সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
ভ্লাদিমির শহরে বাস করত এক তরুণ ব্যবসায়ী। তার নাম ছিল ইভান ডিমিস্ট্রিচ আকসিওনভ। তার গোটাদুই দোকান এবং একটি সুন্দর বাড়ী ছিল।
আকসিওনভকে সুপুরুষ বলা যায়। সুন্দর কোঁকড়া চুলওয়ালা লোকটি বেশ আমুদে প্রকৃতির, আর গান-বাজনাও সে ভালবাসত খুব। দোষের মধ্যে বলতে গেলে, মদ খেত খুব বেশী। আর মদের মাত্রা চড়লেই প্রায়ই সে কোনো না কোনো গোলমাল পাকিয়ে বসত। অবশ্য বিয়ে করার পর কখনো-সখনো একটু-আধটু পান করা বাদে মদ খাওয়া বলতে গেলে ছেড়েই দিয়েছিল।
একদা এক গ্রীষ্মকালে আকসিওনভ 'নিজনি'র মেলায় ব্যবসার উদ্দেশে যাবে বলে মনস্থ করল। পরিবারের লোকজনদের বিদায় জানিয়ে যখন সে রওনা হতে যাচ্ছে তখন তার স্ত্রী এসে বলল, 'ওগো, তুমি
-
মনুষ্যের সৌন্দর্য্য-বুদ্ধির বিকাশ হইল কিরূপে, ইহা একটা সমস্যা। বড় বড় পণ্ডিতে এই সমস্যা মীমাংসা করিতে গিয়া হারি মানিয়াছেন। বর্তমান প্রসঙ্গে এই বিষয়ের আলোচনা করা যাইবে মাত্র, মীমাংসার কোন চেষ্টা হইবে না। বহু মানবধৰ্ম্ম প্রাকৃতিক নির্ব্বাচনে বিকাশলাভ করিয়াছে বুঝা যায়। ইংরেজীতে যাহাকে ইউটিলিটি বলে, প্রাকৃতিক নির্বাচন তাহাই দেখিয়া চলে। ইউটিলিটির বাঙ্গালা অর্থ হিতকারিতা, উপকারিতা, উপযোগিতা, কাজে লাগা। যাহা কিছু কাজে লাগে, যাহা জীবনের পক্ষে হিতকর, যাহা জীবন-সংগ্রামে অনুকূল, কোন-না-কোনরূপে জীবন-সংগ্রামে যাহা সাহায্য করে, জীবন কালক্রমে তাহাই অর্জন করে। মানুষ দুই পায়ে ভর দিয়া দাঁড়াইতে পারে, মানুষের মাথায় এক রাশি মস্তি ক আছে, মানুষের হাত দুইখানা অস্ত্রনির্মাণের ও অস্ত্র প্রয়োগের উপযোগী, মানুষ
-
অতঃপর, মহামান্যগণ ডুব সন্ধ্যায়
অন্ধকারের অপেক্ষায় ফিরিয়া গেলেন
অর্গলাবৃত পেঁচারাতের গহ্বরে।
এমন সময় আলোহীন অন্ধকার ফুঁড়ে
সরব নৈশব্দে জ্যোৎস্নাময় কালো আকাশে
সুগন্ধি দোলনচাঁপার মতো
সাদা-সাদা গন্ধহীন মেঘ ফুটিল।
এমনি ক্ষয়িষ্ণু চাঁদরাত্রিতে
তাঁহাদের রক্তলাল চোখে
কাদা-জলার কচুরিপানার মতো
সংক্রামক স্বপ্নের আবাদ হইবে।
-
মিখাইল খাইল বাখতিন (১৮৯৫-১৯৭৫)-এর নাম বাঙালি পাঠক-পাঠিকার অচেনা নয়। তাঁর বেশ কিছু বই ও লম্বা প্রবন্ধ রুশ থেকে ইংরিজিতে অনুবাদ হয়েছে (এখনও অবধি বাঙালির কাছে ইংরিজিই জগতের জানালা)। গত কয়েক বছরে তাঁকে নিয়ে বাঙলাতেও ছোটো-বড়ো বই, পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা ইত্যাদি বেরিয়েছে।
যাঁদের নিয়ে বাখতিন লিখেছিলেন—ফিওদর দস্তয়েভস্কি ও অন্যান্য ইওরোপীয় লেখক—তাঁদের কেউ কেউ আমাদের চেনা, কিন্তু ভালোমতো জানা নন। এমনকি ফরাসি বা রুশ সাহিত্য নিয়ে যাঁরা নিয়মিত চর্চা করেন, মূলেই পড়ে থাকেন, তাঁদের সকলেই যে ঐসব লেখকের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ—এমনও বলা যায় না। এছাড়া ধ্রুপদী ও মধ্যযুগীয় লাতিন কাব্যও বাখতিন-এর আলোচনায় আসে। সে তো আরও অকূল পাথার। ইংরিজি তর্জমায় একবার বা দুবার
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি, নগ্ন সামরিক শাসন ব্যবস্থা এবং তথাকথিত মৌলিক গণতন্ত্রী ব্যবস্থায় ১৯৬৫ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের ক্ষমতা আইনানুগ করার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানকে পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী সামরিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্তি আর সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের ক্ষমতার বাইরে রাখার নীলনকশা কার্যকর করা। সেই কঠোর সামরিক শাসনের মধ্যে ও পূর্ব বাংলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক আন্দোলন, শরীফ কমিশনের শিক্ষা সংস্কারবিরোধী ছাত্রদের শিক্ষা আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখে দাঁড়ানোর আন্দোলন আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কনভোকেশন হাঙ্গামাকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও সংবাদপত্র নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন, অর্থনৈতিক বৈষম্যবিরোধী দুই অর্থনীতির জন্য আন্দোলন ছিল প্রকৃত প্রস্তাবে সামরিক স্বৈরাচার ও পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন, যেসব আন্দোলনের
-
লেখক: অজয় রায়
