-
দ্রাবণের একটা নির্দিষ্ট সীমা আছে, অতিরিক্ত দ্রব্যকে তলানি হিসেবে পড়ে থাকতে হয়। কোনো সংবাদ শুনে মন আন্দোলিত হওয়ারও তেমনি একটা মাত্রা আছে, তারপর ভোঁতা মনে দুঃসংবাদ অথবা সুসংবাদ কোনোটাই তেমন সাড়া জাগাতে সক্ষম হয় না। সীমান্তের ওপার থেকে আরো হাজারো দুঃসংবাদের মতো খবর এসেছে যে, সকল গণআন্দোলনের অনুপ্রেরণা ও শত স্মৃতিমাখা ঢাকার শহীদ মিনারটি ইয়াহিয়ার জঙ্গী বাহিনী ধ্বংস করেছে, ধ্বংস করেছে ভাষা আন্দোলনের অন্য আর একটি স্মৃতি বাংলা অ্যাকাডেমিকে। ১৯৬২ সালের ভাষা আন্দোলনের দুটি অক্ষয় স্মৃতিকে এমন পাষণ্ডের মতো বিনষ্ট করার বর্বরতা ও নির্লজ্জতা দখলদারি সৈন্যরা দেখাতে পেরেছে অনায়াসে। আপন উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য ইয়াহিয়া যে কোনো নীচতার আশ্রয় নিতে পারে।
-
মওদুদীর জন্ম ভারতের মহারাষ্ট্রে ১৯০৩ সালের সেপ্টেম্বরে আর মৃত্যু ১৯৭৯ সালে। পারিবারিকভাবে সুফি ইসলামের হেরাত অঞ্চলের চিশতিয়া তরিকার মওদুদ চিশতীর উত্তরাধিকার বহন করতেন, সেই সূত্রেই তার নামের শেষে মওদুদী পদবীর সংযুক্তি। তবে নানা সমাজতাত্বিক চিন্তাচর্চার মধ্য দিয়ে তিনি পারিবারিক ঐতিহ্য থেকে ক্রমে বেরিয়ে আসেন। ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট লাহোরে জামাতে ইসলামির গোড়াপত্তন। মওদুদী জামাতে ইসলামির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম আমির। তিনি পাকিস্তানের বিরোধিতা করেন, জাতীয়তাবাদের কারণে তিনি মনে করতেন এটা ইসলামসম্মত নয়। মওদুদী লাহোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করে তার লেখায় সম্ভাব্য পাকিস্তানকে ‘নাপাক-স্থান’ হয়ে পড়ার কথা বলেন।
- ইসলামিক রাষ্ট্র ও জনগণ : তার মতে মানুষের মধ্যে জন্মগতভাবেই দুর্বলতা রয়েছে যে কারণে মানুষ
-
১৯৫০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাঁওতাল অধ্যূষিত এলাকা নাচোলে যে রক্তক্ষয়ী কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় তাঁর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্রবধূ বিপ্লবের অগ্নিকন্যা ইলা মিত্র (১৯২৫-২০০২)। এলাকায় তিনি পরিচিতা ছিলেন ‘বধূমাতা’ হিসেবে। ১৯৪৫ সালে রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্র কমিউনিস্ট কর্মী রমেন মিত্রর সঙ্গে বিয়ে হয়। এবং এক সময় তিনি নিজে স্বামীর মত ও পথের সহযাত্রী হন। প্রথম রামচন্দ্রপুরে স্থাপন বালিকা বিদ্যালয়। তারপর আর থেমে নেই। ১৯৪৬ সালে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা প্রতিহত করতে এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। সে বছর বাগেরহাটের মৌভোগে যে ঐতিহাসিক বঙ্গীয় কৃষাণ সভার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় চির অবহেলিত কৃষকদের তে-ভাগা আন্দোলনের। সে আন্দোলনের নেতৃত্বদান করেন ইলা মিত্র।
-
[লেখাটি প্রকাশিতব্য সংকলন গ্রন্থ “ইরানের কমিউনিস্ট আন্দোলন ও তুদেহ পার্টি”-এর জন্য লিখিত ভূমিকা]
১৯১৭ সালে সোভিয়েত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বিপ্লবের ঢেউ দেশে দেশে আছড়ে পড়তে থাকে। সে জোয়ার থেকে বাদ যায়নি ইরানও। ইরানের বন্দর-ই আনজালিতে সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয় ১৯২০ সালের ২২ জুন—সে হিসেবে শতবর্ষী। এমনকি ভারতবর্ষের কমিউনিস্ট আন্দোলনের চেয়েও পুরনো। কিন্তু ইরানে শ্রমিক ও বিপ্লবী আন্দোলনের সূচনা উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে। সেই সময় ও বিংশ শতাব্দীর গোড়াতেই পুঁজিবাদী উৎপাদন ও শিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মার্কসবাদী ভাবাদর্শও ইরানে পথ খুঁজে নেয়। প্রথম মহাযুদ্ধ পর্যন্ত ইরানে দুটি সাম্রাজ্য রাজ করত—উত্তর ইরানে জার শাসিত রাশিয়া আর আফগান সীমান্তের দক্ষিণ অংশে
