-
আমার অল্পবয়সী বন্ধু অনিমেষ বললে, ধূসর রঙের সকাল ছিল... ধূসর বলছ? তো, ধূসর কিন্তু, তোমাকে বলব কি, গেরায়া, হলুদ, এসব জাতের নয়। জানো তো, বরং তা কালোর দিকে...
তাই তো বলছি। আটাত্তর ভাগ কোবাল্ট নীলে বাইশ ভাগ কালো দিয়ে, তারপরে প্রয়োজন মতো, যেখানে যে রকম দরকার ফ্লেক সাদা দিচ্ছে বলো, বলো, বললুম। ভালো লাগল একজন রং চিনছে, পৃথিবীটা ওর চোখে একরঙা চীনা কালিতে আঁকা নয়।
তো, সেই ধূসর রঙের বাঁধনি শাড়ী যেন, সিল্কের, ফলে স্বচ্ছ আর ঝলমলে; ধূসরের উপরে হলুদ চুবিয়েছে নিচের পাড়ের দিকটা।
হলদেটা সবুজে ভাব নেবে না?
তাই। তখন সকাল সাড়ে সাত হয়, ওদিকে মার্চ শেষ হয়ে এপ্রিলে
-
বন্যার জল নেমে গেলে নদীর পাশের গরিব মানুষদের আবার গোড়ার থেকে জীবন যাত্রা শুরু করতে হয়।
অবশেষে বন্যার জল নেমে গেল। কর্দমাক্ত মাঠগুলোর মধ্যে দিয়ে একটু করে সরু রশিতে বাঁধা শ্রান্ত একটা গাইকে টেনে নিয়ে চলেছে কৃষ্ণাঙ্গ এক বাপ, কৃষ্ণাঙ্গ এক মা, আর কৃষ্ণাঙ্গ এক শিশু। একটি টিলার ওপর দাঁড়িয়ে তারা কাঁধের ওপরের পোঁটলাপুটলিগুলো একটু নাড়াচাড়া করে রাখলো। যতদূর দৃষ্টি যায় চারিপাশের জমি বন্যার জলে বয়ে আসা পলিতে আচ্ছন্ন হয়ে আছে। ছোট মেয়েটি শীর্ণ একটা আঙুল তুলে কর্দমাক্ত এক কুটিরের দিকে দেখালো।
“বাবা দেখো। ওই তো আমাদের বাড়ি, তাই না?” আনত কাঁধ, নীল রঙের জীর্ণ ওভার অল (একত্রে সংযুক্ত সার্ট
-
"শত্রুকে মনে প্রাণে ঘৃণা করতে না শিখলে তাকে পরাজিত করা যায় না।"
(পিপলস কমিসার অব ডিফেন্স ইউএসএসআর জে স্তালিন এ অর্ডার অব দ্য ডে, মে ডে, ১৯৪২)
যুদ্ধের সময় মানুষের মতো গাছদেরও নিজ নিজ ভাগ্য থাকে। আমি দেখেছি বিশাল এক বনভূমিকে আমাদের কামানের গোলায় ধ্বংস হয়ে যেতে। খুবই সম্প্রতি, অমুক গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে জার্মানরা এখানে বেশ ভালোভাবে গেড়ে বসেছিল, ভেবেছিল বহুদিন থাকবে এখানে, কিন্তু গাছগুলোর সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু তাদেরও ধ্বংস করে দিয়েছিল। ভাঙা গুঁড়িগুলোর তলায় মৃত জার্মানরা পড়েছিল, ফার্ন আর ব্র্যাকেন-এর সজীব শ্যামলিমার মধ্যে তাদের খণ্ডবিখণ্ড দেহগুলো পচছিল; কামানের গোলায় বিদীর্ণ পাইন গাছগুলোর আঠার সুগন্ধ ঐসব পচা দেহগুলোর শ্বাসরুদ্ধ
-
রাত্রের ট্রেনে যে সব যাত্রীরা রোম ছাড়তো, ফাব্রিয়ানা স্টেশনে তাদের ভোর পর্যন্ত থাকতে হতো তারপর সালমোনার মেল লাইন ধরবার জন্য হেরকালের ছোট্ট একটা লোকাল ট্রেনে করে তাদের যেতে হতো। দমবন্ধ করা, ধোঁয়া ভরা একটা সেকেন্ড ক্লাস গাড়ি, ইতিমধ্যেই পাঁচজন লোক যার মধ্যে রাত কাটিয়েছে, ভোরবেলায় সেটাতে গভীর শোকের পোশাক পরা প্রায় বেঢপ একটা বস্তার মতো এক মহিলাকে টেনে তোলা হলো। তার পিছনে হাঁফাতে হাঁফাতে, কাতরাতে কাতরাতে উঠে এসেছিল তার স্বামী—ছোট্ট এতটুকু এক লোক। রোগাটে আর নিস্তেজ, মুখ তার মড়ার মতো ফ্যাকাশে, চোখগুলো ছোট ছোট আর চকচকে, তাঁকে কেমন যেন সলজ্জ আর অস্থির দেখাচ্ছিল।
