-
সংস্কৃতির সাধনা মানুষকে মানবিক করে তোলে, তাকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজের প্রতি, রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ করে। শুধু মানুষ-সমাজ বা রাষ্ট্র নয়, মূলত তাকে জীবনের প্রতি, প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি সংবেদনশীল করে বিশ্বদৃষ্টিসম্পন্ন করে তোলে। অগণিত মানুষের মাঝে সে তার কৃত্তির স্বাক্ষর রেখে যেতে পারে। উদীচীর প্রয়াত সভাপতি বদিউর রহমান তাঁর কৈশোর থেকেই এক ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়কে অতিক্রম করেও হয়ে উঠেছিলেন সেরকম এক ফলবান বৃক্ষ। হাসিমূখে জয় করে নিয়েছিলেন পরম দুঃখকেও। তাঁর প্রতি আভূমিনত শ্রদ্ধা।
বদিউর রহমান জন্ম নিয়েছিলেন ১৯৪৭ সালের ১৫ জানুয়ারি বরিশালে। তাঁর বাবা হাবিবুর রহমান ছিলেন রাজনীতি সচেতন একজন মানুষ। তিনি এ কে ফজলুল হকের কেএসপি’র সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে যুক্ত ছিলেন। মা
-
খানিকক্ষণ চুপ করে থাকলেন তিনি। তারপর ধীরে ধীরে স্মৃতি উদ্বেলিত হয়ে উঠলেন। পেছনের ফেলে আসা দিনগুলোর মাঝে হারিয়ে যেতে চাইছিলেন তিনি। ১৯৫৩ সালের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সেই উত্তপ্ত দিনগুলোতে ডিসেম্বর আর জানুয়ারীর শীতার্ত রাতগুলোতে। যখন জেলের একটি কামরায় বসে দারুন এক অস্থিরতার শিকার হয়ে সমস্ত মন দিয়ে ছোট্ট একটি খাতায় লিখছিলেন ‘কবর’ নাটিকাটি। বিষয় বস্তুর নির্বাচনে, আঙ্গিকের নতুনত্বে দৃশ্যকল্প নির্মাণে, সব দিক থেকেই যা অভিনবত্বের স্বাক্ষর বহন করছে। তাই আজও ‘কবর’ নাটিকাটি এত প্রিয়।
মুনীর চৌধুরী তখন জেলে। ভাষা আন্দোলনে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি অনেকের সাথে রনেশ দাশগুপ্তও তাদের মধ্যে ছিলেন।
“রনেশদাই গোপনে চিঠি লিখেছিলেন আমাকে। সামনে একুশে ফেব্রুয়ারী। একটা নাটক
-
সাহিত্য আর প্রগতিশীল রাজনৈতিক কাজ যে পরস্পরের পরম মিত্র হতে পারে সে কথা মুনীর চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয়ের প্রথম দিনগুলিতে একটা প্রমাণ নিয়ে সামনে এসেছিল। ১৯৪২ সালে ঢাকায় ফ্যাসিবিরোধী সম্মেলনে যোগ দেয়ার পথে তরুণ গল্প লেখক সোমেন চন্দ যখন আততায়ীর হাতে নিহত হয়, তখন সেই রক্তাক্ত মৃত্যুকে সামনে নিয়ে বাংলা সাহিত্য আর রাজনীতির ঘনিষ্ঠ সাক্ষাৎকার ঘটেছিল। পরের বছর প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ কর্তৃক আয়োজিত সোমেন স্মৃতি সভায় যোগ দিয়েছিলেন মুনীর চৌধুরী, উদীয়মান গল্প লেখক। তখনও তিনি ছাত্র। তবে আসল যোগটা ঘটলো প্রগতিশীল সাহিত্য আর মার্কসীয় রাজনীতির মধ্যে।
মুনীর চৌধুরী গুছিয়ে বক্তব্য বলতে অল্প বয়সেই পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন। যুক্তিবাদী হিসেবে ধর্মীয়
-
