-
১৯৫০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাঁওতাল অধ্যূষিত এলাকা নাচোলে যে রক্তক্ষয়ী কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় তাঁর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্রবধূ বিপ্লবের অগ্নিকন্যা ইলা মিত্র (১৯২৫-২০০২)। এলাকায় তিনি পরিচিতা ছিলেন ‘বধূমাতা’ হিসেবে। ১৯৪৫ সালে রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্র কমিউনিস্ট কর্মী রমেন মিত্রর সঙ্গে বিয়ে হয়। এবং এক সময় তিনি নিজে স্বামীর মত ও পথের সহযাত্রী হন। প্রথম রামচন্দ্রপুরে স্থাপন বালিকা বিদ্যালয়। তারপর আর থেমে নেই। ১৯৪৬ সালে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা প্রতিহত করতে এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। সে বছর বাগেরহাটের মৌভোগে যে ঐতিহাসিক বঙ্গীয় কৃষাণ সভার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় চির অবহেলিত কৃষকদের তে-ভাগা আন্দোলনের। সে আন্দোলনের নেতৃত্বদান করেন ইলা মিত্র।
-
প্রাণিজগতের বিবর্তনে প্রথমে ছিল উভলিঙ্গ প্রাণী। বহু এক কোষী প্রাণী এখনো আছে যাদের মধ্যে যৌন পার্থক্যের প্রশ্ন অবান্তর এবং তারা এককভাবেই নিজেকে পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে (কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দ্রষ্টব্য) আপন বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম।
কিন্তু প্রাণের বিবর্তনের অপেক্ষাকৃত উন্নত স্তরে আমরা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে ক্রমেই দুই ধরনের প্রাণিসত্তার সাক্ষাত পাই: মেয়ে প্রাণী এবং ছেলে প্রাণী। তবে এ পরিবর্তনও খুব ধীরে ধীরে হয়েছে। অনেক সময় এখনো নিচু স্তরের প্রাণীর ক্ষেত্রে তাদের বাইরে থেকে দেখে ছেলে-মেয়েতে পৃথক করা যায় না। যেমন সেদিন আমার বাসায় ‘বোগানভালিয়া’ চারা এনে লাগিয়ে অনেকদিন পরে টের পাওয়া গেল যে গাছটি ছেলে গাছ এবং ফুল ফোটাতে অক্ষম। বাইরে থেকে
-
‘অন্তুকে খুঁজতে বারান্দার দিকে গেলাম, বেশ ঠান্ডা পড়ে গেছে এখন আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসে। বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে ওর জ্বর এসে যাবে। এখন মা হিসেবে রোজই ছেলের সঙ্গে লুকোচুরি খেলতে হয়। দেখতে দেখতে বছরগুলো কীভাবে পার হয়ে গেল। আমার আর রাকিবের বিয়ের পাঁচ বছর হতে চলল। আমাদের পরিচয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই। আমরা ছিলাম ক্লাসমেট। বুয়েট থেকে আমরা একসঙ্গেই স্নাতক সম্পন্ন করি। বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা ও একই গ্রুপে থিসিস করতে গিয়ে আমাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। বন্ধু হিসেবে নানা সৃজনশীল কাজের সঙ্গেও সে সময় যুক্ত হই। আমরা বুয়েটে পড়ার সময় বিভিন্ন প্রদর্শনী, বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকাও প্রকাশ করেছি। ধীরে ধীরে আমি অনুভব করি যে রাকিব আমার বেস্ট
-
জীবনের এক বিশেষ অধ্যায় বিয়ে। এর মধ্য দিয়ে নতুন এক অনিশ্চিত, অজানা যাত্রা শুরু হয়। তাই মনে যেমন ভীতি কাজ করে, তেমনি নতুন কিছু পাওয়ার স্বপ্ন জোগায় এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক হলে, যে মানুষটির সাথে সারা জীবন কাটাতে যাচ্ছে, তাকে চেনার সুযোগ আসে বিয়ের পর। প্রেমের বিয়ের ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গীকে কিছুটা হলেও আগে থেকে জানার সুযোগ হয়। বিয়ের আগে ও পরের জীবন সম্পর্কে জানতে কথা হচ্ছিল কয়েকজন দম্পতির সাথে।
নীলা ও তন্ময়ের বিয়ের এক বছর হতে চলল। নীলা বলল, বিয়ের বছর দুয়েক আগে থেকেই সে চিনত তন্ময়কে। শিশুদের জন্য পত্রিকা প্রকাশের কাজের সূত্রেই তাদের পরিচয়। দুজনের পছন্দ ও শখ
-
