-
যখন যেটা
অঙ্ক কষা ফেলে রেখেই ছুটলাম বাগানে ছেলেগুলোর কাছে। ছুটছি, দেখি সামনে মাস্টার মশাই।
বললেন, ‘কী খবর? বাতাসের সঙ্গে পাল্লাই দিচ্ছিস?’
‘না, এমনি আর কি, বাগানে যাচ্ছি।’
ও’র পাশাপাশি চলেছি আর ভাবছি, এইবার নিশ্চয় জিজ্ঞেস করবেন অঙ্কটার কথা, কী বলব? এখনো তো কষা হয়নি।
উনি কিন্তু বললেন, ‘দিব্যি আবহাওয়া...’
বললাম, ‘হ্যাঁ, দিনটা ভালোই,’ আর মনে মনে ভয় হঠাৎ যদি অঙ্কটার কথা তোলেন।
বললেন, ‘নাকটা যে তোর লাল হয়ে গেছে।’ বলে হাসলেন।
‘নাক আমার অমনি, চিরকালই লাল।’
‘তাহলে লাল নাক নিয়েই দিন কাটাবি?’
ভয় পেয়ে গেলাম, ‘কিন্তু কী করব?’
‘বিক্রি করে দিয়ে নতুন একটা নাক কিনে নে।’
‘আপনি ঠাট্টা করছেন।’
-
কামাল ভাইয়ের দাপটে এখন পাড়ায় টিকে থাকাই দায়। এবার মাত্র কামাল ভাই ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিল। আর দু'মাস পরেই ফল বের হবে। কিন্তু তার আগেই নিজের পরীক্ষার ফলের কথা সুযোগ পেলেই আমাদের বলতে ছাড়ে না। আমরা হয়ত মাঠে বসে চীনা বাদামের খোসা ছাড়িয়ে খাচ্ছি, এমন সময় কামাল ভাই এসে আমিরী চালে বসে বলতে আরম্ভ করল: বলি কি খাওয়া হচ্ছে?
আমাদের মধ্যে একজন চীনা বাদামের খোসাগুলোর উপর তাড়াতাড়ি বসে বলত: কই, কিছুই ত খাচ্ছি না।
: হুঁ, আমার সাথে মিথ্যে কথা? জানিস, এবার আমি ম্যাট্রিক দিয়েছি। আর ফার্স্ট ডিভিশনে ত পাস করবই। এবারের প্রশ্নগুলোর প্রত্যেকটিই তো আমার কমন পড়েছিল। একটা প্রশ্ন এতই
-
মেজো মামার বিয়ে। ছোট মামা আর মেজো মামা তাই এসেছেন দাওয়াত দিতে। বাড়ীর সবাই বিয়ের তিন দিন আগে মামা বাড়ী যাবে। শুধু আমিই যেতে পারব না। কারণ আমার পরীক্ষা। হ্যা, মামার যেদিন বিয়ে ঠিক তার আগের দিনই আমার পরীক্ষা শেষ হবে। মানে সতেরোই ডিসেম্বর মামার বিয়ে, আর ষোলই ডিসেম্বর আমার পরীক্ষা শেষ হবে। সুতরাং তিন দিন আগে যাওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না।
মেজো মামা পরদিনই চলে গেলেন। শুধু ছোট মামা রইলেন। তিনি বিয়ের তিন দিন আগে সবাইকে (অবশ্য আমি বাদে) নিয়ে যাবেন।
সেদিন খাওয়ার পর ছোট মামার সাথে গল্প করছিলাম।
আমি বলছিলাম: মেজো মামার বিয়েতে এবার আর যাওয়া হল না।
-
ন. ভদ্রলোকদের ক্লাবে চ্যারিটি বলুনাচ চলেছে। ফ্যান্সি-ড্রেস বলনাচ। স্থানীয় তরুণী মহিলারা অবশ্য এ ধরনের অনুষ্ঠানকে 'জোড়া নাচের আসর' বলে থাকেন।
