-
যদি আপনার হাতে সময় থাকে আর মনে বাসনা থাকে তবে চলুন, সিন্ধসভ্যতার যুগে অর্থাৎ মোহেনজোদারো আর হরপ্পার যুগে এক চক্কর বেরিয়ে আসা যাক। যারা কিছু কিছু পড়াশোনা করেন, তাঁরা হয়তো বলবেন, এই বিষয়টা নিয়ে তো ইংরাজী আর বাংলায় যথেষ্ট লেখালেখি হয়ে গিয়েছে, আর কত? সেই একই পুরানো কাসুন্দি আর বেশী ঘেঁটে কি হবে? কিন্তু আমার কি মনে হয় জানেন, কাসুন্দিটা আরও একটু ভালো করে ঘাঁটা দরকার। এই নিয়ে অনেক কিছু জানবার ও চিন্তা করবার রয়েছে। এটা স্মরণ রাখতে হবে, আমাদের এই উপমহাদেশের সভ্যতার ইতিহাস সম্পর্কে যে প্রচলিত ধারণা চলে আসছিল, সিন্ধু-সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের আবিষ্কারের ফলে তার মধ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসে গেছে।
-
সাত সমুদ্র তের নদী পাড়ি দিয়ে বিদেশী সওদাগরের বাণিজ্য তরী বাবেরু রাজ্যের ঘাটে এসে ভিড়ল। বিদেশী সওদাগরের তরী ঘাটে এসেছে, এই খবর শুনতে পেলে নগরে সাড়া পড়ে যায়। ছেলে বুড়ো কৌতূহলী হয়ে দেখতে ছুটে আসে। আজও তাই হয়েছে-ঘাটে ভিড় জমে গেছে। সওদাগরের অনুচরেরা উপস্থিত নগরবাসীদের উদ্দেশ্য করে বিচিত্র সুরে আর বিচিত্র ভঙ্গিতে তাদের নানাবিধ পণ্যের গুণাগুণের বিজ্ঞাপন দিয়ে চলেছে। লোকের মন কেমন করে আকর্ষণ করতে হয়, সে সব কায়দা-কানুন এরা ভালো করেই জানে। এদের এই বিজ্ঞাপনের ভাষা আর ভঙ্গি বাচ্চাদের কাছে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। বড়রা আসে সাগরের উপরের নানা দেশের নানা রকম জিনিস দেখে চোখের সাধ মিটাতে, মাল নিয়ে দরাদরি
-
যেখানে সমাজবদ্ধ জীবন, সেখানে সমাজ পরিচালনার জন্য কতগুলি আইন-কানুন বিধি-বিধান প্রচলিত থাকে। নিয়ম শৃংখলা ছাড়া সমাজ টিকে থাকতে পারে না, নিয়ম-শৃংখলা ছাড়া সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না। শুধু কি মানুষ? পশুপাখী থেকে কীট-পতঙ্গ-জীবাণু পর্যন্ত যারা দলবদ্ধভাবে জীবন-যাপন করো তাদের সকলের পক্ষেই এ কথা সত্য।
অতীতের প্রাচীন সভ্য জাতিগুলির কোনো কোনোটির মধ্যে প্রচলিত আইনকানুনগুলির লিখিত সংকলন ছিল। কিন্তু সবার মধ্যে ছিল না। থাকলেও তা আমাদের হস্তগত হয়নি। এই সংকলিত আইনকানুনগুলিকে আমরা সংহিতা (Code) নামে অ্যাখ্যা দেব। আমাদের মোহেনজোদারো, হরপ্পা ও প্রাচীন চীনে কি ধরনের আইনকানুন প্রচলিত ছিল, সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। মিসর সম্পর্কে পরবর্তী যুগের গ্রীক লেখকরা জানাচ্ছেন যে,
-
‘প্রাচীন যুগের’ আদালতের ইতিহাসের কথা বলতে চলেছি, কিন্তু আপনাদের মনে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নটাই জাগা উচিত, এই ‘প্রাচীন যুগ’ বলতে কোন যুগটাকে বোঝায়? কথাটা এভাবে বললে ঠিক হয়, সভ্যতার প্রাথমিক যুগের আদালত। শিরোনামটা যেমন আছে তেমনি থাক, আপনারা এই অর্থেই বুঝে নেবেন। তা হলেই হবে।
