-
প্রাণিজগতের বিবর্তনে প্রথমে ছিল উভলিঙ্গ প্রাণী। বহু এক কোষী প্রাণী এখনো আছে যাদের মধ্যে যৌন পার্থক্যের প্রশ্ন অবান্তর এবং তারা এককভাবেই নিজেকে পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে (কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দ্রষ্টব্য) আপন বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম।
কিন্তু প্রাণের বিবর্তনের অপেক্ষাকৃত উন্নত স্তরে আমরা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে ক্রমেই দুই ধরনের প্রাণিসত্তার সাক্ষাত পাই: মেয়ে প্রাণী এবং ছেলে প্রাণী। তবে এ পরিবর্তনও খুব ধীরে ধীরে হয়েছে। অনেক সময় এখনো নিচু স্তরের প্রাণীর ক্ষেত্রে তাদের বাইরে থেকে দেখে ছেলে-মেয়েতে পৃথক করা যায় না। যেমন সেদিন আমার বাসায় ‘বোগানভালিয়া’ চারা এনে লাগিয়ে অনেকদিন পরে টের পাওয়া গেল যে গাছটি ছেলে গাছ এবং ফুল ফোটাতে অক্ষম। বাইরে থেকে
-
ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়—নামটি যে আমাদের দেশে একেবারেই অপরিচিত, তা হয়তো নয়। তবে সে পরিচিতির পরিধি যে খুবই সীমিত, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। যাঁরা এই নামটির সঙ্গে পরিচিত, তাঁদেরও খুব অল্পসংখ্যকই এই নামের মানুষটির কৃতি ও অবদানের স্বরূপ সম্পর্কে অবহিত। অথচ, মনীষী বলতে প্রকৃত অর্থে যা বোঝায়, ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন তা-ই। যিনি মনীষাসম্পন্ন তাঁকেই তো বলে মনীষী। আর ‘মনীষা’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছে ‘মনের ঈষা’। ‘ঈষা’ মানে ‘লাঙ্গলের কাষ্ঠ নির্মিত দণ্ড’। ‘ঈষা’ যেমন লাঙ্গলটিকে ধারণ করে ও সঠিকভাবে চালিত করে, মনীষী ব্যক্তিদের মনেরও থাকে তেমনই ধারণশক্তি। তাঁদের বুদ্ধি কখনও বিচলিত হয় না, দিকভ্রষ্ট হয় না, সর্বদা তা সঠিক লক্ষ্যাভিমুখী
-
ভবিষ্যতের ঐতিহাসিকরা যাকে ‘সন্ত্রাসের শতাব্দী’ বলে আখ্যায়িত করতে পারেন তার একটা রূপরেখা তৈরি করতে হলে আমাদেরকে আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী একগুঁয়েমী ও ইসলামিক ধর্মীয় মতান্ধতার মতো বিপদজনক উভয়-সঙ্কটের গতিপথ নির্দ্ধারণ করতে হবে। এই জটিল ঘটনাস্রোতের মধ্যে যত্নের সঙ্গে পথ করে আমাদের এগুতে হবে একটি যুক্তিশীল, গণতান্ত্রিক, মানবতাবাদী ও সেক্যুলার ভবিষ্যতের দিকে। তা না হলে জাহাজের দুর্ঘটনা ও ধ্বংস অনিবার্য।
প্রায় চার মাস হতে চলল যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ এবং এমনকি প্রেসিডেন্ট বুশ পর্যন্ত রুটিন মাফিক জোরালো ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছেন যে ‘ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম—১১ সেপ্টেম্বর ধর্মান্ধরা তাকে হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে।’
এই দুই দাবীই অসত্য।
প্রথমত খ্রিষ্ট, ইহুদি, হিন্দু বা যে কোনো
-
