-
বইমেলা আমাদের দেশে একটা নতুন উৎসব। এই ধরনের উৎসব দেশে আগে ছিল না। আমাদের দেশে ধর্মীয় পালপার্বণ উপলক্ষ্যে মেলা হতো, স্মরণীয় লৌকিক ঘটনা উপলক্ষে মেলা হতো, মহাপুরুষের স্মৃতি পালনোদ্দেশ্যে মেলা হতো, আরও রকমারি কারণে মেলা হতো; কিন্তু বইয়ের মেলা আগে কখনো হয়নি। এ জিনিসের কোনো পূর্ব নজির দেখা যায় না।
হয়ত রেওয়াজটি গোড়ায় ছিল বিদেশী, বিদেশ থেকে আমরা এটা ধার করেছি। কিন্তু ধারের জিনিস হলেও তার ধার বা ভার কোনটাই কম নয়। ভাল বস্তু যে সূত্র থেকেই আহুত হোক না কেন তাকে স্বাগত জানাবার মতো খোলা মন (এবং প্রসারিত হাত) সর্বদাই আমাদের থাকা উচিত। অনুকরণ মহদুদ্দেশ্য প্রণোদিত তথা কল্যাণআশ্রিত হলে
-
ঘনায়মান কালো রাতে জনশূন্য প্রশস্ত রাস্তাটাকে ময়ূরাক্ষী নদী বলে কল্পনা করতে বেশ লাগে। কিন্তু মনের চরে যখন ঘুমের বন্যা আসে, তখন মনে হয় ওটা সত্যিই ময়ূরাক্ষী: রাতের নিস্তব্ধতায় তার কালো স্রোত কল-কল করে, দূরে আঁধারে ঢাকা তীররেখা নজরে পড়ে একটু-একটু, মধ্যজলে ভাসন্ত জেলেডিঙিগুলোর বিন্দু বিন্দু লালচে আলো ঘন আঁধারেও সর্বংসহা আশার মতো মৃদু-মৃদু জ্বলে।
তবে, ঘুমের স্রোত সরে গেলে মনের চর শুষ্কতায় হাসে ময়ূরাক্ষী! কোথায় ময়ূরাক্ষী! এখানে-তো কেমন ঝাপসা গরম হাওয়া। যে-হাওয়া নদীর বুক বেয়ে ভেসে আসে সে হাওয়া কি কখনো অত গরম হতে পারে?
ফুটপাথে ওরা সব এলিয়ে পড়ে রয়েছে। ছড়ানো খড় যেন। কিন্তু দুপুরের দিকে লঙ্গরখানায় দুটি খেতে
-
এঞ্জিন মৃদু-মৃদু আওয়াজ করতে শুরু করেছে। স্টোকহোল্ডে কয়লাওয়ালাদের মুখ লাল হয়ে উঠেছে: তাদের সামনে যে বিরাট অগ্নিকুণ্ড জ্বলে উঠেছে—তারই তাপে ঝলসাচ্ছে ওদের মুখ। ভোর নাগাদ জাহাজ ছাড়বে। কিন্তু মাল তোলা এখনো শেষ হয় নি; কার্গো-উইঞ্চে একঘেয়ে আওয়াজ হচ্ছে: ঘর ঘর ঘর। ওধারে ডকের আবরণ দেয়া-আলোর মধ্যে রহস্য, অস্পষ্ট কোলাহল, আর ধোঁয়া।
রাতের শেষাশেষি। বৃদ্ধ করিম সারেঙ্গ কেবিন হতে বেরিয়ে এল—তার ক্ষুদ্র চোখে ঘুমাবসানের ঔজ্জ্বল্য ও স্বচ্ছতা। জাহাজ কাঁপছে মৃদু-মৃদু। ওপরে ফানেল দুটো দিয়ে ধোয়ার শীর্ণ রেখা নিষ্কম্পভাবে ঋজু হয়ে উঠে হাওয়াশূন্য কালো আকাশে মিলিয়ে যাচ্ছে। করিম সারেঙ্গ ঘুরে এল এদিকে, দেখলে গ্যাঙ্গওয়ে এখনো তোলা হয় নি। কোণে আবছা অন্ধকার; সে-অন্ধকারে
-
দেখতে লোকটা বেঁটেখাটো। চওড়া শক্ত হাড়, ছোট ঘাড়, টান পিঠ, আর লোমশ দেহ। রঙটা এমন যে মনে হয় কালোর ওপরে-ও কালোর একটা পোঁচ, অথচ সেটা আবলুশ কালো নয়। রঙটায় একটা বৈশিষ্ট্য আছে; এবং আরেক বৈশিষ্ট্য তার বড়, ভাসন্ত ও টেরা চোখ দুটিতে। তার চোখের পানে চেয়ে কখনো মনে হয় কী সোজা কী বোকা সে, আবার কখনো মনে হয় সমস্ত কুটিলতা ঘোলাটে হয়ে পাক খাচ্ছে সেখানে। দারোগার সামনে স্থির হয়ে বসে নিথর দৃষ্টিতে যখন চেয়ে থাকে, তখন বাইরের কেউ তাকে গদাইলস্কর ছাড়া আর কিছু ভাববে না, আবার বন্ধুদের আড্ডায় কিছু না কইতে-ই চোখে যে-সব কথা ভাসে, তার তুলনা মেলা ভার।
