-
চলতি বছরের গোড়ার দিকে এক মার্কিন সাংবাদিক বৈরুতে এসেছিলেন যুদ্ধসংঘাতপূর্ণ এলাকার বালকদের জীবন নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রণয়নের উদ্দেশে। সেখানে তিনি ছয় মাসের শিশু ‘প্যালেস্টাইনের’ দেখা পান—১৯৮১ সালের জুলাইতে বৈরুতের আবাসিক অঞ্চলে ইজরায়েলের নৃশংস বিমান হামলার সময় শিশুটির জন্ম। বোমা-বিধ্বস্ত এলাকার রাজপথে পড়েছিলো রক্তাক্ত মায়ের মৃতদেহ। চারপাশের ধ্বংসের মাঝে বিস্ময়করভাবে বেঁচে যাওয়া সদ্য-প্রসূত শিশুটির কান্না সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মৃতা মায়ের কোনো পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং নবজাতককে বুকে তুলে নিল যে উদ্বাস্তু পরিবার তারা শিশুটির নাম রেখেছিলেন ‘প্যালেস্টাইন’। দুঃখের অসীম পাথারে বহমান জীবনের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে যে শিশু, নিশ্চিতভাবেই সে মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছে আপন জাতির বেদনাময় কিন্তু,
-
ইসরায়েলের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসটা জুড়ে তার উগ্র ইহুদীবাদী শাসকদের অপরিবর্তনীয় নীতি হচ্ছে দেশটাকে সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করা, যার মাধ্যমে প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর ওপর আক্রমণ চালানো যায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রগতিশীল, জাতীয় মুক্তি আন্দোলনকে আঘাত করা যায়। বিগত বিশ বছরে তিনবার এই এলাকায় ইসরায়েল সামরিক সংঘর্ষ বাধিয়েছে।
মোট জাতীয় উৎপাদনের মধ্যে সামরিক ব্যয় খাতে ইস্রায়েলের অংশ বিশ্বরেকর্ড করেছে। এটা ব্রিটেন, ফ্রান্স, এফআরজি বা ইতালির চেয়েও অনেক বেশি। এমনকি সরকারি পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় (মাত্র প্রত্যক্ষ সামরিক ব্যয়কে ধরে) ১৯৭৬ সালের যুদ্ধ প্রস্তুতি মোট জাতীয় উৎপাদনের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি উৎপাদনী উপযোগিতাকে খর্ব করেছে, যা বাজেটের প্রায় অর্ধেক (১নং সারণি দেখুন):
সারণি ১ : ইসরায়েলের -
বর্তমান বিশ্বে যে-কটি সমস্যা আন্তর্জাতিক রূপ পরিগ্রহ করেছে, তার মধ্যে প্যালেস্টাইন সমস্যাটি অন্যতম। প্যালেস্টাইন হল আরব দুনিয়ার একটি অংশ। প্যালেস্টাইনের ভৌগোলিক অবস্থান ও তার প্রাকৃতিক সম্পদ বিচার করলে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে আরব দুনিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটিকে সাম্রাজ্যবাদ কেন তার তাঁবেদার রাষ্ট্রের কুক্ষিগত করে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। আরব দুনিয়ার এই ছোট্ট অংশটুকুর পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর, উত্তরে লেবানন, পূর্বে সিরিয়া ও জর্ডান নদী, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও সিনাই অঞ্চল। অর্থাৎ ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার সঙ্গে আরব দুনিয়া এই ছোট্ট অংশটুকুর মাধ্যমে যুক্ত। প্যালেস্টাইনের আয়তন হল ২৭,০১৭ বর্গ কিলোমিটার। অতীতে অনেকে এই অংশটুকুকে ‘সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চল’ বলে উল্লেখ করেছেন।
