-
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসানের পর্যায়ে জাপান সাগর ও হলুদ সাগর বিধৌত পূর্ব এশীয় দেশ—কোরিয়া স্বাধীনতার ঝাণ্ডা উড্ডীন করার সংকেত শুনলেও ১৯৪৮ সালে সাম্রাজ্যবাদী ষড়যন্ত্রে খণ্ডিত কলেবর প্রাপ্ত হতে বাধ্য হয়। ৩৮ অক্ষরেখা বরাবর উত্তরাংশের জনগণ ১৯৪৮ সালে শ্রমিক-কৃষকের মুক্তির পতাকা উত্তোলন করেন। উত্তর কোরিয়া তথা কোরিয় জনগণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের আয়তন ১ লাখ ২১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এবং লোক সংখ্যা ১ কোটি ১১ লাখ (১৯৮৩ সালের তথ্য)।
স্বাধীন-পরাধীন
পুরাতন পাথরের যুগ থেকে জনবসতির ধারক কোরিয় উপদ্বীপে খ্রীষ্টের জন্মের চার-পাঁচ শতক আগে থাকতেই রাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল।
খ্রীষ্টের জন্মের এক শত বছরের মধ্যে পুরাতন দাস রাষ্ট্রের বদলে উপদ্বীপটিতে তিনটি সামন্তবাদী রাষ্ট্রের পত্তন হয়। অবশ্য সপ্তম
-
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ১০ মাইলের মধ্যে অবস্থিত পশ্চিম গোলার্ধের একমাত্র সমাজতান্ত্রিক দেশ কিউবা। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার সন্ধিস্থলে আটলান্টিক মহাসাগর বিধৌত ১৬০০ দ্বীপের দেশ কিউবার আয়তন ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার। তবে এই দ্বীপমালার মধ্যে কিউবা দ্বীপের আয়তনই সবচেয়ে বড় (৯৪%)। ১৭ লাখ জনসংখ্যার এই দেশটিতে ১৯৫৯ সালে বিপ্লবীদের শাসন কায়েম হয়।
আগের কথা
কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের (১৪৯২) আগে কিউবার আদি অধিবাসীরা ছিল রেড ইণ্ডিয়ান। দেশটিতে সোনা-রূপার সন্ধান না পাওয়ায় ইউরোপীয় অনুসন্ধানী ও বসতি স্থাপনকারীরা কিউবাকে ছাড়িয়ে চলে যায় উত্তর আর দক্ষিণ আমেরিকায়। কিন্তু কালক্রমে স্পেনীয়রা এই দ্বীপের দেশে ঘাঁটি গেড়ে বসে। তাছাড়া অনেক ভাগ্যান্বেষী এবং উদ্বাস্তু ইউরোপ থেকে এখানে
-
‘ওরা স্বেচ্ছায় আমাদের ছেড়ে দেবে না। অন্তত যতটা অনিচ্ছায় ভিয়েতনাম ছেড়েছে তার চেয়েও বেশি অনিচ্ছায় আমাদের ছাড়বে।’ আমি বলতে চেয়েছিলাম যে ওরা ভিয়েতনাম ছাড়ার চেয়েও অনেক বেশি অনিচ্ছুক তোমাদের ছাড়তে। কারণ তেল, কারণ মধ্যপ্রাচ্য। তবে এখন মনে হয় ক্যাম্প ডেভিডের পরে লেবাননে সিরিয়ার শাসন ও রাশিয়ার প্রভাব মেনে নিতে ওরা প্রস্তুত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কি আসলে নিজেদের প্রকৃত অবস্থান থেকে বঞ্চিত করতে প্রস্তুত? যেখান থেকে সে প্রাচ্যে হস্তক্ষেপ করতে পারবে বা শান্তি-অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে?