তবু,
-
দূরে যেখানে ধলেশ্বরীর সাথে এই রাঙাধারের ঢালা এক হয়ে মিশেছে, সে-সঙ্গমস্থানের বিস্তীর্ণ জলরাশি হঠাৎ ঝলমল করে উঠল। মেঘের ফাঁকে সকালবেলার সূর্যালোক ঝলকে পড়েছে সেখানে। এবং ঠিক সেই মুহূর্তে ক্ষুদ্র কোটরগত অথচ উজ্জ্বল চোখ দুটি দূরে নিবদ্ধ করে মজনু ঠোঁটের প্রান্তে একটু হাসল, তারপর সবল হাতে লগি দিয়ে তীর হতে গভীর জলে নৌকা ঠেলে সে বলে উঠল:
—হেই গো, মোদের নাও ভাসল।
মাথায় তার জড়ানো লাল গামছা, সাদার ওপরে নীল চেকের আধময়লা লুঙ্গিটি কোঁচামেরে পরা, এবং দেহের বাকি সমস্ত অংশ অনাবৃত। লগি ছেড়ে হাল ধরে বাইতে শুরু করলে তার সুগঠিত পেশিবহুল কঠিন-কালো দেহের প্রত্যেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চঞ্চল হয়ে উঠল, যেন তার সমগ্র
-
চর আলেকজান্দ্রার সোনাভাঙা গ্রামের ঘাটে এখনো নৌকার ভিড়। কত নৌকা আসছে, যাচ্ছে: বালাম, সাম্পান, কিছু সোরঙ্গ-ও। চালের মরসুম এখনো সরগরম। অথচ এদিকে চৈত্রের শেষাশেষি। গাঁয়ের পশ্চিমে নারকেল-বন পেরিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত খোলা প্রান্তরের ধারে গিয়ে দাঁড়ালে দেখা যাবে: উদ্দাম হাওয়ায় সে-প্রান্তরময় ধুলো উড়ছে। পেছনে নারকেল-বনে অশান্ত মর্মরধ্বনি, আর সামনের জনশূন্য প্রান্তরে কেবল ধুলো উড়ছে আর উড়ছে, কখনো ঘূর্ণি হয়ে ঊর্ধ্বে উঠে, কখনো আকাশের বুক থেকে তির্যক গতিতে নিচে নেবে আসে, আবার কখনো মাটি ছুঁয়ে তীরবেগে দূরান্তে মিলিয়ে গিয়ে। আর, যে-পথটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে কিছু এঁকেবেঁকে সোজা পশ্চিমে চলে গেছে, সে পথ স্থানে স্থানে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে সে-ধুলোর মধ্যে: যেন শূন্যে মিলিয়ে
-
সন্ধ্যা থেকে পানের দোকানটার সামনে একটা টুলে স্তব্ধ হয়ে বসে রয়েছে আবদুল। মনে অদ্ভুত শূন্যতা, এবং সে-শূন্য মনে পাশের হোটেলের কোলাহল অতি বিচিত্র ও রহস্যময় ঠেকছে। কখনো পানওয়ালাটা হঠাৎ ছাড়া গলায় তীক্ষ্ণস্বরে হেসে উঠলে সে চমকে উঠছে, বিস্তৃত শূন্যতার মধ্য থেকে তার মন বিহ্বল হয়ে বেরিয়ে আসছে, তারপর কী যেন খুঁজে-খুঁজে না পেয়ে আবার শূন্য হয়ে উঠছে।
রাস্তার ওপাশে গুদামের মতো একটা বন্ধ ঘর; তার এধারে গ্যাসপোস্টের তলে ধোঁয়ার মতো রহস্যময় ক্ষীণ আলো। সেদিকেই আবদুলের ভাষাশূন্য চোখ নিবদ্ধ হয়ে ছিল। এবার হঠাৎ তার সে চোখ কেঁপে উঠল—কিছুটা ভয়ে কিছুটা বিস্ময়ে। ওধারের ফুটপাথ দিয়ে একটি কালো ছায়া আবছা অন্ধকারে মিশে নিঃশব্দে
-
শেখ জব্বারকে ধনী বলতেই হবে। তার দুটি গাড়ি, দুটি ঘোড়া, জন আটেক চাকর, আর চিকে-ঘেরা অন্দরমহলে চারটি বিবি। আয়-ব্যয় যদি ধনীর লক্ষণ হয়ে থাকে, তবে সে-ধারণা যথার্থ: আয়ের দিকে রয়েছে দুটি ঘোড়ার গাড়ি, এবং ব্যয়ের দিকে রয়েছে চার জন বিবি।