-
হিটলারের শেষ দশ দিবস
ঠিক কুড়ি বৎসর আগে, ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ এপ্রিল বেলা সাড়ে তিনটের অল্প পূর্বে হিটলার তার অ্যার-রেড় শেল্টার (বুঙ্কার মাটির গভীরে কন্ক্রিটের পঞ্চাশ ফুট ছাতের নিচের আশ্রয়স্থল কামানের বা প্লেন থেকে ফেলা গোলা বুঙ্কারের গর্ভ পর্যন্ত কিছুতেই পৌঁছতে পারে না) থেকে বেরিয়ে করিডোরে এলেন। সঙ্গে তার নবপরিণীতা বধূ এফা, প্রায় পনের বৎসরের বন্ধুত্বের (হিটলারের শেষ উইলে তিনি এই শব্দটিই ব্যবহার করেছেন। বস্তুত নিতান্ত অন্তরঙ্গ কয়েকজন অনুচর ভিন্ন দেশের-দশের লোক জানত না যে হিটলার ও এফার মধ্যে সম্পর্ক ছিল স্বামী-স্ত্রীর) পর তিনি প্রায় চল্লিশ ঘণ্টা পূর্বে এঁকে বিয়ে করেছেন। করিডরে গ্যোবে, বরমান প্রভৃতি প্রায় পনেরোজন তাঁর নিকটতম মন্ত্রী,
-
৭ অক্টোবর ২০২৩ : ফিরে দেখা
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস গত বছর ৭ অক্টোবর ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ নামে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায়। হামলায় তারা সীমানা পেরিয়ে স্থল অভিযানের পাশাপাশি সমুদ্র দিয়ে ও আকাশপথে হালকা উড়োযান ব্যবহার করে। হামলায় ১২০০ জন নিহত হয়, যার বেশিরভাগই ছিল বেসামরিক নাগরিক। এছাড়াও ২৫১ জনকে জিম্মি করে। ঘটনাটি এতই আকস্মিক ও পরিকল্পিত ছিল যে ইসরাইলি গোয়েন্দারা বিষয়টি সম্পর্কে আঁচ করতে পারেনি। এরপর ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘ভয়ংকর প্রতিশোধ’ নেওয়ার কথা বলে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ‘অপারেশন আয়রন সোর্ড’ নামে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল। এখানেও ইসরাইলি হামলায় হত্যাযজ্ঞের শিকার হচ্ছে অসংখ্য ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য
-
[১৯৩৮ সালে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের আগেই, জর্জ বার্নাড শ ‘জেনিভা’ নাটক রচনা করেন। ১৯৪৫ সালে সেই নাটকের জন্য যে ভূমিকা তিনি লেখেন, তারই দুটি পরিচ্ছেদের কিছুটা সংক্ষেপিত অনুবাদ এখানে প্রকাশ করা হল। জিবিএস’র বিশিষ্ট রচনারীতির সাক্ষ্যবহ এই রচনায় ফেবিয়ান সোশ্যালিস্ট দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক দিকটি যেমন পরিস্ফূট, তেমনই স্পষ্ট তার আত্যন্তিক সীমাবদ্ধতাও।—অনুবাদক]
হিটলার
জার্মান প্রশাসনের কেন্দ্র থেকে দূরতম প্রত্যন্ত প্রদেশ পর্যন্ত সর্বত্র তখন পচন ধরেছে। ১৮৭১ সালে বোনাপার্তিস্ট ফরাসী বাহিনীকে প্রচণ্ডভাবে পরাজিত করে সামরিক মর্যাদায় সুপ্রতিষ্ঠিত জার্মানির হোহেনজোলার্ন রাজতন্ত্র ১৯১৮ সালে ফরাসী সাধারণতন্ত্রের আঘাতে পর্যুদস্ত হল। রাজার শাসনের জায়গায় এল সকলের দ্বারা নির্বাচিত যার তার শাসন। লোকের ধারণা, এতেই জনসাধারণের সবচেয়ে বেশি কল্যাণ,
-