শেষ পর্যন্ত একটা সীটে বসে পড়ে সে,
-
ম্যাকের সঙ্গে আমার দেখা হয় মেক্সিকোয়—চিহুয়াহুয়া সিটিতে—নববর্ষের পূর্ব সন্ধ্যায়। সে ছিল স্বদেশের এক ঝলক বাতাস, অমার্জিত এক আমেরিকান। আমার মনে পড়ে চী-লীতে একপাত্র টম-আর-জেরির (Tom and Jerry—সুরাসারযুক্ত পানীয় বিশেষ) জন্য হোটেল থেকে আমরা যখন হুড়মুড় করে বেরিয়ে এসেছিলাম তখন প্রাচীন ক্যাথিড্রালে মধ্যরাত্রের মাস (Mass)[১]-এর জন্য ফাটা ঘন্টাগুলো উন্মত্তের মতো বাজছিল। আমাদের মাথার ঊর্ধ্বে তপ্ত মরুভূমির তারার দল। সারা শহর জুড়ে কুয়ারটেলগুলো (Cuartels—শিবিরগুলো), যেখানে ভিলার (Villa)[২]সেনাবাহিনী সন্নিবেশিত ছিল সেখান থেকে, নিরাবরণ পাহাড়গুলোর ওপরের সুদূর ছাউনিগুলো থেকে রাস্তাগুলোর রক্ষীদের কাছ থেকে পরম উল্লসিত গুলির শব্দ আসছিল। প্রমত্ত এক অফিসার আমাদের পাশ দিয়ে যাবার সময় ফিয়েস্তাকে (Fiesta—উৎসব) ভুল করে
-
উর্দু থেকে অনুবাদ: কমলেশ সেন
তোমার জ্বলে বাতি তোমার ঘরে সাথি। তোমার তরে রাতি আমার ভরে তারা।।
তোমার আছে ভাঙ্গা আমার আছে জল। তেমার বসে থাকা আমার চলাচল।
(রবীন্দ্র সঙ্গীত)
খোঁপায় সাদা গোলাপ লাগিয়ে এক গাঢ় বাসন্তী রঙের লাল আঁচলের শাড়ি পরে লতিকা সেন খোকনের দিকে হেসে এগিয়ে আসছিল। খোকন কাঠের ঘোড়ার ওপর বসেছিল, আর ঘোড়াকে চাবুক কশাতে কশাতে মনে মনে জোর ছুটে চলেছিল। মাকে যখন তার দিকে এগিয়ে আসতে দেখল তখন কাঠের ঘোড়ার লাগাম সে খুব জোরে টানল। সঙ্গে সঙ্গে ঘোড়া উল্টে গেল। খোকন নীচে আর ঘোড়া তার ওপরে গিয়ে পড়ল।
খোকন কাঁদতে লাগল। লতিকা হাসতে হাসতে খোকনকে কোলে
-
কোনো একটা অফিসে কাজ করা তার পক্ষে খুব সুখকর যে হবে না, মিস হুয়াং এটা অনুমানই করেছিল, কিন্তু সেখানে তার জীবন বিষময় করে তোলার বস্তুগুলো সে কল্পনাও করতে পারেনি।
সকাল সাড়ে আটটায় মিস হুয়াং কোম্পানির প্রধান অফিসে গিয়ে ঢুকলো। চাকরিজীবী হিসাবে তার জীবনের প্রথম পাতার প্রথম পংক্তি শুরু হলো নিচুগলায় আলোচনারত কিছু লোকের চাপা হাসি দিয়ে। প্রধান অফিসে আলো খুবই কম। পূবমুখী ও উত্তরমুখী জানালাগুলো বেশ বড় হলেও সামনের আকাশছোঁয়া বড় বড় বাড়িগুলো দৃষ্টিপথ অবরোধ করেছে। জানালার কাঁচের শার্সিগুলোর মধ্য দিয়ে সূর্যের আলোর পরিবর্তে এসে পড়ছে উলটোদিকের অফিসগুলোর বৈদ্যুতিক বাতির আভা। ছাত থেকে ঝুলছিল ফুলের আকারের হাতমুখ ধোবার গামলার মত
-