‘ওহ, বহুকাল অপেক্ষার পর আমরা তিন দিনের ছুটিতে সিলেটের উদ্দেশে রওনা দিলাম। তবু কেন যেন মনে হচ্ছে আমাদের মধ্যে কোনো আনন্দ নেই। দূরত্ব যেন দিন দিন বেড়েই চলছে। আমরা দুজনই চাকরিজীবী। আমি প্রাইভেট ব্যাংকে আর ও সাংবাদিক। আমাদের সারা দিনে কথা বলার সময় কয়েক ঘণ্টা, তা-ও খাবার সময়ই। অফিস থেকে ফিরতে আমাদের আটটা কি নয়টা বেজে যায়। কখনও ওর রাতেও ডিউটি থাকে, তখন সে সময়টিও নেই। আমার চাপাচাপিতেই এই বেড়ানো। আমি ছুটি পেলেও ওর ছুটি পাওয়া কঠিন ছিল। এখন বেড়াতে গিয়েও একটু পরপর অফিস থেকে আমার ফোন অথবা ওর ফোন আসছে। ইচ্ছা করছে ফোনটা ছুঁড়ে ফেলে দিই। সাথে ল্যাপটপও আছে
-
‘দরজায় বেলের শব্দ শুনে ছুটে গেলাম। বেশ রাত হয়ে গেছে, কিন্তু এখনো ও আসেনি। খুব চিন্তা লাগছিল। দরজা খুলেই অবাক হয়ে গেলাম। দেখি একটা বড় ফুলের তোড়া আর শাড়ি হাতে ও দাঁড়িয়ে আছে, সঙ্গে আমার দেবর-ননদরাও। আমাকে অবাক করার জন্যই এই ব্যবস্থা। আজকে আমাদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী। রাত বারোটায় ফুল পেয়ে যে কী ভালো লাগছিল, বলে বোঝাতে পারব না। বিয়ের আগের দিনগুলো ছিল আমার জন্য খুব কঠিন। পারিবারিক প্রয়োজন থেকেই পড়াশোনা শেষ করে চাকরি শুরু করি। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পেতে পেতেই যথেষ্ট সময় হয়ে গেছে। ব্যাংকের চাকরিতে ঢুকে মনে হয়েছে আমার এগিয়ে যেতে হলে আরও পড়তে হবে, এমবিএ করা খুব
-
রাতে বারান্দায় বসে কাঁদছে লিজা। এখন প্রায় শেষ রাত, সকাল হয়ে যাবে তবু মনে হয় ওর কান্না থামবে না। রাতে খাবার সময় তার বাবা বলেছে, দেখলাম তোমার পরীক্ষায় ফলাফল সে রকম ভালো হচ্ছে না। প্রথম-দ্বিতীয় না হলে চলবে না, তাই ভেবেছি এ বছর তুমি আবার ক্লাস সেভেনেই থাকবে। লিজা এবার তৃতীয় হয়েছে। কিন্তু বাবার এক কথা, প্রথম হতেই হবে। ওর বন্ধুরা সব ওপরের ক্লাসে চলে যাবে, আর একই স্কুলে একই ক্লাসে ওকে থাকতে হবে, ভাবলেই কান্না পাচ্ছে। বাসায় তার মায়ের বা তার মতামত বলে কিছু নেই। বাবা যা বলেন তা-ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, এ নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন হবে না। এমন
-
জীবন হচ্ছে ভাঙাগড়ার খেলা। কখনও একইভাবে চলে না। বিয়ের পর সারা জীবন একসঙ্গে চলার স্বপ্ন নিয়ে যে যাত্রা শুরু, নানা রঙের খেলায় মাঝপথেই আসতে পারে তার সমাপ্তি। কিন্তু প্রচলিত সামাজিক ধারা অনুযায়ী কোনো বিয়ে টিকে না থাকার পেছনে আজও দায়ী করা হয় নারীকেই। একজন নিঃসঙ্গ নারীর জীবনধারণ সমাজে হয়ে ওঠে কঠিন থেকে কঠিনতর। তাই এখনও বহু নারী প্রতি মুহূর্তে তিলে তিলে মরেও তার স্বামীর সঙ্গে জীবন চালিয়ে নেওয়াকেই সহজ পথ মনে করে, ডিভোর্স দিয়ে একাকী জীবন নির্বাহের চেয়ে। একজন একাকী নারীর কাছে তার মা-বাবার বাড়িই প্রথম আশ্রয়স্থল। কিন্তু সামাজিক ও পারিবারিক-মানসিক চাপের কারণে একজন নিঃসঙ্গ নারীর নিজ বাড়িতে জীবনধারণও হয়ে
-
হঠাৎ চিৎকার দিয়ে সুমির ঘুম ভেঙে যায়। স্বপ্নে সুমি দেখেছে এক মরুভূমিতে সে হারিয়ে গেছে। হাঁটছে আর হাঁটছে, কিন্তু ফেরার কোনো পথই খুঁজে পাচ্ছে না। তার স্বামী অস্ট্রেলিয়ায় থাকে। পরদিন সে আবার অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাবে। সুমির বিয়ে হয়েছে দুই মাস। অচেনা ঘরে ঘুম থেকে উঠেই তার মন খারাপ হয়ে যায়। তার মনে হচ্ছে এ কোন ভুবনে সে এসে পড়েছে! বিয়ের পর বাবার বাসায় গিয়েছে, তবে খুব কম। ওদের বিয়ে পারিবারিকভাবেই ঠিক করা। শ্বশুরবাড়ির অচেনা অনভ্যস্ত পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে সময় লাগে। এই নতুন জায়গায় তাকে স্বামীবিহীন একাই দিন কাটাতে হবে, যত দিন না ভিসা হয়। অনার্স, মাস্টার্স পরীক্ষাকেও এমন কঠিন
-
