-
বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতার যুগ। এই যুগে টিকে থাকতে হলে শুধু পুঁথিগত জ্ঞানই যথেষ্ট নয়। জীবনে প্রতি মুহূর্তে আমাদের বাধার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ভালো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে চাকরিজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বহু পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষায় লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের মধ্যে দিয়ে প্রথম শতজনের মধ্যে স্থান করে নিতে পারলে তবেই একটা চাকরি পাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে। অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেও অনেকে বেকার ঘরে বসে রয়েছে, চাকরি নেই। দিন দিন এই প্রতিযোগিতা আরও বাড়ছে।
নারীদের জন্য সুযোগ কম—এই অজুহাতে বসে না থেকে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ইন্টারনেটের সাহায্য নিয়ে
-
বয়সের ভারে নুয়ে পড়া রোকেয়া উদাস দৃষ্টি মেলে ধরেন তার জীবনের আলোকোজ্জ্বল প্রভাতের দিকে। শৈশবের সেই বালিকা রোকেয়া ঈদের রাঙা প্রভাতে আনন্দের সাগরে ভাসছে। কিন্তু আজ জীবনসায়াহ্নে দাঁড়িয়ে তিনি রিক্ত, শূন্য, জীবনযুদ্ধে পরাজিত এক নারী। বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিয়েছেন। ঈদের দিনটি তার কাছে বিশেষ কোনো তাৎপর্য বয়ে আনে না। শৈশবের আনন্দের কিছু স্মৃতিই তার সম্বল। আজ তার কাছে ঈদ মানে আনন্দের স্মৃতি, আর বাস্তবের বেদনার মিশ্রকাব্য মাত্র!
সবার কাছে ঈদ মানেই আনন্দ। এদিন ছোট-বড় সকলে মেতে ওঠে গল্প, আড্ডায়। ঈদের দিনসহ তিন-চার দিন ধরে চারদিকে বিরাজ করে এক উৎসবের আমেজ। গ্রামের বাড়িতে মায়েরা তাদের সন্তানদের দেখা পাওয়ার আশায় বছর ধরে অপেক্ষায়
-
ছোটবেলায় বহু রহস্যময় অভিযানের গল্প পড়ে আমাদের সবারই ইচ্ছা হয় সেসব অভিযানে অংশ নিতে। বিদেশে কিশোর-কিশোরীদের সে ধরনের অভিযানের জন্য রয়েছে নানা সুযোগ। সামার ক্যাম্প থেকে শুরু করে পর্বতারোহণ, রোমাঞ্চকর আরও অনেক ধরনের অভিযানের ব্যবস্থা। কিন্তু আমাদের দেশে কিশোর-কিশোরীদের সে সুযোগ নেই। স্কুল থেকে বাসা, আর বাসা থেকে স্কুলের মাঝেই তাদের জীবন সীমাবদ্ধ। তবে এর মাঝেও ব্যতিক্রম আছে। এ দেশের পর্বতারোহীরা তাদের সেই অভিযানের শখ পূরণ করছেন পর্বতারোহণের মতো এক রহসম্যয় ও কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মধ্য দিয়ে। তাদের অভিজ্ঞতা জানার জন্য আমাদের দেশের প্রথম নারী পর্বতারোহী সাদিয়া সুলতানা ও বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টজয়ী নারী নিশাত মজুমদারের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিল।
সাদিয়া
-
