-
ভারতীয় ভাষার দরবারে বাংলা আজ দুয়োবানী। সর্বশ্রেষ্ঠ ভারতীয় ভাষা হিসাবে বাংলাকে স্বীকার করা তো দূরের কথা, বিজ্ঞানের ভাষা হিসাবে বাংলার যে উৎকর্ষ স্বাভাবিকভাবেই রয়েছে তা মেনে নিতেও অনেকের গায়ে বাধছে। অথচ দুরূহ বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার যে ক্ষমতা রয়েছে বিগত একশত চল্লিশ বৎসর ধরে রচিত অসংখ্য বাংলা বিজ্ঞান-গ্ৰন্থই তার প্ৰমাণ। ঊনবিংশ শতাব্দীতে অক্ষয়কুমার দত্ত, রাজেন্দ্রলাল মিত্র ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বিংশ শতাব্দীতে রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, জগদীশচন্দ্র বসু, প্রফুল্লচন্দ্র রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জগদানন্দ রায় প্রমুখ লেখকেরা প্রমাণ করে গেছেন দুরূহ বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ক্ষমতা কতখানি। কিন্তু এঁরা হলেন বাংলা বিজ্ঞান-সাহিত্যের দিক্পাল। এদের থেকে দৃষ্টি
-
প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে শেখ সাহেবের আলোচনা ভেঙে গেছে। সংবাদটা সমস্ত শহরবাসীর মনের উপর কালো ছায়ার মত নেমে এসেছে। বাতাসটা যেন ক্রমেই ভারী হয়ে আসছে। বেশ বুঝতে পারছি এক মহাবিপর্যয়ের ধারালো খড়্গ ক্ষীণসূত্রে আমাদের মাথার উপর ঝুলছে। যে-কোনো সময় তা ছিঁড়ে পড়ে যেতে পারে। আমরা ক-জন বন্ধু সেই কথা নিয়েই আলাপ আলোচনা করছিলাম। কিন্তু সেই ভয়ঙ্কর সময়টা যে এখনই এসে গেছে তা আমরা কেউ ভাবতে পারিনি।
বড়ভাই হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরের মধ্যে এসে ঢুকলেন। বড়ভাই ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী। ঘরের মধ্যে ঢুকেই তিনি উত্তেজিত কণ্ঠে বলে উঠলেন, এখানে বসে বসে করছ কি তোমরা? এখন কি বসে থাকার সময় আছে! আজ রাত্রেই ওরা হামলা
-
[১৯৪৭এ দেশ বিভাগের পরে অনিবার্যরূপেই একটা জিজ্ঞাসা আমাকে পেয়ে বসেছিল, কি করে সম্ভব হলো বাঙালির এই ‘হারিকরি’? যা আমার ধারণা তা বলবার জন্যই লিখতে বসেছিলাম ‘বাঙলা সাহিত্যের রূপরেখা’। লেখা শেষ হয়নি—বিশেষ করে যেখানে এসে দুর্ভাগ্যের সূচনা—ঊনবিংশ শতাব্দী—সেখানে পৌঁছতে পৌঁছতেই দ্বিতীয় ভাগ শেষ হয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙলা সাহিত্য থেকে বাঙালি মুসলমানের স্বেচ্ছা নির্বাসন কেন, তার ফল কী? বিশদ করে তা বলবার সমর্থ আয়ুতে আর কুলোবে কিনা জানি না, কিন্তু তার কথা বলবার সুযোগ আর উপেক্ষা করলাম না। দিল্লীতে ১৯৭১-এর গত ১০ই এপ্রিলের বাঙলা সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজিত সমসাময়িক ‘বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যে’র আলোচনাসভার সভাপতির মৌখিক ভাষণে সে-চেষ্টা করেছি। সে-সভায় সমসাময়িক বাঙলা সাহিত্যের
-
বাংলাদেশ আজ মুক্ত। ইতিহাসের এক প্রচণ্ড অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গৌরবে বাংলাদেশের আবালবৃদ্ধবণিতা আজ ভূষিত। অমিত শৌর্য নিয়ে স্বদেশের সত্তা, স্বার্থ ও সম্মানের জন্য সার্থক সংগ্রাম করেছেন সেখানকার বাঙালিরা। ভারতভূখণ্ডে এমন উদ্দীপনাময় ঘটনার সাক্ষাৎ কখনও মিলেছে মনে হয় না। বিশ্বের বৃত্তান্তে নতুন সংযোজনা করতে চলেছে বাঙালি—
ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়, তোমারি হউক জয় ৷
তিমির-বিদার উদার অভ্যুদয়, তোমারি হউক জয় ৷
