-
ছোট্ট এই গল্পটা বলা কঠিন—এতই সাদাসিধে এটা। আমি যখন এক তরুণ বালক, গ্রীষ্মের আর বসন্তের রবিবারগুলোয় আমাদের রাস্তার বাচ্চাদের এক সঙ্গে জড়ো করতাম—আর তাদের নিয়ে যেতাম মাঠে মাঠে, বনবাদাড়ের মধ্যে। পাখীদের মতো প্রাণচঞ্চল এই ক্ষুদে মানুষগুলোর সঙ্গে আমি বন্ধুত্বের সম্পর্ক রেখে চলতে চাইতাম।
বাচ্চাগুলো শহরের ধুলোভরা গুমোট রাস্তাগুলো ছেড়ে যেতে খুশি হতো, তাদের মায়েরা তাদের সঙ্গে গোটা গোটা রুটিই দিয়ে দিতো, আমি মিষ্টি লজেন্স কিছু কিনে কাভাস (Kavass) এর একটা বোতলে জল ভরে নিতাম আর শহরের মধ্যে দিয়ে মাঠঘাট পেরিয়ে নিঃশঙ্ক বাচ্চা ভেড়াদের পিছু পিছু রাখালের মতো বসন্তের সাজে সাজা সুন্দর নরম সবুজ জঙ্গলের দিকে যেতাম।
আমরা শহর ছাড়তাম, সাধারণত
-
শরতের এক সন্ধ্যায় একবার খুবই অসুবিধাজনক আর অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিলাম। সদ্য এক শহরে পৌঁছে দেখি একেবারে কপর্দকহীন অবস্থা, মাথা গোঁজার একটা আস্তানা পর্যন্ত নেই, সেখানের একটা লোককেও চিনি না।
গোড়ার ক’দিন অতিরিক্ত জামাকাপড় যা কিছু সঙ্গে ছিল সব বিক্রি করে দিলাম; শহর ছেড়ে চলে গেলাম উসতাই-এর শহরতলিতে—পারঘাটগুলো সব সেখানেই।
নৌকো চলাচল মরসুমে কর্মব্যস্ততায় জায়গাটা সরগরম হয়ে থাকে—কিন্তু তখন একেবারে নিস্তব্ধ, জনমানব শূন্য—অক্টোবর মাস প্রায় শেষ হয় হয়।
ভেজা বালুর ওপর দিয়ে পা টেনে টেনে চলতে চলতে বালুর ওপরে লক্ষ্য রাখছিলাম, খাবারের ছিটেফোঁটাও যদি মেলে এই আশায়, খালি বাড়ি আর দোকান ঘরগুলোর মধ্যে দিয়ে ঘুরতে ঘুরতে ভাবছিলাম ভরাপেট কী রকম
-
যখন বৃষ্টি পড়ে (ইমেরেতিতে মার্চ-এপ্রিল মাসে বরাবরই বৃষ্টি হয়) আর রিয়োনির ঝোপগুলো থেকে বাতাস পীচ আর বুনো প্লাম ফুলের গন্ধ আনে, ছোট্ট ৎসাবুনিয়া তার মাকে জিজ্ঞাসা করে, “মা, তোমার চাদরটা কি আমি গায়ে দিতে পারি?”
“হ্যাঁ, বাছা।”
ৎসাবুনিয়া পুরোনো বাক্স থেকে ওটাকে টেনে বার করলো, পাখির পালকের মতো চাদরটা বাতাসে সাদা পায়রার মতো উড়তে লাগলো।
ৎসাবুনিয়া চাদর দিয়ে নিজেকে এমন আঁট সাঁট ভাবে জড়িয়ে নিলো যে শুধু তার মেছেতার দাগ ওয়ালা ছোট্ট নাকটি আর তার আগুনে সেঁকা লাল লাল পাগুলো দেখা যেতে লাগলো। বাচ্চা মেয়েটির জন্য তার বাপের গলোশগুলো (বৃষ্টি বাদল থেকে বাঁচাবার জন্য জুতোর ওপর পরবার একরকম জুতো) পাপোষের
-
জেসির কান্না পাচ্ছিল। টম-এর আসার অপেক্ষায় সে চালা-ঘরটার মধ্যে বসেছিল, তার জখমী পাটাকে একটু জিরান দেবার সুযোগ পেয়ে বেশ কৃতজ্ঞ বোধ করছিল, শান্তভাবে, উৎফুল্ল মনে সেই মুহূর্তটির প্রত্যাশায় উদগ্রীব হয়েছিল যখন টম বলবে, “হ্যাঁ হ্যাঁ, বটেই তো, জেসি, তুমি তোমার সুবিধা মতো যে কোনো সময় কাজে যোগ দিতে পারো!”
