-
তপুকে আবার ফিরে পাব, এ কথা ভুলেও ভাবিনি কোনোদিন। তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে। ভাবতে অবাক লাগে, চারবছর আগে যাকে হাইকোর্টের মোড়ে শেষবারের মতো দেখেছিলাম, যাকে জীবনে আর দেখব বলে স্বপ্নেও কল্পনা করিনি- সেই তপু ফিরে এসেছে। ও ফিরে আসার পর থেকে আমরা সবাই যেন কেমন একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। রাতে ভালো ঘুম হয় না। যদিও একটু-আধটু তন্দ্রা আসে, তবু অন্ধকারে হঠাৎ ওর দিকে চোখ পড়লে গা হাত পা শিউরে ওঠে। ভয়ে জড়সড় হয়ে যাই। লেপের নিচে দেহটা ঠক্ ঠক্ করে কাঁপে।
দিনের বেলা অনেকেই আমরা ছোটখাটো জটলা পাকাই।
দিনের বেলা ওকে ঘিরে দেখতে আসে ওকে। অবাক হয়ে
-
আমি আমার খাঁচা বন্ধ করেছি, আমার ছোটভাইয়ের খাঁচা বন্ধ করে দিয়েছি, মা-র খাঁচাও বন্ধ। রাত হলে এই তিন খাঁচা বন্ধ হয়ে যায়। ঘরকে আমি খাঁচা বলে ভাবি, কেন এমন ভাবি জানি না। খাঁচা বন্ধ না-হলে সমূহবিপদ আমার ছোটভাই বেরিয়ে যেতে পারে, আমার মা কেঁদে আহাজারি তুলতে পারে। রাতে, অন্ধকারে, ঘর ছেড়ে কেউ গেলে কিংবা বিরান মাঠ, এবড়োথেবড়ো রাস্তায় দৌড়াতে শুরু করলে তাকে ধরে আনা কঠিন। একা তো সম্ভব নয়, লোকজন ডাকতে হয়, অন্ধকার রাত হলে লণ্ঠন নিতে হয়, চাঁদনী হলে তবু কিছুটা সুবিধা। আমার ছোটভাইকে ফেরত নিয়ে এলেও মার আহাজারি থামে না। তিনি নালিশ জানিয়ে বিলাপ করতে থাকেন। এই বিলাপের
-
ষাট বৎসর আগেকার কথা, কুইন ভিক্টোরিয়ার আমল। তখন কলকাতায় বিজলী বাতি মোটর গাড়ি রেডিও লাউড স্পীকার ছিল না, আকাশে এয়ারোপ্লেন উড়ত না, রবীন্দ্রনাথ প্রখ্যাত হন নি, লোকে হেমচন্দ্রকে শ্রেষ্ঠ কবি বলত। কিন্তু রাখাল মাষ্টার মনে করত সে আরও উঁচু দরের কবি, হতাশের আক্ষেপের চাইতেও ভাল কবিতা লিখতে পারে। সে তার অনুগত ছাত্র নারানকে বলত, আজ কি একখানা লিখেছি শুনবি?—ক্ষিপ্ত বায়ু ধূলি মাখে গায়। আর একটা শুনবি?—শুষ্ক বৃদ্ধে ঝটিকার প্রভাব কোথায়। আর কেউ পারে এমন লিখতে?
