-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
এপ্রিল মাসে বড়ো কঠিন সময় কাটল, তবে তার ইতিবাচক ফলাফল ক্রমশ দেখা দিতে লাগল; এবং যা-কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল সবই বাস্তবায়িত হতে লাগল। বিচ্ছিন্ন কিছু জাহাজ আমাদের নৌবহরের গতিপথ অনুসরণ করে বন্দরে এসে ভিড়ল এবং মাল খালাস করল।
মে মাসের প্রথম দিকে ১৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট 'সুদর্শনা হংকং' ট্যাঙ্কার জ্বালানি বহন করে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করল। এটা ছিল উদ্ধারাভিযানের প্রথম সাফল্য। এর ফলে এদেশে প্রেরিত যাবতীয় সহায়তা ও মালামাল বন্দরে খালাস করার সুযোগ মিলল।
বাংলাদেশের জনজীবনে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা সম্পর্কে কিছু বলা দরকার। কর্ণফুলী নদীর মোহনায় এই বন্দর অবস্থিত। তার পানি পলিমাটি-ভরা হওয়ার কারণে
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
জাহাজ উত্তোলনের জন্য বরাদ্দ ছ'টি বিশেষ স্থানে পরিকল্পনা মাফিক সব কাজ এগিয়ে যাচ্ছিল এবং সেগুলো সময়মতো সম্পন্ন করার আত্মবিশ্বাসও আমাদের ছিল। ডুবুরীরা স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে এবং দিনে যতটা সময় কাজ করা সম্ভব তার পুরোটাই সদ্ব্যবহার করেছে। দিন-রাত একের পর এক ডুবুরী পানিতে সমানে ওঠা-নামা করেছে। এখানে আবারো বলতে হয়, ছোট-বড়ো কোনো কাজেই বন্দরের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় নি যদিও তাতে আমাদের কাজের গতি ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছিল। তবে আমরাও বন্দর সচল রাখার ব্যাপারে সতর্ক ছিলাম, যে-কারণে বন্দরে জাহাজ আসা-যাওয়ার সময়সূচি পরীক্ষা করে যে সময়ে সবচেয়ে কমসংখ্যক জাহাজ আসে সে সময়টুকুতেই কাজ করতাম।
মে মাসের
-
Mental fortifications in Dacca and physical defences on the border, seemed to hinge on each other. Fluctuations in one affected the fate of the other. If any other element had any significant influence it was the progress of war on the West Pakistan front. General Niazi, who literally flexed himself like a wrestler at the ill-founded news of our successes on the Lahore front on the second day of war, gradually lapsed into disillusionment by 7 December. At about the same time, the Indians occupied Jessore and Jhenida in 9 Division, ambushed the G.O.C. on 16 Division's main line of
-