দু’সপ্তাহ ধরে সে নিজেকে ঠেলে নিয়ে এসেছে মিশৌরীর কানসাস সিটি থেকে ওকলাহামার টালসাতে, বৃষ্টিভরা রাত আর সপ্তাহব্যাপী নিদারুণ রৌদ্রদাহের মধ্য দিয়ে, নিদ্রাবিহীন অবস্থায় উপযুক্ত খাবার ছাড়াই শুধুমাত্র এই মুহূর্তটির কল্পনাই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আর তখনই টম এসে অফিসে ঢুকলো। হাতে তার এক বাণ্ডিল কাগজ নিয়ে সে চট করে এসে ঢুকলো; জেসির
-
[জনৈক রাশিয়ান বীর কিশোরীর মর্মস্পর্শী কাহিনী]
১৯৪১ সাল। ডিসেম্বর মাসের শুরু। জার্মানেরা পেট্রিশ্চেভ অঞ্চলের ভেরিয়া শহরের নিকট একজন সৈনিকের প্রাণদণ্ড দিলো। সে ছিলো একজন আঠারো বছরের তরুণী।
তরুণীটি কে? কোথেকে সে এসেছিলো? পেট্রিশ্চেভের এ শোকাবহ ঘটনা ঘটাবার আগে ভেরিয়ার একজন সৈনিকের সঙ্গে তরুণীর সাক্ষাৎ হয়েছিলো। সৈন্যদের দ্বারা তৈরী একটি পরিখার ভেতর গোপনে তারা আশ্রয় নিয়েছিলো। তরুণী তার নাম বলেছিলো তানিয়া। তারপরে আর স্থানীয় সৈনিকেরা কেউ তাকে দেখতে পায়নি। কিন্তু তারা জানতো, বেশী দূরে নয়, কাছাকাছি কোথাও দুঃসাহাসী এবং সুকৌশলী মেয়ে তানিয়া তাদের মতো সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
সে সময়ে মস্কো নগরীর চরমতম দুর্দিন ঘনিয়ে এসেছে।
১৬ই নভেম্বর আমাদের রাজধানীতে যে আক্রমণ
-
আমরা তখন শহুরে লোক হয়ে গিয়েছিলাম। ত্রিনিদাদের লোকসংখ্যা পুরোপুরি পাঁচ হাজার হলেও দাবি করা হতো দশ হাজার বলে। ওখানে একটা গ্রেড স্কুল বাড়ি ছিল আর নদীর ওপারে পাহাড়ের ওপরের গাছগুলোর মধ্যে দিয়ে একটা হাইস্কুল বাড়ি মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল। হাইস্কুল আর ধনদৌলত মনে হতো একই সঙ্গে চলে। সে যাই হোক, আমরা যারা রেল লাইনের ওধারে থাকতাম, তারা জানতাম আমরা কখনোই হাইস্কুলে যাবার কথা কল্পনাও করতে পারবো না।
গ্রেড স্কুলের বাড়িটা শহরের অপর পাশে ছিল, পুরনো ঐতিহাসিক সানটা ফে ট্রেল (Santa Fe Trail) যেটা দিয়ে প্রথমে ইন্ডিয়ানরা, পরে প্রাচীন স্প্যানিয়ার্ডরা, আরও পরে মহান দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের যাত্রী শ্বেত প্রবর্তকরা পর্যটন করেছিল, ঠিকই
-
“ঠাকুমা! বলি ও ঠাকুমা!”
আনিসিয়া চোখ তুলে তাকালো। বেড়ার ও ধার থেকে নাতালকা তাকে ডাকছে।
“কি হলো?”
“এক মিনিটের জন্যে একটু ভেতরে আসতে পারি কি?”
“তোমার ভেতরে আসতে না পারার কোনো কারণ তো দেখছি না। আসতে চাও তো এসো!” আনিসিয়া অস্পষ্টভাবে বিড় বিড় করে তাব স্বভাবসিদ্ধ রুক্ষতার সঙ্গে বললো।
আঃ, রৌদ্রটা আজ কি চমৎকার গরম! অবশেষে তার আড়ষ্ট বেদনা জর্জরিত হাড় পাঁজরাগুলো একটু উত্তাপ পাবে। জুলাইয়ের মঙ্গলময় করুণাময় সূর্য! শুধু যদি বৃষ্টি না পড়ে আর। শুধুমাত্র তার সম্ভাবনার কথাতেই আগের থেকেই তার দুশ্চিন্তা আরম্ভ হয়ে গেলো। বৃষ্টি—না, তার থেকে খারাপ আর কিছু নেই। সে সময় তার প্রত্যেকটি হাড়-পাঁজরা ব্যথা করে,
-
হোঁচট খেতে খেতে, টলতে টলতে বুড়ো লোকটি বালির রাস্তায় বেয়ে উঠছিল। সরু সরু আগাছা আর ঝোপে ঢাকা নিচু একটা টিলার গা বেয়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে রাস্তাটা।
কাছে পিঠের শহরতলি থেকে কাজের শেষে ফেরার মুখে মেরি তাকে পার হয়ে এলো। পিছন থেকে বুড়ো লোকটির ডাকে মেরি থমকে দাঁড়ালো, সে কোন রকমে টলতে টলতে মেরির দিকে এগিয়ে এলো। ছেঁড়া জুতোর ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে থাকা, রাঙাধুলোর পুরু প্রলেপ মাখা ফাটা ফাটা আঙুলগুলো মেরিকে বলে দিলো লোকটি আসছে বহু দূর থেকে।
“এন’ গুলা!” লোকটি চেঁচিয়ে উঠলো। “হ্যাঁ গো মা, ‘নেটিভ ক্যাম্পে (আদিবাসী শিবির) এন’ গুলা বলে কোনো মেয়ে আছে কিনা জানো?”
