সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
লেখক: মেসবাহ কামাল ও ঈশানী চক্রবর্তী
জনগণের আন্দোলন যেমনভাবে তার নেতৃত্বকে তৈরি করে, তেমনিভাবে নেতৃত্বের ভূমিকা নির্ধারণ করে আন্দোলনের সাফল্য বা ব্যর্থতার সোপান। আবার অন্যদিকে সমসাময়িক ইতিহাসের কাঠামো যেমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ব্যক্তির ভূমিকাকে, তেমনিভাবে ব্যক্তিবিশেষের ভূমিকাও বিকশিত করতে পারে জনগণের আন্দোলনকে, দ্রুততর করতে পারে পরিবর্তনের গতিবেগ। নাচোলের সাঁওতাল ও বাঙালি কৃষকদের মিলিত সংগ্রাম তৈরি করেছে তার নেতৃত্বকে যার পুরোভাগে ছিলেন রমেন্দ্রনাথ মিত্র, ইলা মিত্র, মাতলা মাঝি, শেখ আজাহার হোসেন, অনিমেষ লাহিড়ী, বৃন্দাবন সাহা প্রমুখ। তেমনি এই নেতৃত্বের এবং তাদের ঊর্ধ্বতন পার্টি নেতৃত্বের ভূমিকা নির্ধারণ করেছে এই বিদ্রোহের ফলাফল। এদের মধ্যে অনেকানেক কারণ মিলিয়ে বিশেষত ইলা মিত্রের ভূমিকা হয়ে উঠেছিল অনেকটা
-
একজন পুঁজিপতি তাঁর বন্ধুকে নিয়ে নিজের কারখানার মধ্যে দিয়ে হাঁটছিলেন। বন্ধুটি পুঁজিপতি ভদ্রলোকটিকে জিজ্ঞেস করলেন—‘তুমি ওই লেবারটিকে এক্ষুণি কী বললে?’
পুঁজিপতি ভদ্রলোকটির জবাব, ‘আমি ওকে বললাম আরও দ্রুত কাজ করতে।’
বন্ধুটির পরের প্রশ্ন—‘কত টাকা দাও ওকে?’
‘দিনে ১৫০ টাকা।’—জবাব দেন পুঁজিপতি।
বন্ধুটি এবার জানতে চাইলেন—‘তুমি ওকে পয়সা দেওয়ার অর্থ কোথা থেকে পাও?’
—‘আমি জিনিসপত্র বিক্রি করি।’
—‘কে তৈরি করে সেই জিনিসগুলো?’
—‘কে আবার, ও আর ওর মতন লেবারগুলো।’
—‘ওই লোকটা দিনে কটা প্রডাক্ট তৈরি করে?’
—‘এই... দিনে ১০০০ টাকার মতন।’
—‘তার মানে হলো তুমি ওকে দাওনা উলটে ও তোমাকে প্রতিদিন ৮৫০ টাকা করে দিচ্ছে, যাতে তুমি ওকে বলতে পারো কাজের
-
লেখক: তাপসী বন্দ্যোপাধ্যায়
যাগটা উদারিকরণের। নিবাস এক অগাধ ভুবনগ্রামে। ভাবনার ডানা যত্রতত্র বিহারী। স্থানিক-দূরত্বকে বেঁধে ফেলি হাতের মুঠোয়, আবার সময় পলায়নপর সেই বন্ধনী খুলে। জীবনের এই আকাশপাতাল অমিল অথবা মিল্লিশ্ নিয়ত ধরা দিচ্ছে সৃষ্টির বিচিত্র পথে। আর সাহিত্যের ক্ষেত্রটি এপথে সর্বাধিক প্রশস্ত ও ফলস্ত। এই উত্তর-আধুনিক কালে সাহিত্যের মূল্যায়নে নানা 'বাঁধি বোল' আর 'বাঁধা ওজন'-এর বাড়-বাড়ন্ত। ঔপনিবেশিক্ষতার বাঁধনমুক্ত এইসব সাহিত্যের মূল্যায়নকর্তারা আসলে নানা তত্ত্বকথার আধারে প্রত্যাশা করেছেন অবাধ স্বাধীনতা। নির্মাণ থেকে বিনির্মাণ কিংবা পুনর্নির্মাণ এসবই এখন সাহিত্যের উপভোক্তার কুক্ষিগত। এমনকি সাহিত্যের আস্বাদনে স্রষ্টার ওপর নির্ভরতারও দায়মুক্ত আজ পাঠক। একালের পাঠক প্রবল দাপটে সৃষ্টিকর্তার অধিকারকে অস্বীকার করে পুনঃপাঠ প্রক্রিয়ায় নিমগ্ন হয়।
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র নয় মাস। নয় মাসের এই যুদ্ধে বাঙালি জাতিকে চরমতম ত্যাগ, দুঃখ, দুর্দশা ও নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। এই নয় মাসে বাংলাদেশে যে গণহত্যাযজ্ঞ ও নারী নির্যাতন হয়েছে স্মরণকালের ইতিহাসে তার নজির নেই। এর পাশাপাশি পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকেও স্বীকার করতে হয়েছে চরম পরাজয়। পর্যাপ্ত রসদ ও অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানী সৈন্য এবং তাদের এদেশীয় দোসরদের আত্মসমর্পণের ভেতর দিয়ে অর্জিত হয়েছে এক অভূতপূর্ব বিজয়, বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের, জাতি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিচিতি অর্জন করেছে বাঙালি।
'৭১-এর ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র নয় মাস স্থায়ী এই মুক্তিযুদ্ধে এত দ্রুত
-
সাক্ষাৎকার গ্রহণ: মুসা সাদিক
“শত্রুর কামানের গোলায় বুক পেতে দিয়ে আত্মদানের ঘটনা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও শোনা যায় না“
