-
জনগণের যে বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণী পূর্ববাঙলার মুক্তিসংগ্রামে ব্রতী, তাদের চিন্তা-চেতনার গতিধারা সম্পর্কে একটি সঠিক ধারণা বৈপ্লবিক শ্রেণীদৃষ্টিতে যাচাই করে দুইভাবে পাওয়া যেতে পারে। প্রথমত, বিগত চব্বিশ বছরে পর্যায়ে পর্যায়ে যে লোক-অভ্যুদয় হয়েছে, তার ঘটনাবলীর মধ্যেকার চেতনার উত্তরণগুলিকে বিশ্লেষণ করলে বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণীর চিন্তার নব নব উপাদানকে বার করে আনা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, গত চব্বিশ বছরে রাজনৈতিক নিবন্ধ রচনা এবং যেসব সাহিত্যচর্চা ও সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছে, তার হিসাব-নিকাশ করলেও মুক্তিসংগ্রামের চেতনার উপাদানগুলির সাক্ষাৎ পাওয়া যেতে পারে।
এখানে লোক-অভ্যুদয়ের ব্যাপারটিকে প্রাথমিকভাবে যাচাই করে নিতে গেলে দেখা যাবে, কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে লক্ষ্য অর্জনে ব্রতী গণ-আন্দোলন শ্রেণীসজ্জার দিক দিয়ে পরিমাণগতভাবে বৃদ্ধি পেয়ে
-
বাঙলাদেশ জ্বলছে। জ্বলছে ঢাকা শহর, এখনকার বাঙলাদেশের রাজধানী শুধু জ্বলেনি, অনেক পরিমাণে নিশ্চিহ্ন। যেমন বাঙলাদেশের আর সব গ্রামে ও শহরে তেমনি পূর্ববঙ্গের এই ইতিহাস প্রসিদ্ধ সংস্কৃতিকেন্দ্র ঢাকায়ও হানা দিয়েছে মনুষ্যত্বহীন বিবেকবুদ্ধি বর্জিত মারণাস্ত্রে সুসজ্জিত রক্তচক্ষু শাসকের নরখাদক বাহিনী। ঢাকা এখন ধ্বংসস্তূপ, লড়াই চলেছে এখানে-সেখানে। নির্জন পথঘাটে শ্মশানের স্তব্ধতা।
এই ঢাকা শহরেই জন্মেছিলাম, কাটিয়েছি শৈশব থেকে যৌবনের বেশ কিছু সময় পর্যন্ত। কখনো ভাবিনি ঢাকা ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে হবে। খাওয়া-দাওয়া শস্তা, লেখা-পড়ার সুযোগ পর্যাপ্ত, বারো মাসে তেরো পার্বনের ঢেউ। ঢাকা শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র, রাজনীতির প্রাণকেন্দ্রও নিশ্চয়। ছেলেবেলা থেকেই দেখেছি ঢাকায় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত তরুণ ছেলেদের মধ্যে স্বদেশপ্রেমের উদ্বোধন, শরীরচর্চা খেলাধুলোর মধ্য
-
বাঙলাদেশ : ভাবী বাঙালির আবির্ভাব
গোপাল হালদার
[১৯৪৭এ দেশ বিভাগের পরে অনিবার্যরূপেই একটা জিজ্ঞাসা আমাকে পেয়ে বসেছিল, কি করে সম্ভব হলো বাঙালির এই ‘হারিকরি’? যা আমার ধারণা তা বলবার জন্যই লিখতে বসেছিলাম ‘বাঙলা সাহিত্যের রূপরেখা’। লেখা শেষ হয়নি—বিশেষ করে যেখানে এসে দুর্ভাগ্যের সূচনা—ঊনবিংশ শতাব্দী—সেখানে পৌঁছতে পৌঁছতেই দ্বিতীয় ভাগ শেষ হয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙলা সাহিত্য থেকে বাঙালি মুসলমানের স্বেচ্ছা নির্বাসন কেন, তার ফল কী? বিশদ করে তা বলবার সমর্থ আয়ুতে আর কুলোবে কিনা জানি না, কিন্তু তার কথা বলবার সুযোগ আর উপেক্ষা করলাম না। দিল্লীতে ১৯৭১-এর গত ১০ই এপ্রিলের বাঙলা সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজিত সমসাময়িক ‘বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যে’র আলোচনাসভার সভাপতির মৌখিক
-
ষাট-দশকের শুরুতে যে তরুণ স্কুলের শেষ ক্লাসের ছাত্র, দশকের শেষে সেই তরুণটিই একজন উৎসাহী গল্প-লেখক। এমন ঘটনা আজকের বাঙলাদেশে বিরল নয়। পঞ্চাশের দশকে যাঁরা বাঙলাদেশে সবচেয়ে প্রতিভাবান গল্পকার ছিলেন—পরের দশকে তাঁদের অনেকেই গল্প আর লিখলেন না, কিংবা এমন গল্প লিখলেন যা নতুন পাঠকের কাছে সাড়া তুলতে অক্ষম হলো।
