সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
[তৎকালীন অস্ট্রিয়ার কোমোটাউ অন্চলের এক সৈনিক পরিবারে ১৮৯৯ সালে ফিশার জন্মগ্রহণ করেন। প্রথম মহাযুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। তবে মূলত ছিলেন দর্শনের ছাত্র ও সাংবাদিকতায় অনুরাগী। কমুনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন ১৯৩৪ সালে। ১৯৪৫ সালে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কালে, অস্ট্রিয়ায় অস্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠায় অংশ নেন। কিছু সময় ওই সরকারে শিক্ষামন্ত্রীও ছিলেন। ১৯৫৯ সালের পর থেকে সম্পূর্ণরূপে সাহিত্যসেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ওই বছরই প্রকাশিত হয় শিল্প-সমালোচনামূলক তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ the Necessity of Art। মার্কসবাদীর দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত এই বইয়ে তিনি কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করেছেন—কেন শিল্পী বিশেষ পদ্ধতিতে আঁকেন, উপন্যাসবিচারের মাপকাঠি কি হবে, বা শিল্পকলাই বা কি? জার্মান ভাষায় রচিত উক্ত পুস্তকটি প্রকাশের পর থেকে
-
স্বর্ণ ডাইনিকে মনে পড়ছে।
শুকনো কাঠির মতো চেহারা। একটু কুঁজো, মাথায় কাঁচা-পাকা চুল, হাটে তরি-তরকারি কিনে গ্রামের ঘরে ঘরে বেচে বেড়াতো। চোখ দুটো ছিল নরুনে- চেরা চোখের মতো ছোট। দৃষ্টি তীক্ষ্ণই ছিল, কিন্তু ডাইনি শুনে মনে হতো সে চোখ যেন আমার ভেতরে ঢুকে আমার হৃপিণ্ডটা খুঁজে ফিরছে।
স্বর্ণ গ্রামে বড় কারোর ঘরে ঢুকতো না। আমার অনেক বয়স পর্যন্ত স্বর্ণ বেঁচে ছিল। আমরা স্বর্ণপিসি বলতাম। বেচারি গ্রামের ভদ্রপল্লী থেকে দূরে— জেলেপাড়ার মোড়ে একখানি ঘর বেঁধে বাস করতো। সে-পথে যেতে আসতে দেখেছি, বুড়ি ঘরের মধ্যে আধো অন্ধকার আধো-আলোর মধ্যে বসে আছে। চুপ করে বসে আছে। কথা বড় কারো সঙ্গে বলতো না। কেউ
-
রবীন্দ্রনাথের জন্ম কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে। বাংলার সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও স্বাদেশিকচেতনা উন্মেষে যে পরিবার বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) বয়স যখন পাঁচ বছর, ১৮৬৬ সালে ঠাকুর পরিবারের সুহৃদ, রবীন্দ্রনাথের গৃহশিক্ষক রাজনারায়ণ বসু (১৮২৬-১৮৯৯) কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাতীয় গৌরবেচ্ছা সভা’ এবং ‘হিন্দুমেলা’ (১৮৬৭)। পরবর্তী সময় থেকে এ মেলার নামকরণ করা হয় ‘চৈত্রমেলা’। স্বাদেশিকতাবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যেই ১৮৭৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘সঞ্জিবনী সভা’। কিশোরকাল থেকেই রবীন্দ্রনাথ এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁরআত্মপরিচয়গ্রন্থে লিখেছেন:
জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈপ্লবিক ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে বৈপ্লবিক সংগঠন ‘সঞ্জিবনী সভা’ নামে একটি গুপ্ত সমিতি স্থাপন করেছিলেন। সমিতির সভাপতি ছিলেন হিন্দুমেলার উদ্যোক্তা রাজনারায়ণ বসু
-
তপুকে আবার ফিরে পাব, এ কথা ভুলেও ভাবিনি কোনোদিন। তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে। ভাবতে অবাক লাগে, চারবছর আগে যাকে হাইকোর্টের মোড়ে শেষবারের মতো দেখেছিলাম, যাকে জীবনে আর দেখব বলে স্বপ্নেও কল্পনা করিনি- সেই তপু ফিরে এসেছে। ও ফিরে আসার পর থেকে আমরা সবাই যেন কেমন একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। রাতে ভালো ঘুম হয় না। যদিও একটু-আধটু তন্দ্রা আসে, তবু অন্ধকারে হঠাৎ ওর দিকে চোখ পড়লে গা হাত পা শিউরে ওঠে। ভয়ে জড়সড় হয়ে যাই। লেপের নিচে দেহটা ঠক্ ঠক্ করে কাঁপে।
দিনের বেলা অনেকেই আমরা ছোটখাটো জটলা পাকাই।
দিনের বেলা ওকে ঘিরে দেখতে আসে ওকে। অবাক হয়ে
-
স্বাধীনতার দামামার শব্দে উত্তরঙ্গ গোটা বাংলাদেশ।
বাড়ীর উঠানে ঢুকতেই মা হঠাৎ ঘোমটা টেনে বসল। ঝোপ দাড়ীওয়ালা কোন বেগানা মরদ অন্দরে ঢুকে পড়েছে। তৌবা !