যে-পাড়ায় শেখ জব্বারের বাস, সে-পাড়ায় শুধু গাড়োয়ান আর ঘোড়া। ঘোড়ার নাদে পরিপূর্ণ রাস্তাটির ধারে একটি লম্বা আস্তাবল: আস্তাবলের প্রান্তে ক’টা স্যাঁতস্যাতে চায়ের দোকান ও হোটেল, তারপর কতগুলো বস্তি। সর্বশেষ বস্তিটি শেখ জব্বারের।
যদিও এখন রাত দুটো, তবু আজ বস্তিতে কারো চোখে ঘুম নেই। সমস্ত বস্তিময় তীব্র উল্লাস চলছে। চারিধারে কোলাহল, বিচিত্র সম্মিলিত জনরব; কেউ-বা ভারি কর্কশ গলায় উর্দু কালোয়াতি টানছে,
-
‘ওহ, বহুকাল অপেক্ষার পর আমরা তিন দিনের ছুটিতে সিলেটের উদ্দেশে রওনা দিলাম। তবু কেন যেন মনে হচ্ছে আমাদের মধ্যে কোনো আনন্দ নেই। দূরত্ব যেন দিন দিন বেড়েই চলছে। আমরা দুজনই চাকরিজীবী। আমি প্রাইভেট ব্যাংকে আর ও সাংবাদিক। আমাদের সারা দিনে কথা বলার সময় কয়েক ঘণ্টা, তা-ও খাবার সময়ই। অফিস থেকে ফিরতে আমাদের আটটা কি নয়টা বেজে যায়। কখনও ওর রাতেও ডিউটি থাকে, তখন সে সময়টিও নেই। আমার চাপাচাপিতেই এই বেড়ানো। আমি ছুটি পেলেও ওর ছুটি পাওয়া কঠিন ছিল। এখন বেড়াতে গিয়েও একটু পরপর অফিস থেকে আমার ফোন অথবা ওর ফোন আসছে। ইচ্ছা করছে ফোনটা ছুঁড়ে ফেলে দিই। সাথে ল্যাপটপও আছে
-
অনিলা অফিসে যেতে যেতে বাসে বসে ভাবছিল, সংসারজীবনে খরচ অদ্ভুত জিনিস। যত কমাতে চায়, ততই বেড়ে চলে। তাদের দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে চারজনের পরিবার সামলাতে গিয়ে আজ তার নাজেহাল দশা। তার স্বামীও চাকরিজীবী। বহু চিন্তাভাবনা করে খরচ করলেও দেখা যায় মাসের শেষে তাদের কঠিন অবস্থা। তার স্বামী মাস শেষে নানা বিল, লোন শোধের জন্য বিভিন্নজনের কাছে ধার নিতে থাকে। তাই মাসের পর মাস ধরে চলতে থাকে দেনা-পাওনার হিসাব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সন্তানদের চাওয়া-পাওয়াও বাড়ছে। সংসার পরিচালনা ও পাশাপাশি অফিস চালাতে গিয়ে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুহূর্ত পার করতে হচ্ছে অনিলাকে।
সংসার পরিচালনা ও পাশাপাশি অফিস চালাতে গিয়ে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুহূর্ত পার
-
আয়েশার (ছদ্মনাম) মনে আজ খুবই আনন্দ। সরকারি ব্যাংকের চাকরি জীবনে তার এই দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দুপুরের দিকে জানতে পারল, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে তাকেই নির্বাচিত করা হয়েছে। পদোন্নতির তালিকায় আরও তিন সহকর্মীও ছিল। শেষ পর্যন্ত তার রিপোর্ট ভালো থাকায় তাকেই নির্বাচন করা হয়েছে। আয়েশা কখনও তা আশাও করেনি। একজন নারী হিসেবে পুরুষ সহকর্মীদের কাছ থেকে সব সময়ই নানা বিরূপ মন্তব্য তাকে সহ্য করতে হয়েছে। তার এই জয়ের কথা কাকে প্রথম বলবে, এই আনন্দ কার সঙ্গে ভাগাভাগি করবে, তা চিন্তা করতে গিয়ে বাড়ির এক প্রতিকূল চিত্র তার চোখের সামনে ফুটে উঠল। নিজ কর্মক্ষেত্রের এই সাফল্যের কথা স্বাভাবিকভাবেই প্রথমে নিজের জীবনসঙ্গীকে
-