রবীন্দ্রনাথের জন্ম কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে। বাংলার সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও স্বাদেশিকচেতনা উন্মেষে যে পরিবার বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) বয়স যখন পাঁচ বছর, ১৮৬৬ সালে ঠাকুর পরিবারের সুহৃদ, রবীন্দ্রনাথের গৃহশিক্ষক রাজনারায়ণ বসু (১৮২৬-১৮৯৯) কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাতীয় গৌরবেচ্ছা সভা’ এবং ‘হিন্দুমেলা’ (১৮৬৭)। পরবর্তী সময় থেকে এ মেলার নামকরণ করা হয় ‘চৈত্রমেলা’। স্বাদেশিকতাবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যেই ১৮৭৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘সঞ্জিবনী সভা’। কিশোরকাল থেকেই রবীন্দ্রনাথ এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁরআত্মপরিচয়গ্রন্থে লিখেছেন:
জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈপ্লবিক ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে বৈপ্লবিক সংগঠন ‘সঞ্জিবনী সভা’ নামে একটি গুপ্ত সমিতি স্থাপন করেছিলেন। সমিতির সভাপতি ছিলেন হিন্দুমেলার উদ্যোক্তা রাজনারায়ণ বসু
-
“If there is a tree in Spain tinged with blood, It is the tree of liberty.If there is one mouth left to speak in Spain.It speaks of liberty.”—Paul Eluard
ঘটনাস্থল মাদ্রিদ—স্পেনের রাজধানী। সময় ১৯৩৬ সালের ১৮ই জুলাই। প্রভাতী সংবাদের ঘোষকের কণ্ঠে রটে গেল সেই কালান্তক খবর-উপনিবেশ মরক্কোর সৈন্যবাহিনী স্পেনের লোকায়ত সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে—স্পেনের প্রতিটি শান্তির নীড়কে গুঁড়িয়ে দেবার আয়োজনে বিপুল বেগে ছুটে আসছে তারা। সমগ্র স্পেন স্তব্ধ নিশ্চল। সরকারের মধ্যে যারা দাক্ষিণপন্থী প্রতিক্রিয়া আর ফ্যাসিবাদের বিপদকে এতকাল সর্বপ্রকার সাবধানবাণী সত্ত্বেও নির্বোধ আলস্যে তাচ্ছিল্য করেছে তারা বিমূঢ়। ক্ষেতে-প্রান্তরে, কলে-কারখানায় সর্বত্রই প্রতিটি স্বাধীনতাকামীর মূক কিন্তু দুর্মর আশা-আমাদের হাতে অস্ত্র তুলে
-
“একটা ভাল ফিল্ম-স্টুডিয়ো তৈরি করা এমন কিছু কঠিন নয়। কিন্তু একটা ভাল ফিল্ম তৈরি করা খুবই কঠিন। বিষয় আর নির্মিতির অভাব ভাল স্টুডিয়ো আর ভাল যন্ত্রপাতি দিয়ে মেটানো যায় না। শিল্পের মানে শিল্পই। কোনো কিছুই শিল্পের বিকল্প নয়। রাজনীতি দিয়ে শিল্পের কাজ হয় না। নতুন যন্ত্রপাতি দিয়েও হয় না। রাজনীতি দিয়ে শিল্পের কাজ সারতে গেলে শুধু শ্লোগান-বানানো হয়। যন্ত্রপাতি দিয়ে শিল্পের কাজ সারতে গেলেও ভাল কিছু হয় না। মানবজমিনই, হচ্ছে আসল কথা।
‘(শিল্প) প্রতিভার বিকাশ অত সহজ কাজ নয়, দু-এক বছরে এ কাজ হয়, না, এর জন্যে ধৈর্য দরকার। ...শিল্পীদের বেশি খাটানো কখনোই উচিত নয়। শিল্পীদের পক্ষে রাতদিন খাটা সম্ভব
-
রাশিয়ার রণাঙ্গনে নির্ধারিত হবে গণতন্ত্রের জীবনমরণ। মিত্রশক্তির ভাগ্য এখন কমিউনিস্টদের হাতে। রাশিয়া যদি পরাভূত হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও সমৃদ্ধ মহাদেশ এশিয়া চলে যাবে নাৎসিদের অধীনে। প্রায় পুরো প্রাচ্যদেশ জাপানীদের করতলগত হওয়ায় নাৎসিরা পৃথিবীর প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ রণসামগ্রী একেবারে নাগালের মধ্যে পেয়ে যাবে। এরপর হিটলারকে হারাবার আর কি সুযোগ থাকবে আমাদের?
