সাময়িকী
প্রক্রিয়াধীন
যেসব প্রবন্ধ বা গল্পের উৎস সুনির্দিষ্ট করার প্রক্রিয়া চলমান বা শনাক্ত করা যায়নি, সেগুলি এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত। বাংলাপুরাণ তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি লেখার উৎস উল্লেখ করতে সচেষ্ট, তবে কিছু ঐতিহাসিক বা প্রচলিত রচনার উৎস অনির্ধারিত বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় সেগুলো এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
-
একাত্তরে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ারে আয়োজিত 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর অন্যতম শিল্পী রিঙ্গো স্টার। সেই কনসার্টে রিঙ্গো তাঁর বিখ্যাত গান 'ইট ডোন্ট কাম ইজি' পরিবেশন করেন। তিনি দুনিয়া কাঁপানো ব্যান্ড দ্য বিটলসের ড্রামার ও শিল্পী। ব্রিটিশ সংগীত তারকা রিঙ্গো স্টারের পুরো নাম রিচার্ড স্টার্কি। তিনি ১৯৪০ সালের ৭ জুলাই যুক্তরাজ্যের লিভারপুলে জন্মগ্রহণ করেন।
আমার বয়স সত্তরের বেশি। কিন্তু আমি নিজেকে ৪০ বছর বয়সী ভাবি। এখনো তরুণ আমি। এই যে একটা গান আছে না, 'লাইফ বিগিনস অ্যাট ফোর্টি!' আমার বয়স যতই বাড়ছে আমি ততই জীবনযাপন শিখছি। পৃথিবীকে নতুন করে দেখছি।
১৩ বছর বয়স থেকে স্বপ্ন দেখি আমি বড় আসরে ড্রাম বাজাব। সেই
-
সাক্ষাৎকার: মানিক সরকারবাংলাদেশে বিএনপি শাসনামলে কখনও আমাদের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। সেই সময়কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী একদিন বললেন, 'ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রীর যদি সন্দেহ হয়, তাকে আমরা নিয়ে আসব। নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়াব। উপরে থেকে তাকে দেখাব এখানে কোন ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি-টাটি নেই।'মানিক সরকার: ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য এবং আমাদের প্রতিবেশী ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী তিনি। চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে সাক্ষাত করতে এসেছি জেনে সময় দিলেন। পাটভাঙ্গা পাঞ্জাবি-পায়জামা পরে দৃঢ় এবং তেজোদ্দীপ্ত ব্যক্তিত্ব মানিক সরকার সিপিএম কার্যালয়ে অতিথিদের বসার জন্য সংরক্ষিত ছোট্ট একটি রুমে বসেই তাঁর সঙ্গে আমার কথা হয়। সংক্ষিপ্ত সময়ের এই আলোচনায়
-
[জ্যোতি বসু, ভারতে প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দু’দশক ধরে আছেন কোলকাতায়, কেন্দ্রে অবদানও কম নয়। এ মাসে তিনি ৮৩ বছরে পা রেখেছেন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ বয়সেও জ্যোতি বসু ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনীতিবিদ। কেন্দ্রের দু'দুটি কোয়ালিশন সরকার গঠন ও কার্যকারিতায় তার ভূমিকা ব্যাপক। সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডে'তে প্রকাশিত তার সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হলো কাগজ পাঠকদের জন্যে।
সাক্ষাতকারটি ভাষান্তর করেছেন মনোতোষ রুমার।]
ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম। দেশের সংকটময় মুহূর্তে তিনি বুক চিতিয়ে দাঁড়ান। বলা চলে সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতা করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জুড়ি নেই। গত সাধারণ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন
-
লেখক: শহিদুল ইসলামএক. অবরুদ্ধ বাংলাদেশের প্রথম সূর্য ওঠার খরবটা পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। এমনকি ২৫ মার্চ ১৯৭১, মধ্যরাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী সে বাংলাদেশকে দখল করার জন্য শানিত আক্রমণ চালিয়ে প্রথম রাতেই হাজার হাজার মানুষকে লাশে পরিণত করেছে, সে খবরও আমি পাই দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। প্রকৃতির অবধারিত নিয়মানুসারে সেই কণ্ঠটি চিরকালের জন্য নীরব হয়ে গেলো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বসে আমার ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সূর্য ওঠার আগের ঘটনাটি সেলুলয়েডে বন্দী ছবির মতো আমার চোখে ভেসে উঠলো। সেদিনের ইতিহাস নিয়ে আমি অনেক লিখেছি। সেখানে দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ আছে। কিন্তু তার বেশি না। তাই দেবদুলালহীন পৃথিবীতে আজ তাঁর কথা আরো