আমেরিকানরা কী শাহকে নতুন কোনো শক্তির পরীক্ষায় দ্বিতীয় ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’র দিকে ঠেলে দেবে? বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ক্লাস শুরু হওয়া, সাম্প্রতিক ধর্মঘটগুলো, আবার শুরু হওয়া সবগুলো সংকট আর আগামী
-
[১৯৩৫ সালে কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের সপ্তম কংগ্রেসে কমরেড জর্জি ডিমিট্রভের যুক্তফ্রন্ট তত্ত্ব গৃহীত হওয়ার পূর্বই ১৯৩৪ সালে গ্রেট ব্রিটেনের কমিউনিস্ট পার্টি এবং বিশ্ব-কমিউনিস্ট আন্দোলনের সুপরিচিত নেতা ও তাত্ত্বিক কমরেড রজনী পাম দত্ত ‘ফ্যাসিজম অ্যান্ড সোশাল রেভলিউশন’ গ্রন্থ মারফত শ্রমিকশ্রেণীর হাতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের একটি তীক্ষ্ণ তত্ত্বগত হাতিয়ার তুলে দেন।
আর্থনীতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি দেখান ফ্যাসিবাদ হচ্ছে ক্ষয়িষ্ণু পুঁজিবাদের মরিয়ার মতো টিকে থাকার চেষ্টা। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম তাই শ্রমিকশ্রেণীর আন্তর্জাতিক কর্তব্য।বইটির দ্বাদশ অধ্যায়ে তিনি পুঁজিবাদের প্রথম মহাযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বজোড়া সংকট, ‘পুজিবাদের স্থিতিশীলতা’ তত্ত্বের অন্তঃসারশূন্যতা এবং ক্ষয়িষ্ণু পুঁজিবাদের গর্ভ থেকে কিভাবে ফাইনান্স ক্যাপিটালের মালিকদের সাহায্যপুষ্ট চরম সন্ত্রাসবাদী ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রযন্ত্র
-
লেনিন বহুকাল আগে বলেছিলেন, পৃথিবীর শ্রমিকশ্রেণীর আন্দোলন যে ভুলভ্রান্তি করে তার একটি কারণ হল নবাগত দলভুক্তদের প্রশিক্ষণ না-দেওয়া। বিপ্লবী আন্দোলনের মধ্যে নতুন নতুন যেসব প্রজাতি আসে তাদের যদি সেই আন্দোলনের বিপ্লবী অভিজ্ঞতার তত্ত্বগত বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ করা না-হয়, তাহলে এই নবাগত শক্তিগুলি প্রায়শই পুরনো ভুলগুলি করে থাকে। আন্দোলনে যারা কিছুটা প্রবীণতর, তাঁদের অবশ্য তরুণদের প্রতি অভিভাবকসুলভ সদয় দাক্ষিণ্যের মনোভাব পোষণ করা উচিত নয়; আবার সেই সঙ্গে তাঁদের এটাও ধরে নেওয়া উচিত নয় যে তাঁরা যা জানেন, তরুণরাও তা জানেন।
আমার মনে হয়, ফ্যাসিবাদের ব্যাপারে কমিউনিস্ট ও অন্যান্য বামপন্থী শক্তির ক্ষেত্রে কথাটা বিশেষভাবে সত্য। যারা ১৯৩০-এর দশক থেকে আন্দোলনে আছেন এবং যারা
-
শত বছর পূর্বে রাশিয়ায় ঘটে এক বিশ্বকাঁপানো ঘটনা, যা মানব সভ্যতার গতিপথ পাল্টে দেয়। দুনিয়াটা আর অতীতের ধারাবাহিকতায় অক্ষুণ্ন থাকে না, ছেদ ঘটায়। হাজার বছরের শোষণ-বঞ্চনা-অত্যাচার থেকে নিজেদের মুক্ত করার এক মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করে রুশ দেশের মেহনতি মানুষ। শোষণহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমতার সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। বহু যুগের অন্যায়-অবিচার-জুলুম-নিপীড়ন-ভেদাভেদ-অমর্যাদা-অধিকারহীনতার অবসান হয়। গোটা বিশ্বকে এক নয়া উন্নত মানবিক সভ্যতার পথ দেখায় তারা, যার নাম 'সমাজতন্ত্র'। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর রাশিয়ায় এই সমাজতন্ত্র কায়েমের মহাকর্মযজ্ঞ দুনিয়া কাঁপানো ‘রুশ বিপ্লব’ রূপে খ্যাত। অতীতে নানা দেশে আরও অনেক বিপ্লব ঘটেছে। কিন্তু এসব বিপ্লব অধিকাংশ মানুষের ওপর মুষ্টিমেয়ের শোষণ-শাসন-নিপীড়নের অবসান ঘটায়নি। কেবল এসবের ধরন