কতকাল আগেকার কথা বলা হচ্ছে? মোটামুটি ধরে নিন খ্রিষ্টপূর্ব তিন সহস্রাব্দ (খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০) থেকে দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মাঝামাঝি (খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০) কাল পর্যন্ত। এই প্রসঙ্গে মিসর, সুমেরীয়া, ব্যাবিলন এই কটি দেশ এবং হিট্টীয় ও ইহুদী জাতির মধ্যে কি ধরনের আদালত ব্যবস্থা ছিল? এই সম্পর্কে যে সমস্ত দলিলপত্র পাওয়া গেছে, তা থেকে যা বলার বলবো। তার বেশী আর কেমন
-
গিলগামেশ কাব্য, বাবিলের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং সুন্দর কবিতা পৃথিবীর বিখ্যাত সাহিত্য-কীর্তিগুলোর মধ্যে এক বিশেষ স্থান পেয়েছে। গিলগামেশ কাব্য পৃথিবীর প্রাচীনতম বীরগাঁথা, যাকে ব্যাবিলনীয় অডিসি আখ্যা দিলে ভুলে হবে না। কাব্যের নায়ক গিলগামেশ অডিসিউস আর হেরাক্লিসের মতোই কীর্তিধর বীর। যদিও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের গবেষণার জন্য পুরাকাহিনি সমৃদ্ধ, গিলগামেশ কাব্যে মানুষের গভীরতম আবেগ এবং যন্ত্রণার ছবি আমরা দেখতে পাব। মানুষের সার্বজনীন আশা-নিরাশার সমস্যা গিলগামেশ কাব্য যেভাবে স্থাপন এবং আলোচনা করেছে, তা যে কোনো আধুনিক মানুষের হৃদয় স্পর্শ করবে। এই চিরন্তর আবেদনের জন্যেই গিলগামেশ কাব্য চিরকাল মানুষকে আনন্দ দিয়ে আসবে।
গিলগামেশ কাব্য হেনরী লেয়ার্ড আসূরবানিপালের বিখ্যাত গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন। এটা আসূরবানিপালের সময়ই অর্থাৎ
-
প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ইতিহাসে সে নামটি সবচেয়ে বিখ্যাত হয়ে আছে সেটি হচ্ছে হাম্বুরাব্বি। ব্যাবিলনের এই বিখ্যাত নৃপতির নাম তাঁর একটি বিশেষ কীর্তির জন্য মানব সভ্যতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। এই অনুপম কীর্তিটি হচ্ছে হাম্মুরাব্বি প্রণীত আইনসংহিতা। সভ্যতার ইতিহাসে হাম্মুরাব্বির আইনসংহিতা প্রথম সুসংবদ্ধ বিধানমালা। হাম্মুরাব্বির রাজত্বকাল হচ্ছে খ্রিষ্টপুর্ব ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ সাল। এই দীর্ঘ বিয়াল্লিশ বছর হাম্মুরাব্বি অত্যন্ত পারদর্শিতার সঙ্গে এক বিশাল ভূখণ্ড শাসন করেন। তাঁর এই নির্বিঘ্ন শাসন তাকে পৃথিবীর ইতিহাসে একজন অন্যতম সার্থক নৃপতি হিসেবে স্থান দিয়েছে। তার সিংহাসনারোহণের সময় প্রাচীন মেসোপটেমিয়া খণ্ড খণ্ড রাজত্বে বিভক্ত ছিল। হাম্মুরাব্বি তাঁর প্রতিবেশী রাজ্যগুলো যুদ্ধবিগ্রহের মাধ্যমে তাঁর কর্তৃত্বাধীনে আনেন এবং সমগ্র মেসোপটেমিয়ার এক
-
মেসোপটেমিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান মূলতঃ এসেছে আসূরবানিপালের গ্রন্থাগার থেকে। আসিরীয়ার দ্বিগ¦ীজয়ী সম্রাট আসূরবানিপালের গ্রন্থাগার ইংরেজ পুরাতত্ত্ববিদ হেনরী লেয়ার্ড ১৮৫০ খৃষ্টাব্দে প্রাচীন নিনেভা শহরের ধ্বংসস্তূপ খনন কাজ চালানোর সময় খুঁড়ে বের করেন।
