-
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এদেশে এমন একজন অসাধারণ মেধাবী মানুষের আবির্ভাব ঘটেছিল যিনি সকল কর্মপ্রয়াসেও ছিলেন অনন্য। কিশোরগঞ্জ জেলার একটি অজ পাঁড়াগায়ে জন্মগ্রহণ করেও তিনি সারা ভারতবর্ষে মেধা ও পান্ডিত্যের জন্য বিশেষখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রতিটি পরীক্ষায়ও প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। চাকরি করলে তিনি কি না হতে পারতেন। কিন্তু সেদিকে না গিয়ে, তিনি আত্মনিয়োগ করেছিলেন কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের মুক্তি সংগ্রামে। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যোগদান করে একটানা প্রায় আটবছর জেল খেটেছেন এবং জেলে বসেই লিখেছেন মার্কসবাদ সংক্রান্ত পান্ডিত্যমুলক গ্রন্থ, অনুবাদ করেছেন এবং ইংরেজি ভাষাতেও গ্রন্থ রচনা করে সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। তাঁর গ্রন্থ আজও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য ও রেফারেন্স হিসেবে গৃহীত।
-
১
শ্রমজীবীরা বিশ্বের দেশে দেশে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছে অথবা আজ হোক কাল হোক করবে। সমস্ত মৌল অর্থনৈতিক সম্পদে ব্যক্তিগত মালিকানার উচ্ছেদ ঘটিয়ে সামাজিক মালিকানাজারী প্রথম কাজ। শিল্পকলা সাহিত্যেরও দখল নেয়া এই কাজের অন্তর্ভুক্ত। এই একান্ত বাস্তব ও অনিবার্যভাবে সম্ভাব্য বাস্তব থেকে উদ্ভব হয়েছে সাহিত্য শিল্পকলার নতুন সংজ্ঞা সমাজতান্ত্রিক বাস্তবতাবাদের। এই সংজ্ঞার মূলসূত্র, শ্রমজীবী মানুষের কর্মকাণ্ড এবং ইচ্ছা ও অনুভবই সাহিত্য- শিল্পকলার চালকশক্তি।
এই সংজ্ঞার সূচনা ঐতিহাসিকভাবে সোভিয়েত অক্টোবর বিপ্লবে, কারণ এই বিপ্লবের মধ্য দিয়েই প্রথম শ্রমজীবীদের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা এবং সাহিত্য শিল্পকলার প্রবর্তন হয়েছে।
মায়াকভস্কির বিশেষত্ব এই যে, যাঁরা সাহিত্য শিল্পকলায় শ্রমজীবীদের দখল নেয়ার কাজে সৃজনশীলতায়
-
[ফ্যাসিবাদের মোহ অনেক লেখক বুদ্ধিজীবীকেই আবিষ্ট করে। সুখ স্বাচ্ছন্দ কিংবা ক্ষমতার আত্মপ্রসাদ লেখককে প্রলুব্ধ করে। এমনই এক লেখকের মর্মান্তিক ইতিহাস থেকে জঁ-পল সার্ত্র তাঁর সিদ্ধান্তে পৌঁছান: ফ্যাসিবাদে লেখকের মুক্তি নেই, সাহিত্যের ধর্মই তাকে ফ্যাসিবাদে শাস্তি দেবে না। ‘লেখা কী?’ নামে একটি প্রবন্ধের উপসংহার, ইংরেজী থেকে অনুবাদিত। ‘হোয়াট ইজ লিটেরেচার’ বা ‘সাহিত্য কী’ নামে ইংরেজি বইয়ে প্রবন্ধটি আছে।—অনুবাদক]
লেখক লিখতে বসলেন; তার মানেই তিনি পাঠকদের স্বাধীনতা স্বীকার করে নিলেন। পাঠক বই খুলে ধরলেন; তার মানেই তিনি লেখকের স্বাধীনতা স্বীকার করে নিলেন। যেদিক থেকেই দেখুন না কেন, শিল্পকর্ম মাত্রই মানবসমাজের স্বাধীনতায় আস্থা ঘোষণা। লেখকের মতোই পাঠকেরাও এই স্বাধীনতা স্বীকারের সঙ্গে সঙ্গেই তার
-
