সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ওকার উত্তরে সমস্ত অরণ্যময় জায়গাটাকে বরাবরই ‘দ্রেমুচি’[১]বলে উল্লেখ করা হয়।
এই অরণ্যের মধ্যে অনেক মাইল ধরে আর্কাদি গাইদার[২]এবং আমি ঘুরে বেড়িয়েছি। সেটা কিন্তু অনেক দিন আগেকার কথা—চতুর্থ দশকের গোড়ার দিকে।
ঘুরে বেড়াবার সময় একাধিকবার এই প্রাচীন কথা ‘দ্রেমুচি’ অরণ্য সম্বন্ধে আলোচনা করেছিলাম। রুশ ভাষার প্রয়োগনৈপুণ্য আমাদের অতিশয় আনন্দ দিয়েছিলো, কারণ বাস্তবিকই এই ঘন অরণ্যকে মনে হয়েছিল বুঝি গান গেয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এক ধ্যানমগ্ন স্তব্ধতা শুধু যে অরণ্যের উপরই নেমে এসেছে তাই নয়, হ্রদ এবং গেরুয়া রঙের জলে ভরা মন্থর নদীগুলির উপরেও। তাদের তীরগুলোয় সারবন্দী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে লিনিস গাছ, যেগুলোর অন্য
-
লেখক: হেনা দাস
গত শতকের ত্রিশের দশকে ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে তীব্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিকাশের ধারায় গোটা উপমহাদেশে বিশেষভাবে অবিভক্ত বাংলায় শ্রমিক কৃষক ও অন্যান্য মেহনতি শ্রেণীর সংগঠিত আন্দোলন গড়ে উঠতে থাকে। এ সময় কমিউনিস্টদের উদ্যোগেই সারা বাংলার জেলায় জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয় কৃষকদের নিজস্ব গণসংগঠন। যদিও বহু আগে থেকেই জমিদারদের মাত্রাহীন জুলুম, অত্যাচার ও সঠিকভাবে সামন্ততান্ত্রিক নিষ্ঠুর নিপীড়ন ও শোষণের বিরুদ্ধে কৃষকদের স্বতঃস্ফূর্ত বিদ্রোহ ও লড়াই সংগ্রামের অনেক ঘটনা ঘটে এসেছে, তবুও ত্রিশের দশকের শেষভাগেই কৃষক সমিতির নেতৃত্বে জমিদারিপ্রথাসহ সকল সামন্ততান্ত্রিক শৃঙ্খলের বিরুদ্ধে কৃষকদের ব্যাপক সংগঠিত আন্দোলন শুরু হয়।
চল্লিশের দশকে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের তাণ্ডব, বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, ইংরেজ শাসনের
-
এই নিবন্ধের শিরোনামে স্বাধীনতা সংগ্রাম কথাটি ইচ্ছাকৃতভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে। স্বাধীনতাযুদ্ধ বললে ’৭১ সালের নয় মাসের সময়কালের মধ্যে আলোচ্য প্রসঙ্গটি সীমাবদ্ধ থাকে। স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম, আরো আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বভিত্তিক চেতনা থেকে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনায় উত্তরণ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ, স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ডাক এবং সর্বশেষ পর্যায়ে মহান সশস্ত্র যুদ্ধ—সব কয়টি পর্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ কথাটি গ্রহণ করলে। ’৪৭ থেকে ’৭১-এর প্রতিটি পর্যায়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে বামপন্থীদের অবদান বিশাল এবং সেটাই স্বাভাবিক। শ্রেণী শোষণ থেকে আরম্ভ করে সব ধরনের শোষণ, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণীর পার্টি, কমিউনিস্টরাই সর্বকালে সর্বদেশে লড়াই করে এসেছে। বুর্জোয়া নেতৃত্বও নানা
-
ভ্লাদিমির শহরে বাস করত এক তরুণ ব্যবসায়ী। তার নাম ছিল ইভান ডিমিস্ট্রিচ আকসিওনভ। তার গোটাদুই দোকান এবং একটি সুন্দর বাড়ী ছিল।
আকসিওনভকে সুপুরুষ বলা যায়। সুন্দর কোঁকড়া চুলওয়ালা লোকটি বেশ আমুদে প্রকৃতির, আর গান-বাজনাও সে ভালবাসত খুব। দোষের মধ্যে বলতে গেলে, মদ খেত খুব বেশী। আর মদের মাত্রা চড়লেই প্রায়ই সে কোনো না কোনো গোলমাল পাকিয়ে বসত। অবশ্য বিয়ে করার পর কখনো-সখনো একটু-আধটু পান করা বাদে মদ খাওয়া বলতে গেলে ছেড়েই দিয়েছিল।