ছোট্ট কলিয়ার যতদূর মনে পড়ে, যুদ্ধের দিনগুলোয় তার কেবলি ক্ষিতে পেত। ক্ষিদে সে কিছুতেই সইতে পারত না, মানিয়ে নিতে পারত না, রাগের ঝলক ফুটত তার কোটরে ঢোকা চোখে, অনবরত খাবার খুঁজে বেড়াত। না-ছাঁটা এলোমেলো কালো কালো চুল আর খোঁচা খোঁচা পাঁজরায় তাকে দেখাত যেন ছোট্ট রোগটি এক নেকড়েছানা। খাওয়ার মতো কিছু একটা পেলেই সে তা মুখে তুলত—সরেল মুুখ আটকে আসা বৈঁচি, বার্ড-চেরি, কী সব শিকড়বাকড়, অসহ্য টক আর শক্ত বুনো আপেল। বাড়িতে সে পেত জলের মতো কিছু ঝোল আর রুটি। ঝাড়াই-করা জোয়ারের গুছি গুঁড়ো করে মা মেশাত ময়দার সঙ্গে, ফলে রুটি হত ভারি, চ্যাটচেটে, সোঁদা সোঁদা কাদাটে গন্ধ উঠত। কিন্তু
-
সে গ্রীষ্মে গরম একেবারে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। দিনের গরমের পর আসে সাঁঝের গরম, সাঁঝের পর রাতের। শুধু ভোরের দিকেই একটু তাজা আমেজ আসে সমুদ্র থেকে। কিন্তু এই ক্ষীণ শীতলতাটুকুও টেকে বেশিক্ষণ নয়। তার তাপ ছড়ায় কেবল সূর্যই নয়। পাথর, বালি, এমনকি গাছের পাতা থেকেও চুইয়ে পড়ে গরম। মাথার ওপর আলস্যে ভাসা বিরল দু’ একটি মেঘ দেখে আর তুষারের কথা মনেও পড়ে না। এমন গরমে আদৌ কল্পনা করারই অসম্ভব যে দুনিয়ার কোথাও আছে তুষার-কণা, বরফ, ঠাণ্ডা।
সমুদ্রতীরের এই বসতটায় নিথর হয়ে গেল জীবন। লোকে হাঁটে গা-ছাড়াভাবে, নেতিয়ে পড়ে, রোদে বেরতে ভয় পায়। এমনকি ঝানু পুলিন-বিলসীরাও হামলা সইতে না পেরে ঠাঁই নিয়েছে
-
লকড়ি-গুদামটায় উঠে উর্সের কাছে ঘেঁষবে এমন কোনো ছেলের কথা আমি শুনিনি। কিন্তু একটি মেয়ের কথা জানি, কেট—সে এটা পারে। উর্সকে সে ভয় পায় না। কাঁটা-তারের তল দিয়ে সে ঢোকে, উর্স কিন্তু খেঁকিয়ে আসে না, ডাকে না ভাঙা-ভাঙা গলায়, কামড়ে ছেঁড়ে না তার ফ্রক। দু’জনের মধ্যে বেশ ভাব—রোগা সরু ঠেঙে কেট আর দক্ষিণ রাশিয়ার পাহারাদার কুকুর উর্স।
ছেলেপিলেরা বলে, কেট কী একটা মন্ত্র জানে। সেটা বাজে কথা। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তাতে নাক কুঁচকে ওঠে তার কেউ মিথ্যে কথা বললে সে বরাবরই নাক কোঁচকায়।
উর্স দেখতে প্রকাণ্ড। গায়ের লোম তার ঝুলে ঝুলে থাকে নোলকের মতো। কপালের নোলকগুলো পড়ে চোখর ওপর। চোখের
-
অনেকের মতে চার্লস্ ডিকেন্স-ই হচ্ছেন ইংল্যাণ্ডের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। এ বিষয়ে অবশ্য মতভেদ থাকতে পারে। তবে একথা ঠিক যে, উপন্যাস লেখকের যা প্রধান গুণ সেই গল্প বলার ক্ষমতা ও চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলার শক্তি তাঁর অসাধারণ ছিল।
বলা বাহুল্য, ডিকেন্স-এর লেখার আরও অনেক গুণ ছিল এবং ত্রুটিও। সে-সব আলোচনা এখানে আমার করার ইচ্ছে নেই। তাঁর সাহিত্য-বিচারের জন্য এ প্রবন্ধ নয়। আমি যথারীতি শুধু তাঁর জীবন ও তাঁর প্রেম সম্বন্ধে খুব সংক্ষেপে সামান্য দু-চার কথা এখানে লিখবো।
১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের পোর্টসী-তে চার্লস্ ডিকেন্স-এর জন্ম হয়। জন ডিকেন্স ও এলিজাবেথ ডিকেন্স-এর তিনি দ্বিতীয় সন্তান ও প্রথম পুত্র। তাঁর বাবা জন ডিকেন্স নেভি পে-অফিসে
-
আঠারো শতকের ফারসী বস্তুতন্ত্রীদের মত ছিল, সমাজকে নিয়ন্ত্রণ এবং শাসন করে জনমত (public opinion); এই জনমত সমাজ-পরিবেশের সৃষ্ট, ইহার প্রকাশ হয় রাষ্ট্র-বিধির ভিতর দিয়া। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক হইতেই এই মত বর্জিত হইতে লাগিল।