পেশোয়ার স্টেসন ছাড়বার পর আমি স্বস্তির ধূম্র-নিশ্বাস ফেলে হাঁফ ছাড়লাম। আমার গাড়িতে যারা যাচ্ছে তারা প্রায় সকলেই হিন্দু ও শিখ উদ্বাস্তু ৷ তারা এসেছে পেশোয়ার, হতিমর্দান কোহাট, চারসরা, খাইবার, লাণ্ডি কোটাল, বান্নু, নওসেরা, মানসেরা থেকে, সীমান্ত প্রদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে। অত্যন্ত সজাগ দৃষ্টি রেখে নিপুণভাবে স্টেসন পাহারা দিচ্ছে মিলিটারী অফিসাররা। কিন্তু উদ্বাস্তুরা কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছিল না যে পর্যন্ত না আমি বিচিত্র পঞ্চনদীর দেশের দিকে ধাবমান হওয়ার জন্য পদ-চক্র চালিয়েছি। অন্যান্য পাঠানদের থেকে কিন্তু এই উদ্বাস্তুদের কোনরকমেই আলাদা ক’রে দেখতে পারবে না তুমি। বেশ লম্বা চওড়া সুন্দর শক্ত-সমর্থ লোকগুলো, পড়নে তাদের কুল্লা, লুঙ্গী, সালোয়ার, কথনে রূঢ় পুস্তো ভাষা। প্রত্যেকটি গাড়ির সামনে
-
পাঞ্জাবী সাহিত্যের সূচনালগ্নেই পাঞ্জাবী গল্পের উদয় হয়েছে। পাঞ্জাবী সাহিত্যের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সত্ত্বেও, এই সাহিত্য-প্রবাহের গতি সমগ্র ভারতীয় সাহিত্য, বিশেষতঃ উত্তর ভারতের সাহিত্যেরই অনুরূপ। যে সময়ে হিন্দী ভাষায় রাসো সাহিত্য রচিত হচ্ছিল ও মারাঠি ভাষায় পওয়াড়ো সাহিত্য জন্ম নেয়-সেই যুগেই পাঞ্জাবী ভাষায় ‘ওয়ারোঁ’-র উদয়। ‘ওয়ারোঁ’গুলি পাঞ্জাবের বীরগাথা, কাব্যরূপে বর্ণিত। ‘ওয়ারোঁ-র নায়ক হতেন সাধারণতঃ জননেতা, এগুলি জনসাধারণের সমুখে গেয়ে শোনানো হত। পাঞ্জাবে পাঞ্জাবীর স্বাধিকার ছিল না। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত থেকে আক্রমণকারীদের আনাগোনা থাকত অব্যাহত।
পাঞ্জাবের গ্রামগুলিকে নিজেদেরই আত্মরক্ষার ব্যবস্থা করতে হত। যখনই বিদেশী সেনা সদলবলে আক্রমণ চালাতো, লোকেদের লড়তে হয়েছে আপন ধনপ্রাণ ও সম্মান রক্ষার জন্য, আর আক্রমণ শিথিল হয়ে গেলে স্বীয় যোদ্ধা
-
যখন পেশোয়ার স্টেশন ছেড়ে আসি তখন আমি তৃপ্তিতে এক দলা ধোঁয়া উগরে তুলেছিলাম। আমার খোপে-খোপে ছিল সব হিন্দু ও শিখ শরাণার্থীরা। তারা এসেছিল পেশোয়ার, হটিমর্দন, কোহাট, চরসরা, খাইবার, লাণ্ডি কোটাল, বানু নওশেরা, মানশেরা ইত্যাদি সীমান্ত প্রদেশের সব জায়গা থেকে। স্টেশনটা খুব সুরক্ষিত ছিল এবং সেনাবাহিনীর অফিসারেরাও খুব সজাগ ও দক্ষ ছিলেন। তবে, যতক্ষণ-না সেই রোমান্টিক পঞ্চনদীর দেশের দিকে আমি রওনা দিচ্ছিলাম, তারা অস্বস্তিতেই ভুগছিল। অন্য আর-পাঁচজন পাঠানের থেকে অবশ্য এই শরণার্থীদের তফাৎ করা যাচ্ছিল না। তাদের চেহারা ছিল বেশ লম্বা ও সুদর্শন, শক্ত গড়নের হাত-পা, পরনে ছিল কুল্লা ও লুঙ্গি, কারো-বা শালোয়ার। তাদের ভাষা ছিল গাঁয়ের পুশতু, প্রত্যেক খোপে দুজন
-