ভারতের সৌভাগ্য ও গর্ব আজ এই যে পরম সৌহার্দ্য নিয়ে, বিপুল বিদেশী প্রতিকূলতায় সন্ত্রস্ত না হয়ে, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে সাধ্যাতিরিক্ত সহায়তা দিতে সে চেয়েছে এবং পেরেছে। আর আমরা—যে যেখানে আছি—যারা মায়ের কোলে শুয়ে প্রথম কথা বলতে শিখি বাঙলা ভাষায়, তারা
-
বড়দিনের মরশুমে এবার উদয়শঙ্করের নৃত্যানুষ্ঠান একটি বিশেষ আকর্ষণ। প্রায় ২০ বৎসর পূর্বে, শঙ্কর যখন উদয়শিখরে তখন তাঁর নৃত্য দেখবার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেই শ্রদ্ধা, বিস্ময়বোধ ও আকাঙ্ক্ষা নিয়েই গেলাম তাঁর নৃত্যানুষ্ঠান আবার দেখতে। কিন্তু অধিকাংশ দর্শকেরই মতো হতাশ হয়ে ফিরে এলাম। অনূভব করলাম উদয় আজ অস্তাচলে। এ অনুভূতির পেছনে বিক্ষোভ ততটা নেই যতটা আছে বেদনা।
রবীন্দ্রনাথের পর শঙ্করই ছিলেন বহির্বিশ্বে ভারতের সাংস্কৃতিক দূত। তাঁর আবির্ভাব ভারতের নৃত্য তথা সংস্কৃতি জগতে একটা মস্তবড় ঘটনা। রবীন্দ্রনাথ সাহিত্য ও সঙ্গীতে, শিশিরকুমার মঞ্চে যে নবযুগের সৃষ্টি করেছেন, শঙ্কর তা করেছেন নৃত্যে। ক্ষয়িষ্ণু, সামন্ততন্ত্রী সমাজে, ভারতের ঐ বর্ষশালী প্রাচীন নৃত্যকলা আশ্রয় নিয়েছিল বারবণিতালয়ে। এই যুগে রবীন্দ্রনাথই
-
সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ
লেখক: রেবতী বৰ্মণ
প্রকাশক: ন্যাশনাল বুক এজেন্সি লিমিটেড, কলিকাতা
বন্ধুবর রেবতী বর্মণ আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তার বিয়োগোত্তর প্রকাশনী ‘সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ তার সর্বশেষ গ্রন্থ। স্বভাবতই এই গ্রন্থ-সমালোচনার সময় আগে রেবতীবাবুর বিয়োগ-ব্যথাই তার অগণিত বন্ধু ও সহকর্মীদের কাছে বড় হয়ে উঠবে। তাই অনেকটা হৃদয়াবেগ সংযত করেই আলোচনায় অবতীর্ণ হচ্ছি।
‘সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস বিশ্লেষণ করার মহৎ প্রচেষ্টা। বাংলা ভাষাতে অমিত সেনের ‘ইতিহাসের ধারা’র পরে এইরূপ সার্থক গ্রন্থ আর সম্ভবত প্রকাশিত হয়নি।
‘ইতিহাসের ধারা’য় মানব-সমাজের বিভিন্ন যুগের ধারা বিভাগ ও বিবর্তনের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ অসাধারণ-রকমের সহজ ভঙ্গিতে বলা হয়েছে ৷ ‘সমাজ ও সভ্যতার
-
রুশ দেশ ও রুশ জাতির সঙ্গে আমার কালের বাঙালীদের অনেকেরই পরিচয় করিয়েছে রুশ সাহিত্য। আর শুধু রুশিয়ার নয়, নিজেদের সঙ্গেও আমরা তাতে পরিচিত হয়েছি। আসলে পরিচিত হয়েছি মানুষের সঙ্গে, আর মানুষের জীবন-সত্যের সঙ্গে। সব সাহিত্যেরই এই ব্রত। রুশ সাহিত্যে সে ব্রত সার্থকভাবে পালন করতে পেরেছে বলেই আমরা অনুবাদে পড়া রুশ-সাহিত্যের নামেও পাগল হতাম। তাই আজও আমরা শুধু লেনিনের নামেই রুশিয়ার সম্মুখে প্রীতি ও শ্রদ্ধাভরে দাঁড়াই না, দাঁড়াই তার রুশ সাহিত্যিকদের নামেও। চেখফ তেমনি একটি নাম।
একটা প্রশ্ন তবু আছে—রুশ-জীবনের এই পরিণতির কী আভাস ছিল চেখফ-এর গল্পে নাট্যে? একথা তো জানি এবং অনুভব করতে পারি—সেদিনের রাজনৈতিক দল ও মতবাদ সম্বন্ধে চেখফ
-
মস্কো শহরের মাঝখানে ক্রেমলিনের কাছাকাছি তিনতলা একটা বাড়ি। বাড়িটা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন কেন্দ্রীয় স্মৃতি-সৌধ ৷ এখানে দেখতে পাওয়া যাবে মহান নেতা লেনিনের হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি, তাঁর নিজের লেখা বইয়ের প্রথম সংস্করণ, যে-সব বই তিনি পড়তেন, কাজে লাগাতেন সেই বই গুলি। আর তারই সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত জিনিসপত্র—ফটো, ছবি, মূর্তি, দলিলপত্র। এর প্রত্যেকটি জিনিস দেখলেই মনে হবে কি এক অদ্ভুত অপূর্ব মানুষই না ছিলেন দুনিয়ার প্রথম সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা লেনিন ৷