বিখ্যাত ঐতিহাসিক Guizot বলিলেন, অধিকাংশ লেখক সমাজের বিকাশের মূল খুঁজিয়া বাহির করিয়াছেন রাষ্ট্রনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির ভিতরে। ইহাদিগকে বিচারের মূল বিসয় না করিয়া গোড়ায় সমাজকে বুঝিবার চেষ্টা করিলেই বুদ্ধিমানের কাজ হইত। তিনি ইহাও বলিয়াছেন, রাষ্ট্র-প্রতিষ্ঠাগুলি কারণ হিসাবে কাজ করিবার পূর্বে অন্য কতকগুলি কারণ হইতে ইহাদের উদ্ভব হইয়াছে। সমাজকে ইহারা নিয়ন্ত্রণ করে বটে, কিন্তু প্রথমত সমাজই ইহাদিগকে জন্ম দিয়াছে। ঐতিহাসিকের দৃষ্টি সর্বপ্রথম আকর্ষন করিবে সমাজের বিভিন্ন পরিবর্তন, স্তর এবং
-
বাংলাদেশে সর্বহারা পার্টি আর পশ্চিম বাংলার নকশালপন্থী। শাসকগোষ্ঠী এবং জোতদার ও বিত্তশালীদের দৃষ্টিতে ‘ভয়াল’ ও ‘ভয়ংকর’। এবারের প্রতিবেদন হোচ্ছে ১৯৮৯ সালে পশ্চিম বাংলার নকশালপন্থীদের হাল-হকিকত সম্পর্কিত। অনেকের মতে, ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত মোট তেরো বছরের নকশাল আন্দোলন এখন বিস্মৃতির অন্তরালে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের অধ্যায় মাত্র। কিন্তু বাস্তবে কি তাই?
তা'হলে তো গোড়া থেকেই সংক্ষিপ্ত আকারে কথাগুলো বোলতে হোচ্ছে। বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তের ওধারে শিলিগুড়ি। আর এই শিলিগুড়ির অদূরে ৩টি থানা যথাক্রমে ‘ফাঁসি দেওয়া’, ‘খড়িবাড়ি’ এবং ‘নকশালবাড়ি’। আজ থেকে ২২ বছর আগে এই এলাকার শোষিত ক্ষেতমজুর এবং চা-বাগানের শ্রমিকদের নেতৃত্বে ঘোষিত হোয়েছিলো এক ‘রক্তাক্ত সশস্ত্র বিপ্লব’। নেতার নাম কমরেড চারু মজুমদার।
-
উপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী শৃঙ্খলে আবদ্ধ উপমহাদেশে সকল ভাষাভাষী জনগণের সম্মিলিত জাতীয় মুক্তির অভ্যুদয়ে সমাজতান্ত্রিক ভাবধারা ও শ্রমজীবী শ্রেণীর আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্বের প্রসার সাধনে, কমিউনিস্ট সংগঠন গড়ে তোলার কাজে এবং প্রগতিবাদী লেখক-লেখিকাদের সমবায়ী প্রয়াসে সাজ্জাদ জহীরের বহুমুখী অবদান রয়েছে। তিনি অবশ্য প্রধানতঃ ১৯৩৫ থেকে সত্তরের দশকের শুরু পর্যন্ত প্রগতি সাহিত্যের কর্ণধার হিসাবে পরিচিত। তিনি একাধারে একদিকে যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রেমচাঁদের মতো দিকপাল প্রবীণদের গণমুখী সাহিত্যের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্রতী নবীন লেখক-লেখিকাদের দলবাঁধা প্রয়াসের মধ্যে নিয়ে এসেছিলেন, তেমনি এই ঐক্যের ধারাকে প্রত্যক্ষভাবে সাম্রাজ্যবাদ ও তার দেশীয় তাঁবেদার কায়েমী স্বার্থবাদীদের বিরুদ্ধে বিরাট বিরাট গণ-অভ্যুদয়ে শরিক করে বিপর্যয়ের অগ্নিপরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ করেছিলেন।
১৯৭৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ৬৮ বছর