মধ্যরাত্রি। বারোটা বেজেছে। একদল বুদ্ধিজীবী নাচে নামেনি বা মুখোশ পরেনি। সংখ্যায় তারা পাঁচজন। পড়ার ঘরে বড়ো টেবিলটার চারদিকে খবরের কাগজের পৃষ্ঠায় নাক এবং দাড়ি গুঁজড়ে বসে। বসে বসে পড়ছে এবং ঢুলছে। মস্কো ও পিটার্সবুর্গের খবরের কাগজের স্থানীয় বিশেষ প্রতিনিধির ভাষায় বলতে গেলে, সবিশেষ উদারমনোভাবাপন্ন ভদ্রলোকটি 'অনুধ্যানরত'।
নাচের ঘর থেকে ভেসে আসছে কোয়াড্রিল নাচের বাজনা। কাঁচের বাসনের ঝনঝন শব্দ তুলে পা ঠুকে খোলা দরজার কাছে ছুটোছুটি করছে ওয়েটাররা।
কিন্তু পড়ার ঘরে একটুও গোলমাল নেই।
হঠাৎ এই নিঃশব্দতাকে ভঙ্গ করে একটা চাপা
-
এক বাঘ। বাঘ কি বাঘ, প্রকাণ্ড বড় বাঘ। এত বড় বাঘ কেউ কোনোদিন দেখে নি। তার চোখ দুটো, ও বাবা! তাঁর দাঁতগুলো, ওরে মা! দেখলে পরে জন্তু জানোয়ার ভয়ে আর কেউ নড়তে চড়তে পারে না। আর তখন বাঘ তাদের ঘাড় ভেঙ্গে খায়।
বনের যত প্রাণী সবাই তার ভয়ে থর থর করে কাঁপে। কোনো সংসারে সুখ নেই। বাচ্চা হরিণের মা-টা ডোবার ধারে জল খেতে গিয়েছিল। খুব তেষ্টা পেয়েছিল কিনা, চারদিকে তাকাবার মতো আর ফুরসত ছিল না। গলাটাকে লম্বা করে দিয়ে চক চক করে জল খাচ্ছিল। ঘুটঘুটে অন্ধকার রাত্রি, আড়ালে আড়ালে কত কিছু থাকে, সব কিছু তো দেখা যায় না। সে কি
-
মুরগী তার বাচ্চাকে ডেকে বলল, এই ছোঁড়া, অমন করে খোঁড়াচ্ছিস কেন রে?
বাচ্চা বলল, একটা কাঁটা ফুটেছে মা।
কেন, দেখে পথ হাঁটতে পার না। কেবল দস্যিপনা!
হ্যাঁ, দস্যিপনা! কাঁটাগুলো কেমন করে চোরের মতন লুকিয়ে থাকে, আর দেখ না দেখ, কুটস করে ফুটে বসে। ওদের দেখা যায় নাকি? বাচ্চা নাকী সুরে বলল।
না, দেখা যায় না! কই, আমাদের পায়ে তো ফোটে না।
বাচ্চা এবার সুযোগ পেয়ে মাকে চেপে ধরল, তোমাকে ক’দিন বলেছি মা, আমি চোখে ভালো দেখতে পাই না, আমাকে একটা চশমা এনে দাও। তা তুমি কিছুতেই দেবে না।
আহা-হা, কি কথার ছিরি! মুরগীরা আবার চশমা পরে কোনো দিন?
তবে ওরা
-
সন্ধ্যা হয়ে গেছে অনেকক্ষণ, কিন্তু সান্ধ্যভ্রমণ শেষ হয়নি; পার্কের যে-দিকটা জনবিরল সেখানে কখনও লাল কাঁকরের পথে, কখনও নরম ঘাসের উপরে স্যার বিজয়শংকর নীরবে পায়চারি করছিলেন। অদূরে মানুষের ভিড় থেকে, যানবাহন-পীড়িত পথের চলায়মান জনতা থেকে, একটানা কোলাহল শোনা যায়। মাঝে-মাঝে উজ্জ্বল আলো এসে পার্কের দেহাবরণ খুলে সমস্ত প্রকাশ করে দিচ্ছে।
স্যার বিজয়শংকর নিজের মনে এদিক-ওদিক হাঁটছিলেন।
—বাবা, ও বাবা!
কান্নায় বিকৃত একটি ছোট্ট মেয়েলি স্বর যেন কাছে কোথাও শোনা গেল! স্যার বিজয় থমকে দাঁড়িয়ে উৎকর্ণ হলেন।
—আপনি আমার বাবাকে দেখেছেন?