দ্রাবণের একটা নির্দিষ্ট সীমা আছে, অতিরিক্ত দ্রব্যকে তলানি হিসেবে পড়ে থাকতে হয়। কোনো সংবাদ শুনে মন আন্দোলিত হওয়ারও তেমনি একটা মাত্রা আছে, তারপর ভোঁতা মনে দুঃসংবাদ অথবা সুসংবাদ কোনোটাই তেমন সাড়া জাগাতে সক্ষম হয় না। সীমান্তের ওপার থেকে আরো হাজারো দুঃসংবাদের মতো খবর এসেছে যে, সকল গণআন্দোলনের অনুপ্রেরণা ও শত স্মৃতিমাখা ঢাকার শহীদ মিনারটি ইয়াহিয়ার জঙ্গী বাহিনী ধ্বংস করেছে, ধ্বংস করেছে ভাষা আন্দোলনের অন্য আর একটি স্মৃতি বাংলা অ্যাকাডেমিকে। ১৯৬২ সালের ভাষা আন্দোলনের দুটি অক্ষয় স্মৃতিকে এমন পাষণ্ডের মতো বিনষ্ট করার বর্বরতা ও নির্লজ্জতা দখলদারি সৈন্যরা দেখাতে পেরেছে অনায়াসে। আপন উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য ইয়াহিয়া যে কোনো নীচতার আশ্রয় নিতে পারে।
-
রবীন্দ্রনাথের জন্ম কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে। বাংলার সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও স্বাদেশিকচেতনা উন্মেষে যে পরিবার বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) বয়স যখন পাঁচ বছর, ১৮৬৬ সালে ঠাকুর পরিবারের সুহৃদ, রবীন্দ্রনাথের গৃহশিক্ষক রাজনারায়ণ বসু (১৮২৬-১৮৯৯) কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাতীয় গৌরবেচ্ছা সভা’ এবং ‘হিন্দুমেলা’ (১৮৬৭)। পরবর্তী সময় থেকে এ মেলার নামকরণ করা হয় ‘চৈত্রমেলা’। স্বাদেশিকতাবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যেই ১৮৭৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘সঞ্জিবনী সভা’। কিশোরকাল থেকেই রবীন্দ্রনাথ এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁরআত্মপরিচয়গ্রন্থে লিখেছেন:
জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈপ্লবিক ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে বৈপ্লবিক সংগঠন ‘সঞ্জিবনী সভা’ নামে একটি গুপ্ত সমিতি স্থাপন করেছিলেন। সমিতির সভাপতি ছিলেন হিন্দুমেলার উদ্যোক্তা রাজনারায়ণ বসু
-
[শেষের দিকে কৃষণ চন্দরের একটি সাক্ষাৎকার নেন মুম্বাইয়ের উর্দু পত্রিকা ‘সাব-রং’। কৃষণ চন্দরের মৃত্যু হয় ১৯৭৭ সালের ৭ মার্চ। পত্রিকাটি জানায় এটিই কৃষণ চন্দরের দেওয়া শেষ সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারটি ঈষৎ সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা হলো। মূল উর্দু থেকে অনুবাদ করেছেন বিখ্যাত অনুবাদক জাফর আলম]
প্রশ্ন: আপনার প্রথম গল্পের নাম কি এবং তা কিভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তর: আমার প্রথম গল্পের নাম “ঝিলামের বুকে নৌকা বিহার”। গল্পের উৎস ঝিলাম নদীতে নৌকা বিহারের পটভূমি। তখন ঝিলাম নদী পারাপারের জন্য গায়ালিয়া থেকে নৌকা ছাড়তো। নৌকায় চড়ে ঝিলাম নদী পাড়ি দেয়ার সময় এই গল্পের প্লট আমার মনে দেখা দেয়।
প্রশ্ন: সমালোচকদের মতে, আপনি শুধু কমার্শিয়াল গল্প
-
সাহিত্য-ব্যবসায়ী ও সাহিত্য-সাধক এই দুই শ্রেণীতে যদি পৃথিবীর বিখ্যাত কথা-সাহিত্যিকদের বিভক্ত করা যায় তা হলে শেষোক্ত শ্রেণী-ভুক্তদের একেবারে প্রথম দিকেই বোধহয় ফরাসীদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী গু্যস্তাভ ফ্লোবের-এর (Gustave Flaubert) নাম করতে হবে। ফ্লোবের-এর সাহিত্য-সাধনা সত্যিই বিস্ময়কর। ভগবদ্-সাধক যেমন ঈশ্বরোপাসনার জন্য দৈহিক ভোগসুখ ত্যাগ করে কঠোর সাধনায় মগ্ন থাকেন ফ্লোবের-ও তেমনি তাঁর কথাশিল্পের উৎকর্ষের জন্য অদ্ভুত কৃচ্ছসাধন করে গেছেন। শুধু ‘মাদাম বোভারি’ লেখার জন্যই তিনি পঞ্চান্ন মাস অর্থাৎ প্রায় পাঁচ বছর অমানুষিক পরিশ্রম করেছিলেন। পাঁচশো পৃষ্ঠার এই উপন্যাসটির দু-এক লাইন লিখতেও অনেক সময় তাঁর একাধিক দিন কেটে গেছে। তার মানে এই নয় যে তিনি সারা দিনে মাত্র এক-আধ লাইন লিখতেন। সকাল