-
প্রথম সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পাদনকারী দেশ—রাশিয়া পৃথিবীর মানুষের দীর্ঘ পথ চলার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। ১৯১৭ সালে যুগ যুগ ধরে শোষিত, বঞ্চিত, খেটে-খাওয়া মানুষ—রাশিয়ার শ্রমিক-কৃষকেরা ক্ষমতা দখল করে শোষণমুক্ত নতুন সমাজ—সমাজতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে অগ্রসর হওয়ার মধ্য দিয়ে পৃথিবীর নিপীড়িত মানুষের সামনে আলোকোজ্জল পথরেখা তুলে ধরেছে। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দেশ এশিয়া-ইউরোপের বিশাল অঞ্চল, সাবেক পরাক্রমশালী রুশ সাম্রাজ্য পরিণত হয় শ্রমিক-কৃষকের মুক্তির কাফেলার বিপ্লবী ভূমিতে। এই বিপ্লবী পথরেখা সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে।
সামন্তবাদ থেকে পুঁজিবাদ
পূর্ব শ্লাভদের প্রাচীনভূমি রাশিয়ার অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যের অন্যতম মস্কোভি রাজ্যের রাজাদের (জার) প্রচেষ্টায় কালক্রমে ঐক্যবদ্ধ হয়। এর মধ্য দিয়ে তাতারদের খবরদারি লোপ পায় এবং
-
২ লাখ ৩৭.৫ কিলোমিটার আয়তনের ইউরোপীয় এই দেশের লোক সংখ্যা ২ কোটি ২৪ লাখ (১৯৮২’র তথ্য)। হিটলারের ফ্যাসিস্ট বাহিনী উৎখাত হওয়ার পর ১৯৪৪ সাল থেকে দেশটি সমাজতন্ত্রের পথে অগ্রসর হতে শুরু করে।
প্রাচীন কথা
দানিয়ুবের তীরে রুমানিয়ায় প্রাচীনকালে দাস প্রভুদের রাজত্ব গড়ে উঠেছিল। দ্বিতীয় শতাব্দীতে রোম সাম্রাজ্যের অধীনে স্বাধীন একটি প্রদেশে পরিণত হয় দেশটি। বিভিন্ন সময়ে গোথ, হুন, জেপিড, এভারস, তাতার, হাঙ্গেরিয়ান প্রভৃতি শক্তির আক্রমণ ঘটে দেশটির ওপর। শ্লাভরা শরণার্থী হিসেবে এসে এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। চতুৰ্দ্দশ শতাব্দীতে বিদেশীদের বিতাড়ণ করে রুমানিয়ায় স্বাধীন সামন্তবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীন রুমানিয়ার ওপর এরপর নেমে আসে তুর্কী আক্রমণ। রুমানিয়রা তুর্কী আক্রমণ প্রতিহত
-
দীর্ঘ সংগ্রামের পতাকাবাহী বুলগেরিয়ার শ্রমজীবী মানুষ ১৯৪৪ সালে রাষ্ট্রক্ষমতা অধিকার করে। ১১০,১০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই বলকান দেশটিতে ১ কোটির কাছাকাছি সংখ্যক মানুষ বসবাস করে।
সংগ্রামের প্রাচীনকাল
সুদূর অতীত থেকে বুলগেরিয়ার মানুষ বিদেশী আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে এসেছে। বর্তমান বুলগেরিয়ানদের প্রাচীন পূর্বপুরুষ থেসিয়ানরা ছিল ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর মানুষ। খ্রী.পূ. ৫ম শতকের মধ্যেই তাদের কয়েকটি শক্ত রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। সে সময়ে প্রতিনিয়তই গ্রীস, রোমসহ বিভিন্ন বিদেশী শক্তির সাথে তাদেরকে সংগ্রামে লিপ্ত হতে হয়। খ্রী.পূ. ২য় শতাব্দীতে তারা রোমানদের অধীনে চলে যেতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে রোম সাম্রাজ্য দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেলে বুলগেরিয়া পূর্ব রোম তথা বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের অধীনস্থ হয়। দাস সমাজের ধারক রোম সাম্রাজ্যের