রাখাল মুস্তাফী শুধু এনট্রান্স পাস, কিন্তু বিদ্বান লোক, বিস্তর বাংলা ইংরেজী বই পড়েছিল। সেকালে বেশী পাস না করলেও মাস্টারি করা চলত। কবিতা রচনা ছাড়া গান
-
ক্যালকাটা ফিজিসার্জিক ক্লাবের সাপ্তাহিক সান্ধ্য বৈঠক বসেছে। আজ বক্তৃতা দিলেন ডাক্তার হরিশ চাকলাদার, এম ডি, এল আর সি পি এম আর সি এস। মৃত্যুর লক্ষণ সম্বন্ধে তিনি অনেকক্ষণ ধরে অনেক কথা বললেন। চার-পাঁচ ঘণ্টা শ্বাসরোধের পরেও আবার নিঃশ্বাস পড়ে, ফাঁসির পরেও কিছুক্ষণ হৃৎস্পন্দন চলতে থাকে, দুই হাত দুই পা কাটা গেলেও এবং দেহেব অর্ধেক রক্ত বেরিয়ে গেলেও মানুষ বাঁচতে পারে, ইত্যাদি। অতএব রাইগার মর্টিস না হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ দ্বিজেন্দ্রলালের ভাষায় কুঁকড়ে আড়ষ্ট হয়ে না গেলে একেবারে নিঃসন্দেহ হওয়া যায় না।
বক্তৃতা শেষ হলে যথারীতি ধন্যবাদ দেওয়া হল, কেউ কেউ নানা রকম মন্তব্যও করলেন। বক্তার সহপাঠী ক্যাপ্টেন বেণী দত্ত বললেন, ওহে
-
কালিদাসের মেঘদূত ব্যাপারটা কি বোধ হয় আপনারা জানেন। যদি ভুলে গিয়ে থাকেন তাই একটু মনে করিয়ে দিচ্ছি। কুবেরের অনুচর এক যক্ষ কাজে ফাঁকি দিত, সেজন্য প্রভুর শাপে তাকে এক বৎসর নির্বাসনে থাকতে হয়। সে রামগিরিতে আশ্রম তৈরি করে বাস করতে লাগল। আষাঢ়ের প্রথম দিনে যক্ষ দেখল, পাহাড়ের মাথায় মেঘের উদয় হয়েছে, দেখাচ্ছে যেন একটি হস্তী বপ্রক্রীড়া করছে। অঞ্জলিতে সদ্য ফোটা কুড়চি ফল নিয়ে সে মেঘকে অর্ঘ্য দিল এবং মন্দাক্রান্তা ছন্দে একটি সুদীর্ঘ অভিভাষণ পাঠ করল। তার সার মর্ম এই।—ভাই মেঘ, তোমাকে একবার অলকাপুরী যেতে হচ্ছে। ধীরে সুস্থে যেয়ো, পথে কিঞ্চিৎ ফুর্তি করতে গিয়ে যদি একটু দেরি হয়ে যায় তাতে ক্ষতি
-
নূতন দিল্লির গোল মার্কেটের পিছনের গলিতে কালীবাবুর বিখ্যাত দোকান ক্যালকাটা টি ক্যাবিন। এই আড্ডাটির নাম নিশ্চয়ই আপনারা শুনেছেন।
সতরোই পৌষ, সন্ধ্যা ছটা। পেনশনভোগী বৃদ্ধ রামতারণ মুখুজ্যে, স্কুলমাষ্টার কপিল গুপ্ত, ব্যাংকের কেরানী বীরেশ্বর সিংগি, কাগজের রিপোর্টার অতুল হালদার, এবং আরও অনেকে আছেন। আজ নিউইয়ার্স ডে, সেজন্য ম্যানেজার কালীবাবু একটু বিশেষ আয়োজন করেছেন। মাংসের চপ তৈরি হচ্ছে। রামতারণবাবু নিষ্ঠাবান সাত্ত্বিক লোক, কালীবাড়ির বলি ভিন্ন অন্য মাংস খান না। তাঁর জন্য আলাদা উননে মাছের চপ ভাজবার ব্যবস্থা হয়েছে।
সিগারেট তামাক আর চপ ভাজার ধোঁয়ায় ঘরটি ঝাপসা হয়ে আছে, বিচিত্র গন্ধে আমোদিত হয়েছে। উপস্থিত ভদ্রলোকদের জনকয়েক পাশা খেলছেন, কেউ খবরের কাগজ পড়ছেন, কেউ বা
-
সেদিন প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি নামল সন্ধ্যার আগেই। দুপুর থেকে গুমোট হয়েছিল, বিকেল বেলা মেঘ এল আকাশ ছেয়ে। অন্ধকার হয়ে গেল চারিদিক। কড় কড় করে বাজ পড়ল কোথায় যেন। তাড়াতাড়ি বাড়ির সদর দরজাটা বন্ধ করে দিল শঙ্করী। তারপর ঘরের জানালাগুলোও।