এদিকে যানবাহনের অসুবিধা, হাজার হাজার মাইল দূরে আমাদের যোগাযোগ রক্ষার সমস্যা, ইস্পাত, তেল ও রাবারের সমস্যা এবং বিভেদ সৃষ্টি করে জয় করার হিটলারি রণকৌশল—এ অবস্থায় রাশিয়া যদি পরাজিত হয়, আমাদের অবস্থা হবে সঙ্গিন।
রাশিয়া দেয়ালে পিঠ দিয়ে লড়ছে। সে দেয়ালটাই হল মিত্রশক্তির সবচেয়ে মজবুত প্রতিরক্ষা। ...যখন আমাদের জগৎ, আমাদের
-
আজ এই রাতে মৃতরা ঠান্ডায় সিঁটিয়ে গিয়ে ঘুমোয়। তুষার বইছে জলপাই বাগানের মধ্য দিয়ে, ঝরে যাচ্ছে শিকড়ের আঁকি বুঁকি ছাঁকনির মধ্য দিয়ে। স্মৃতিফলকলাঞ্ছিত কবরস্তূপের উপর দিয়ে উড়ে চলেছে তুষার (স্মৃতিফলকের সময় ছিল একদিন!) জলপাই গাছগুলি এই শীতের হাওয়ায় কেমন ন্যাড়া ন্যাড়া দেখায়। ট্যাঙ্কগুলি গোপন করার জন্য নিচের দিকের ডালপালা কেটে নেওয়া হয়েছিল। জারামা নদীর উপরে ছোট টিলাগুলিতে এখন মৃতেরা ঘুমোচ্ছে ঠান্ডায় সিটিয়ে গিয়ে। সেই ফেব্রুয়ারি মাসের শীতে ওরা মাটি নিয়েছে, আর তারপর থেকে কত-যে ঋতুচক্র পার হল তার হদিশ আর ওরা রাখেনি।
আজ থেকে ছ-বছর আগে জারামার চড়াই সাড়ে চার মাস দখলে রেখেছিল লিঙ্কন ব্যাটেলিয়ান। আর স্পেনের মাটিতে মাটি হয়ে
-
স্মরণে রাখার মতো অন্য একটি ঘটনা হল, ফ্রন্ট থেকে তিন-চার মাইল দূরে শহরে এক অংশ আধুনিক অস্ত্র ও কামানের গোলায় বিধ্বস্ত ট্যামবভ স্ট্রীটের একটি স্কুলবাড়ি পরিদর্শন। এটি পরিচালনা করতেন টিকোমিরভ নামে একজন বয়স্ক ব্যক্তি, যিনি ‘সোভিয়েত দেশের অন্যতম একজন ভালো শিক্ষক’ এই সুনাম অর্জন করেছিলেন। মাত্র ১৯০৭-এ একজন সাধারণ শিক্ষক হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন। চরম দুর্ভিক্ষের দিনগুলিতেও যেসব স্কুল বন্ধ হয়ে যায়নি, এটি তাদের মধ্যে একটি। চার-চার বার স্কুলটি জার্মান গোলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু স্কুলের ছেলেরাই ভাঙা কাচের টুকরো সাফ করে, ভাঙা দেওয়াল সারিয়ে জানালাগুলোতে প্লাইউড লাগিয়ে নিয়েছে। গত মে মাসের শেষ-গোলাবর্ষণে একজন শিক্ষয়িত্রী স্কুলের প্রাঙ্গণেই মারা পড়েছেন।
স্কুলের ছেলেগুলো
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অজেয়া সরকার (১)
- আবু ইসহাক (১)
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার ওয়ার্থ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এমিল হাবিবি (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৩)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৪)
- চার্লি চ্যাপলিন (১)
- জর্জ বার্নার্ড শ (১)
- তপন বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নলিনী দাস (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী (১)
- ভিক্তর মাৎসুলেনকো (১)
- মফিদুল হক (১)
- মিখাইল শলোখভ (১)
- যতীন সরকার (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- সত্যেন সেন (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সৈয়দ মুজতবা আলী (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.