পৃথিবীর এই প্রাচীনতম গ্রন্থাগারের জন্য আমরা প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সম্বন্ধে এতোকিছু জানতে পেরেছি। গ্রন্থাগারটি হচ্ছে খৃষ্টপূর্ব ৬৬৮ অব্দের। এই সময় থেকে আরো দেড় হাজার বছর আগের মৃৎফলক গ্রন্থাগারে পাওয়া গেছে। রাজা আসূরবানিপাল যেমন নিষ্ঠুর তেমনই বিদগ্ধ ছিলেন। তাঁর সাম্রাজ্যের মধ্যে যত লিখিত বস্তু অর্থাৎ মৃৎফলক ছিল তা যতই প্রাচীন হোক না কেনো সেগুলো তিনি তাঁর গ্রন্থাগারে আনিয়ে ছিলেন। ফলশ্রুতি হিসাবে আমরা পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা সুমের থেকে শুরু করে
-
সুদূর মহাকাশে আছেন,
দেবতা ভয়ঙ্কর
মানুষের সামাজিক সত্তা বা অস্তিত্ব নির্ধারিত করে তার চেতনাকে। আর এই চেতনায় ধরা পড়ে সামাজিক অস্তিত্বের রূপ, সেটা হচ্ছে—বাস্তব জগত। মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি খুব উন্নত, সেজন্য তার মনের আয়নায় প্রতিফলিত বাস্তব-বিশ্বের ছবি সে রঙীন করে আঁকতে পারে। সে তার চিন্তাকে নানা অলঙ্কারে সাজায়, রূপ দেয় সুন্দর কাহিনিতে। কিন্তু এসবের ভেতরে রয়ে যায় সেই মূল জিনিসটি, যে উৎস থেকে সব কল্পকাহিনির উদ্ভব... বাস্তব পৃথিবী। কাহিনি যত জটিল আর বর্ণাঢ্যই হোক না কেনো, তার একেবারে ভেতরের মূল ব্যাপারটা কিন্তু ঠিকই থেকে যায়, হয়ত নীচে তলিয়ে থাকে। এই কল্পকাহিনি আর রূপক মানুষের সমৃদ্ধ মনীষার ফসল সমাজে মানুষের তৈরী অন্যান্য
-
প্রাচীন পৃথিবীর সনাতন বিশ্বাস অনুসারে মানুষ ভাবত যে পৃথিবীর সবকিছুই পরিচালিত হয় এক ধরনের অপার্থিব সত্ত্বা দ্বারা। তাদের বলা হয়ে থাকে দেবতা এবং তাদের বাস আকাশে। তারা বিশ্বের প্রতিটি জীবজন্তু, মানুষ—এমনকি প্রেম, ভালোবাসা, যুদ্ধ, সংঘাত ইত্যাদি সবকিছুকেই নিয়ন্ত্রন করেন। যদি তারা আমাদের ওপর খুশি থাকে, তাহলে আমরা পাই পর্যাপ্ত খাদ্য, পশু ও সম্পদ। আর যদি তারা আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে আমাদের ওপর নেমে আসে বন্যা, খরা, দুর্ভিক্ষ, মহামারী, ভূমিকম্প ইত্যাদি দুর্বিপাক। আর তাই স্তোত্র ও উৎসর্গের বিনিময়ে দেবতাদের তুষ্ট রাখতে সর্বদা নিয়োজিত থাকত যাজক ও পুরোহিতদের বিশাল এক বাহিনী।
কিন্তু আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র নয় মাস। নয় মাসের এই যুদ্ধে বাঙালি জাতিকে চরমতম ত্যাগ, দুঃখ, দুর্দশা ও নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। এই নয় মাসে বাংলাদেশে যে গণহত্যাযজ্ঞ ও নারী নির্যাতন হয়েছে স্মরণকালের ইতিহাসে তার নজির নেই। এর পাশাপাশি পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকেও স্বীকার করতে হয়েছে চরম পরাজয়। পর্যাপ্ত রসদ ও অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানী সৈন্য এবং তাদের এদেশীয় দোসরদের আত্মসমর্পণের ভেতর দিয়ে অর্জিত হয়েছে এক অভূতপূর্ব বিজয়, বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের, জাতি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিচিতি অর্জন করেছে বাঙালি।
'৭১-এর ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র নয় মাস স্থায়ী এই মুক্তিযুদ্ধে এত দ্রুত
-