হাজার হাজার জিনিসের প্রদর্শনী। প্রত্যেকটি জিনিসের পেছনেই রয়েছে তার নিজস্ব কাহিনী। ঐতিহাসিক দলিলপত্রের ভিতরে রয়েছে ভারতবাসীদের পাঠানো একখানা অভিনন্দপত্র। আবছা হয়ে এসেছে লেখা। কালি মুছে আসা বিবর্ণ সেই কাগজখানার দিকে তাকালেই
-
সকালে একটি নিগ্রো খচ্চরটাকে খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিল বড় কুঠিতে। যাওয়ার পথে কর্নেল হেনরি ম্যাকস্ওয়েলকে ব্যাপারটা জানিয়ে এল। তারপর কর্নেল হেনরি ফোন করলেন শেরিফকে। শেরিফ ঝটপট জিমকে শহরে পাকড়াও করে আনলেন। তারপর তাকে গারদে আটকে বাড়ী চলে গেলেন শেরিফ এবং গিয়ে সকালের খানা খেতে বসলেন।
শার্টের বোতাম আঁটতে আঁটতে জিম শূন্য গারদখানার চারদিকে ঘুরে বেড়ালো কিছুক্ষণ। তারপর এসে বসল বিছানায়। জুতোর ফিতে বাঁধল বসে বসে। সবটা এমন তাড়াতাড়ি ঘটে গেল সেদিন সকালে যে এক গ্লাস জল খাওয়ারও সময় পায় নি জিম। উঠে সে দরোজার কাছে রাখা জলের বালতীটার কাছে গেল। কিন্তু শেরিফ ভুলে গেছে বালতীতে জল রাখতে।
ইতিমধ্যে জেলের প্রাঙ্গনে এসে
-
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের চল্লিশ বছরের চিত্র সাধনায় যবনিকা পড়ে গেল। বাঙলাদেশের এই ক্লান্তিহীন শিল্পী তাঁর কর্মক্ষেত্র ঢাকায় তাঁর সমাপ্ত ও অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের নানাধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষার মাঝখানটিতে চিরকালের জন্য ঘুমিয়ে পড়লেন। মৃত্যুর কারণ ফুসফুসে ক্যানসার। চার বছর আগে স্ট্রোকে তাঁর জীবনসংশয় হয়েছিল। তাঁর কব্জি এবং আঙুল ভিতরে ভিতরে জখম হয়েছিল। কিন্তু অনেক কাজ পড়ে আছে এবং সাধারণভাবে বাঙলাদেশের ছবি আঁকার সাধনায় যারা নেমেছে, তাদের লড়াইকে এগিয়ে নেবার সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষ করে নিজস্ব ছবি আঁকার পদ্ধতিকে আরো কঠিন ভাবে সামলে জানতে হবে—এই তাগিদ তাঁকে সহায়তা করেছিল অরোগ্যের সংগ্রামে। তিনি জয়ী হয়েছিলেন বলা যেতে পারে। নতুন শক্তি ঢেলে তিনি ছবির পর ছবি
-
আজি এই পূণ্য দিনে
গাঁয়ের কিসান
কি গাহিব গান—
নাই ভাষা
দৈন্য হতাশায়
মন ম্রিয়মান।
হয়ত বা কেহ কেহ
বসি নিজে চৌতালের ‘পরে
গর্ব করে
শিখিয়াছি রবীন্দ্রের গীতি
গাই নিতি
বেহাগ খাম্বাজ ও ভৈরবী
নানাবিধ সুরে।
হয়ত বা দু’একটি পল্লীর গান
কাকডাকা সুরে
আমিও দিয়াছি টান
লোক দেখানোর তরে,
সে-সুর বেসুর বাজে
পৌঁছে নাই সবার অন্তরে।
ভেঙ্গে গেছে মানুষের মন
ভেঙ্গে গেছে কুঁড়ে ঘর
কামার ছেড়েছে গ্ৰাম
গুটায়ে হাপর,
জেলে কাঁদে জাল নাই
তাঁতী ব'সে গুটাইয়া তাঁত
এদের কান্নার সুরে
কেবা করে কর্ণপাত।
অজ্ঞতায় অন্ধকারে আছি
কোটি কোটি পুরুষ রমণী
কেউ দেয় নাই জানি
তব বাণী—
দীপশিখা খানি
এদের সম্মুখে
-
এক