‘খুব অস্বস্তির সঙ্গে এক ডেস্ক থেকে আরেক ডেস্কের সামনে যাচ্ছি আর ব্যাংকের ম্যানেজার আমাকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। সব সময়ই নিজেকে এ জায়গায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত অতিথি হিসেবে অনুভব করছি। মনের মধ্যে এক অস্বাভাবিক জড়তা তৈরি হচ্ছে। নতুন শাখায় নতুন লোকদের মাঝে এক ধরনের ভীতিই অনুভব করছি।’ এভাবেই ব্যাংককর্মী নিপা (ছদ্মনাম) বদলি হয়ে নতুন শাখায় যোগ দেওয়ার সময়ের মনের অবস্থার কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, ‘ব্যাংকের চাকরিজীবনে অনেক জেলার নানা শাখায় বদলি হয়েছি। এক জায়গায় দুই কি তিন বছরের বেশি কখনও থাকিনি। একটি শাখার সবাইকে বুঝে, চিনে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার পরই বদলি হতে হয় অন্য শাখায়, এটাই নিয়ম আমাদের ব্যাংকের। অবাকভাবে
-
বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতার যুগ। এই যুগে টিকে থাকতে হলে শুধু পুঁথিগত জ্ঞানই যথেষ্ট নয়। জীবনে প্রতি মুহূর্তে আমাদের বাধার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ভালো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে চাকরিজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বহু পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষায় লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের মধ্যে দিয়ে প্রথম শতজনের মধ্যে স্থান করে নিতে পারলে তবেই একটা চাকরি পাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে। অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেও অনেকে বেকার ঘরে বসে রয়েছে, চাকরি নেই। দিন দিন এই প্রতিযোগিতা আরও বাড়ছে।
নারীদের জন্য সুযোগ কম—এই অজুহাতে বসে না থেকে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ইন্টারনেটের সাহায্য নিয়ে
-
‘সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই বুকটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। এক বছর ধরে এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছি, নিজের মনকে প্রস্তুত করেছি, তারপরও পঁয়ত্রিশ বছরের অভ্যাস। যতই বোঝাই মন কি বুঝতে চায়? গতকালও কলেজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম, এই বারান্দায় আর আসা হবে না। তরুণীদের প্রাণচঞ্চল জীবনের স্বতঃস্ফূর্ততাকে আর উপলব্ধি করা হবে না। ভেবে খুব একা লাগছিল। কারণ, ছাত্রীরাই ছিল আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু।’ বলছিলেন ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজের প্রাক্তন শিক্ষিকা মমতাজ বেগম।
বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে মমতাজ বলেন, ‘অবসরে যাওয়ার পর আনন্দেই আছি। এখন চাকরিজীবনের চাপগুলো আর নেই। সব ধরনের চাকরিতেই একটি চাপ থাকে। অবসরে যাওয়ার আগে যে শূন্যতা, একাকিত্বের ভীতি ছিল,
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- মূল্যায়ন
- যুগবাণী
- কে আমি?
- পরিচয়
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শহরের ইতিকথা
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- লেখকদের প্রেম
- বনে পাহাড়ে
- সুকান্তসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- বিজ্ঞানচেতনা
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বিজ্ঞান পাঠ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৮)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৩৭)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৭)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৯)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২১)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৬)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৫)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মফিদুল হক (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৭)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৮)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.