-
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রক্তাক্ত পথ বেয়ে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৫০ সালের তেভাগা, নানকার, টংকের কৃষক বিদ্রোহ ’৪৮, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫২-এর সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের রক্তে রক্তাক্ত মহান একুশের জন্য। ২১ দফার ভিত্তিতে হক, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দীর ’৫৪-তে যুক্তফ্রন্টের ধস নামানো বিজয়, মুসলিম লীগের ভরাডুবি। যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও আমলাতন্ত্রের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র। ৫৮’র মার্শাল ল’, জেনারেল আইয়ুবের ক্ষমতা দখল। ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৪-তে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন মাদার এ মিল্লাতের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পূর্ব পাকিস্তানে (আজকের বাংলাদেশ) জনজোয়ার। কিন্তু অপ্রত্যক্ষ নির্বাচনের কারণে অর্থাৎ ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেম্বারদের ভোটে
-
লেখক: সনৎকুমার সাহাঅধ্যাপক আনিসুজ্জামানের আমি ছাত্র হতে পারি নি। পড়াশোনা করেছি মফস্বল শহরে। এখনও সেখানেই পড়ে আছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সহকর্মী হবারও তাই কোনো সুযোগ ঘটে নি। ঢাকা-চট্টগ্রাম দুই-ই আমার কাছে অনেক দূরের। তাঁর কর্মক্ষেত্র প্রধানত ঢাকা। মাঝখানে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ চট্টগ্রাম। তাঁকে ঘিরে মেধার চর্চা ওই দুই জায়গাতেই। এখানেও কখনো কখনো আসেন। তবে অতিথি হয়। প্রতিদিনের কাজে আমরা তাঁকে পাই না। তাই বলে তিনি দূরের মানুষ নন। আসলে যখন আমরা ছাত্র, তখনই তাঁর নাম জানি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রত্ন। খ্যাতি তাঁর সারা দেশে ছড়ায়। মনে মনে তাঁকে আদর্শ বলে মানি। তিনি অবশ্য তা জানতেও পারেন না।বিপুল অধ্যয়নের সঙ্গে মানবমুক্তির
-
আমরা মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় প্রজন্ম। সঙ্গত কারণেই ব্রিটিশবিরোধী লড়াকু বিপ্লবীদের সান্নিধ্য আমরা পাইনি। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখযোদ্ধাদের আমরা দেখেছি, সান্নিধ্যও পেয়েছি। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে, তাঁদের সংগ্রাম আমাদের উদ্বেলিত করে। আগে এক শিশুতোষ ভাবনা ছিল—যদি সেই অগ্নিযুগে জন্ম হতো তবে দেশমাতার মুক্তির জন্য ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করতাম, অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতাম। এখন বুঝি, এসব রোমান্টিক ভাবনা নেহাতই ছেলেমানুষি। লড়াই বা সংগ্রাম শুধু ঘটমান অতীত বিষয়টি মোটেও তেমন নয়—লড়াই—ছিল, আছে, এবং থাকবে। এই সময়ে চলমান লড়াইকে সুসংঘবদ্ধ ও সুসংহত করতে পারলে নিশ্চয়ই অতীতের মতো আমরাও ইতিহাসের পাতায় স্বাক্ষর রাখতে পারবো।
মানুষের মুক্তির মন্ত্র ঘরের মধ্যে অথবা নিজের
-