একটি প্রতিষ্ঠানের পঁচিশ বছর বা রজতজয়ন্তী নিছক একটি মাইলফলক নয়, এটি হচ্ছে আত্মমূল্যায়নের আয়না, অভিজ্ঞতার ভান্ডার, সৃষ্টির নেপথ্য সংগ্রামের ইতিহাস। ‘উৎস প্রকাশন’-এর (২০০১-২০২৫) রজতজয়ন্তী সে রকমই একটি গৌরবোজ্জ্বল মূহূর্ত; যার জন্ম, বিকাশ এবং প্রতিষ্ঠায় আছে একজন নিরলস, মেধাবী, স্বপ্নবান মানুষের নিরবধি শ্রম, একাগ্রতা ও শিল্পবোধ। তিনি মোস্তফা সেলিম। প্রকাশক হিসেবে যেমন তিনি অনন্যতা অর্জন করেছেন, তেমনি লেখালেখি ও গবেষণায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন সমীহ জাগানো উচ্চতায়। তিনি, সিলেটি নাগরীলিপির নবজাগরণের পথিকৃৎজন। ‘নাগরীলিপিবিদ’ হিসেবে একাডেমিক অঙ্গনে তাঁর রয়েছে স্বীকৃতি। ফোকলোর এবং মুক্তিযুদ্ধ গবেষক সেলিম ভ্রমণ নিয়েও একাধিক গ্রন্থ উপহার দিয়েছেন পাঠককে। প্রতিভাময় বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব মোস্তফা সেলিম পেশাজীবনের এক স্বর্ণক্ষণে পদার্পণ করেছেন এ-বছর।
-
১৮১৮ সালে ৫ মে জার্মানিতে মহামতি কার্ল মার্কসের জন্ম। স্বদেশের ভূমিতে তাঁর শেষ শয্যা রচিত হয়নি। প্রবাসী অবস্থায় ১৮৮৩ সালে ১৪ মার্চ তাঁর নশ্বর জীবনের মৃত্যু ঘটে। তাঁর শেষ শয্যা রচিত হয়েছে লন্ডন শহরের হাইগেট ভিলেজের সমাধিক্ষেত্রে। তাঁর এই সমাধি আজ হয়েছে বিশ্ব প্রলেতারিয়েত এবং প্রগতিশীল কোটি কোটি মানুষের তীর্থভূমি।
স্বদেশে কেন তাঁর সমাধি হলো না- সে ইতিহাস আমরা কম আর বেশি সকলেই জানি। যে লোকটি বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তিতে তত্ত্ব দিয়ে আবিষ্কার করেছিলেন পুঁজিতান্ত্রিক সমাজের ধ্বংস অনিবার্য এবং বিশ্বকে অবশ্যম্ভাবীরূপে জয় করে নেবে সর্বহারা শ্রমিকশ্রেণি, সে লোকটিকে জার্মানির ধনিকশ্রেণি এবং তাদের সেবাদাস সরকারগুলো কেন স্বদেশে থাকতে দেবে? তাই অদ্যাবধি এই বিশ্বের
-
সৃষ্টির মধ্য দিয়ে স্রষ্টা নিজেকে প্রকাশ করেন। বিশ্বলোকের কত বিচিত্র ঘটনা, কত অজস্র অনুভূতি স্রষ্টার মনে নানা ধরণের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। সেই সব প্রতিক্রিয়ার তাড়াতেই শিল্পী তাঁর শিল্প সাধনায় নিত্যনূতন প্রকাশভঙ্গীর সন্ধান শুরু করে দেন। মনের ভিতরে যত কথা ভীড় করে আসে তাদের বিশ্বমানবের মনের দরবারে হাজির করে দেওয়ার জন্য শিল্পীব ভাবনার অন্ত নেই। তারই জন্য যুগে যুগে মানুষ নানা ধরণের সাহিত্যভঙ্গীর আবিষ্কার করেছে। কখনো যুগবেদনাকে প্রকাশ করেছে মহাকাব্যের বিরাট দেহের গজমন্থর গতিতে, কখনো নাটকীয় সংঘাতে, কখনো গ্রাম্য গাথায়। নিজের মনের গোপন কথাটিকে মানুষ গীতিকবিতার মাধ্যমে সময়ে সময়ে রূপ দিয়েছে।
জীবনী লেখার অনেকটা নির্ভর করে ঘটনা সংগ্রহের উপর, কিন্তু আত্মজীবনীর
-
মুখ দিয়ে সবে কথা ফুটছে। তখন থেকেই আমাকে সব ব্যাপারে জ্ঞানী করে তোলার জন্য আমার ঠাকুর্দার মানে পিতামহের কী সাংঘাতিক গরজ! মুখে মুখে নিজেই প্রশ্ন করে নিজেই তার উত্তর দিয়ে, আবার আমার মুখ দিয়ে তার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে, পাখি পড়ানোর মতো শেখাতেন—
'তোমার বাড়ি কোন গ্রামে?’—চন্দ্রপাড়া। ‘কোন্ ইউনিয়ন?' -আশুজিয়া। 'থানা?’—কেন্দুয়া। ‘মহকুমা?’—নেত্রকোনা। 'জিলা?’—ময়মনসিংহ।