লাতু তখনই হো হো শব্দে হেসে উঠল এবং দৌড়ে গিয়ে মাকে বুকে জড়িয়ে ধরল, সাথে সাথে উচ্চারণ “মা আমারে চিনত৷ পারলে না? আমি লাতু—।”
হাউমাউ কান্নাসহ সন্তানকে বুকে চেপে জননী কী যে বলতে লাগল বুঝা গেল না। এই নাটকীয় মঞ্চে তখন আরো দর্শক জুটে গেছে। লাতুর ছোট ছোট দুই বোন, বারো বছরের এক ভাই। তারা হকচকিয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ মার কান্না, এক অপরিচিত মিলিটারী যদিও মুক্তিযোদ্ধা, অমন কোলাকুলি। সবই অভাবনীয়। তখনই বাপ জবেদ মিয়া কোথা থেকে যে
-
মনে হয় মানুষ স্বভাবত পৌত্তলিক: কোনো বিশেষ প্রতিমা বিশেষ তত্ত্ব বিশেষ আচার বা বিশেষ ধরন-ধারণ—এ না হলে যেন তার চলতে চায় না। আর এরই সঙ্গে সঙ্গে সে পরিবর্তনপ্রিয়—তার প্রতিমাতত্ত্ব আচার বা ধরন-ধারণ ক্রমাগত বদলায়।
সংস্কৃতির কথাটা ইউরোপে প্রবল হয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইউরোপে নানা ধরনের বিপ্লব দেখা দেয়—ভাব-বিপ্লব, অর্থনৈতিক বিপ্লব, রাষ্ট্রিক বিপ্লব, সবই। সেই বিপ্লবের পরে ঊনবিংশ শতাব্দীতে আসে নতুন সংগঠনের কাল। সেই দিনে অতীতের ধর্মের স্থান দখল করে সংস্কৃতি।
সংস্কৃতি বলতে বোঝা হয় এক বিশেষ সমন্বয়—খ্রিস্টান অখ্রিস্টান সমস্ত রকমের জ্ঞান ও উৎকর্ষ এর অন্তর্ভুক্ত হয়। এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়—অতীতের শ্রেষ্ঠ ভাব-সম্পদের সমাহার। প্রথমে এর প্রবণতা হয় ব্যক্তিতান্ত্রিকতার দিকে—ব্যক্তিত্বের
-
৬৮ সালের একেবারে শেষের দিকে সারা পাকিস্তানে গণতন্ত্রের দাবিতে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে যে মিটিং মিছিলের আন্দোলন শুরু হলো তা চরমে উঠলো ৬৯-এর জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারীতে গণ অভ্যুত্থানে। শহীদের রক্তের রেখায় বাংলাদেশের মানচিত্র আলাদা করে আঁকা হয়ে গেলো।
২০শে জানুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মিছিলের ওপর গুলী চললে আসাদ শহীদ হলো ৷
এই হত্যার বিরুদ্ধে ২৪শে জানুয়ারী হরতাল, মিছিল, জমায়েত করার জন্য সারা বাংলাদেশে সংযুক্ত ছাত্র সংগ্রাম কমিটি জনসাধারণকে আহ্বান করলো। সামরিক শাসক আইয়ুব খানের বশংবদ গভর্ণর মোনায়েম খাঁ ব্যবসায়ীদের কেন্দ্রে কেন্দ্রে হরতালের বিরুদ্ধে হেঁটে হেঁটে বললেও ২৪শে জানুয়ারী সমস্ত দোকান পাট বন্ধ হলো। গাড়ীর চাকা ঘুরলো না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তরু
-
১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় আসে বাংলাদেশে। বিজয়ের এই অলৌকিক আনন্দের মূল্য ছিলো মহান আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম আর অসীম সাহসের এক অনুপম সমাবেশ। দীর্ঘ নয় মাস ধরে চলে মুক্তিযুদ্ধ...বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়। আর এর পেছনে দেশের অগণিত মানুষের ভূমিকাকে যেমন খাঁটো করে দেখা যাবে না, তেমনি খাটো করা যাবে না এদেশে জন্ম নয় এমন কিছু মানুষের অবদানও। জন্মগতভাবে বিদেশী হলেও, দেশের সেই অক্লান্ত সংগ্রামের সময়ে তারা বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন অপার মমতায়।