মেয়েটি তাঁর কাছেই এসে দাঁড়িয়েছে—ফ্রক-পরা, স্যার বিজয়শংকর চমশা-চোখে সেই স্বল্পালোকেই তাকে দেখলেন। ঘাড় পর্যন্ত চুল, দু-হাত আর পা নিরাভরণ, মুখ চোখের
-
লেখক: নুরমুরাদ সারিখানভ
তুর্কমেন বিজ্ঞান আকাদমির সাহিত্য ইনস্টিটিউটের নির্দেশক্রমে আমার কাজ পুরনো পুঁথি জোগাড় করা। ভাগ্যচক্রে সেবার গিয়ে পড়েছিলাম কারা-কুমের একেবারে গভীরে, পশুপালক একটা আউলে, চারিদিকে বালির মধ্যে অনতিবৃহৎ একটা খাদের মতো জায়গাটা।
যা হয়, আউলের লোকেরা উৎসুক হয়ে উঠল: কোথা থেকে এসেছি, কেন এসেছি? আগমনের কারণ জানালাম। উঠেছিলাম কলখোজ সভাপতির বাড়িতে। তাঁর কাছে শুনলাম তাঁর পড়শী ভেলমুরাত-আগার কাছে একটি কিতাব আছে, ঠিক যেমনটি আমার দরকার তেমনি।
বললেন, ‘জিনিসটা খুবই দুর্লভ! ভেলমুরাত-আগা ওটিকে চোখের মণির মতো আগলে থাকে। কতবার বলেছে, অমন কিতাব সোনার সিন্দুকে তুলে রাখার মতো…’
গেলাম কিতাবের মালিকের কাছে। মালিককে ঘরেই পেলাম। লোকটির বয়স হয়েছে, এক বুক সুন্দর
-
স্তুদেনিৎসায়, স্তুদেনিৎসা কেন, সারা স্নেগোভেৎস অঞ্চলেই ওলিওনা স্তেফাকের ছেলে আন্দ্রেইয়ের মতো সুপুরুষ ব্যক্তি আর পাওয়া যাবে না।
তার সবকিছুই সুন্দর চলাফেরা,—তামাটে মুখের কাট, ধূসর তীক্ষ্ণ চোখদুটি, বাঁ ভুরুর বাঁকা ভঙ্গিমা সবই। ভুরুর ঐ বাঁকাভাবটির জন্য তার মুখে একটা বিস্ময় বা ঠাট্টার অভিব্যক্তি লেগে থাকে।
আন্দ্রেই স্তেফাক শুধু যে তার সৌন্দর্যের জন্যই খ্যাত তা নয়, তার মতো ফুলবাবুও আর কেউ নেই। পাহাড় অঞ্চলের কাঠের কলের ট্র্যাক্টরড্রাইভার সে, বয়স তার মাত্র উনিশ, কিন্তু সাজসজ্জা প্রসাধনের দিকে তার যা নজর, ভেরখভিনার নাম করা সুন্দরীরাও হার মেনে যায়। সবুজ কানাৎ দেওয়া সাদা পশমের জ্যাকেট, পুঁতির নক্সাকরা সার্ট, ফারের গুচ্ছ লাগান টুপি আর কাঁটা লাগান
-
অক্টোবরের এক সুন্দর দিনে ভোরবেলা আমি স্নেগোভেৎস ছেড়ে চলেছি। দিনের এই প্রথম ঘণ্টায় পাহাড়ের উপরে জাঁকিয়ে বসেছে হেমন্তের ঠুনকো কুয়াশার পর্দা। মনে হচ্ছে হঠাৎ নড়লে বা চেঁচিয়ে উঠলে চারপাশের সবকিছু টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে পড়বে, জেগে উঠবে এক শুভ্র রূপোলি শব্দের বিচিত্র তরঙ্গ।
কাজ শেষ হয়ে গেছে। আমায় উজগরদ নিয়ে যাবার জন্য নিচে, হোটেলের সামনে গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে।
আলোটা না জ্বালিয়েই ভোরের আধো আলো আধো অন্ধকারে আমার পাণ্ডুলিপি বাক্সে ভরে নিলাম। পাতাগুলোর ক্ষীণ খস্খস্ আওয়াজ কানে পৌঁছল, মনে হল ওরা যেন নিজেদের মধ্যে কানাকানি করছে।
আবার মনে পড়ল তাদের কথা, যাদের সঙ্গে গিরিদ্বারের কাছের জেলার এই ছোটো হোটেলটায় এ কয়দিন
-
হনুমানের মায়ের নাম ছিল অঞ্জনা। বানরের স্বভাব যেমন হইয়া থাকে, অঞ্জনার স্বভাবও ছিল তেমনই। হনুমান কচি খোকা, তাহাকে ফেলিয়া সে বনের ভিতরে গেল, ফল খাইতে। বনে গিয়া সে মনের সুখে গাছে গাছে ফল খাইয়া বেড়াইতেই লাগিল, এদিকে খোকা বেচারা যে ক্ষুধায় চ্যাঁচাইতেছে, সেকথা তাহার মনেই হইল না।