-
লেখক: অধ্যাপক অজয় রায়
আমাদের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই তিনি চলে গেলেন। ১৯৩৩ সালে ১ অক্টোবরে ঢাকা শহরের বকশীবাজার এলাকায় নবকুমার ইনস্টিটিউটের পাশে মাতামহ পূর্ণানন্দ গুপ্তের বাড়িতে প্রিয়দর্শনের জন্ম হয়। তার শিক্ষা প্রধানত ঢাকা শহরে পগোজ হাইস্কুল, জগন্নাথ কলেজ এবং সর্বশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রি (১৯৫৪) নিয়ে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। তবে অবশ্য মাঝখানে কলকাতায় এসে বঙ্গবাসী কলেজ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানে দু'বছরের বিএসসি (Hons) ডিগ্রি নিয়ে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন।
তিনি কলকাতায় ১৯৫৪ সালে বঙ্গবাসী কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে ওই কলেজ থেকে অধ্যাপকরূপে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন ছাত্র-শিক্ষকদের সম্মান ও ভালোবাসা
-
লেখক: সৈয়দ আবুল মকসুদ
বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে কবি-শিল্পী-সাহিত্যিকেরা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একাত্তরের মার্চে বঙ্গবন্ধুর ডাকে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে তাঁদের ভূমিকা ছিল অগ্রসৈনিকের। শুধু লেখালেখি নয়, তাঁরা রাজপথে মিটিং-মিছিল করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দেশের ভেতরে থেকে কবি-সাহিত্যিকদের অনেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নিয়েছেন। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যাঁদের পক্ষে ভারতে যাওয়া সম্ভব হয়, তাঁরাও সেখানে গিয়ে বিভিন্নভাবে সাধ্যমতো ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের কবি-লেখক-শিল্পীদের সঙ্গে তখন যোগ দেন ভারতের বাঙালি কবি-সাহিত্যিকেরা। তাঁরা বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনে অসামান্য ভূমিকা রাখেন।
কলকাতার উর্দুভাষী কবি-সাহিত্যিকেরা অনেকেই বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে এগিয়ে আসেননি। তবে কেউই আসেননি তা
-
বাংলাদেশে যখন মোট জনসংখ্যা ছিল মাত্র সাত কোটি, তখন দেশের এক কোটি লোক দেশ ছাড়তে বাধ্য হলো। কেন এক কোটি বাংলাদেশি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল তার কয়েকটি রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক কারণ ও প্রেক্ষাপট উল্লেখ করা যেতে পারে:
রাজনৈতিক:
শরণার্থীদের এক বৃহৎ অংশ ছিল হিন্দু ধর্মের অনুসারী। এ সকল বাংলাভাষাবাসী হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা প্রধানত ভোট দিয়েছে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এককভাবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদেরকে। কারণ অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারে সব সময় বলে আসছে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে তারা বিশ্বাসী এবং এই দল নির্বাচিত হলে তারা ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকল মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। সকল ধর্মের অনুসারীরা
-
লেখক: ফাদার রিগন
'১৯৭১-এর ১ মার্চ আমি ছিলাম ঢাকায়। ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলেন। পূর্ব বাংলায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঘৃণা আর প্রতিবাদের উত্তাল তরঙ্গ। এই তরঙ্গের আছাড়েই আমি আমার কর্মক্ষেত্র বানিয়ারচরে ফিরে এলাম। এরপর আরও অস্থিরতা! অপেক্ষা একটি স্বাধীনতা যুদ্ধ!'