প্রতি দশকেই নতুন একদল গল্পকার সাহিত্য ক্ষেত্রে আবির্ভূত হবেন অথবা গত দশকের গল্পকাররা ম্লান হয়ে যাবেন অবিসংবাদিত নিয়মে—এমন আশা অবাস্তব। ‘কাল তার এ্যালবামে কিছুতে রাখেনা সব ফোটো'—এ নিয়মে সময়ের পরিবর্তনে সাহিত্যের আঙ্গিকেরও হয় রূপান্তর। বিশ শতকের শেষার্ধে জীবন বড় বেশি অস্থির এবং দ্রুত পরিবর্তনের রূপরেখা তার ছাপ রাখছে আমাদের জীবন ও সৃষ্টিতে।
-
বাঙলাদেশের জাতীয় স্বাধীনতা-সংগ্রাম সম্পর্কে ইতিমধ্যেই বিভ্রান্তি প্রচারের প্রয়াস শুরু হয়ে গিয়েছে।
বাঙলাদেশের অভ্যন্তরে মুসলীম লীগ কিংবা জামায়েত ঈ-ইসলামীর কথা বলছি না, বলছি না পশ্চিমবাঙলায় অখণ্ড বঙ্গ পরিষদ, কিংবা ‘জাগো বাঙালী’ আন্দোলনের কথা; কেননা, সমগ্র বাঙলাদেশে বা পশ্চিমবাঙলার জনজীবনে এরা এতই নগণ্য যে ব্যাপক ক্ষতি করার ক্ষমতাও এদের নেই।
বাঙলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে প্রকৃত কার্যকরী বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে কোনো কোনো বামপন্থী মহল থেকে, বিপ্লবী বুলির আড়ালে, তথাকথিত শ্রেণী-বিশ্লেষণের নামে।
কলকাতার রাস্তায় পোস্টার পড়ছে, ‘মুজিব মার্কিন দালাল। চীন বিরোধী যুদ্ধ ঘাঁটি হিসাবে পূর্ব-পাকিস্তানকে (এঁরা বাঙলাদেশ বলেন না) ব্যবহার করতে চায়’—ইত্যাদি।
এইসব বক্তব্য ইয়াহিয়া খাঁর প্রতি এমনই সমর্থনসূচক যে স্বাভাবিক কারণে এও কোনো
-
ইতিহাসে লেখা আছে একদিন বখ্তিয়ার যখন তার তুর্কী সৈন্যবাহিনীর সঙ্গে কামান নিয়ে এসে বিহারের নালন্দা আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর অতর্কিত কামান দাগতে আরম্ভ করেছিলেন সেদিন কয়েক হাজার দেশ-বিদেশের ছাত্র সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করত, তোপের সামনে তাদের কেউ পালিয়ে বাঁচল, কেউ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। সে আজ সাতশ বছরের ইতিহাসের কথা। আমরা জানি, মধ্যযুগ ছিল বর্বরতার যুগ, ধর্মান্ধতার যুগ, সামন্ততন্ত্রের বা স্বৈরাচারের যুগ; কিন্তু বিংশ শতাব্দীর গণতন্ত্রের যুগেও যে সেই মধ্যযুগের ঐতিহাসিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। অথচ তাই ঘটেছে গত ২৫-এ মার্চ মধ্যরাত্রিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবনে।
একদিন নালন্দার প্রান্তরে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছিল, যে নিদারুণ
-
লেখক: আবদুল হক
এ-দেশের সংস্কৃতি-আলোচনায় অনেক সময় শিথিলভাবে এ-রকম একটা ধারণা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয় যে পাকিস্তানের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী বৈশিষ্ট্যেই বিশিষ্ট, এবং ভবিষ্যতে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠবে তাও হবে ইসলামী সংস্কৃতি। পাকিস্তানের সংস্কৃতি যে সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতি নয় তা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না; কিন্তু ভবিষ্যতের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতি হবে কিনা, সেটা একটা প্রশ্ন। অনেকে বলেন, পাকিস্তানের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতিই হবে, কেননা পাকিস্তান একটা আদর্শভিত্তিক ‘রাষ্ট্র’ তার শাসন-সংবিধানেও সেই কথা বলা হয়েছে, এবং ইসলামী আদর্শ রূপায়ণের জন্যই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা।