জয়নুল আবেদিন সাহেবের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয় কলকাতার সরকারী আর্ট স্কুলে। তখন দেশ ভাগ হয়নি। ১৯৪৫ সালে আমি প্রথম বর্ষে আর্ট স্কুলে ভর্তি হই এবং শিক্ষক হিসাবে তাঁকে পাই। আর্ট স্কুলে ভর্তি হবার আগেও আমরা অনেকে তাঁকে নামে চিনতাম। ১৩৫০ এর দুর্ভিক্ষের বাস্তব রূপ চিত্রিত করে তিনি কলকাতা শহরে তখন আলোচিত ব্যক্তিত্ব। শহরের রাস্তায় অন্নের খোঁজে কঙ্কালসার মানুষের মিছিল, তাঁদের হাহাকার, মৃত্যুর ভয়াবহতা, তাঁর সপাট রেখা নির্ভর সৃষ্টিগুলোতে বিশিষ্ট রূপে পড়েছিল। জয়নুল আবেদিনের মতো একজন খ্যাতিমান শিল্পীকে শিক্ষক হিসাবে পাওয়া আমাদের অনেকের কাছেই ছিল কল্পনাতীত।
দ্বিতীয়বার জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে আমি ঘনিষ্ট সংস্পর্শ আসি ১৯৫০ সালে ঢাকায় সরকারী আর্ট
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- বই
- বিজ্ঞান
- পাকিস্তান
- মুক্তিযুদ্ধ
- আর্টিস্ট
- নৃত্য
- শিল্পকলা
- আলোচনা
- জীবনী
- লেখক
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- মার্কসবাদ
- অনুবাদ
- ছোটগল্প
- স্মৃতিকথা
- কবিতা
- রবীন্দ্রনাথ
- গদ্য
- দর্শন
- ওষুধ
- পুঁজিবাদ
- সমাজতন্ত্র
- রোজনামচা
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- ক্রিকেট
- বিশ্লেষণ
- চলচ্চিত্র
- উদ্ভাবন
- বাণিজ্য
- ভারত
- সমাজ
- ছড়া
- দুর্ভিক্ষ
- বাংলা
- যুদ্ধ
- চিরায়ত
- লোককাহিনী
- সমালোচনা
- ঢাকা
- পশ্চিমবঙ্গ
- নাট্যশালা
- ফ্যাসিবাদ
- আধ্যাত্মিকতা
- গদ্যকাব্য
আর্কাইভ
লেখক
- অজেয়া সরকার (১)
- অন্নদাশঙ্কর রায় (১)
- অরুণ সেন (১)
- অলোক রায় (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আন্তোনিও ফ্রাঞ্চেস্কো গ্রামশি (১)
- আবদুল হক (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আলবার্ট আইনস্টাইন (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- কল্যাণকুমার গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- ক্ষিতীশপ্ৰসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- গিরিজাপতি ভট্টাচার্য (১)
- গোপাল হালদার (৫)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- চিত্ত ঘোষ (১)
- চিদানন্দ দাশগুপ্ত (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জহির রায়হান (১)
- তপনকুমার ঘোষ (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নগেন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত (১)
- নফর কুণ্ডু (১)
- নরহরি কবিরাজ (১)
- নিবারণ পণ্ডিত (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৮)
- বিজন চৌধুরী (১)
- বিমলাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (১)
- বিষ্ণু দে (১)
- বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (১)
- মমতাজুর রহমান তরফদার (১)
- মহাদেবপ্রসাদ সাহা (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রঘুবীর চক্রবর্তী (১)
- রণমিত্র সেন (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (২)
- রবীন্দ্র মজুমদার (১)
- লিও ট্রটস্কি (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সতীশরঞ্জন খাস্তগীর (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সত্যেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার (১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সুভাষ মুখোপাধ্যায় (১)
- সুশীল জানা (১)
- হিমাচল চক্রবর্তী (১)
- হিরণকুমার সান্যাল (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (২)
- হেমাঙ্গ বিশ্বাস (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.