মহালক্ষ্মীর পুলের ওপাশে একটি রত্নমন্দির আছে, সাধারণের কাছে যার পরিচয় ঘোড়দৌড়ের মাঠ নামে। এই মন্দিরের পূজারীদের মনস্কামনা প্রায়ই পূরণ হয় না, তবে অনেকেই এখানে সর্বস্ব খুইয়ে ঘরে ফেরে। ঘোড়দৌড়-মাঠের পাশ দিয়েই গেছে সহরের ময়লাবাহী প্রশস্ত উন্মুক্ত নর্দমা। মনের ময়লা ধুয়ে মুছে দেয় রত্নমন্দির, আর দেহের ময়লা বয়ে নিয়ে যায় এই নর্দমা। এবং এই দুয়ের মাঝে রয়েছে আমাদের এই মহালক্ষ্মীর পুল।
পুলের বাঁ-পাশে লোহার রেলিংএর ওপরে ছয়টি সাড়ী বাতাসে পত পত ক’রে উড়ছে। ওই একই স্থানে প্রতিদিনই রোদে শুকোতে-দেওয়া এই ছয়টি ধোয়া সাড়ী দেখা যায়। সাড়ীগুলোর মালিকদের মতনই সাড়ীগুলোর দামও নিতান্তই কম। সহরতলীর ট্রেন থেকে প্রত্যেকদিনই পুলের ওপরে এই সাড়ী দেখা
-
কমরেড ভরদ্বাজের সাথে আমার প্রথম দেখা লাহোরে ১৯৩৭ সালে। সেইসময় পার্টিকে বে-আইনী ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে পার্টির সব সদস্যই ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’এ চলে গিয়েছিল। ভরদ্বাজের গায়ের রং ছিল শামলা, কাঁধ ছোট আর রোগা পাতলা শরীর। তাকে দেখে মনে হত না যে তার ভেতরে এত অফুরন্ত প্রাণশক্তি সঞ্চিত আছে যা দিয়ে সে এত পরিশ্রম করতে পারে বা একজন রাষ্ট্রবাদী বা সমাজবাদীব জীবনে যত রকম বিপদ আছে তার অনায়াস মোকাবিলা করতে পারে।
আমি সেই সময় কলেজে পড়তাম, সেই সময় আমার চিন্তাভাবনায় ব্যক্তি উপাসনার কোন স্থান ছিল না। তাই ভরদ্বাজের ব্যক্তিত্ব আমার উপর লেশমাত্র প্রভাব ফেলে নি। সেই সময় পাঞ্জাবে কংগ্রেস নিজেদের টানাপোড়েনে ব্যস্ত।
উৎস
- পাতাবাহার
- প্রক্রিয়াধীন
- গল্পগুচ্ছ
- বনফুল গল্পসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- পুরাণের গল্প
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- বারো মামার এক ডজন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- যাত্রাবদল
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- অনুসন্ধান
- শিউলি-মালা
- বিজ্ঞান পাঠ
- সুকান্তসমগ্র
- পরিচয়
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বাংলাদেশ কথা কয়
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- ক্ষণভঙ্গুর
- ফুলকি ও ফুল
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- মানুষের জন্ম
- রাঙা পাল
- রূপের ডালি খেলা
- ছায়াছবি
- রূপহলুদ
- মেঘমল্লার
- মৌরীফুল
- নবাগত
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- কুশলপাহাড়ী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- গল্প ভারতী
- বিজ্ঞানচেতনা
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বিধু মাস্টার
- তালনবমী
- উপলখণ্ড
- অসাধারণ
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৪)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.