-
ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়—নামটি যে আমাদের দেশে একেবারেই অপরিচিত, তা হয়তো নয়। তবে সে পরিচিতির পরিধি যে খুবই সীমিত, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। যাঁরা এই নামটির সঙ্গে পরিচিত, তাঁদেরও খুব অল্পসংখ্যকই এই নামের মানুষটির কৃতি ও অবদানের স্বরূপ সম্পর্কে অবহিত। অথচ, মনীষী বলতে প্রকৃত অর্থে যা বোঝায়, ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন তা-ই। যিনি মনীষাসম্পন্ন তাঁকেই তো বলে মনীষী। আর ‘মনীষা’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছে ‘মনের ঈষা’। ‘ঈষা’ মানে ‘লাঙ্গলের কাষ্ঠ নির্মিত দণ্ড’। ‘ঈষা’ যেমন লাঙ্গলটিকে ধারণ করে ও সঠিকভাবে চালিত করে, মনীষী ব্যক্তিদের মনেরও থাকে তেমনই ধারণশক্তি। তাঁদের বুদ্ধি কখনও বিচলিত হয় না, দিকভ্রষ্ট হয় না, সর্বদা তা সঠিক লক্ষ্যাভিমুখী
-
রাসসুন্দরীর ‘আমার-জীবন’ বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ মূল্যবান গ্রন্থ। আত্মজীবনী রচনার কোন আদর্শই তখন বাংলাসাহিত্যে ছিল না। নিজের জীবনকে কেন্দ্র করে যে সাহিত্যসৃষ্টি করা চলে ঐ ধারণা তখনও সাহিত্যিক মহলে স্বীকৃত হয়নি। বাংলা গদ্য তখন সবে মাত্র বঙ্কিম দেবেন্দ্র যুগ পার হয়েছে। এ হেন অবস্থায় পঁচাশী বছরের এক বৃদ্ধার হাত থেকে ‘আমার জীবন’ সৃষ্টি অল্প বিস্ময়ের ব্যাপার নয়। দেবেন্দ্রনাথের ‘আত্মজীবনী’ তখনও প্রকাশিত হয়নি। দেশবাসীর কাছে আত্মজীবনী রচনা ও পাঠের কোন মানদণ্ড স্থির হয়নি। তবু রাসসুন্দরী তাঁর যে জীবনকথা লিখে গিয়েছেন তা তাঁর অসম সাহস ও আত্মবিশ্বাসের পরিচায়ক।
রাসসুন্দরী কিছু মহামানবী নন; তাঁর জীবনে এমন কিছু ঘটেনি যাতে পাঠকসাধারণের বিশেষ ঔৎসুক্য প্রকাশের
-
ইভান্ পেত্রোভিচ, পাভলভ, (১৮৪৯-১৯৩৬) আমাদের দেশে এখনও অপরিচিত বললেই চলে। তাঁর ‘কন্ডিশন্ড্-রিফ্লেক্স’ কথাটি অল্পাধিক জানা আছে অনেকের কিন্তু এর সঠিক তাৎপর্য এবং চিকিৎসা-বিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, ভাষাবিজ্ঞান ও প্রধানত মনোবিজ্ঞানের উপর পাভলভের এই ‘কন্ডিশন্ড্-রিফ্লেক্স’ আবিষ্কারের প্রভাব সম্বন্ধে আমাদের দেশের পণ্ডিত ব্যক্তিরাও সম্পূর্ণ সজাগ নন।
মনোবিজ্ঞান এই সেদিনও দর্শনশাস্ত্রের আওতার মধ্যে আটকা ছিলো। সত্যিকারের বিজ্ঞানের পর্যায়ে আসবার ও স্বাতন্ত্র্য লাভের চেষ্টা দেখতে পাই ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে। এই সময় জার্মানীতে ওয়েবার, মুলার, হেল্মহোজ প্রভৃতি ফিজিওলজিষ্টরা দর্শন ও শ্রবণইন্দ্রিয় বিষয়ক বহু নতুন তথ্য আবিষ্কার করেন, ইংলণ্ডে “Expression Of The Emotions In Men And Animals” বইখানি এই সময় প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭৯ খৃষ্টাব্দে জার্মানীতেই ভোকনার
-