“কস্মিন কালে
-
অনুবাদ: রজত চৌধুরী
এটা-তো প্রমাণই হ'যে গেছে যে আমবা ভাবতীযবা কথায-কথায কাবণে-অকারণে হ্যাঙামা বাধাতে ওস্তাদ। একটুতেই মারপিট লেগে যেতে কোনো দেরি হয় না—এমনকী নিতান্ত তৃচ্ছকাবণেই লাঠালাঠি বেধে যেতে পাবে। মসজিদেব সামনে দিয়ে ঢাকঢোল বাজিযে গেছে কাফেববা, ফলে, সাচ্চা মুসলমান, ওদেব ধ'বে তুমি ঠ্যাঙাও। মন্দিবের সামনে দিয়ে গেছে বুক চাপড়াতে-চাপডাতে মহবমেব তাজিযা, শোকমিছিল, ব্বাস, দেবদ্বিজে ভক্তিমান হিন্দু, স্নেচ্ছদেব ধ'বে মাবো। আসলে আমবা আদপেই ভেবে-চিন্তে কাজ কবি না, সে আমাদেব ধাতেই নেই, চট ক'বেই আমাদের মাথায় খুন চ'ডে যায।
পিপুল গাছের একটা ডাল বড়ো বাস্তাব ওপব নূষে প'ডে ছিলো, সে-পথ দিয়ে যাচ্ছিলো মুসলমানদেব এক মিছিল, তাবা কেন পিপুলের ডালেব কাছে মাথা নোযাবে।
-
অনুবাদ: অজয় গুপ্ত
বাচ্চাদের মধ্যে যারা প্রথমে সাগরের ওপর দিয়ে কালো ফুলে ওঠা জিনিসটাকে ধীরে-ধীরে ভেসে আসতে দেখেছিলো, ভেবেছিলো বুঝি শত্রুপক্ষের কোনো জাহাজ। পরে তারা দেখতে পেলো ওর কোনো নিশান বা মাস্তুল নেই, তখন তারা ভাবলো ওটা তিমিমাছ। কিন্তু জিনিসটা যখন ঢেউয়ের দোলায় কূলে এসে পড়লো, তারা সামুদ্রিক আগাছার ঝাড়, জেলিফিশের, মাছের আর সমুদ্রে ভেসেবেড়ানো জিনিসের টুকিটাকি তার গা থেকে সরিয়ে ফেললো, আর তখনই কেবল তারা দেখতে পেলো, ওটা একজন ডুবে-যাওয়া মানুষ।
সারাটা বিকেল তারা তার সঙ্গে খেলা করলো, বালির নিচে তাকে কবর দিলো, কবর খুঁড়ে আবার তাকে তুললো, সেইসময় কেউ একজন হঠাৎ তাদের দেখে ফেললো আর খবরটা গাঁয়ে রটিয়ে
-
“It is very unfair, we will not study under a new teacher,” the boys said.
The new teacher, who is arriving, has the name Kalikumar Tarkalankar. Even though the boys had not seen him yet, they had nicknamed the teacher as “Black pumpkin fresh chilli”, a ridiculous translation of the teacher’s name.
The vacations had ended and the boys were returning back to school from their homes in a train. Among them was a jolly fellow who had composed a poem entitled “The black pumpkin’s sacrifice” and the boys were reciting the poem at the top of their voice. Just
-
Kantichandra was young; yet after his wife’s death he sought no second partner, and gave his mind to the hunting of beasts and birds. His body was long and slender, hard and agile; his sight keen; his aim unerring. He dressed like a countryman, and took with him Hira Singh the wrestler, Chakkanlal, Khan Saheb the musician, Mian Saheb, and many others. He had no lack of idle followers.
In the month of Agrahayan Kanti had gone out shooting near the swamp of Nydighi with a few sporting companions. They were in boats, and an army of servants, in boats
উৎস
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- প্রক্রিয়াধীন
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- মানুষের জন্ম
- রাঙা পাল
- উক্রাইনীয় উপকথা
- তাজিক লোককাহিনী
- ইউক্রেনের লোককথা
- সোনার পেয়ালা
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- কথা পাঞ্জাব
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- গ্রহান্তরের আগন্তুক
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- কাজাখ লোককাহিনী
- রূপের ডালি খেলা
- পরিচয়
- ফুলকি ও ফুল
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- তানিয়া
- ডিকেন্স্-এর গল্প
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- ভাবনা সমবায়
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
লেখক
- অমৃত রাই (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার কাজানসেভ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- এম এন রায় (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- কৃষণ চন্দর (৯)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চার্লস ডিকেন্স (৩)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তৈমুর রহমান (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭১)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (২)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শেখর বসু (১)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হাফেজ শিরাজি (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.