হনুমান বেচারা তখন আর কী করে? চ্যাঁচাইয়া সারা হইল, তবু মার দেখা নাই, কাজেই তাহার নিজেকেই কিছু খাবারের চেষ্টা দেখিতে হইল। সেটা ছিল ভোরের বেলা, টুকটুকে লাল সূর্যটি তখন সবে বনের আড়াল হইতে উঁকি মারিতেছে। সেই টুকটুকে সূর্য দেখিয়াই ভাবিল ওটা একটা ফল। অমনি আর কথাবার্তা নাই, সেই একলাফে আকাশে উঠিয়া ভয়ানক শোঁ
-
এক রাজা ছিলেন, তাঁহার নাম ছিল শূরসেন। রাজার পুত্র না থাকায় তাঁহার মনে বড়ই দুঃখ ছিল। সেই দুঃখ দূর করার জন্য তিনি অনেক দান-ধ্যান, অনেক যাগযজ্ঞ করিলেন। তাহার ফলে শেষে তাঁহার একটি পুত্র হইল বটে, কিন্তু সে সাধারণ লোকের ছেলেপিলের মতন নহে। সে একটি ভীষণ সর্প। যদিও মানুষের মতন কথা কয়।
রাজা মনের দুঃখে বলিলেন, ‘হায় হায়। এই সর্প লইয়া আমি কী করিব? ইহার চেয়ে যে পুত্র না হওয়া আমার অনেক ভাল ছিল।’
কিন্তু সাপ সে কথা ভাবিলই না, সে রাজাকে বলিল, ‘বাবা, আমার চূড়াকরণ উপনয়ন করাইলে না? আমার হাতে-খড়ি দিলে না? তাহা হইলে যে আমি মুখ থাকিয়া যাইব!’
রাজা
উৎস
- পাতাবাহার
- পুরাণের গল্প
- শিউলি-মালা
- বনফুল গল্পসমগ্র
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- রাঙা পাল
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- প্রক্রিয়াধীন
- গল্পগুচ্ছ
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাদেশ কথা কয়
- অসাধারণ
- কুশলপাহাড়ী
- পরিচয়
- বিজ্ঞানচেতনা
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বারো মামার এক ডজন
- মানুষের জন্ম
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- মেঘমল্লার
- উপলখণ্ড
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- ফুলকি ও ফুল
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- কিন্নর দল
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- সুকান্তসমগ্র
- মৌরীফুল
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- নবাগত
- ক্ষণভঙ্গুর
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- রূপহলুদ
- জ্যোতিরিঙ্গন
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বিধু মাস্টার
- ছায়াছবি
- তালনবমী
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- অনুসন্ধান
- নয়নচারা
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- ব্যথার দান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৬)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (৩৫)
- ১৯৬৩ (৪)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৪)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১২)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (৩)
- ১৯৪৮ (৪)
- ১৯৪৭ (৪)
- ১৯৪৬ (৯)
- ১৯৪৫ (২২)
- ১৯৪৪ (৮)
- ১৯৪৩ (৮)
- ১৯৪২ (৮)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৪০ (১)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯২২ (৫)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৬)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১০)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৪)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৪)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৪৮)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.