দেশে নারী চাকরিজীবীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তারপরও বহু নারী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করে আজ গৃহিণী। নারীদের এ অবস্থানের পেছনে অন্যতম কারণ-সন্তান। বিয়ের পর অনেক নারী পারিবারিক বাধাবিপত্তি জয় করে চাকরি চালিয়ে গেলেও সন্তানের দেখাশোনা ও লালন-পালনের জন্য চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। ইচ্ছা থাকলেও চাকরি করতে পারেন না। কারণ, শহরে একা বাসায় নবজাতককে রেখে কোনো মায়ের পক্ষে চাকরি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আগে যৌথ পরিবারের কারণে অনেক সময় নারীরা সন্তানকে নানি বা দাদির কাছে রেখে চাকরি করতে পারতেন। বর্তমানে একক পরিবারে থাকার কারণে তা-ও সম্ভব নয়। অনেক নারী মনে করেন সন্তানের বয়স নয় বা দশ
-
শিশুরা ফুলের মতো সজীব ও সুন্দর। একজন শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য প্রতিটি মা-বাবার কাছে একটিই প্রত্যাশা, তারা তাদের সন্তানকে যথেষ্ট সময় দেবেন। এ কর্মব্যস্ত শহরে মা-বাবার সঙ্গে একান্ত কিছু সময় প্রতিটি শিশুরই চাওয়া। তেমনই এক শিশু মাইসা (ছদ্মনাম)। মাইসার বয়স ছয় বছর। তার বাবা-মা দুজনই চাকরিজীবী। সে প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। রোজ সকালে তার স্কুল শুরু হয় আটটায় এবং ছুটি হয় এগারোটায়। স্কুল শেষে বাসার দারোয়ানের সঙ্গে বাড়ি ফিরে আসে মাইসা। সারাদিন বাড়ির কাজের মেয়ের সঙ্গেই তার দিন কাটাতে হয়। স্কুল ছুটির পর সে আশায় বসে থাকে কখন বিকাল হবে, কখন বাবা-মা আসবে। সারাদিন যেন শেষই হতে চায় না। সন্ধ্যায় দরজায়
-
১৯২৫ সালের দিকে বগুড়া জেলার রোহাদহ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে উম্মে হানী খানমের জন্ম। আদর্শ মা হিসেবে তিনি তার সব সন্তানকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। বৃদ্ধ বয়সেও একটি সুস্থ সমাজের স্বপ্ন তার চোখের তারায় ভাসছে। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ছিল ব্যাপক। তার বাবা চাইতেন যেন তার ছেলেরা উচ্চশিক্ষিত হয় এবং মনে করতেন মেয়েদের পড়াশোনার প্রয়োজন নেই। তিনি প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েন। সব পরীক্ষাতেই খুব ভালো করতেন। অঙ্কে সব সময় ১০০-তে ১০০ পেতেন। তবু শুধু নারী বলেই তিনি পড়া চালিয়ে যেতে পারেননি। তিনি বাড়িতে সারাদিন সাহিত্য-রাজনীতিসহ নানাবিধ বই পড়তেন দেখে মায়ের বহু বকা শুনতেন। নারী
-
দাম্পত্য জীবনে মান-অভিমান, ঝগড়া-বিবাদ চিরসঙ্গী। বাবা-মায়ের এ বিবাদেরই নির্মম বলি হতে হলো ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী হৃদিতাকে। বাবা ও মায়ের মধ্যে ঝগড়া এবং তারই সূত্রে আলাদা বসবাসের কারণে অভিমান থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিল হৃদিতা। একটি নিষ্পাপ কিশোরীর জীবন ঝরে পড়ল অসময়ে। কীভাবে এ জীবন রক্ষা করা সম্ভব?