একদা এক গ্রীষ্মকালে আকসিওনভ 'নিজনি'র মেলায় ব্যবসার উদ্দেশে যাবে বলে মনস্থ করল। পরিবারের লোকজনদের বিদায় জানিয়ে যখন সে রওনা হতে যাচ্ছে তখন তার স্ত্রী এসে বলল, 'ওগো, তুমি
-
মনুষ্যের সৌন্দর্য্য-বুদ্ধির বিকাশ হইল কিরূপে, ইহা একটা সমস্যা। বড় বড় পণ্ডিতে এই সমস্যা মীমাংসা করিতে গিয়া হারি মানিয়াছেন। বর্তমান প্রসঙ্গে এই বিষয়ের আলোচনা করা যাইবে মাত্র, মীমাংসার কোন চেষ্টা হইবে না। বহু মানবধৰ্ম্ম প্রাকৃতিক নির্ব্বাচনে বিকাশলাভ করিয়াছে বুঝা যায়। ইংরেজীতে যাহাকে ইউটিলিটি বলে, প্রাকৃতিক নির্বাচন তাহাই দেখিয়া চলে। ইউটিলিটির বাঙ্গালা অর্থ হিতকারিতা, উপকারিতা, উপযোগিতা, কাজে লাগা। যাহা কিছু কাজে লাগে, যাহা জীবনের পক্ষে হিতকর, যাহা জীবন-সংগ্রামে অনুকূল, কোন-না-কোনরূপে জীবন-সংগ্রামে যাহা সাহায্য করে, জীবন কালক্রমে তাহাই অর্জন করে। মানুষ দুই পায়ে ভর দিয়া দাঁড়াইতে পারে, মানুষের মাথায় এক রাশি মস্তি ক আছে, মানুষের হাত দুইখানা অস্ত্রনির্মাণের ও অস্ত্র প্রয়োগের উপযোগী, মানুষ
-
এই ভাঁটফুলের দেশে সাদাকালো[১]জীবনেও নিয়মকরে ফাগুন আসে। সে ফাগুন নতুনের বারতা পৌঁছে দেয় সর্বত্র। আমাদের সাদাকালো-নিরুপদ্রব গাঁয়েও ফাগুনের আগুন আর গোপন থাকে না। সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের আনাচে-কানাচে—পথে-প্রান্তরে। শিমুল-মান্দারের শাখায় শাখায় রক্তিম সে আভা দৃশ্যমান হয়। সত্য বলতে—আমাদের গ্রামটি দেশের অন্যান্য হাজারো গ্রাম থেকে সামান্যও আলাদা নয়, বরং আরও বেশি সাধারণ। গ্রামের পাশ দিয়েই অবাধে বইয়ে চলা ব্রহ্মপুত্রের শান্ত-শীতল জল তীরবর্তী গ্রামগুলিকে সাজিয়েছে এক অনন্য সজীব-নীরবতায়। যে নীরবতায় পাখির কোলাহল আর একঘেয়ে ঝিঁঝিঁর ডাককেও নৈঃশব্দ বলে মনে হয়। প্রমত্ত ব্রহ্মপুত্র আজ বয়সের ভারে ন্যুজ। তাই তার আগের রুদ্রমুর্তি আর নেই, এখন সে ক্ষয়িষ্ণু। খরা মৌসুমে নদীতে আর
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি, নগ্ন সামরিক শাসন ব্যবস্থা এবং তথাকথিত মৌলিক গণতন্ত্রী ব্যবস্থায় ১৯৬৫ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের ক্ষমতা আইনানুগ করার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানকে পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী সামরিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্তি আর সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের ক্ষমতার বাইরে রাখার নীলনকশা কার্যকর করা। সেই কঠোর সামরিক শাসনের মধ্যে ও পূর্ব বাংলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক আন্দোলন, শরীফ কমিশনের শিক্ষা সংস্কারবিরোধী ছাত্রদের শিক্ষা আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখে দাঁড়ানোর আন্দোলন আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কনভোকেশন হাঙ্গামাকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও সংবাদপত্র নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন, অর্থনৈতিক বৈষম্যবিরোধী দুই অর্থনীতির জন্য আন্দোলন ছিল প্রকৃত প্রস্তাবে সামরিক স্বৈরাচার ও পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন, যেসব আন্দোলনের
-
লেখক: অজয় রায়