-
দুই কোটি ২৮ লাখ (১৯৮৩’র তথ্য) মানুষের দেশ যুগোশ্লাভিয়ার আয়তন ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮ শত ৪ বর্গ কিলোমিটার। দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের এই দেশটি ১৯৪৪ সালের শেষ দিকে ফ্যাসিস্টদের কবল থেকে মুক্তি লাভ করে। যুগোশ্লাভ জনগণের জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত সমাজতান্ত্রিক বিনির্মাণে পরিণতি লাভ করে। দীর্ঘদিন পর্যন্ত পরাধীন থাকার পর দেশটি দ্বিতীয় মহাসমর উত্তরকালে প্রকৃত স্বাধীনতা লাভ করেছিল।
যুগ যুগের পরাধীনতা
যুগোশ্লাভিয়ার প্রাচীন অধিবাসী ছিল ইলিরিয়ান ও কেল্টরা। আড্রিয়াটিক সাগরের তীরে বেশ কিছু গ্রীক এসেও উপনিবেশ স্থাপন করেছিল এক সময়ে। কিন্তু ইতিহাসের স্বাভাবিক নিয়মে কোন রাষ্ট্র গড়ে ওঠার আগেই খ্রীষ্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে রোমানরা এসে এই ভূখণ্ড দখল করে ইলিরিয়া নামে
-
আড্রিয়াটিক সাগরের তীরে ইউরোপীয় ক্ষুদ্র দেশ আলবেনিয়ার আয়তন ২৯ হাজার বর্গ কিলোমিটার। ২৫ লাখ ১১ হাজার (১৯৭৯’র তথ্য) মানুষের এই দেশটি ১৯৪৪ সালের নভেম্বর মাসে ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্তি লাভ করে সমাজতন্ত্রের পথে যাত্রা করে। দেশের অধিকাংশ মানুষ (৭০%) মুসলিম ধর্মাবলম্বী। বাকিদের ২০% অর্থোডক্স ও ১০% রোমান ক্যাথলিক। সুদূর অতীত থেকে দেশের মানুষ বিদেশী আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে এসেছে।
বিদেশী আধিপত্য
পর্বত ঘেরা, সাগর ধোয়া এই দেশটির সাথে ভৌগলিক কারণেই বাইরের যোগাযোগ খুব ক্ষীণ। দেশের প্রাচীন ইতিহাসও বাইরের দুনিয়ার কাছে অনেকটা রহস্যাবৃত। তবে ইউরোপের বিশেষত বলকান অঞ্চলের অন্যান্য দেশের ইতিহাসের সাথে সঙ্গতি রক্ষা করে একথা ধারণা করা হয় যে, আলবেনিয়ার
-
পূর্ব ইউরোপের প্রাচীন শ্লাভ দেশ পোল্যান্ডের আয়তন ৩ লাখ ১২.৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। সাড়ে তিন কোটি মানুষের দেশ পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের জানুয়ারীতে ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্তি লাভ করে সমাজতন্ত্রের পথে অগ্রসর হয়। বিদেশীদের দ্বারা অনেক-বার পদানত হওয়া সত্ত্বেও পোল্যান্ডের বীর জনতা সংগ্রামে অটল থেকেছে অতি প্রাচীন কাল থেকে।
প্রাচীন ইতিহাস
পশ্চিম শ্লাভনিক গোষ্ঠীর দেশ পোল্যাণ্ডে দশম শতকে সামন্ত প্রভুদের সহযোগিতায় ডিউকের শাসন তথা ঐক্যবদ্ধ রাজতান্ত্রিক শাসন চালু হয়। কৃষি কাজ ও পশুপালকের এই দেশটিতে দ্বাদশ শতক থেকে নগর নির্মাণ শুরু হয়। এই ঐক্যবদ্ধ রাজতান্ত্রিক শাসন ত্রয়োদশ-চতুদ্দশ শতকে অচল হয়ে তার স্থলে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজ্য গড়ে ওঠে। এই সময়ে
ক্যাটাগরি
লেখক
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.