একটা জানালা বন্ধ করা গেল না। ছিটকিনি ছিল না। বার বার খুলে যেতে লাগল সেটা। জলের ছাঁট ঢুকতে লাগল ঘরের ভিতর। জানালার নীচেই দড়ির খাট ছিল একখানা, তার উপর বিছানা ছিল। সেইটে টেনে সরিয়ে নিয়ে এল শঙ্করী। তারপর জানালাটা ঢেকে দিলে একটা মোটা কম্বল দিয়ে। তবু জল আসতে লাগল, কপাট দুটো দড়াম দড়াম শব্দও করতে লাগল। শঙ্করী ভ্রূকুঞ্চিত করে চেয়ে রইল সেদিকে
-
একেই বলে বিড়ম্বনা।
আমি একজন ডেলি প্যাসেঞ্জার। সেদিন সমস্ত দিন আপিসে কলম পিষে ঊর্ধ্বশ্বাসে হাওড়ায় এসে লোকাল ট্রেনের একখানি থার্ড ক্লাসে বসে হাঁপাচ্ছি—এমন সময় দেখি সামনের প্লাটফর্ম থেকে বোম্বে মেল ছাড়ছে আর তারই একটি কামরায় এমন একখানি মুখ আমার চোখে পড়ে গেল যাতে আমার সমস্ত বুক আশা আনন্দে দুলে উঠল।
বহুদিন আগে আমার এক ছেলে তারকেশ্বরে মেলা দেখতে গিয়ে ভিড়ে কোথায় হারিয়ে যায়—আর ফেরেনি। অনেক খোঁজ-খবর করেছিলাম, কিছুতেই কিছু হয়নি। ভগবানের ইচ্ছা বলে মনকে প্রবোধ দিয়েছিলাম। আজ হঠাৎ তারই মুখখানি—হ্যাঁ, ঠিক সেই মুখটিই বোম্বে মেলের একটা কামরায় দেখতে পেলাম।
আর কি থাকতে পারি?
তাড়াতাড়ি গিয়ে বোম্বে মেলে উঠলাম। সঙ্গে সঙ্গে
-
ছোটোবেলায় শুনিয়াছি—রূপকথার রাজপুত্র সোনার কাঠি স্পর্শ করাইয়া রাজকন্যার নিদ্রা ভাঙিয়া দেয়। বুড়া ঠাকুরমার মুখে ইহা শুনিয়া মনে হইত, নিছক একটি কাহিনি। কিন্তু বয়স হইবার সঙ্গে সঙ্গে সেই বিশাল জনহীন পুরীর মাঝে অনুপম সৌন্দর্য—লক্ষ্মী রাজকন্যা ও তেজস্বী এক রাজপুত্রের সাক্ষাৎকার ক্রমশই অপরূপ হইয়া উঠে।
সেইরকম একটি জীবন্ত কাহিনি ছোটোবেলায় দেখিয়াছিলাম। তখন ভাবিয়াছিলাম—মানুষের কথা ও কাজের মধ্যে সত্য কতটুকু! কেবল প্রয়োজনবোধে বলিয়া ও করিয়া চলিয়াছে। কিন্তু এখন মনে হয়, কথার পিছনে যে অনুপ্রেরণাটুকু থাকে, অন্তরের ভিতরকার সেই বস্তুটির দাম অনেক।
অভ্রভেদী অচলায়তন, অস্ত সূর্যের রাঙা রশ্মি, শাল ও দেবদারু গাছ: ইহাদিগের মাঝে দুইটি একান্ত অজ্ঞাত বালক-বালিকার ইতিহাসই আমি বলিব। ঢাকা শহরে বাড়ি।
-
ভূমিকা
পরাজিত শা সুজা ঔরঞ্জীবের ভয়ে পলায়ন করিয়া আরাকান-রাজের আতিথ্য গ্রহণ করেন। সঙ্গে তিন সুন্দরী কন্যা ছিল। আরাকান-রাজের ইচ্ছা হয়, রাজপুত্রদের সহিত তাহাদের বিবাহ দেন। সেই প্রস্তাবে শা সুজা নিতান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করাতে একদিন রাজার আদেশে তাঁহাকে ছলক্রমে নৌকাযোগে নদীমধ্যে লইয়া নৌকা ডুবাইয়া দিবার চেষ্টা করা হয়। সেই বিপদের সময় কনিষ্ঠা বালিকা আমিনাকে পিতা স্বয়ং নদীমধ্যে নিক্ষেপ করেন। জ্যেষ্ঠা কন্যা আত্মহত্যা করিয়া মরে। এবং সুজার একটি বিশ্বাসী কর্মচারী রহমত আলি জুলিখাকে লইয়া সাঁতার দিয়া পালায়, এবং সুজা যুদ্ধ করিতে করিতে মরেন।
আমিনা খরস্রোতে প্রবাহিত হইয়া দৈবক্রমে অনতিবিলম্বে এক ধীবরের জালে উদ্ধৃত হয় এবং তাহারই গৃহে পালিত হইয়া বড়ো হইয়া উঠে।
-
প্রথম পরিচ্ছেদ