বই ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো পণ্যে সর্বজনীনভাবে ক্রেতা-পর্যায়ে কমিশন দেওয়ার রেওয়াজ নেই। শুধুমাত্র বইয়েই এই ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। হয়তো গোড়ায় কমিশন ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল পাঠককে বিশেষ সুবিধা দেওয়া। যারা এই ব্যবস্থার প্রবক্তা তাদের চিন্তার অসততা ছিল না, এটাও সহজেই অনুমেয়। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থা বাজার অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জ্যস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়া এই কমিশন ব্যবস্থা পাঠককে কোনো প্রকার সুবিধা দেয় না। শুধু পাঠক কেন, বই-বিক্রেতা অথবা প্রকাশক কাউকেই কোনো সুবিধা দেয় না। পাঠককে যে ২০% বা ২৫% ছাড় দেওয়া হয়, তা বই উৎপাদন-মূল্যের সঙ্গে আগেই যুক্ত করে একটা বাড়তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এটা প্রকাশক যেমন জানেন, তেমনি জানেন বই-বিক্রেতা ও
-
পাঞ্জাবী সাহিত্যের সূচনালগ্নেই পাঞ্জাবী গল্পের উদয় হয়েছে। পাঞ্জাবী সাহিত্যের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সত্ত্বেও, এই সাহিত্য-প্রবাহের গতি সমগ্র ভারতীয় সাহিত্য, বিশেষতঃ উত্তর ভারতের সাহিত্যেরই অনুরূপ। যে সময়ে হিন্দী ভাষায় রাসো সাহিত্য রচিত হচ্ছিল ও মারাঠি ভাষায় পওয়াড়ো সাহিত্য জন্ম নেয়-সেই যুগেই পাঞ্জাবী ভাষায় ‘ওয়ারোঁ’-র উদয়। ‘ওয়ারোঁ’গুলি পাঞ্জাবের বীরগাথা, কাব্যরূপে বর্ণিত। ‘ওয়ারোঁ-র নায়ক হতেন সাধারণতঃ জননেতা, এগুলি জনসাধারণের সমুখে গেয়ে শোনানো হত। পাঞ্জাবে পাঞ্জাবীর স্বাধিকার ছিল না। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত থেকে আক্রমণকারীদের আনাগোনা থাকত অব্যাহত।
পাঞ্জাবের গ্রামগুলিকে নিজেদেরই আত্মরক্ষার ব্যবস্থা করতে হত। যখনই বিদেশী সেনা সদলবলে আক্রমণ চালাতো, লোকেদের লড়তে হয়েছে আপন ধনপ্রাণ ও সম্মান রক্ষার জন্য, আর আক্রমণ শিথিল হয়ে গেলে স্বীয় যোদ্ধা
-
যে-কোন নগণ্য বস্তু সমস্যার কারণ হতে পারে। মশারির অভ্যন্তরে একটি মশা অনুসন্ধান করে টিপে মারা আবার অন্যান্য মশার প্রবেশ রুদ্ধ করাও অনেক সময় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বিশ্বের প্রথম মানব যখন ক্ষুধা অনুভব করলেন তখন থেকে সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। ক্ষুধাই হচ্ছে সব সমস্যার মূল ভিত্তি। বিশ্বের প্রথম মানব যখন প্রথম মহিলার দেখা পেলেন তখন দ্বিতীয় সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই দুটি সমস্যা আপনারা জানেন দুটি ভিন্ন ধরনের ক্ষুধার ফলে সৃষ্ট। কিন্তু এদের মাঝে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাই বর্তমানে যতগুলি সামাজিক, রাজনৈতিক ও যুদ্ধ-সমস্য। রয়েছে সবকিছুর পেছনে উপরোক্ত দুটি ক্ষুধার সংযোগ পরিলক্ষিত হয়।
বর্তমান যুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পেছনে হাজার হাজার নিহত মানুষের লাশের
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- কথা পাঞ্জাব
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- পরিচয়
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- যুগবাণী
- আলোর উদ্দাম পথিক
- শহরের ইতিকথা
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- মূল্যায়ন
- লেখকদের প্রেম
- বিজ্ঞান পাঠ
- সুকান্তসমগ্র
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বনে পাহাড়ে
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৩)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (১)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৯)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.