১৯৬৮-৬৯-এর গণআন্দোলন, স্বাধীনতা-পূর্ব স্বায়ত্তশাসন থেকে একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিটি পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবং এর ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মচারীরা এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের অবদান, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং সর্বোপরি রণাঙ্গনে ছাত্রদের সাহসী অবদান আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। শুধু কি স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়গুলোতে, এরও আগে ১৯৪৮ সাল থেকে ৫২ পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের প্রতিটি স্তরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি শিক্ষকরা প্রকাশ করেছিলেন। সেদিনের ছাত্রদের ভূমিকা আজ আর কারও অজানা নেই, কাজেই তাদের কথা আজ আর বলব না। শুধু এটুকু বলি, সেদিন আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য সেদিনের ছাত্র শেখ
-
১৯৭১, ২১ ফেব্রুয়ারি। বাংলা একাডেমীতে শেখ মুজিব আসবেন। সভার সভাপতি কবির চৌধুরী, একাডেমীর পরিচালক। প্রধান অতিথি শেখ মুজিব। লেখকদের পক্ষে বক্তব্য রাখব আমি। সকাল দশটার ভেতর একাডেমীর প্রাঙ্গণ লোকে লোকারণ্য। হোটেল পূর্বাণীতে আলোচনা চলছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে। লোকজনের ভিতর টানটান উত্তেজনা। লোকজনের ভিতর বৈপ্লবিক পূর্বাভাস। এই উত্তেজনা, এই পূর্বাভাস বুকে ভরে আমি বক্তব্য উপস্থাপিত করলাম: আমরা বাঙালি, শেখ মুজিব আপনি দেশকে স্বাধীন করুন। স্বাধীনতার সঙ্গে কোন আপোস নয়। জবাবে শেখ মুজিব বললেন, আমার ভাই জাহাঙ্গীর যা বললেন তা আমাদেরও কথা। স্বাধীনতাই আমাদের বাঁচার একমাত্র পথ। জয় বাংলা। বিপুল করতালিতে, আগুনের মতো শ্লোগানে ভরে গেল প্রাঙ্গণ।
ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে
-
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের এক বছরের মাথায় স্বাধীন বাংলাদেশে ছাত্র মিছিলে প্রথম পুলিশি গুলিবর্ষর্ণ ও ছাত্র হত্যার ঘটনা ঘটেছিল ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি। শহীদ হয়েছিলেন মতিউল ইসলাম এবং মীর্জা কাদেরুল ইসলাম। মিছিলটি ছিল ডাকসু ও ছাত্র ইউনিয়নের ঘোষিত 'ভিয়েতনাম দিবসের' সংহতি মিছিল।
ভিয়েতনাম। পঞ্চাশের দশক থেকেই এই নাম বাঙালির মনে আসন নেয়। ষাটের দশকে এসে তা এক আবেগপূর্ণ নামে পরিণত হয়। সারাবিশ্বে ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন দানা বাধে। এমনকি খোদ আমেরিকাতেও এই অন্যায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে শিক্ষক-ছাত্র-বুদ্ধিজীবী-বিবেকবান প্রগতিশীল মানুষ রাজপথে আন্দোলনে নামে। ষাটের দশক ছিল বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের এক সোনালি সময়। তখন ঔপনিবেশিকতার জাল ছিন্ন করে এক এক করে স্বাধীন হচ্ছে দেশ।
-
আমাদের ছোটো নদী চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে।
পার হয়ে যায় গোরু, পার হয় গাড়ি,
দুই ধার উঁচু তার, ঢালু তার পাড়ি।
চিক্ চিক্ করে বালি, কোথা নাই কাদা,
একধারে কাশবন ফুলে ফুলে সাদা।
কিচিমিচি করে সেথা শালিকের ঝাঁক,
রাতে ওঠে থেকে থেকে শেয়ালের হাঁক।
আর-পারে আমবন তালবন চলে,
গাঁয়ের বামুন পাড়া তারি ছায়াতলে।
তীরে তীরে ছেলে মেয়ে নাইবার কালে
গামছায় জল ভরি গায়ে তারা ঢালে।
সকালে বিকালে কভু নাওয়া হলে পরে
আঁচল ছাঁকিয়া তারা ছোটো মাছ ধরে।
বালি দিয়ে মাজে থালা, ঘটিগুলি মাজে,
বধূরা কাপড় কেচে যায় গৃহকাজে।
আষাঢ়ে বাদল নামে, নদী ভর ভর
মাতিয়া
-
আমরা তাদেরকে খুঁজে খুঁজে খতম করছি।—মেজর বশির, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ। রাত আটটা ধানমন্ডিস্থ ৩২নং সড়কের প্রবেশমুখে একটি গলিতে একটি পরিচিত রিকশা দ্রুতগতিতে এসে থামলো। যে ভবনের বাইরে এসে থেমেছে সে ভবনটি হলো শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন। রিকশা চালক কাশছিল এবং হাঁপাচ্ছিল। সে বললো, 'বঙ্গবন্ধুর জন্য একটি জরুরি চিরকুট নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে রিকশা চালিয়ে এসেছি। বাংলায় লেখা স্বাক্ষরবিহীন চিরকুট বার্তাটি ছিল সংক্ষিপ্ত: "আপনার বাসভবন আজ রাতে আক্রান্ত হতে যাচ্ছে।”