তাদের কেউ লড়েছেন শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে, কেউ বা কূটনৈতিক ভাবে, কেউ বা আবার হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র। স্বাধীনতার ৪৪তম বার্ষিকীতে আমরা বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই লাল-সবুজের সেইসব অকৃত্রিম বন্ধুদের। আমি সংক্ষিপ্তভাবে
-
ভাল মানুষদের নিয়ে বিপদ আছে। আমাদের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ একজন ভাল মানুষ। রাজনীতিবিদরা কদাচিৎ ভাল মানুষ হয়ে থাকে। ক্ষমতা এবং ভাল মানুষ একসঙ্গে পাওয়া খুবই ভাগ্যের ব্যাপার। একজন ভাল মানুষ হিসেবে যে কারও নাম একবার ফেটে গেলে খারাপ মানুষেরা সে ভাল মানুষটিকে তাদের খারাপ কাজের সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। বোধহয় একথা চিন্তা করেই ব্রিটিশ দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেল ভাল মানুষদের বিপদ সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন।
কিছুদিন আগে এনজিওদের আয়োজিত একটি সভায় বিচারপতি সাহাবুদ্দিন সাহেব সুশীল সমাজের ভূমিকার ওপর একটি বক্তৃতা করেছিলেন। যেকোন দেশের রাষ্ট্রপতি সভা-সমিতিতে যে সমস্ত কড়া উচ্চারণ করে থাকেন, সেগুলোর ভাবগত মূল যা-ই থাকুক, রাষ্ট্রপতি পদটি মর্যাদার কারণে
-
রাস্তার ধারে ধুলোভারাচ্ছন্ন বৈঠকখানায় বসে খানবাহাদুর মোত্তালেব সাহেব ভাবেন। ভাবেন যে সে-কথা তাঁর চোখের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। চোখের নিচে মাংসের থলে। বড় গোছের চোখ দুটো তার মধ্যে ভারি দেখায়। অনেকটা মার্বেলের মতো। তাও ড্রেনের কোণে হারিয়ে যাওয়া নিশ্চল মার্বেল।
তিনি তাঁর বয়সের কথা ভাবেন। তাঁর সমগ্র মাথায় আজ পক্ককেশ, কিন্তু তার জন্যে বয়সকে দোষ দেওয়া যায় না। বিস্তারিত ওকালতি ব্যবসা সৃষ্টি করবার জন্যে যে কঠোর শ্রম করেছেন বছরের পর বছর, সে-শ্রমই পক্ককেশের জন্যে দায়ী। পক্ককেশ মিথ্যার একটি প্রলেপ মাত্র। এ কথা ঠিক যে, যারা তাঁর বয়সের কথা জানে না এবং চুলের অকালপক্বতার খোঁজ রাখে না, তারা তাঁকে বৃদ্ধ বলেই
-
[লেখাটি প্রকাশিতব্য সংকলন গ্রন্থ “ইরানের কমিউনিস্ট আন্দোলন ও তুদেহ পার্টি”-এর জন্য লিখিত ভূমিকা]
১৯১৭ সালে সোভিয়েত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বিপ্লবের ঢেউ দেশে দেশে আছড়ে পড়তে থাকে। সে জোয়ার থেকে বাদ যায়নি ইরানও। ইরানের বন্দর-ই আনজালিতে সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয় ১৯২০ সালের ২২ জুন—সে হিসেবে শতবর্ষী। এমনকি ভারতবর্ষের কমিউনিস্ট আন্দোলনের চেয়েও পুরনো। কিন্তু ইরানে শ্রমিক ও বিপ্লবী আন্দোলনের সূচনা উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে। সেই সময় ও বিংশ শতাব্দীর গোড়াতেই পুঁজিবাদী উৎপাদন ও শিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মার্কসবাদী ভাবাদর্শও ইরানে পথ খুঁজে নেয়। প্রথম মহাযুদ্ধ পর্যন্ত ইরানে দুটি সাম্রাজ্য রাজ করত—উত্তর ইরানে জার শাসিত রাশিয়া আর আফগান সীমান্তের দক্ষিণ অংশে
-
[জ্যোতি বসু, ভারতে প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দু’দশক ধরে আছেন কোলকাতায়, কেন্দ্রে অবদানও কম নয়। এ মাসে তিনি ৮৩ বছরে পা রেখেছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ বয়সেও জ্যোতি বসু ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনীতিবিদ। কেন্দ্রের দু'দুটি কোয়ালিশন সরকার গঠন ও কার্যকারিতায় তার ভূমিকা ব্যাপক। সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডে'তে প্রকাশিত তার সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হলো কাগজ পাঠকদের জন্যে।
