-
ভাল মানুষদের নিয়ে বিপদ আছে। আমাদের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ একজন ভাল মানুষ। রাজনীতিবিদরা কদাচিৎ ভাল মানুষ হয়ে থাকে। ক্ষমতা এবং ভাল মানুষ একসঙ্গে পাওয়া খুবই ভাগ্যের ব্যাপার। একজন ভাল মানুষ হিসেবে যে কারও নাম একবার ফেটে গেলে খারাপ মানুষেরা সে ভাল মানুষটিকে তাদের খারাপ কাজের সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। বোধহয় একথা চিন্তা করেই ব্রিটিশ দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেল ভাল মানুষদের বিপদ সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন।
কিছুদিন আগে এনজিওদের আয়োজিত একটি সভায় বিচারপতি সাহাবুদ্দিন সাহেব সুশীল সমাজের ভূমিকার ওপর একটি বক্তৃতা করেছিলেন। যেকোন দেশের রাষ্ট্রপতি সভা-সমিতিতে যে সমস্ত কড়া উচ্চারণ করে থাকেন, সেগুলোর ভাবগত মূল যা-ই থাকুক, রাষ্ট্রপতি পদটি মর্যাদার কারণে
-
‘ওহ, বহুকাল অপেক্ষার পর আমরা তিন দিনের ছুটিতে সিলেটের উদ্দেশে রওনা দিলাম। তবু কেন যেন মনে হচ্ছে আমাদের মধ্যে কোনো আনন্দ নেই। দূরত্ব যেন দিন দিন বেড়েই চলছে। আমরা দুজনই চাকরিজীবী। আমি প্রাইভেট ব্যাংকে আর ও সাংবাদিক। আমাদের সারা দিনে কথা বলার সময় কয়েক ঘণ্টা, তা-ও খাবার সময়ই। অফিস থেকে ফিরতে আমাদের আটটা কি নয়টা বেজে যায়। কখনও ওর রাতেও ডিউটি থাকে, তখন সে সময়টিও নেই। আমার চাপাচাপিতেই এই বেড়ানো। আমি ছুটি পেলেও ওর ছুটি পাওয়া কঠিন ছিল। এখন বেড়াতে গিয়েও একটু পরপর অফিস থেকে আমার ফোন অথবা ওর ফোন আসছে। ইচ্ছা করছে ফোনটা ছুঁড়ে ফেলে দিই। সাথে ল্যাপটপও আছে
-
একটি শিশুছেলে ও মেয়েসন্তানের প্রতিভা, স্বপ্ন, ইচ্ছা, কল্পনার মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। কিন্তু পরে সমাজে চলতে গিয়ে একজন মেয়ে নিজেকে শুধু মেয়েমানুষ ভাবতে বাধ্য হয়, যা তার স্বপ্নগুলোকে বাধাগ্রস্ত করে। কর্মক্ষেত্রে তাকে শুনতে হয়—এটা মেয়েদের নয়, ছেলেদের কাজ। নারী তার জীবনকে একটি ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে সীমিত রাখতে বাধ্য হয়। তারই সমবয়সী পুরুষের স্বপ্নগুলো হয় বিশাল এবং এক বৃহৎ জগতে হয় তার বসবাস। সমাজের এ চিরাচরিত চিত্রের পরিবর্তন একান্তই কাম্য। সবার ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত যে—সে মানুষ।
নারী বলে জীবনের বহু ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে, চার দেয়ালের মধ্যেই নারীর জীবন আবদ্ধ থাকবে—তা কখনো হতে পারে না।
-
জীবন হচ্ছে ভাঙাগড়ার খেলা। কখনও একইভাবে চলে না। বিয়ের পর সারা জীবন একসঙ্গে চলার স্বপ্ন নিয়ে যে যাত্রা শুরু, নানা রঙের খেলায় মাঝপথেই আসতে পারে তার সমাপ্তি। কিন্তু প্রচলিত সামাজিক ধারা অনুযায়ী কোনো বিয়ে টিকে না থাকার পেছনে আজও দায়ী করা হয় নারীকেই। একজন নিঃসঙ্গ নারীর জীবনধারণ সমাজে হয়ে ওঠে কঠিন থেকে কঠিনতর। তাই এখনও বহু নারী প্রতি মুহূর্তে তিলে তিলে মরেও তার স্বামীর সঙ্গে জীবন চালিয়ে নেওয়াকেই সহজ পথ মনে করে, ডিভোর্স দিয়ে একাকী জীবন নির্বাহের চেয়ে। একজন একাকী নারীর কাছে তার মা-বাবার বাড়িই প্রথম আশ্রয়স্থল। কিন্তু সামাজিক ও পারিবারিক-মানসিক চাপের কারণে একজন নিঃসঙ্গ নারীর নিজ বাড়িতে জীবনধারণও হয়ে
-
‘তোমায় আমি গড়তে চাই না, পরতে চাই না, কাটতে চাই না, নাড়তে চাই না, ফুলের মতো পাড়তে চাই না, চাইছি তোমার বন্ধুতা’—সুমনের এই গানের মতোই জীবনপথে চলতে গিয়ে প্রতিটি নতুন ধাপে আমরা বন্ধু খুঁজি। কিন্তু সবচেয়ে কাছের বা প্রিয় বন্ধুর সংখ্যা জীবনে কমই হয়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এই বন্ধুত্বের ধারণা পাল্টে যাচ্ছে। শিক্ষাজীবন, চাকরিজীবন, চাকরিপরবর্তী জীবনে নতুন নতুন বন্ধু আমরা পাই। কখনও কখনও বন্ধু চিনতে ভুল হলে নানা ভুল পথে-নেশা বা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে হয়। আবার কখনও সেই বন্ধুই বিপদে পাশে থেকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়। বিভিন্ন প্রজন্মের প্রতিনিধিদের চোখে বন্ধুত্বের প্রকৃত অর্থ ও তাদের বন্ধুকে ঘিরে গড়ে ওঠা