দিন দিন বাংলাদেশে বিবাহবিচ্ছেদের হার যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি নানা কারণে দাম্পত্যজীবনে অশান্তি লেগেই রয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি সম্মান, বিশ্বাসের অভাব থেকেই সাধারণত বিবাদের শুরু এবং সম্পর্কে টানাপড়েন। বাবা-মায়ের মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝি, ডিভোর্স সন্তানের মানসিক বিকাশে খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে এবং এক্ষেত্রে সন্তানের লেখাপড়া, জীবন সবকিছুই হয়ে ওঠে অনিশ্চিত। অনেক
-
ভারতে বহুল আলোচিত ও সমালোচিত বিষয় হচ্ছে একটি ব্যতিক্রমী পেশা। ভারতের গুজরাটের একটি ছোট শহরই এ পেশার কেন্দ্রবিন্দু। শহরের দরিদ্র বাসিন্দা গৃহবধূ শবনম এখন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অনাগত সন্তানকে ঘিরে তার অনেক স্বপ্ন। তবে এই স্বপ্ন আর সব মায়ের থেকে ভিন্ন। এই সন্তানকে তিনি চার লাখ রুপিতে বিক্রি করে নিজের জন্য বাড়ি করবেন। এক কথায় বলতে গেলে তিনি তার গর্ভাশয় ভাড়া দিচ্ছেন। গর্ভাশয় ভাড়া দেওয়াই তার পেশা। শহরের বিখ্যাত চিকিৎসক নয়না পাটেলের ক্লিনিকে সে সন্তান জন্ম দেওয়া হবে। শুধু তিনি নন, আরও দুই শ নারী তার ক্লিনিকে তালিকাভুক্ত আছেন। ওই ক্লিনিকে গর্ভাশয় ভাড়া দিয়ে প্রথম সন্তান জন্ম দেওয়া হয় পাঁচ
-
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দেশের নারীদের রয়েছে ঐতিহাসিক ভূমিকা। বহু নারী যুদ্ধের সময় জীবন দিয়েছেন। অস্ত্র হাতে পুরুষের পাশাপাশি লড়াই করেছেন, নানা অপারেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। তেমনি সে সময় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন নারী মুক্তিযোদ্ধারা। বহু নারী মুক্তিযোদ্ধা বেতার কেন্দ্রে কাজ করেছেন শিল্পী হিসেবে, যা প্রতি ক্ষণে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে খবর, অস্ত্র আদান-প্রদানের কাজ করেছেন তারা। মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্ব থেকেই নারীসমাজ পালন করে আসছিল অগ্রণী ভূমিকা। তেমনি তিন মহীয়সী নারী মুক্তিযোদ্ধার কথাই বলছি।
নাসরীন রব রুবা
১৯৭১ সালের ১০ মার্চ। তখন তিনি হলি ক্রস কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সেদিনই হঠাৎ করে জানতে পারেন ১৪
-
[সেকেলে ফ্যাসিবাদসংকলন গ্রন্থের ভূমিকার জন্য সংক্ষিপ্ত আকারে লিখিত]
সংকলন এক যৌথকর্ম। তবুও বইটি প্রকাশে আমার নিজের কোনো কৃতিত্ব নেই। কারণ এর সব লেখা পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত পরিচয় পত্রিকার ‘ফ্যাসিস্টবিরোধী সংখ্যা’য় প্রকাশ হয়েছিল ১৯৭৫ সালে (মে-জুলাই)। সেটির কলেবর ছিল আরও বৃহৎ। পুরনো সেই সংখ্যাটি থেকে সময়োপযোগী ১৯টি লেখা নিয়ে বর্তমান সংকলনটি করা হলো। এজন্য পরিচয় পরিবারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ঋণ স্বীকার করছি। সংকলনটির নাম নিয়ে ভেবে ভেবে সময়ক্ষেপণ হয়েছে, কিন্তু কোনো জুতসই শিরোনাম মাথায় আসেনি। অগত্যা বর্তমান নামটিই চূড়ান্ত করা হলো।
বর্তমান সংকলনে বিভিন্ন লেখায় একাধিক বানানরীতি রয়েছে। সেক্ষেত্রে লেখকের বানানরীতি অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। যেমন: ফ্যাসিস্ট, ফ্যাসিস্ত; ফ্যাসিজম,
-
চিকিৎসা শাস্ত্র যুগে যুগে
লেখক: ড. অশোককুমার বাগচী
প্রকাশক: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্যদ