সাক্ষাতকারটি ভাষান্তর করেছেন মনোতোষ রুমার।]
ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়ান। বলা চলে সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতা করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জুড়ি নেই। গত সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- লেখক
- আন্দোলন
- পাকিস্তান
- ভাষা
- মুক্তিযুদ্ধ
- গদ্য
- অভ্যুত্থান
- ছাত্র আন্দোলন
- সাংবাদিকতা
- এনজিও
- সমাজ
- সরকার
- বই
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- পশ্চিমবঙ্গ
- ভারত
- জীবনী
- কারুশিল্প
- কিশোর
- শিশুতোষ
- ব্যাঙ্গাত্মক
- বিজ্ঞান
- ভাষণ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- অনুবাদ
- ঢাকা
- সংঘর্ষ
- স্মৃতিকথা
- দাঙ্গা
- অর্থনীতি
- আলোচনা
- নদী
- ফুল
- কবিতা
- ইংরেজি
- বাংলা
- ইসলাম
- বিপ্লব
- নারীবাদী
- গবেষণা
- সিলেট
- চিরায়ত
- পুঁজিবাদ
- হিন্দু
- জাতীয়তাবাদ
- রংপুর
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- বিশ্ববিদ্যালয়
- বঙ্গবন্ধু
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- নজরুল
- রমন্যাস
- বইমেলা
- নারী
- বিজ্ঞানী
- খুলনা
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- সমালোচনা
- কলকাতা
- চট্টগ্রাম
- লালন
- গণহত্যা
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- ময়মনসিংহ
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- রূপকথা
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- জাতীয়
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- সাম্রাজ্যবাদ
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- সংবাদ
- আর্টিস্ট
- লোককাহিনী
- গান
- ভূমিকা
- ফিচার
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (২)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (৫)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (৩)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (২০)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (২)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৪)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (২)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৫ (৭)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯২৩ (১)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জে এ কাউচুমো (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৪)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (১)
- মফিদুল হক (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লুনা নূর (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সমীর চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনির্মল বসু (৩)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.