প্রায় ৮৪ বৎসর বয়সে সরলা রায় (মিসেস্ পি. কে. রায়) দেহত্যাগ করেছেন। যথাকালেই তাঁর জীবনাবসান হয়েছে, বলতে হবে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে তিনি এখনো এতটা দক্ষতা ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে অধিষ্ঠিতা ছিলেন যে, তাঁর অনুপস্থিতি স্বীকার করে নেওয়া তাঁর দেশের ও সমাজের পক্ষে সহজ নয়। সম্ভবত, তাঁর উত্তরাধিকারিণীও আর একাল কেউ আসবেন না।
আমাদের অনেকেরই নিকট মিসেস্ পি. কে. রায় “গোখলে মেমোরিয়েল গার্লস্ স্কুলের” (এবং তার কলেজ শাখারও) প্রতিষ্ঠাত্রী ও প্রধান পরিচালিকা হিসাবেই সুপরিচিতা ছিলেন। হয়ত এজন্যই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের প্রথম নারী সদস্যা মনোনীত হন। বাংলা দেশের উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কন্যাদের শিক্ষাবিষয়ে সে স্কুলটির যে বিশেষ দান আছে তা সুপরিজ্ঞাত।
বিলেতী ধনিকশ্রেণীর উদারনৈতিক
-
খানিকক্ষণ চুপ করে থাকলেন তিনি। তারপর ধীরে ধীরে স্মৃতি উদ্বেলিত হয়ে উঠলেন। পেছনের ফেলে আসা দিনগুলোর মাঝে হারিয়ে যেতে চাইছিলেন তিনি। ১৯৫৩ সালের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সেই উত্তপ্ত দিনগুলোতে ডিসেম্বর আর জানুয়ারীর শীতার্ত রাতগুলোতে। যখন জেলের একটি কামরায় বসে দারুন এক অস্থিরতার শিকার হয়ে সমস্ত মন দিয়ে ছোট্ট একটি খাতায় লিখছিলেন ‘কবর’ নাটিকাটি। বিষয় বস্তুর নির্বাচনে, আঙ্গিকের নতুনত্বে দৃশ্যকল্প নির্মাণে, সব দিক থেকেই যা অভিনবত্বের স্বাক্ষর বহন করছে। তাই আজও ‘কবর’ নাটিকাটি এত প্রিয়।
মুনীর চৌধুরী তখন জেলে। ভাষা আন্দোলনে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি অনেকের সাথে রনেশ দাশগুপ্তও তাদের মধ্যে ছিলেন।
“রনেশদাই গোপনে চিঠি লিখেছিলেন আমাকে। সামনে একুশে ফেব্রুয়ারী। একটা নাটক
-
রুশ দেশ ও রুশ জাতির সঙ্গে আমার কালের বাঙালীদের অনেকেরই পরিচয় করিয়েছে রুশ সাহিত্য। আর শুধু রুশিয়ার নয়, নিজেদের সঙ্গেও আমরা তাতে পরিচিত হয়েছি। আসলে পরিচিত হয়েছি মানুষের সঙ্গে, আর মানুষের জীবন-সত্যের সঙ্গে। সব সাহিত্যেরই এই ব্রত। রুশ সাহিত্যে সে ব্রত সার্থকভাবে পালন করতে পেরেছে বলেই আমরা অনুবাদে পড়া রুশ-সাহিত্যের নামেও পাগল হতাম। তাই আজও আমরা শুধু লেনিনের নামেই রুশিয়ার সম্মুখে প্রীতি ও শ্রদ্ধাভরে দাঁড়াই না, দাঁড়াই তার রুশ সাহিত্যিকদের নামেও। চেখফ তেমনি একটি নাম।
একটা প্রশ্ন তবু আছে—রুশ-জীবনের এই পরিণতির কী আভাস ছিল চেখফ-এর গল্পে নাট্যে? একথা তো জানি এবং অনুভব করতে পারি—সেদিনের রাজনৈতিক দল ও মতবাদ সম্বন্ধে চেখফ
-
লেখক: গুণময় দাস
“আমার জীবনই আমার সাহিত্য।”—তুর্গিয়েনেফ
যে সমস্ত প্রতিভাধর সাহিত্যিকের রচনাসম্ভারে রুশ জাতীয় সংস্কৃতির গৌরব বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন তুর্গিয়েনেফ। লেনিন এঁকে “স্বনামধন্য রুশ লেখক” বলে অভিহিত করেছেন।
সামন্ত-ভূমিদাস প্রথা থেকে বুর্জোয়া-ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে এক বিরাট পটপরিবর্তন হল, সেই এক সমগ্র ঐতিহাসিক যুগের রুশ জনজীবনের সার্থক প্রতিফলন দেখা যায় তুর্গিয়েনেফ-এর রচনায়। এই বিরাট শিল্পী-রিয়ালিস্ট রুশ সমাজ-আন্দোলনের যে সব উজ্জ্বল চিত্র এঁকেছেন তাদের সঞ্চারকাল ঊনবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ‘ছাত্র-চক্র’ থেকে শুরু করে ১৮৭৪-১৮৭৬ খৃষ্টাব্দের ‘জনগণের কাছে যাও’ আন্দোলনের সময় পর্যন্ত ৷