এ-বিষয়ে বোধ হয়, দ্বিমতের অবকাশ নেই যে পাকিস্তানে ইসলামী সংস্কৃতি বিকাশ সাধন মুসলমানদের একটা বিশেষ দায়িত্ব। এ-দায়িত্ব উপলব্ধির নির্ভুল
-
ছেলেটা গেল কই! যে দিনকাল পড়িয়াছে তাহাতে যে আসিবার সে যদি আসিতে এক প্রহরও বিলম্ব করে তবেই ভাবনা হয়। দুশ্চিন্তার তো কোনো মাথামুণ্ডু নাই, শুধু একবার আরম্ভ হইলেই হইল। হয়তো কাল খবরের কাগজ খুলিয়াই দেখিব পুলিশের গুলিতে নিহত তরুণ অথবা কলোনির মাঠের মধ্যে গলাকাটা মৃতদেহ প্রাপ্তির নিয়মিত সংবাদের পাতায় ছেলেটার নাম। সত্যিই, ছেলেটা গেল কোথায়! তিনদিন আগেই উহার ফিরিয়া আসার কথা। কিন্তু আজও পর্যন্ত পাত্তা নাই।
বাঙলাদেশ শরণার্থীদের জন্য রিলিফের মাল লইয়া দিনকয়েক হইল সে কৃষ্ণনগরের পথে সীমান্তের দিকে গিয়াছে। একাজ সে নতুন করিতেছে না। গত দুই মাস ধরিয়া ছেলেটাকে আমি এই কাজই করিতে দেখিতেছি। আজ আগরতলা, কাল বনগাঁ, পরশু
-
বইখানি একজন কৃতবিদ্য ও যশস্বী অভিনেতার লেখা কতকগুলি অভিনয় প্ৰসঙ্গীয় বিবিধ প্রবন্ধের একত্র সংস্করণ। অভিনয়নৈপুণ্য খুব কম লোকেরই থাকে, কিন্তু যাদের আছে তাদের মধ্যেও দূরসঞ্চারী মন নিয়ে চিন্তা করবার শক্তি আরো কম জনের থাকে। লেখকের সেই চিন্তা করবার দুর্লভ শক্তি আছে। নিরপেক্ষ মন নিয়ে তিনি নাট্যশিল্পকে এবং চারিপাশের আবহাওয়াকে সমালোচকের ভঙ্গীতে দেখেছেন এবং আপন মতামত নিঃশঙ্ক ভাবে ব্যক্ত করেছেন। তাঁর কথাগুলির মধ্যে অনেক ভেবে দেখবার জিনিস আছে। যেমন ধরা যাক তিনি বাঙ্গালী মুসলমানদের সম্বন্ধে যে কথা বলেছেন। বাংলাদেশে অর্ধেকের বেশি অধিবাসী মুসলমান, অথচ তাঁদের মধ্যে কেউ বাঙ্গালী হয়েও বাংলা নাট্যবিষয়ে যোগদান করেন না কিংবা এই একটি বিশিষ্ট চারুশিল্প সম্বন্ধে উদ্যোগী
-
বিয়োগপঞ্জী : মোহিতলাল মজুমদার ও ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
গোপাল হালদার
মাস কয় মাত্র অতিবাহিত হয়েছে—কবি মোহিতলাল মজুমদার এই পৃথিবী থেকে বিদায় গ্রহণ করেছেন। সে শোক বিস্মৃত না হতেই আবার পূজাবকাশে ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের বিয়োগে বাংলা সাহিত্যের জিজ্ঞাসু পাঠকমাত্রই নিরতিশয় ব্যথিত বোধ করবেন নিতান্ত অকালে এরা কেউ আমাদের ত্যাগ করেননি, তা সত্য। কিন্তু এদের অভাব বাঙলা দেশ সহনক্ষম হয়ে ওঠেনি, তা আরও নিদারুণ সত্য। যে স্থান রিক্ত হয়, তা আর পূর্ণ হয় না—এদের গুণগ্রাহী সুহৃদ ও অনুরাগী অনুজ হিসাবে আমরা অনেকেই তা জানি। ব্যক্তিমানুষ হিসাবে এমন দুইজন বিভিন্ন প্রকৃতির মানুষ সম্ভবত আর দেখা যায় না। অথচ সততায়, আন্তরিকতায়, কর্তব্যনিষ্ঠায়, বন্ধুবাৎসল্যে এরা সমগোত্রের
-
[১৯৫৪ সালে প্রকাশিত ‘নানা লেখা’ সংকলন থেকে গোর্কির দুটি রচনা পুনর্মুদ্রিত করা হল। লেখাদুটিতে সংক্ষেপিত ছাপার ভুলগুলি শুদ্ধ করে নেওয়া হয়েছে, বানান ও যতিচিহ্নের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়েছে। ‘ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে’ এই শিরোনাম আমাদেরই দেওয়া।—সম্পাদক,পরিচয়]
সংস্কৃতিফ্যাসিবাদের ধ্বংসাত্মক আক্রমণ হইতে সংস্কৃতিকে রক্ষা করাই প্যারিসের লেখক-মহাসম্মেলনের মূল লক্ষ্য বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে। ধরিয়া লওয়া হইয়াছে, আধুনিক বুর্জোয়া সংস্কৃতির সত্যকার অন্তর্নিহিত বস্তুটি কি, তাহা সমস্ত প্রতিনিধিই একইভাবে বুঝিবেন এবং ইহা লইয়া কোনো মতভেদ হইবে না। কিন্তু সত্যই কি তাই?