এভাবে ধীরে ধীরে ব্যাপক পরিসরে ফাদার মারিনো রিগনের ডায়েরিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র। তাঁর দিনলিপির পাতায় পাতায় ১৯৭১ সালে তিনি ইতালীয় ভাষায় লিখে রাখেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির ওপর পাকসেনাদের আর তাদের এই দেশীয় দোসর রাজাকারদের অত্যাচারের কথা।
ক্যাথলিক এই ধর্মযাজকের বয়স হয়েছে ৮২ বছর। জীবনের বড় অংশটি তিনি কাটিয়েছেন বাংলাদেশের বুকে।
-
লেখক: এনামুল হক
একটা সময় ছিল যখন কিংবদন্তির ব্যান্ড দল বিটলস-এর জনপ্রিয়তা পশ্চিমা দুনিয়ায় আকাশকে স্পর্শ করেছিল। সেটা ছিল ষাটের দশক। হিপ্পি আন্দোলনের জোয়ার বইছিল পশ্চিমে। সেই জোয়ারে মিশে গিয়ে তরুণ সমাজের এক বিরাট অংশ সমাজের প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধ, রাজনীতি, আদর্শ, দর্শন সবকিছুকেই অস্বীকার করে বসে। তারা তাদের পোশাকআশাক, চালচলন, জীবনযাপনের দ্বারা সমাজের প্রতি বিজাতীয় ঘৃণার প্রকাশ ঘটায়। তারা লম্বা চুল রাখতে থাকে, উদ্ভট ধরনের পোশাক পরে, মারিজুয়ানা, কোকেন প্রভৃতি ড্রাগে আসক্ত হয় এবং সেই সঙ্গে লিপ্ত হয় অবাধ যৌনাচারে। ব্যান্ড দল বিটলস যেন এদের দর্শনকে তুলে ধরার জন্য জন্ম নিয়েছিল। এই ব্যান্ড দল প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে ষাটের দশকের
-
চীন বিপ্লবের আগে চীনের সমাজ যখন আমাদের দেশের এখনকার সমাজের মতই এক ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে বিকশিত হচ্ছিল, তখন পিকিংএর এক সুধী সমাবেশ বক্তৃতা দানকালে ১৯২৪ সালে লুসুন বলেছিলেন, "যে অভাবটি সম্পর্কে বর্তমানে চীনের শিল্পী-সাহিত্যিকগণ সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠে রব উঠিয়েছেন, তা হল একজন প্রতিভাবানের অভাব। এ থেকে দুটো বিষয় প্রমাণিত হয়: প্রথমত, এই মুহূর্তে চীনে কোন প্রতিভান নেই; দ্বিতীয়ত আমাদের আধুনিক শিল্পকলা প্রত্যেককেই এখন রুগ্ন ও ক্লান্ত করে তুলেছে। সত্যই কি কোন প্রতিভাবান নেই? থাকতে পারেন কিন্তু আমরা তাঁর সাক্ষাত পাইনি, অন্য কেউও পায়নি। কাজেই যা আমরা চোখে দেখছি ও কানে শুনছি, তার ভিত্তিতে আমরা 'বলতে পারি, কোন প্রতিভাবান নেই। কেবলমাত্র প্রতিভাবানই
-
১৯৪৭ সালে যখন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয় তখন বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের অধিকাংশই পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিল। আজ ১৯৭১ সালে তাঁদের সকলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত। বুদ্ধিজীবীদের মানসচৈতন্যের এই পরিবর্তন বিস্ময়কর হলেও অস্বাভাবিক নয়। দেশবিভাগের পূর্বে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের একটি প্রবল প্রতিবাদ ছিল অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে। এই অর্থনৈতিক শোষণের ক্ষমতা ছিল যাদের, তারা সেই ক্ষমতার প্রয়োগে শিক্ষা ও রাজনীতি ক্ষেত্রে আপন প্রতিষ্ঠাকে সম্ভবপর করেছিল। তাই অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ একটি রাজনৈতিক পরিমণ্ডল নির্মাণ করেছিল বাংলাদেশের মানুষের জন্য। তখন অর্থনৈতিক ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত ছিলেন বাংলাদেশের হিন্দু ভূস্বামীবৃন্দ এবং এই ক্ষমতার বলে শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁরা ছিলেন অগ্রসর এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা লাভের অধিকারী।
-
আমার বন্ধুর মুখে শোনা এ গল্প। বন্ধুটি বর্তমানে কলকাতার কোনো কলেজের প্রফেসার। বেশ বুদ্ধিমান, বিশেষ কোনোরকম অনুভূতির ধার ধারেন না, উগ্র বৈষয়িকতা না থাকলেও জীবনকে উপভোগ করার আগ্রহ আছে, সে কৌশলও জানা আছে।
সেদিন রাত্রে ঝম-ঝম করে বৃষ্টি পড়ছিল। নানারকম গল্প হচ্ছিল গরম চা ও আনুষঙ্গিক খাদ্যের সঙ্গে মজিয়ে। অবিশ্যি ভূতের গল্পই হচ্ছিল। আমার বন্ধু একটা গল্প বললেন, আশ্চর্য লাগল গল্পটা। একজন বিজ্ঞানের অধ্যাপক যখন এই গল্পটা করলেন তখন এর একটা মূল্য আছে ভেবেই এই গল্পটা বলছি। তাঁর নিজের কথাতেই বলি —
সেবার আমি বিএ পরীক্ষা দিচ্ছি, অনার্স পরীক্ষা হয়ে যাবার পর দিন চার-পাঁচ ছুটি পাওয়া গেল। কীসের ছুটি তা
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- গদ্য
- জীবনী
- বাংলা
- কবিতা
- নজরুল
- রমন্যাস
- লেখক
- জাতীয়তাবাদ
- ভাষণ
- ছোটগল্প
- ইসলাম
- দাঙ্গা
- পাকিস্তান
- ভারত
- সংঘর্ষ
- হিন্দু
- মুক্তিযুদ্ধ
- সাংবাদিকতা
- স্মৃতিকথা
- ভূমিকা
- আন্দোলন
- মধ্যপ্রাচ্য
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- সাম্যবাদ
- পুঁজিবাদ
- যুক্তরাষ্ট্র
- নদী
- পশ্চিমবঙ্গ
- বঙ্গবন্ধু
- ভাষা
- সমাজ