গভীর স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিলেন তুর্গিয়েনেফ, এবং তারই উদ্দেশে পরিপূর্ণরূপে নিয়োজিত করেছিলেন আপন শিল্পক্ষমতাকে।
-
...তারপর অকস্মাৎ ইয়োরোপে ইটালির আবিসিনিয়া আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে আমি এক প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল মানুষের জীবনে বর্বরতার আর মনুষ্যত্বের এক টাগ অব ওয়ার আরম্ভ হয়ে গেল এই বিংশ শতাব্দীতে। মানুষ যখন সর্ব বর্বরতাকে সমাহিত করে বৃহত্তর কল্যাণের দিকে চলেছে ঠিক সেই সময়েই মানুষের আত্মস্বার্থপন্থী পদ্ধতি সকল মুখোশ খুলে তাণ্ডব নৃত্য আরম্ভ করে দিয়েছে। জার্মানিতে ইহুদি নির্যাতন দেখে শিউরে উঠলাম। ফ্রয়েড, আইনস্টাইনের দুর্দশা ও অপমান, মেয়েদের অধিকার লোপ, স্পেনের গৃহযুদ্ধ, চীনের বিরুদ্ধে জাপানের অভিযান দেখলাম। মনে মনে বার বার প্রশ্ন করেছিলাম—মানুষ কি এই সহ্য করবে, এক-এক সময় প্রত্যাশা করতাম—ওই ওই দেশের মানুষেই এই বর্বরতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে মনুষ্যত্বের এই চরম
-
মহকুমা-শহর নড়াইল, রাজনৈতিক কারণে স্বনামে পরিচিত, স্থানীয় ভাষায় নড়াল। শহরটিকে ঘিরে বয়ে চলেছে বাঁকফেরা ছোটখাট একটি ঘরোয়া চরিত্রের নদী, নাম তার চিত্রা। সে নদীতে জেলেরা মাছ ধরে, সে নদীপথে কেরায়া নৌকো, লঞ্চ এবং ছোটখাট স্টিমারও চলে। শহর থেকে সামান্য দূরে স্থানীয় জমিদারদের কল্যাণে গড়ে উঠেছে ব্যবসা কেন্দ্র রূপগঞ্জ (পোষাকিনাম রতনগঞ্জ) বাজার। অন্যদিকে জমিদারদেরই প্রতিষ্ঠিত নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজ এবং কলেজিয়েট স্কুল।
সে সময় যাতায়াতের বিবেচনায় দুর্গম হলেও রাজনীতি ও সংস্কৃতিমনস্ক শহর নড়াইল। এর বিশেষ খ্যাতি প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঐতিহাসিক তে-ভাগা আন্দোলনের ঐতিহ্য সৃষ্টির কারণে। ওই আন্দোলনের খ্যাতিমান নায়কদের মধ্যে আমার জানা মতে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য অমল সেন, মোদাচ্ছের মুন্সী, নূরজালাল, রসিক লাল ঘোষ,
-
[শেষের দিকে কৃষণ চন্দরের একটি সাক্ষাৎকার নেন মুম্বাইয়ের উর্দু পত্রিকা ‘সাব-রং’। কৃষণ চন্দরের মৃত্যু হয় ১৯৭৭ সালের ৭ মার্চ। পত্রিকাটি জানায় এটিই কৃষণ চন্দরের দেওয়া শেষ সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারটি ঈষৎ সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা হলো। মূল উর্দু থেকে অনুবাদ করেছেন বিখ্যাত অনুবাদক জাফর আলম]
প্রশ্ন: আপনার প্রথম গল্পের নাম কি এবং তা কিভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তর: আমার প্রথম গল্পের নাম “ঝিলামের বুকে নৌকা বিহার”। গল্পের উৎস ঝিলাম নদীতে নৌকা বিহারের পটভূমি। তখন ঝিলাম নদী পারাপারের জন্য গায়ালিয়া থেকে নৌকা ছাড়তো। নৌকায় চড়ে ঝিলাম নদী পাড়ি দেয়ার সময় এই গল্পের প্লট আমার মনে দেখা দেয়।