বুর্জোয়া সংস্কৃতির অবস্থা আজ ক্ষয় ও ভাঙনের অবস্থা। ফ্যাসিবাদ এই বুর্জোয়া সংস্কৃতিরই সৃষ্টি, বুর্জোয়া সংস্কৃতির ওপর সে এক ক্যানসারের স্ফীতি। ফ্যাসিবাদের তাত্ত্বিকেরা ও
-
[১৯৩১ সালের ১৫ নভেম্বরে এক ব্রিটিশ কমরেডকে লেখা চিঠি থেকে উদ্ধৃত, যা ১৯৩২ সালের ১৬ জানুয়ারি দ্য মিলিটান্টে প্রকাশিত হয়।]
ফ্যাসিবাদ কী? শব্দটার উৎস ইতালিতে। সব ধরনের প্রতিবিপ্লবী একনায়কতন্ত্রই কি ফ্যাসিবাদী (বলতে গেলে ইতালিতে ফ্যাসিবাদ আসার পূর্বে)?
১৯২৩-১৯৩০ সালে স্পেনে প্রিমো ডে রিভরোর একনায়কতন্ত্রী শাসনকে কমিন্টার্ন অভিহিত করেছিল ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র হিসাবে। এই বিশ্লেষণটা কি সঠিক ছিল? আমরা মনে করি এটা সঠিক ছিল না।
ইতালিতে ফ্যাসিবাদী আন্দোলন ছিল ব্যাপক জনগণের এক স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন—যেখানে নতুন নেতৃত্ব তৃণমূলের সাধারণ কর্মী থেকে উঠে আসছিল। এই আন্দোলন মূলগতভাবে ছিল বড় বড় পুঁজিপতি শক্তিদের দ্বারা পরিচালিত ও আর্থিক সাহায্যপ্রাপ্ত এক গণআন্দোলন, যার সামনের সারিতে ছিল পেটি-বুর্জোয়া
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- দুর্ভিক্ষ
- বাংলা
- নৃত্য
- জীবনী
- লেখক
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলোচনা
- বই
- রবীন্দ্রনাথ
- কবিতা
- অনুবাদ
- ছোটগল্প
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- শিল্পকলা
- উদ্ভাবন
- ওষুধ
- বিজ্ঞান
- ছড়া
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- গদ্যকাব্য
- গদ্য
- মার্কসবাদ
- স্মৃতিকথা
- রোজনামচা
- ক্রিকেট
- মুক্তিযুদ্ধ
- পাকিস্তান
- দর্শন
- চলচ্চিত্র
- ভারত
- সমাজ
- সমাজতন্ত্র
- চিরায়ত
- লোককাহিনী
- ঢাকা
- পশ্চিমবঙ্গ
- নাট্যশালা
- আধ্যাত্মিকতা
আর্কাইভ
লেখক
- অন্নদাশঙ্কর রায় (১)
- অরুণ সেন (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আন্তোনিও ফ্রাঞ্চেস্কো গ্রামশি (১)
- আলবার্ট আইনস্টাইন (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গোপাল হালদার (৫)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জহির রায়হান (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নিবারণ পণ্ডিত (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩৬)
- বিজন চৌধুরী (১)
- বিষ্ণু দে (১)
- মমতাজুর রহমান তরফদার (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- লিও ট্রটস্কি (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সুশীল জানা (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.