১৯৬৮-৬৯-এর গণআন্দোলন, স্বাধীনতা-পূর্ব স্বায়ত্তশাসন থেকে একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিটি পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবং এর ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মচারীরা এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের অবদান, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং সর্বোপরি রণাঙ্গনে ছাত্রদের সাহসী অবদান আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। শুধু কি স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়গুলোতে, এরও আগে ১৯৪৮ সাল থেকে ৫২ পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের প্রতিটি স্তরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি শিক্ষকরা প্রকাশ করেছিলেন। সেদিনের ছাত্রদের ভূমিকা আজ আর কারও অজানা নেই, কাজেই তাদের কথা আজ আর বলব না। শুধু এটুকু বলি, সেদিন আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য সেদিনের ছাত্র শেখ
-
১৯৭১, ২১ ফেব্রুয়ারি। বাংলা একাডেমীতে শেখ মুজিব আসবেন। সভার সভাপতি কবির চৌধুরী, একাডেমীর পরিচালক। প্রধান অতিথি শেখ মুজিব। লেখকদের পক্ষে বক্তব্য রাখব আমি। সকাল দশটার ভেতর একাডেমীর প্রাঙ্গণ লোকে লোকারণ্য। হোটেল পূর্বাণীতে আলোচনা চলছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে। লোকজনের ভিতর টানটান উত্তেজনা। লোকজনের ভিতর বৈপ্লবিক পূর্বাভাস। এই উত্তেজনা, এই পূর্বাভাস বুকে ভরে আমি বক্তব্য উপস্থাপিত করলাম: আমরা বাঙালি, শেখ মুজিব আপনি দেশকে স্বাধীন করুন। স্বাধীনতার সঙ্গে কোন আপোস নয়। জবাবে শেখ মুজিব বললেন, আমার ভাই জাহাঙ্গীর যা বললেন তা আমাদেরও কথা। স্বাধীনতাই আমাদের বাঁচার একমাত্র পথ। জয় বাংলা। বিপুল করতালিতে, আগুনের মতো শ্লোগানে ভরে গেল প্রাঙ্গণ।
ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে
-
Author: Susan Brownmiller
Indira Gandhi's Indian Army had successfully routed the West Pakistanis and had abruptly concluded the war in Bangladesh when small stories hinting at the mass rape of Bengali women began to appear in American newspapers. The first account I read, from the Los Angeles Times syndicated service, appeared in the New York Post a few days before Christmas, 1971. It reported that the Bangladesh government of Sheik Mujibur Rahman, in recognition of the particular suffering of Bengali women at the hands of Pakistani soldiers, had proclaimed all raped women "heroines" of the war for independence. Farther on
-
বাংলাদেশ হানাদার বাহিনী মুক্ত হওয়ার পর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। শত্রুমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের তিনি প্রথম রাষ্ট্রপতি এটাই তার বড় পরিচয় নয়। এর চেয়ে তাঁর মহত্তর স্বীকৃত হলো যে, সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের দিনগুলোতে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বৃটেন, ইউরোপ ও আমেরিকায় মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে জনমত গঠন, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠিত করা এবং মুক্তিযুদ্ধে সর্বতোভাবে সাহায্য করার প্রত্যক্ষ কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত রেখেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্ব এবং নেতা সম্পর্কে তাঁর মনে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব, কোন সংশয় কিংবা বিপথগামী চিন্তা তাঁকে স্পর্শ করতে পারে নি।
তাঁর 'মানবাধিকার' শীর্ষক বইতে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বলেছেন, "১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের স্থান পূরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু
-
সত্যেন সেনের কোন্ পরিচয় অধিক প্রসারিত—একজন কমিউনিস্ট কর্মী কিংবা নেতা হিসাবে এবং কৃষক আন্দোলনের সংগঠক হিসাবে; না সাহিত্যিক হিসাবে তাঁর পরিচিতি সমধিক—এ কথা বলা দুঃসাধ্য। তবে একটা বিষয়ে বোধ হয় নিঃসন্দেহ হওয়া যায়, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ও তাঁর প্রাণপুরুষ হিসাবেই তিনি বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র পরিচিতি লাভ করেছেন। 'উদীচী' সাংস্কৃতিক সংগঠনের শাখা বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতেই রয়েছে এবং তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলেই সত্যেন সেন সম্পর্কে কম-বেশি জানেন। উদীচীর কথা উঠতেই সত্যেন সেনের নাম স্মরণে আসবে অবধারিতভাবেই।
একজন কমিউনিস্ট নেতা হিসাবে তাঁর পরিচয়ের পরিধি খুব বেশি নয়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যারা গভীরভাবে জড়িত তাদের সীমানায় তাঁর নামডাক দু-যুগ আগে শোনা যেত।
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- আন্দোলন
- ছোটগল্প
- পাকিস্তান
- ভাষা
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- অনুবাদ
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- শিশুতোষ
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- স্মৃতিকথা
- নারী
- বই
- চলচ্চিত্র
- পশ্চিমবঙ্গ
- সমালোচনা
- মুক্তিযুদ্ধ
- ভৌতিক
- চট্টগ্রাম
- উদ্ভিদ
- ঢাকা
- পরিবেশ
- ভাষণ
- সাংবাদিকতা
- মধ্যপ্রাচ্য
- যুদ্ধ
- গবেষণা
- সিলেট
- কবিতা
- চিরায়ত
- কিশোর
- রূপকথা
- আলোচনা
- নদী
- ইংরেজি
- গণহত্যা
- পুঁজিবাদ
- ছাত্র আন্দোলন
- যুক্তরাষ্ট্র
- সাম্রাজ্যবাদ
- গান
- ফ্যাসিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- সমাজ
- অভ্যুত্থান
- কলকাতা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- সংবাদ
- সরকার
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- আত্মজীবনী
- খুলনা
- বইমেলা
- বিপ্লব
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞানী
- নজরুল
- অর্থনীতি
- রংপুর
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- বঙ্গবন্ধু
- অতিপ্রাকৃত
- রাশিয়া
- চিঠি
- রমন্যাস
- ভূমিকা
- নারীবাদী
- এনজিও
- ফিচার
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- জাতীয়তাবাদ
- কারুশিল্প
- জাতীয়
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- দুঃসাহসিক
- ফুল
- লালন
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- আর্টিস্ট
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৫৩)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৪)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৮)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (২)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৫)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (৩)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৭ (১)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৭)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৩)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (৯)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৪)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৪)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সের্গেই বারুজদিন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (৩)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.