প্রশ্ন: সমালোচকদের মতে, আপনি শুধু কমার্শিয়াল গল্প
-
আর কে মুনির:কৃষণ চন্দর প্রকৃত অর্থেই এক মহান অন্তঃকরণের মানুষ। আমি তাঁকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তিনি যতখানি পারা যায় মানুষের কল্যাণের কথাই ভাবতেন। নিজের সাধ্যানুসারে অন্যকে সাহায্য করা পছন্দ করতেন। অন্যের ক্ষতি হয় এই রকম কোন কাজ চিন্তাও করতেন না। তাঁর কাছে অনেক জীবন ধারার মানুষজন আসতেন, আসতেন যেমন সাধারণ মানুষ তেমনি অসাধারণরাও। প্রত্যেকের জন্য তাঁরা ছিলো অকৃত্রিম ব্যবহার। নবীন লেখকেরা আসতেন তাঁদের মতামত জানাতে এবং তাঁদের সৃজন কৃষণজীকে দেখাতে। তিনি কারো জন্য চিঠি লিখে নিতেন, কারো জন্য অনুমোদন পত্র। ফিল্ম রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর জন্য তিনি প্রভৃত কাজ করেছেন। এই জগতের লেখক কলাকুশলীদের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ ছিল। সামাজিক
-
জলার্ক:কৃষণ চন্দর সম্পর্কে আপনার প্রাথমিক স্মৃতি কি?
শিবরাজ:কৃষণজীর সঙ্গে পরিচয় হয় তিনি যখন দিল্লীর অল ইন্ডিয়া রেডিওতে ড্রামা ডাইরেক্টর ছিলেন তখন। অতি সুক্ষ্ম চিন্তার উন্নতমানের গল্প লেখক হওয়ার সুবাদে এ.আই.আর তাঁকে এই দায়িত্বে নিয়োগ করে। আমি ছিলাম ওখানকার শিল্পী। প্রতি সপ্তাহে একটি করে ড্রামা হতো, ফলে তাঁর সঙ্গে গভীরভাবে মেশবার সুযোগ হলো। তিনি ছিলেন মহৎ অন্তঃকরণের আশ্চর্য মানুষ। সকলের সঙ্গে তাঁর ব্যবহার ছিলো মধুর এবং হঠাৎ আমরা জানলাম যে তিনি পুনা থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন। ডব্লু. জেড. আহমদ ছিলেন ওখানে। আহমদ সাহেব চেয়েছিলেন সব সেরা লেখকেরা শালিমার স্টুডিওতে যুক্ত হোন। কৃষণজী বললেন, রেডিওতে আমার সীমাবদ্ধ সুযোগ। তাই ওখানে গিয়ে
ক্যাটাগরি
উৎস
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- প্রক্রিয়াধীন
- পরিচয়
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- লেখকদের প্রেম
- শান্তি স্বাধীনতা সমাজতন্ত্র
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- আশ্বাস
- বিজ্ঞানচেতনা
- সাহিত্যচিন্তা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- আহমদ রফিক (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৪)
- এহসান হায়দার (৩)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- গোপাল হালদার (২)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- চিত্রা দেব (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- জয়নাল হোসেন (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দীননাথ সেন (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১০)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মুনীর চৌধুরী (১)
- যতীন সরকার (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৯)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহীন রহমান (২)
- সত্যেন সেন (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হাসান মুরশিদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.