-
‘ও যে হঠাৎ এত রেগে যাবে, বুঝতেই পারিনি। বহুদিন পর গিয়েছিলাম আমার ভাবির বাসায়। ঢাকা শহরে বেড়াতে বের হওয়াই এক সংগ্রাম, কয় মিনিটের রাস্তা যেতে যে কয় ঘণ্টা লাগবে, বলার উপায় নেই। আমরা রাতে খাব দেখে ভাবি অনেক আয়োজন করেছিল। ভাবির সব রান্নার মধ্যে নিরামিষ আর কোরমার তুলনা হয় না। আমি খাচ্ছি তো খাচ্ছিই আর প্রশংসা করে যাচ্ছি। এত মজার রান্নার প্রশংসা না করলে কি হয়! মনে হচ্ছিল এমন রান্না যদি সব সময় খেতে পারতাম। এমন সময় ওর চেহারা দেখে খুব অবাক লাগল। কেমন গম্ভীর। খেতে বসতে না বসতেই উঠে চলে গেল, রীতিমতো অভদ্রতা। ভাবি যে কী মনে করল! বোধ
-
‘সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই বুকটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। এক বছর ধরে এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছি, নিজের মনকে প্রস্তুত করেছি, তারপরও পঁয়ত্রিশ বছরের অভ্যাস। যতই বোঝাই মন কি বুঝতে চায়? গতকালও কলেজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম, এই বারান্দায় আর আসা হবে না। তরুণীদের প্রাণচঞ্চল জীবনের স্বতঃস্ফূর্ততাকে আর উপলব্ধি করা হবে না। ভেবে খুব একা লাগছিল। কারণ, ছাত্রীরাই ছিল আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু।’ বলছিলেন ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজের প্রাক্তন শিক্ষিকা মমতাজ বেগম।
বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে মমতাজ বলেন, ‘অবসরে যাওয়ার পর আনন্দেই আছি। এখন চাকরিজীবনের চাপগুলো আর নেই। সব ধরনের চাকরিতেই একটি চাপ থাকে। অবসরে যাওয়ার আগে যে শূন্যতা, একাকিত্বের ভীতি ছিল,
-
ছোটবেলায় বহু রহস্যময় অভিযানের গল্প পড়ে আমাদের সবারই ইচ্ছা হয় সেসব অভিযানে অংশ নিতে। বিদেশে কিশোর-কিশোরীদের সে ধরনের অভিযানের জন্য রয়েছে নানা সুযোগ। সামার ক্যাম্প থেকে শুরু করে পর্বতারোহণ, রোমাঞ্চকর আরও অনেক ধরনের অভিযানের ব্যবস্থা। কিন্তু আমাদের দেশে কিশোর-কিশোরীদের সে সুযোগ নেই। স্কুল থেকে বাসা, আর বাসা থেকে স্কুলের মাঝেই তাদের জীবন সীমাবদ্ধ। তবে এর মাঝেও ব্যতিক্রম আছে। এ দেশের পর্বতারোহীরা তাদের সেই অভিযানের শখ পূরণ করছেন পর্বতারোহণের মতো এক রহসম্যয় ও কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মধ্য দিয়ে। তাদের অভিজ্ঞতা জানার জন্য আমাদের দেশের প্রথম নারী পর্বতারোহী সাদিয়া সুলতানা ও বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টজয়ী নারী নিশাত মজুমদারের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিল।
সাদিয়া
-
বাংলা ছন্দ সম্বন্ধে এ কথা স্বচ্ছন্দে বলা যেতে পারে যে, সে এখন অনেকটা সাবালক হয়েছে। পয়ার-ত্রিপদীর গতানুগতিকতা থেকে খুব অল্প দিনের মধ্যেই বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্যের প্রগতিশীলতায় সে মুক্তি পেয়েছে। বলা বাহুল্য, চণ্ডীদাস-বিদ্যাপতির আমল থেকে ঈশ্বর গুপ্ত পর্যন্ত এতকাল পয়ার-ত্রিপদীর একচেটিয়া রাজত্বের পর রবীন্দ্রনাথের আবির্ভাবই বাংলা ছন্দে বিপ্লব এনেছে। মধুসূদনের ‘অমিত্রাক্ষর’ মিলের বশ্যতা অস্বীকার করলেও পয়ারের অভিভাবকত্ব ঐ একটি মাত্র শর্তে মেনে নিয়েছিল, কিন্তু বিহারীলাল প্রভৃতির হাতে যে-সম্ভাবনা চঞ্চল হয়ে উঠেছিল রবীন্দ্রনাথের হাতে তা সার্থক হল। শুধু সার্থক হল বললে খুব অল্পই বলা হয়; আসলে, বিহারীলাল প্রভৃতির হাতে যে-সম্ভাবনা লোহা ছিল রবীন্দ্রনাথের হাতে তা ইস্পাতের অস্ত্র হল। রবীন্দ্রনাথের হাতে ছন্দের ক্রমবর্ধমান