পল্লীবাসিনী কোনো-এক হতভাগিনীর অন্যায়কারী অত্যাচারী স্বামীর দুষ্কৃতিসকল সবিস্তারে বর্ণনপূর্বক প্রতিবেশিনী তারা অত্যন্ত সংক্ষেপে নিজের রায় প্রকাশ করিয়া কহিল, “এমন স্বামীর মুখে আগুন।”
শুনিয়া জয়গোপালবাবুর স্ত্রী শশী অত্যন্ত পীড়া অনুভব করিল—স্বামীজাতির মুখে চুরটের আগুন ছাড়া অন্য কোনো প্রকার আগুন কোনো অবস্থাতেই কামনা করা স্ত্রীজাতিকে শোভা পায় না।
অতএব এ সম্বন্ধে তিনি কিঞ্চিৎ সংকোচ প্রকাশ করাতে কঠিনহৃদয় তারা দ্বিগুণ উৎসাহের সহিত কহিল, “এমন স্বামী থাকার চেয়ে সাতজন্ম বিধবা হওয়া ভালো।” এই বলিয়া সে সভাভঙ্গ করিয়া চলিয়া গেল।
শশী মনে মনে কহিল, স্বামীর এমন কোনো অপরাধ কল্পনা করিতে পারি না, যাহাতে তাঁহার প্রতি মনের ভাব এত কঠিন হইয়া উঠিতে পারে। এই
-
শুনিয়াছি, আজকাল অনেক বাঙালির মেয়েকে নিজের চেষ্টায় স্বামী সংগ্রহ করিতে হয়। আমিও তাই করিয়াছি,কিন্তু দেবতার সহায়তায়। আমি ছেলেবেলা হইতে অনেক ব্রত এবং অনেক শিবপূজা করিয়াছিলাম।
আমার আটবৎসর বয়স উত্তীর্ণ না হইতেই বিবাহ হইয়া গিয়াছিল। কিন্তু পূর্বজন্মের পাপবশত আমি আমার এমন স্বামী পাইয়াও সম্পূর্ণ পাইলাম না। মা ত্রিনয়নী আমার দুইচক্ষু লইলেন। জীবনের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত স্বামীকে দেখিয়া লইবার সুখ দিলেন না।
বাল্যকাল হইতেই আমার অগ্নিপরীক্ষার আরম্ভ হয়। চোদ্দবৎসর পার না হইতেই আমি একটি মৃতশিশু জন্ম দিলাম;নিজেও মরিবার কাছাকাছি গিয়াছিলাম কিন্তু যাহাকে দুঃখভোগ করিতে হইবে সে মরিলে চলিবে কেন। যে দীপ জ্বলিবার জন্য হইয়াছে তাহার তেল অল্প হয় না; রাত্রিভোর জ্বলিয়া তবে তাহার
উৎস
- গল্পগুচ্ছ
- পাতাবাহার
- প্রক্রিয়াধীন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- পুরাণের গল্প
- শিউলি-মালা
- বিজ্ঞান পাঠ
- পরিচয়
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- ফুলকি ও ফুল
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- বাংলাদেশ কথা কয়
- রূপের ডালি খেলা
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বারো মামার এক ডজন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- মানুষের জন্ম
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- জন্ম ও মৃত্যু
- জ্যোতিরিঙ্গন
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সুকান্তসমগ্র
- রাঙা পাল
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- তালনবমী
- উপলখণ্ড
- কুশলপাহাড়ী
- যাত্রাবদল
- নবাগত
- ছায়াছবি
- মেঘমল্লার
- মৌরীফুল
- কিন্নর দল
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- বিধু মাস্টার
- ক্ষণভঙ্গুর
- অসাধারণ
- রূপহলুদ
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- গল্প ভারতী
- বিজ্ঞানচেতনা
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৩)
- ২০২৫ (৬৬)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.