ফ্যাসিবাদ কী?
[১৯৩১ সালের ১৫ নভেম্বরে এক ব্রিটিশ কমরেডকে লেখা চিঠি থেকে উদ্ধৃত, যা ১৯৩২ সালের ১৬ জানুয়ারি দ্য মিলিটান্টে প্রকাশিত হয়।]
ফ্যাসিবাদ কী? শব্দটার উৎস ইতালিতে। সব ধরনের প্রতিবিপ্লবী একনায়কতন্ত্রই কি ফ্যাসিবাদী (বলতে গেলে ইতালিতে ফ্যাসিবাদ আসার পূর্বে)?
১৯২৩-১৯৩০ সালে স্পেনে প্রিমো ডে রিভরোর একনায়কতন্ত্রী শাসনকে কমিন্টার্ন অভিহিত করেছিল ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র হিসাবে। এই বিশ্লেষণটা কি সঠিক ছিল? আমরা মনে করি এটা সঠিক ছিল না।
ইতালিতে ফ্যাসিবাদী আন্দোলন ছিল ব্যাপক জনগণের এক স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন—যেখানে নতুন নেতৃত্ব তৃণমূলের সাধারণ কর্মী থেকে উঠে আসছিল। এই আন্দোলন মূলগতভাবে ছিল বড় বড় পুঁজিপতি শক্তিদের দ্বারা পরিচালিত ও আর্থিক সাহায্যপ্রাপ্ত এক গণআন্দোলন, যার সামনের সারিতে ছিল পেটি-বুর্জোয়া জনতা, হতদরিদ্র শ্রমিক ও কিছু পরিমাণে শ্রমিকশ্রেণীর এক অংশ। মুসোলিনী, এক পূবর্তন সমাজতন্ত্রী, এই আন্দোলন থেকে স্বগঠিত এক ব্যক্তিত্ব হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। প্রিমো ডে রিভেরা অভিজাত সম্প্রদায়ের লোক ছিলেন। তিনি উচ্চপদস্থ মিলিটারি ও আমলাতান্ত্রিক প্রশাসক এবং ক্যাটালোনিয়ার প্রধান প্রশাসক ছিলেন। রাষ্ট্রশক্তি ও মিলিটারি বাহিনীর সহায়তায় তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন। স্পেন ও ইতালির একনায়কতান্ত্রিক শাসনদুটি ছিল ভিন্ন ধরনের, তাদের মধ্যে পার্থক্য করা প্রয়োজন। ফ্যাসিবাদী বাহিনীর সহায়তায় পুরাতন মিলিটারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে কব্জা করতে মুসোলিনীকে বেগ পেতে হয়েছিল। প্রিমো ডি রিভেরার ক্ষেত্রে এই সমস্যা হয়নি।
জার্মানির আন্দোলন ইতালির সঙ্গে প্রায় সমগোত্রীয় ছিল। এটা ছিল এক গণআন্দোলন, যেখানে নেতৃত্ব বহুলাংশে ‘সমাজতন্ত্রী’ বুলির আশ্রয় নিয়েছিল। বস্তুত তা গণআন্দোলন তৈরির পক্ষে জরুরি ছিল।
তবে ফ্যাসিবাদের প্রকৃত ভিত্তি ছিল পেটিবুর্জোয়া জনগণ। ইতালিতে ফ্যাসিবাদের বিরাট গণভিত্তি ছিল একদিকে শহর ও মফস্বলের পেটিবুর্জোয়া জনতা এবং অন্যদিকে কৃষক, এই ছিল ফ্যাসিবাদের গণভিত্তির মূল আধার। জার্মানিতে একইভাবে ফ্যাসিবাদের এক বিরাট গণভিত্তি ছিল...
এটা বলা যেতে পারে, এবং বাস্তবত তা ঠিকই, যে নব্য মধ্যবিত্ত শ্রেণী, রাষ্ট্রের পরিচালকরা এবং বেসরকারি প্রশাসকরাও এই ধরনের ভিত্তি তৈরি করতে পারে, কিন্তু এটা একটা নতুন ধরণের প্রশ্ন, যেটি অবশ্যই বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। ফ্যাসিবাদ সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করার যোগ্যতা অর্জনের আগে ফ্যাসিবাদী দর্শন সম্পর্কে সম্যক উপলব্ধি থাকা প্রয়োজন। ফ্যাসিবাদ কী? তার ভিত্তি, রূপ ও চরিত্র কী? ফ্যাসিবাদের অগ্রগতি কীভাবে ঘটে? প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে গেলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন।
পরিচয়, ফ্যাসিস্টবিরোধী সংখ্যা ১৯৭৫
লিও ট্রটস্কি
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
-
বাংলাদেশ ছিল নদীমাতৃক। নদী ছিল বাংলার জীবনযাত্রার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। কিন্তু আজ যে-টুকু বাংলা আমাদের, সে বাংলা তেমন নদীবহুল নয়। যে-অংশ নদীবহুল এবং নদীর খেয়ালখুশীর সঙ্গে যে অংশের মানুষের জীবনযাত্রা একসূত্রে বাঁধা সে অংশ আজ আমাদের কাছে বিদেশ। অদৃষ্টের এ পরিহাস রবীন্দ্রনাথের কাছে ভয়ানক দুঃখের কারণ হত।
প্রকৃতি রবীন্দ্রনাথকে আবিষ্ট করেছিল। সেদিক থেকে তিনি ওয়ার্ডসওয়ার্থের সগোত্র ছিলেন। কিন্তু প্রকৃতির বিভিন্ন প্রকাশের মধ্যে নদী কবিকে বোধহয় সবচেয়ে বেশী মুগ্ধ ক’রেছিল। তাই কবি নদীর কাছে সময়ে অসময়ে ছুটে গেছেন। তাই তিনি নদীর বুকে নৌকাতে ভাসতে এত ভালবাসতেন। নদীর তরুণীসুলভ চাপল্য এবং গতি কবির চিরতরুণমনে গভীর দাগ কেটেছিল। তাছাড়া সংসারের কোলাহল থেকে মুক্তি
-
তপুকে আবার ফিরে পাব, এ কথা ভুলেও ভাবিনি কোনোদিন। তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে। ভাবতে অবাক লাগে, চারবছর আগে যাকে হাইকোর্টের মোড়ে শেষবারের মতো দেখেছিলাম, যাকে জীবনে আর দেখব বলে স্বপ্নেও কল্পনা করিনি- সেই তপু ফিরে এসেছে। ও ফিরে আসার পর থেকে আমরা সবাই যেন কেমন একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। রাতে ভালো ঘুম হয় না। যদিও একটু-আধটু তন্দ্রা আসে, তবু অন্ধকারে হঠাৎ ওর দিকে চোখ পড়লে গা হাত পা শিউরে ওঠে। ভয়ে জড়সড় হয়ে যাই। লেপের নিচে দেহটা ঠক্ ঠক্ করে কাঁপে।
দিনের বেলা অনেকেই আমরা ছোটখাটো জটলা পাকাই।
দিনের বেলা ওকে ঘিরে দেখতে আসে ওকে। অবাক হয়ে
Leave A Comment
Don’t worry ! Your email address will not be published. Required fields are marked (*).
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.
Featured News
Advertisement
-
welcome
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
-
Thank you
- by bappi
- ১৫ Jan ২০২৬
-
good
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
Comments