‘নেত্রকোনা' আর 'ময়মনসিংহ' কথা দুটো নিজেই বারবার আবৃত্তি করতাম। সেই এতটুকু বয়সেই এ-দুটো নামের প্রতি আমার প্রচণ্ড আকর্ষণের একটা গূঢ় কারণ ছিল। আমাদের গাঁয়ের আশপাশের বাজার গুলোতে হাটের দিনে তেল নুন কেরোসিন মাছ তরকারি পাওয়া যেতো, ছোট ছোট লিলি বিস্কুট কিংবা ধ্যাবড়া ধ্যাবড়া তক্তা বিস্কুটও পাওয়া যেতো; কিন্তু শখের
-
চিন্তা করো বেশি, বলো অল্প এবং লেখো তার চেয়েও কম।—জন রে
পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়ায় জন্ম কবি কাজী নজরুল ইসলামের, আর তার দুই স্ত্রী নার্গিস ও প্রমীলা হচ্ছেন পূর্ব বাংলার দৌলতপুর ও তেওতার মেয়ে।
প্রথমেই আসে নার্গিস অধ্যায়। এই আলোচনায় যার নাম প্রথমে আসে তিনি হচ্ছেন ঢাকা কলেজ থেকে বিএ পাস করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কুমিল্লার মুরাদনগরের দৌলতপুরের খাঁবাড়ির সন্তান আলী আকবর খান। কাজী নজরুল ইসলাম ও আলী আকবর খান উভয়েই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-ফেরত সৈনিক। উভয়ের আশ্রয় তখন কলকাতায়। কাজী নজরুলের আশ্রয় বঙ্গীয় সাহিত্য সমিতির অফিসে। এখানে তাঁর সহবাসী কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ এবং সাহিত্য সমিতি পত্রিকার প্রকাশক আফজাল উল হক। পাঠ্যপুস্তক
-
সম্প্রতি সোভিয়েট রাশিয়া ভ্রমণ উপলক্ষে সেখানকার সাহিত্যিকমণ্ডলীর সঙ্গে পরিচয় লাভের সুযোগ পেয়েছিলাম। এর আরেকটি কারণ এই যে, সোভিয়েট রাশিয়ায় আমরা ছিলাম মস্কো লেখক সংঘের অতিথি ৷
মস্কো, লেনিনগ্রাদ, তিব্লিসি, তাসখণ্ড সর্বত্র লেখক, কবি, নাট্যকার সংঘ আমাদের অভ্যর্থনা করেছেন। কেবল ভাবের আদানপ্রদান নয়, ভারতের প্রাচীন ও আধুনিক সংস্কৃতির সঙ্গে আদানপ্রদানের জন্যে তাঁদের আগ্রহ দেখেছি। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শ্রেণীসংঘর্ষ বর্জিত যে নুতন সভ্যতা গড়ে উঠছে, এই সমস্ত লেখক তাকে লালন করবার ভার নিয়েছেন। অনেকের সঙ্গে আলাপ করে এদের মনের প্রসারতা দেখে মুগ্ধ হলাম। সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এঁরা দেশবিদেশের গণ্ডি অতিক্রম করে সর্বমানবের কল্পনার কুহকমুক্ত জ্ঞানের সাধনাকে গ্রহণ করেছেন। এঁরা অনেকেই জানেন যে, ভারতের প্রাচীন
-
আমরা মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় প্রজন্ম। সঙ্গত কারণেই ব্রিটিশবিরোধী লড়াকু বিপ্লবীদের সান্নিধ্য আমরা পাইনি। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখযোদ্ধাদের আমরা দেখেছি, সান্নিধ্যও পেয়েছি। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে, তাঁদের সংগ্রাম আমাদের উদ্বেলিত করে। আগে এক শিশুতোষ ভাবনা ছিল—যদি সেই অগ্নিযুগে জন্ম হতো তবে দেশমাতার মুক্তির জন্য ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করতাম, অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতাম। এখন বুঝি, এসব রোমান্টিক ভাবনা নেহাতই ছেলেমানুষি। লড়াই বা সংগ্রাম শুধু ঘটমান অতীত বিষয়টি মোটেও তেমন নয়—লড়াই—ছিল, আছে, এবং থাকবে। এই সময়ে চলমান লড়াইকে সুসংঘবদ্ধ ও সুসংহত করতে পারলে নিশ্চয়ই অতীতের মতো আমরাও ইতিহাসের পাতায় স্বাক্ষর রাখতে পারবো।
