বাজার একেবারে খালি ক্ষুদে ক্ষুদে দোকান আর সরাইখানার খোলা দরজাগুলো যেন একসার ক্ষুধার্ত মুখ-গহ্বরের মতো দীনদুনিয়ার দিকে হাঁ করে আছে। ধারে কাছে একটি ভিখিরি পর্যন্ত দাঁড়িয়ে নেই।
হঠাৎ একটা কণ্ঠস্বর শোনা গেল, ‘কামড়াতে এসেছ হতচ্ছাড়া, বটে? ওকে ছেড়ো না হে। কামড়ে বেড়াবে সে আইন নেই আর। পাকড়ো পাকড়ো! হেই!’
কুকুরের ঘ্যান ঘ্যান ডাকও শোনা গেল একটা। ওচুমেলভ সেদিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন, পিচুগিন দোকানীর কাঠগোলা থেকে বেরিয়ে এসে একটি
-
সেপ্টেম্বর মাসের কোনো এক অন্ধকার রাত্রে, নটা বাজার কিছু পরে, জেমস্তভোর ডাক্তার কিরিলভের একমাত্র পুত্র ডিপথিরিয়া রোগে মারা গেল। ডাক্তারের স্ত্রী সবে মাত্র আশাভঙ্গের প্রথম আঘাতে মৃত সন্তানের শয্যাপাশে নতজানু হয়ে বসেছে, এমন সময় সদর দরজার ঘণ্টাটা সজোরে বেজে উঠল।
ডিপথিরিয়ার ভয়ে বাড়ির চাকরবাকরদের সকাল থেকেই বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিরিলভ যে অবস্থায় ছিল, পরনে শুধুমাত্র সার্ট আর বোতাম খোলা একটা ওয়েস্টকোট, সেই অবস্থাতেই, এমনকি চোখের জলে ভেজা মুখ ও কার্বলিক এসিডের দাগ-লাগা হাতদুটো না মুছেই, দরজা খুলতে গেল। হলঘরটা অন্ধকার, আগন্তুককে দেখে এইটুকু শুধু বোঝা গেল, সে মাঝারি লম্বা, তার গলায় একটা সাদা মাফলার জড়ানো আর তার প্রকাণ্ড
-
A STILL August night. A mist is rising slowly from the fields and casting an opaque veil over everything within eyesight. Lighted up by the moon, the mist gives the impression at one moment of a calm, boundless sea, at the next of an immense white wall. The air is damp and chilly. Morning is still far off. A step from the bye-road which runs along the edge of the forest a little fire is gleaming. A dead body, covered from head to foot with new white linen, is lying under a young oak-tree. A wooden ikon is lying on
-
SHORTLY after finding his wife in flagrante delicto[1]Fyodor Fyodorovitch Sigaev was standing in Schmuck and Co.'s, the gunsmiths, selecting a suitable revolver. His countenance expressed wrath, grief, and unalterable determination.
"I know what I must do," he was thinking. "The sanctities of the home are outraged, honour is trampled in the mud, vice is triumphant, and therefore as a citizen and a man of honour I must be their avenger. First, I will kill her and her lover and then myself."
He had not yet chosen a revolver or killed anyone, but already in imagination he saw three
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
গ্রীষ্মের পালা চললো পুরো এক মাস ধরে। বড়োরা বলাবলি করতে লাগলো তাপটাকে যেন দেখাও যায়।
তানিয়া ক্রমাগত সবাইকে প্রশ্ন করে চললো, ‘গরমকে আবার দেখবে কী করে?’
তানিয়ার বয়স তখন পাঁচ। সেই বয়স যখন প্রতিদিন শিশুরা নতুন নতুন জিনিস শেখে। গ্লেব খুড়ো ঠিকই বলেছিলেন যে তিনশো বছর ধরে বাঁচলেও সবকিছু জানা যায় না।
‘আমার সঙ্গে ওপরে আয়, গরমটা তোকে দেখাবো। সেখান থেকে ভালো দেখতে পাবি।’
তানিয়া খাড়াই সিঁড়িটা দিয়ে উঠলো। চিলেকোঠাটা আলোয় ভরা, কিন্তু রোদ পোড়া ছাদের তলায় বলে গরম। চিলেকোঠার জানালাগুলোর ভিতর দিয়ে বাইরের বুড়ো মেপ্ল গাছটা ডাল পালা ঢোকাতে এতো জোর চেষ্টা করছে যে সেগুলোকে বন্ধ
-
Not yet had the sky well cleared and numerous birds were proclaiming the coming day at the top of their voices when, raising a dreadful storms in the hard breast of Bongram's dying river, a launch put in to shore.
Blind Dasarath knew it first. Of his two sons one had gone wrong and the younger, laying aside the oar in his hand, was filling the bowl of the hookah with tobacco for his father. Drawing in his net Dasarath sat staring with unblinking eyes at the still dark western sky as he awaited the boy's tobacco. Suddenly a sort
-
(লেখকের নোট-বই থেকে)
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ফিওদোসিয়ার উপর হলদে হলদে মেঘ ঝুলে রয়েছে—গম্ভীর, ভয়ঙ্কর মেঘ। বেশ গরম। সমুদ্রটা আছড়াচ্ছে। একটা বুড়ো এ্যাকেশিয়া গাছে চড়ে ছোটো ছোটে৷ ছেলেরা শুকনো মিষ্টি ফুলগুলো দিয়ে ঠাসছে তাদের মুখগুলো। দূর-দিগন্তে এগিয়ে-আসা ওদেসার এক জাহাজ থেকে এক চিলতে ধোঁয়া উঠছে। নিছক একঘেয়েমির দরুণ এক বিষণ্ণ বৃদ্ধ জেলে শিস দিচ্ছে আর জলে ফেলছে থুথু। কোমরবন্ধের পরিবর্তে জালের একটি ফালি তার কোমরে। তার কাছে একটি ছেলে বসে বই পড়ে চলেছে। জেলে তার রুক্ষ স্বরে বললো, ‘দেখি হে ছোকরা, তোমার বইটা।’ ভীতু-ভীতু ভাবে ছেলেটি বইটা তুলে দিলো তার হাতে। জেলে পড়তে শুরু করলো। কাটলে৷ পাঁচ মিনিট, কাটলো দশ। উত্তেজিত
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- ছোটগল্প
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- মুক্তিযুদ্ধ
- সাংবাদিকতা
- স্মৃতিকথা
- ভূমিকা
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- ভৌতিক
- ছাত্র আন্দোলন
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইংরেজি
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- বই
- চিরায়ত
- বিজ্ঞানী
- কিশোর
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- ব্যাঙ্গাত্মক
- ঢাকা
- অর্থনীতি
- দুঃসাহসিক
- সমালোচনা
- নারী
- ফুল
- বিশ্ববিদ্যালয়
- শিশুতোষ
- চট্টগ্রাম
- গণহত্যা
- রাশিয়া
- গবেষণা
- সিলেট
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- রূপকথা
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- সাম্রাজ্যবাদ
- লালন
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- আত্মজীবনী
- আর্টিস্ট
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- বিপ্লব
- খুলনা
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- জাতীয়
- রংপুর
- অভ্যুত্থান
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- সংবাদ
- সরকার
- গান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (১৯)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৩)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৫)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.