-
বইখানি একজন কৃতবিদ্য ও যশস্বী অভিনেতার লেখা কতকগুলি অভিনয় প্ৰসঙ্গীয় বিবিধ প্রবন্ধের একত্র সংস্করণ। অভিনয়নৈপুণ্য খুব কম লোকেরই থাকে, কিন্তু যাদের আছে তাদের মধ্যেও দূরসঞ্চারী মন নিয়ে চিন্তা করবার শক্তি আরো কম জনের থাকে। লেখকের সেই চিন্তা করবার দুর্লভ শক্তি আছে। নিরপেক্ষ মন নিয়ে তিনি নাট্যশিল্পকে এবং চারিপাশের আবহাওয়াকে সমালোচকের ভঙ্গীতে দেখেছেন এবং আপন মতামত নিঃশঙ্ক ভাবে ব্যক্ত করেছেন। তাঁর কথাগুলির মধ্যে অনেক ভেবে দেখবার জিনিস আছে। যেমন ধরা যাক তিনি বাঙ্গালী মুসলমানদের সম্বন্ধে যে কথা বলেছেন। বাংলাদেশে অর্ধেকের বেশি অধিবাসী মুসলমান, অথচ তাঁদের মধ্যে কেউ বাঙ্গালী হয়েও বাংলা নাট্যবিষয়ে যোগদান করেন না কিংবা এই একটি বিশিষ্ট চারুশিল্প সম্বন্ধে উদ্যোগী
-
কৃষণ চন্দরের 'পেশোয়ার এক্সপ্রেস' গল্পটির সঙ্গে বাঙালি পাঠকের পরিচয় অনেক দিনের। দেশভাগের মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই বাঙলায় কৃষণ চন্দরের একটি গল্প সংকলন প্রকাশিত হয় 'ফুলকি ও ফুল'—তার প্রথম গল্পই ছিল 'পেশোয়ার এক্সপ্রেস'। ১৯৫২ সালে সংকলনটি প্রকাশ করে র্যাডিক্যাল বুক ক্লাব; গল্পগুলি অনুবাদ করেছিলেন পার্থ রায়। দেশভাগের সাহিত্য নিয়ে কোন আলোচনা করতে গেলে 'পেশোয়ার এক্সপ্রেস' গল্পটিকে আমরা কিছুতেই ভুলতে পারি না।
বীভৎস-নির্দয় এই গল্পটির কেন্দ্রীয় চরিত্র, বলা যেতে পারে, পেশোয়ার এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন। পেশোয়ার থেকে ট্রেনটি যাত্রা শুরু করেছিল হিন্দু আর শিখ শরণার্থীদের নিয়ে। তক্ষশীলা স্টেশনে ট্রেনটিকে থামতে হলো, কাবণ শোনা গেল—আরও কিছু উদ্বাস্তু পরিবার আসছেন। ট্রেনটি অপেক্ষা কবল এবং
ক্যাটাগরি
উৎস
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দেশে দেশে
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- বইয়ের জগৎ
- প্রক্রিয়াধীন
- পরিচয়
- বাংলাদেশ কথা কয়
- লেখকদের প্রেম
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- অর্থনীতির গোড়ার কথা
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- রূপের ডালি খেলা
- হেগেল ও মার্কস
- বিজ্ঞানচেতনা
- ভারতপথিক রবীন্দ্রনাথ
- বনে পাহাড়ে
- জীবনের রেলগাড়ি
আর্কাইভ
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আসাহাবুর রহমান (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এন রায় (১)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নিতাই দাস (১৩)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৭)
- প্রবোধচন্দ্র সেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রেবতী বর্মন (১৫)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (২)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- হাসান তারেক (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.