বাংলা ভাষার প্রকাশনার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ বিগত কয়েক বছরে নিজেদের মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্র, রামেন্দ্রসুন্দর, রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র প্রমুখের সান্তর প্রয়াসে জ্ঞানবিজ্ঞানের নানা গভীর জটিল তত্ত্ব আলোচনার যে সমৃদ্ধ ঐতিহ্যে বাংলাভাষার উত্তরাধিকার, সাম্প্রতিক সেই ধারাটি ক্ষীয়মাণ। এই সেদিন পর্যন্ত বাংলায় গুরুগম্ভীর বিষয়ের সরস প্রাঞ্জল আলোচনা আমাদের নজর কেড়েছে। সম্প্রতি, কয়েকটি উজ্জ্বল ব্যতিক্রমের কথা ছেড়ে দিলে, তন্নিষ্ঠ শাস্ত্র আলোচনা বাংলায় দুর্লক্ষ্য। এই পরিবেশে, সরকারি আনুকূল্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্যদ জ্ঞানবিজ্ঞানের বহুধাবিস্তৃত শাখার বই বাংলায় প্রকাশ করার দায়িত্ব নিয়েছেন। প্রথম দিকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের টেক্সট বই
-
হোয়াট ইজ লিভিং এ্যাণ্ড হোয়াট ইজ ডেড ইন ইণ্ডিয়ান ফিলসফি
লেখক: দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
প্রকাশক: পিপলস পাবলিসিং হাউস, নতুন দিল্লী
প্রকাশকাল: ১৯৭৬
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৫৫
ভারতীয় দর্শনের বস্তুবাদী গোষ্ঠীর কথা বাইরের দুনিয়ায় বিশেষ কিছু জানা নেই । কিন্তু আপাত-বিরোধী মনে হলেও একটা ঘটনা হল, ঊনিশ শতকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের মুখপাত্রগণ এবং ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির পশ্চিমী গুণগ্রাহীরা ভারতীয় দর্শনকে অতীন্দ্রিয়বাদ ও অধ্যাত্মবাদের সঙ্গে একাত্ম করে দেখেছিলেন। এর মধ্যে প্রথমোক্ত গোষ্ঠী এটা “প্রতিপন্ন” করেছিলেন যে অন্য জগতের প্রতি আসক্তি ভারতীয়দের বৈষয়িক লক্ষ্য অনুসরণে ও স্বশাসনের ক্ষমতা বিকাশের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর শেষোক্ত গোষ্ঠীর বিশ্বাস ছিল যে, “পশ্চিমী সভ্যতার” নোংরা বিষয়-লিপ্সার সত্যিকার প্রতিষেধক
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- কে আমি?
- বাংলাদেশ কথা কয়
- পরিচয়
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- অর্থনীতির গোড়ার কথা
- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দেশে দেশে
- লেখকদের প্রেম
- হেগেল ও মার্কস
- রূপের ডালি খেলা
- জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বনে পাহাড়ে
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বিজ্ঞানচেতনা
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- বইয়ের জগৎ
- ভারতপথিক রবীন্দ্রনাথ
- জীবনের রেলগাড়ি
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮)
- ২০২৫ (২)
- ২০২৪ (৭)
- ২০২০ (৪৯)
- ২০১৭ (১)
- ২০১৫ (১)
- ২০১৩ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (১)
- ১৯৮৮ (৩)
- ১৯৮৭ (১৩)
- ১৯৮৬ (৬)
- ১৯৮৫ (১)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮১ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (৯)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (১)
- ১৯৫৫ (৮)
- ১৯৫৪ (১)
- ১৯৪৬ (১১)
- ১৯৪৫ (৮)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আসাহাবুর রহমান (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এন রায় (১)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১৩)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৭)
- প্রবোধচন্দ্র সেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রেবতী বর্মন (১৫)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (২)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৫)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সুনির্মল বসু (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (১৪)
- হাসান তারেক (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.