রাতে বারান্দায় বসে কাঁদছে লিজা। এখন প্রায় শেষ রাত, সকাল হয়ে যাবে তবু মনে হয় ওর কান্না থামবে না। রাতে খাবার সময় তার বাবা বলেছে, দেখলাম তোমার পরীক্ষায় ফলাফল সে রকম ভালো হচ্ছে না। প্রথম-দ্বিতীয় না হলে চলবে না, তাই ভেবেছি এ বছর তুমি আবার ক্লাস সেভেনেই থাকবে। লিজা এবার তৃতীয় হয়েছে। কিন্তু বাবার এক কথা, প্রথম হতেই হবে। ওর বন্ধুরা সব ওপরের ক্লাসে চলে যাবে, আর একই স্কুলে একই ক্লাসে ওকে থাকতে হবে, ভাবলেই কান্না পাচ্ছে। বাসায় তার মায়ের বা তার মতামত বলে কিছু নেই। বাবা যা বলেন তা-ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, এ নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন হবে না। এমন
ক্যাটাগরি
উৎস
- জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা
- অর্থনীতির গোড়ার কথা
- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দেশে দেশে
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- প্রক্রিয়াধীন
- লেখকদের প্রেম
- হেগেল ও মার্কস
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- কে আমি?
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- পরিচয়
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- বিজ্ঞানচেতনা
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বইয়ের জগৎ
- বাংলাদেশ কথা কয়
- ভারতপথিক রবীন্দ্রনাথ
- রূপের ডালি খেলা
- বনে পাহাড়ে
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- জীবনের রেলগাড়ি
- নয়নচারা
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮)
- ২০২৫ (২)
- ২০২৪ (৭)
- ২০২০ (৪৯)
- ২০১৭ (১)
- ২০১৫ (১)
- ২০১৩ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (১)
- ১৯৮৮ (৩)
- ১৯৮৭ (১৩)
- ১৯৮৬ (৭)
- ১৯৮৫ (১)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮১ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (৯)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (১)
- ১৯৫৫ (৮)
- ১৯৫৪ (১)
- ১৯৪৬ (১১)
- ১৯৪৫ (৮)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (২)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আসাহাবুর রহমান (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এন রায় (১)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১৩)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৫)
- প্রবোধচন্দ্র সেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৭)
- রিয়ার অ্যাডমিরাল সের্গেই পাভিচ জুয়েনকো (১)
- রেবতী বর্মন (১৫)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (২)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৫)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সুনির্মল বসু (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (১৪)
- হাসান তারেক (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.