[১৯৮০ সালে প্রেস ক্লাবের বাৎসরিক সংখ্যায় প্রকাশিত এই লেখাটি প্রয়াত অজিত চক্রবর্তীর। তিনি প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সম্পাদক এবং যুগান্তর পত্রিকার বর্ষীয়ান সাংবাদিক ছিলেন। অজিত চক্রবর্তী দীর্ঘকাল যুগান্তর পত্রিকার ডেপুটি চিহ্ন রিপোর্টারের দায়িত্ব সামলেছেন।]
১৬ এপ্রিল, ১৯৭১।
ঐ দিনটি এবং তারপরের দিনটি কলকাতা প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লিখে রাখার মতো। আমি তখন ক্লাবে সেক্রেটারী। এখন প্রকাশ করা যেতে পারে যে যোগাযোগ ঘটিয়েছিলেন সমর বসু। সমর আমার সহপাঠী, অনেক দিনের বন্ধু। তখন বিএসএফ-এর পিআরও। ঐ যোগাযোগের উপর নির্ভর করেই বিকেল পাঁচটায় প্রেস ক্লাবে একটা প্রেস কনফারেন্স ডেকে দিলুম। লিখিত নয়, মুখে মুখে সকলকে আমন্ত্রণ জানান হল। এখনও সেদিনটির কথা মনে আছে।
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
'অ্যাটলাস' থেকে আমি নেমে যাবার পরে সেটা স্থান বদল করে পুনরায় নোঙর ফেলে ডুবে থাকা জাহাজের উপরে অবস্থান নিল।
'সোনার তরী'র সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করার জন্য সেটার দৈর্ঘ্য বরাবর সামনের ও পিছনের দুই প্রান্তে ভাসমান সংকেত বসানো হল। জাহাজের স্থান বদলের সময় সেগুলো তার সাথে সাথে নড়াচড়া করেছিল। সবকিছু প্রস্তুত করে লক্ষ্যবস্তুর উপর ডুবুরী নামানো হল। অ্যাটলাসের ইঞ্জিন ও প্রপেলার পরীক্ষা করে কোনো ক্ষয়ক্ষতি পাওয়া যায় নি। ডুবন্ত 'সোনার তরী'র খোলের ভিতরকার স্থানগুলোতে কিছুটা পলিমাটি ভরে থাকলেও, কোনো মালামাল ছিল না। 'অ্যাটলাসের' অবস্থান ছিল মাঝনদী থেকে কিছুটা বাঁয়ে।
জন্নোতিন্ মানচিত্র নিয়ে আমার কাছে চলে এলেন।
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- মূল্যায়ন
- যুগবাণী
- কে আমি?
- পরিচয়
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শহরের ইতিকথা
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- বনে পাহাড়ে
- সুকান্তসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- বিজ্ঞানচেতনা
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- লেখকদের প্রেম
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বিজ্ঞান পাঠ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৮)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৩৭)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৭)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৯)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২১)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৬)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৫)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মফিদুল হক (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৭)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৮)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.