মানুষের মুক্তির মন্ত্র ঘরের মধ্যে অথবা নিজের
-
ভারতবর্ষের সকল প্রদেশের সকল সমাজের ঐক্যে প্রতিষ্ঠিত এক মহাজাতিকে জাগিয়ে তুলে তার একচ্ছত্র আসন রচনা করব বলে দেশনেতারা পণ করেছেন।
ওই আসন জিনিসটা, অর্থাৎ যাকে বলে কস্টিট্যুশ্যন, ওটা বাইরের, রাষ্ট্রশাসনব্যবস্থায় আমাদের পরস্পরের অধিকার-নির্ণয় দিয়ে সেটা গড়েপিটে তুলতে হবে। তার নানা রকমের নমুনা নানা দেশের ইতিহাসে দেখেছি, তারই থেকে যাচাই বাছাই করে প্ল্যান ঠিক করা চলছে। এই ধারণা ছিল, ওটাকে পাকা করে খাড়া করবার বাধা বাইরে, অর্থাৎ বর্তমান কর্তৃপক্ষদের ইচ্ছার মধ্যে। তারই সঙ্গে রফা করবার, তক্রার করবার কাজে কিছুকাল থেকে আমরা উঠে পড়ে লেগেছি।
যখন মনে হল কাজ এগিয়েছে, হঠাৎ ধাক্কা খেয়ে দেখি, মস্ত বাধা নিজেদের মধ্যেই। গাড়িটাকে তীর্থে পৌঁছে দেবার
-
এমন একদিন ছিল যেদিন মানুষ কথা বলতে পারতো না। পশু পাখীদের মতোই ইশারায় ইঙ্গিতে এবং নানারকম স্ফুট-অস্ফুট ধ্বনি করে তার মনের ভাব প্রকাশ করবার জন্য চেষ্টা করতো। কিন্তু সমাজবদ্ধ মানুষের কাজ-কর্ম উৎপাদনব্যবস্থার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তাদের পরস্পরের মধ্যে ভাবের আদান প্রদানের প্রয়োজন ক্রমেই বেড়ে চলেছিল। এই প্রয়োজনের একান্ত তাগিদে বহুযুগের সাধনার ফলে মানুষ কথা বলতে শিখল। সৃষ্টি হলো ভাষার। এই ভাষার সৃষ্টি ও বিকাশের মধ্যদিয়ে মানুষের মনোজগতই যে শুধু বিপ্লব ঘটে গেলো তাই নয়, সমাজের উৎপাদন ব্যবস্থার মধ্যেও তা বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এলো। এইভাবে কি বৈষয়িক, কি মানসিক, উভয় ক্ষেত্রেই ভাষা মানব সমাজের উন্নতির একটি প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়াল।
মানুষ
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- প্রক্রিয়াধীন
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- মূল্যায়ন
- বিজ্ঞানচেতনা
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- পরিচয়
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- লেখকদের প্রেম
- যুগবাণী
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বনে পাহাড়ে
- বিজ্ঞান পাঠ
- সুকান্তসমগ্র
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাদেশ ’৭৩
- কথা পাঞ্জাব
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- শহরের ইতিকথা
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৩)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৮)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৮)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৫)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৭)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.