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- রবীন্দ্রনাথ
- ছাত্র আন্দোলন
- বিজ্ঞান
- মনোবিজ্ঞান
- মানসিক স্বাস্থ্য
- অনুবাদ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ইংরেজি
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
- বই
- চিরায়ত
- বিজ্ঞানী
- ভৌতিক
- কিশোর
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা
- ব্যাঙ্গাত্মক
- অর্থনীতি
- দুঃসাহসিক
- সমালোচনা
- নারী
- ফুল
- ঢাকা
- বিশ্ববিদ্যালয়
- শিশুতোষ
- চট্টগ্রাম
- গণহত্যা
- রাশিয়া
- গবেষণা
- সিলেট
- চলচ্চিত্র
- নাট্যশালা
- শিল্পকলা
- সঙ্গীত
- রূপকথা
- আলোচনা
- কারুশিল্প
- গণতন্ত্র
- নির্বাচন
- ঘুমপাড়ানি গল্প
- কলকাতা
- সাম্রাজ্যবাদ
- লালন
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- আত্মজীবনী
- আর্টিস্ট
- চিঠি
- অতিপ্রাকৃত
- ময়মনসিংহ
- লোককাহিনী
- বিপ্লব
- খুলনা
- উদ্ভিদ
- পরিবেশ
- জাতীয়
- রংপুর
- অভ্যুত্থান
- আইন
- সংবিধান
- শৈশব
- সংবাদ
- সরকার
- গান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৪০)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (১৪)
- ২০২২ (২)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (১)
- ২০১৯ (১)
- ২০১৮ (৩)
- ২০১৭ (৩)
- ২০১৬ (৫)
- ২০১৫ (২৯)
- ২০১৪ (১)
- ২০১১ (৯)
- ২০১০ (১)
- ২০০৯ (১)
- ২০০৮ (১)
- ২০০৬ (১)
- ২০০৪ (১)
- ২০০৩ (১)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (৩)
- ১৯৯৭ (১)
- ১৯৯৬ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯৩ (১)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (৩)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৭ (২)
- ১৯৮৬ (১)
- ১৯৮৫ (২)
- ১৯৮৪ (১৯)
- ১৯৮৩ (২)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৮১ (৬)
- ১৯৮০ (৩)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (৩)
- ১৯৭৩ (১)
- ১৯৭২ (২)
- ১৯৭১ (২০)
- ১৯৬৯ (৬)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬২ (২)
- ১৯৬০ (৭)
- ১৯৫৯ (৪)
- ১৯৫২ (১)
- ১৯৪৬ (৬)
- ১৯৪৪ (৩)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯০৩ (১)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (৭)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- অমৃত রাই (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (২)
- আব্দুল লতিফ (১)
- আর্নস্ট ফিশার (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- এম আর আখতার মুকুল (২)
- এম এ আজিজ মিয়া (৩)
- এহসান হায়দার (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৯)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৫)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কৃষণ চন্দর (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- চিত্রা দেব (১)
- জওহরলাল নেহেরু (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জহির রায়হান (১)
- জাফর আলম (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- জয়নাল হোসেন (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (৩)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নাডিন গর্ডিমার (১)
- নিতাই দাস (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রকাশ কারাত (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৫৫)
- প্রমথ চৌধুরী (১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৩)
- বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায় (১)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- ভার্জিনিয়া উলফ (১)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মীজানুর রহমান (২)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (৩)
- মোস্তফা সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (২)
- যতীন সরকার (৮)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১৩)
- রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- রাধারমণ মিত্র (১)
- রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য (১)
- রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- রুমানা নাসরিন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (৫)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সাদত হাসান মান্টো (১০)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (১)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন চন্দ (২)
- হরবোলা (৯)
- হাফেজ শিরাজি (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.