সে সময়ে সেখানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের একজন আমাকে বলেছিলেন যে, পশ্চিম পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আসন্ন হামলার খবর ঐ চিরকুটে তাঁরা প্রথমবারের মতো পেয়েছিলেন। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের
-
লেখক: ড. আশফাক হোসেন, অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মুক্তিযুদ্ধকালে স্নায়ুযুদ্ধে বিশ্ব ছিল বিভাজিত। এই বিভাজনের দুই পাশে পুঁজিবাদী যুক্তরাষ্ট্র ও সমাজতন্ত্রী সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল দুই বিপরীত আকাঙ্ক্ষাও শক্তির প্রতিভূ। আর স্বতন্ত্র অভিলাষ নিয়ে কিছুটা পাশে ছিল চীন। মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়া এই তিন যুযুধান শক্তির টানাপোড়েনে ১৯৭১ সালে জাতিসংঘ উত্তাল হয়ে পড়ে। তৎকালীন বিশ্বপটে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলির ওপর তার প্রভাব ছিল অত্যন্ত তীব্র।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাঙালিদের একটি জনযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার জন্য এক পরিপূর্ণ সংগ্রাম। দ্রুতগতিতে বিষয়টি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংকট থেকে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে রূপান্তরিত হয়। বস্তুত, ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থার কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রেও ছিল বাংলাদেশ এবং ডিসেম্বরে নিরাপত্তা
-
বক্তা: এডওয়ার্ড কেনেডি
[মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি (২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২-২৫ আগস্ট ২০০৯) বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভমিকা রাখেন। সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি এ বক্তৃতা দেন।]
আমি বাংলাদেশে এসেছি আপনাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের লাখো মানুষের শুভকামনা পৌছে দিতে। বাঙালির সংগ্রামী চেতনার প্রতীক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস বলে, আমরা সব সময় স্বাধীনতার পক্ষে। যারা স্বাধীনতা, মানুষের মর্যাদার ও অন্যান্য মানবিক মূল্যবোধ অটুট রাখতে কাজ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাঁদের সঙ্গে আছে। কোনো কোনো সরকার আপনাদের এখনো স্বীকৃতি না দিলেও পৃথিবীর মানুষ শোষণ আর নিপীড়ন থেকে আপনাদের মুক্তি অর্জনকে স্বীকৃতি
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ছোটগল্প
- ভৌতিক
- ভূমিকা
- মুক্তিযুদ্ধ
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- স্মৃতিকথা
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- সাংবাদিকতা
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- চিরায়ত
- কিশোর
- ছাত্র আন্দোলন
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- ইংরেজি
- বই
- বিজ্ঞানী
- ঢাকা
- অর্থনীতি
- ফুল
- গণহত্যা
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- রাশিয়া
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- ব্যাঙ্গাত্মক
- কারুশিল্প
- রূপকথা
- সমালোচনা
- নারী
- বিশ্ববিদ্যালয়
- সাম্রাজ্যবাদ
- শিশুতোষ
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- লোককাহিনী
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- গবেষণা
- সিলেট
- আলোচনা
- খুলনা
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- আত্মজীবনী
- দুঃসাহসিক
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- আইন
- সংবিধান
- চট্টগ্রাম
- লালন
- আর্টিস্ট
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- জাতীয়
- ময়মনসিংহ
- গান
- বিপ্লব
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- রংপুর
- অভ্যুত্থান
- শৈশব
- সংবাদ
- সরকার
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (১৯)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৩)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৫)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.