-
সেদিন বুড়ীগঙ্গার তীরবর্তী আমাদের এই বাকল্যাণ্ড বাঁধের কথা বলছিলাম আহমদউল্লাহ সাহেবের সাথে। বলছিলাম—কি ছিল আর কি হয়ে গেল! কি দেখেছিলাম সে সময় আর কি দেখছি আজ! দশ বছর আগে যে লোক ঢাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিল, সে যদি আজ ফিরে আসে, তাহলে বাকল্যান্ড বাঁধের শ্রী দেখে সে তাজ্জব বনে যাবে। আর যদি আমার মতো নেশাখোর ভ্রমণার্থীদের কেউ হয়, তাহলে মর্মান্তিক আঘাত পাবে। কতোদিনের কতো স্মৃতি এই নদী আর এই নদীতীরের সঙ্গে জড়িত হয়ে আছে! এখন তাই একান্ত বাধ্য হয়ে না পড়লে ও পথে পা বাড়াই না। কেনো এমন হলো? এই বাকল্যান্ড বাঁধের পিছনে একটি দীর্ঘ ইতিহাস আছে। সেই ইতিহাসটা অনেকেরই হয়তো
-
বোম্বাই ছেড়ে ১৯৪৮ সালের জানুয়ারী মাসে করাচী হয়ে লাহোর এসেছি। তিন মাস যাবত দারুণ টানা-পোড়নের মধ্যে কাটাই। বুঝতে পারতাম না, কোথায় বসে আছি, করাচীতে আমার বন্ধু হাসান আব্বাসের বাড়ীতে, বোম্বেতে না লাহোরে। লাহোরে কয়েকটি হোটেলে কায়েদে-আজম ফাণ্ডের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে নৃত্য গীতের আসর লেগেই আছে।
তিন মাস যাবত আমার চিন্তা বা কল্পনা রাজ্যে কোন স্থিতিশীলতা আসেনি। কখনও করাচীর দ্রুতগামী ট্রাম, গাধার গাড়ী, আবার বোম্বের বাজার ও অলিগলি, অনেক সময় লাহোরের জমজমাট হোটেলের দৃশ্য আমার মনের পর্দায় ভেসে ওঠে। সারাদিন চেয়ারে বসে কল্পনা রাজ্যে হারিয়ে যেতাম। অবশেষে বোম্বে থেকে যা টাকা সঙ্গে এনেছিলাম, বাড়ীতে ও বাড়ীর অদুরে “ক্লিফটন পান্থসালায়” নিঃশেষ
-
যে-কোন নগণ্য বস্তু সমস্যার কারণ হতে পারে। মশারির অভ্যন্তরে একটি মশা অনুসন্ধান করে টিপে মারা আবার অন্যান্য মশার প্রবেশ রুদ্ধ করাও অনেক সময় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বিশ্বের প্রথম মানব যখন ক্ষুধা অনুভব করলেন তখন থেকে সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। ক্ষুধাই হচ্ছে সব সমস্যার মূল ভিত্তি। বিশ্বের প্রথম মানব যখন প্রথম মহিলার দেখা পেলেন তখন দ্বিতীয় সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই দুটি সমস্যা আপনারা জানেন দুটি ভিন্ন ধরনের ক্ষুধার ফলে সৃষ্ট। কিন্তু এদের মাঝে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাই বর্তমানে যতগুলি সামাজিক, রাজনৈতিক ও যুদ্ধ-সমস্য। রয়েছে সবকিছুর পেছনে উপরোক্ত দুটি ক্ষুধার সংযোগ পরিলক্ষিত হয়।
বর্তমান যুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পেছনে হাজার হাজার নিহত মানুষের লাশের
ক্যাটাগরি
উৎস
- কে আমি?
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- কথা পাঞ্জাব
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- বিজ্ঞানচেতনা
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- মূল্যায়ন
- পরিচয়
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- আলোর উদ্দাম পথিক
- শহরের ইতিকথা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- বনে পাহাড়ে
- বিজ্ঞান পাঠ
- সুকান্তসমগ্র
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৫)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৩৭)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৭)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৬)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৮)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.