[গত ২৫শে জুন, ১৯৯৭ বাংলাদেশের লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক তথা সর্বস্তরের, সর্বজন স্বীকৃত বুদ্ধিজীবীরা রণেশ দাশগুপ্তকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য যে আবেদন জানান তার অনুলিপি নীচে প্রকাশ করা হল।]
শ্রী রণেশ দাশগুপ্ত
শ্রদ্ধাভাজনেষু
বাংলাদেশে আপনার নবীন-প্রবীণ অগণিত অনুরাগীজনের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা গ্রহণ করুন। এদেশের মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসিকান্না, আনন্দবেদনার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত থেকে আপনার আদর্শ-উজ্জ্বল ত্যাগী সুদীর্ঘ সংগ্রাম আমরা সর্বদা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। পাকিস্তানি যুগের সূচনা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তিচেতনা পরিপুষ্ট করতে, জেল-জুলুম-নিপীড়ন হাসিমুখে উপেক্ষা করে আপনি যে জীবনসংগ্রামে ব্রতী ছিলেন তা আমাদের কাছে অশেষ প্রেরণাদায়ক হয়ে আছে। আপনার বিপুল পঠন-পাঠন ও গভীর জীবন জিজ্ঞাসার পরিচয়বহ রচনাসমূহ আমাদের সাহিত্য ও শিল্পচেতনাকে
-
[বহুদিন ধরেই আমাদের পরিকল্পনা চলছিল রণেশদার সাক্ষাৎকার নেওয়ার। ব্যক্তি হিসাবে যেমন বিশাল তাঁর মাপ, তেমনই সুদীর্ঘ সময়ের অগাধ, গভীর ও মূল্যবান অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ তাঁর জীবন। স্বাধীনতার আগে ও পরে সাত দশকের অধিককাল জুড়ে চলে তাঁর কর্মকাণ্ড। চলে সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশ জুড়ে, কখনও প্রকাশ্যে, কখনও গোপনে, কখনও জেলখানার ভেতরে, কখনও বাইরে। রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক সর্বক্ষেত্রেই তার অবাধ ও স্বচ্ছন্দ বিচরণ। তার সমস্ত কর্ম, ভাবনা ও সৃষ্টির মূলে একটিই স্বপ্ন, মানুষের মুক্তি। ক্ষুধা ও দারিদ্র থেকে নয়, অন্তরে বাহিরে যাবতীয় পীড়ন ও বন্ধন থেকে মুক্তি। এই মুক্তির সংগ্রামে তাঁর মন্ত্র ও অস্ত্র মার্কসীয় জীবনবীক্ষা, মানবিকতার সাধনায় শ্রেষ্ঠতম দর্শন। শুধুমাত্র বহু চেষ্টার
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আশ্বাস
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- প্রক্রিয়াধীন
- লেখকদের প্রেম
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- সাহিত্যচিন্তা
- পরিচয়
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৪)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- গোপাল হালদার (২)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- চিত্রা দেব (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দীননাথ সেন (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১০)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মুনীর চৌধুরী (১)
- যতীন সরকার (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৯)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহীন রহমান (২)
- সত্যেন সেন (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হাসান মুরশিদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.