[১৯৭১-এর ৭ ডিসেম্বর যুদ্ধের শেষ পর্যায়। কিন্তু কেউ জানত না যে যুদ্ধ শেষ হয়ে আসছে, অন্তর্যামী ব্যতীত। রণাঙ্গনের বাতাস মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর রক্তের গন্ধে একাকার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ১১টি সেক্টরের শত শত ফ্রন্ট তখন মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর বীরদের পদভারে কাঁপছে। তাঁদের মিলিত শোণিতে সিক্ত হয়ে উঠেছে শত শত রণাঙ্গনের মাটি-ঘাস-ফুল। সেই ৭ ডিসেম্বরে ইস্টার্ন সেক্টর গোপন সফরে এলেন জেনারেল এস.এইচ.এফ.জে. মানেকশ'। কোন কর্মসূচী ও সংবাদ ছাড়াই জেনারেল ওসমানীসহ জেনারেল মানেকশ' আকস্মিকভাবে ৮নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্যারের অফিসে
-
[১৯৮০ সালে প্রেস ক্লাবের বাৎসরিক সংখ্যায় প্রকাশিত এই লেখাটি প্রয়াত অজিত চক্রবর্তীর। তিনি প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সম্পাদক এবং যুগান্তর পত্রিকার বর্ষীয়ান সাংবাদিক ছিলেন। অজিত চক্রবর্তী দীর্ঘকাল যুগান্তর পত্রিকার ডেপুটি চিহ্ন রিপোর্টারের দায়িত্ব সামলেছেন।]
১৬ এপ্রিল, ১৯৭১।
ঐ দিনটি এবং তারপরের দিনটি কলকাতা প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লিখে রাখার মতো। আমি তখন ক্লাবে সেক্রেটারী। এখন প্রকাশ করা যেতে পারে যে যোগাযোগ ঘটিয়েছিলেন সমর বসু। সমর আমার সহপাঠী, অনেক দিনের বন্ধু। তখন বিএসএফ-এর পিআরও। ঐ যোগাযোগের উপর নির্ভর করেই বিকেল পাঁচটায় প্রেস ক্লাবে একটা প্রেস কনফারেন্স ডেকে দিলুম। লিখিত নয়, মুখে মুখে সকলকে আমন্ত্রণ জানান হল। এখনও সেদিনটির কথা মনে আছে।
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ পূর্ব বাংলায় অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচনে বায়ান্নোর একুশের প্রতীক ২১-দফার ভিত্তিতে হক-ভাসানী-সোহ্রাওয়ার্দীর নেতৃত্বে গঠিত যুক্তফ্রন্ট তদানীন্তন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করার পর শেরে বাংলার নেতৃত্বে পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হয়েছিল। এ সরকার পঞ্চাশ দিনের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকার যুক্তফ্রন্ট সরকারকে ভেঙে দিয়েছিল। সে সুযোগ অবশ্য করে দিয়েছিল '৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তড়িঘড়ি শেরে বাংলার নেতৃত্বে গঠিত কৃষক শ্রমিক দলের ক্ষমতা দখল। যুক্তফ্রন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল আতাউর রহমান খানের আওয়ামী লীগ; কিন্তু যুক্তফ্রন্ট সরকারে আওয়ামী লীগ প্রথমে যোগ দেয়নি, যদিও ওই দলের ১৪৩ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। কৃষক
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেতনার উন্মেষ কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা 'বাঙালি এথনিক ক্লিনসিং' শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। ঐদিন সকালবেলা একটি সামরিক হেলিকাপ্টারে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জানজুয়া, মেজর জেনারেল মিঠা খান, মেজর জেনারেল নজর হোসেন শাহ এবং মেজর জেনারেল ওমর রংপুর, রাজশাহী, যশোর, চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে 'অপারেশন প্ল্যান' পাকিস্তানী কমান্ডারদের দিয়ে আসেন। ঢাকায় প্রধান টার্গেট ছিল ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ইপিআর হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন। জেনারেল ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হাউস (পুরনো গণভবন) ত্যাগ করে যান
-
লেখক: কামাল হোসেন
স্বাধীনতার স্বপ্ন বলতে গেলে প্রথমে সেই ষাটের দশকের কথা যদি আমরা চিন্তা করি, আমরা সবাই তরুণ ছিলাম। আমি নিজেও একজন তরুণ আইনজীবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক। আজকে যাঁরা নেতৃস্থানীয়, ষাটের দশকে তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন তরুণ ছাত্র। সেই পাকিস্তানে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও অসহায় বোধ করতাম।
ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখালেখি শুরু হলো অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে। আমরা বাঙালিরা সংখ্যায় বেশি হয়েও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, শিক্ষার সুযোগের ক্ষেত্রে, সিভিল সার্ভিসে, সামরিক বাহিনীতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার ছিলাম। ১৯৪৬ সালে পূর্ব বাংলায় যখন ভোট হয়েছিল, আমরা ভোট দিয়েছিলাম। আমরা চেয়েছিলাম, এই রাষ্ট্রটি হোক। তখন কেউ কেউ এটা সাম্প্রদায়িক
-
Author: Anwar Ouassini and Nabil Ouassini
Introduction
On 26 March 1971, the independence of Bangladesh was declared by Shiekh Mujib Rahman (1920–1975), the eventual first president of the new nation state after he had called for campaigns of civil disobedience and armed resistance against President Yahya Khan’s junta in West Pakistan. For the next six months, the Bangladeshi War of Liberation was fought between the Pakistani military junta (West Pakistan) that was unwavering in its possession of “East Pakistan” and Bengali nationalists determined to gain independence in the face of political, economic, cultural, and linguistic suppression. The protracted conflict resulted
-
আমরা যখন নানাকে দেখি তখন তার অনেক বয়স হয়ে গেছে। তখন আইন ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছিলেন ঐ ব্যবসায়। অনেক জমিজামা করা ছাড়াও তিনি ভুবনঘরের মতো অজপাড়াগায়ে নিজেদের থাকার জন্য চকমিলানো বিশাল এক অট্টালিকা নির্মাণ করেছিলেন। নানার কথা আমার খুব বেশি মনে নেই। ফরসা টকটকে রঙ ছিল তার। খুবই শান্ত প্রকৃতির, কোমল স্বভাবের, দয়ালু। খুব কম কথা বলতেন। সে তুলনায় নানী ছিলেন প্রবল ব্যক্তিত্বময়ী, আলাপচারিতায় নিপুণ, স্নেহময়ী, প্রয়োজনে কঠোর শাসক। ভুবনঘরের নানাবাড়িতে অনেক আনন্দময় দিন কেটেছে আমাদের। বিশাল দোতলা বাড়ি, সে আমলের কথা অনুযায়ী বড় বড় উঁচু ছাদওয়ালা ঘর, চওড়া বারান্দা। দোতলার ঘরগুলোর সামনের দিকে বেশ খানিকটা
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- ছোটগল্প
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- মুক্তিযুদ্ধ
- সাংবাদিকতা
- স্মৃতিকথা
- ভূমিকা
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- ভৌতিক
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- ছাত্র আন্দোলন
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইংরেজি
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- বই
- চিরায়ত
- বিজ্ঞানী
- কিশোর
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- ব্যাঙ্গাত্মক
- ঢাকা
- অর্থনীতি
- দুঃসাহসিক
- সমালোচনা
- নারী
- ফুল
- বিশ্ববিদ্যালয়
- শিশুতোষ
- সাম্রাজ্যবাদ
- চট্টগ্রাম
- গণহত্যা
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- রাশিয়া
- গবেষণা
- সিলেট
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- রূপকথা
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- লালন
- আত্মজীবনী
- আর্টিস্ট
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- বিপ্লব
- খুলনা
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- জাতীয়
- রংপুর
- অভ্যুত্থান
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- সংবাদ
- সরকার
- গান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (১৯)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৩)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৫)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.