-
‘ওরা স্বেচ্ছায় আমাদের ছেড়ে দেবে না। অন্তত যতটা অনিচ্ছায় ভিয়েতনাম ছেড়েছে তার চেয়েও বেশি অনিচ্ছায় আমাদের ছাড়বে।’ আমি বলতে চেয়েছিলাম যে ওরা ভিয়েতনাম ছাড়ার চেয়েও অনেক বেশি অনিচ্ছুক তোমাদের ছাড়তে। কারণ তেল, কারণ মধ্যপ্রাচ্য। তবে এখন মনে হয় ক্যাম্প ডেভিডের পরে লেবাননে সিরিয়ার শাসন ও রাশিয়ার প্রভাব মেনে নিতে ওরা প্রস্তুত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কি আসলে নিজেদের প্রকৃত অবস্থান থেকে বঞ্চিত করতে প্রস্তুত? যেখান থেকে সে প্রাচ্যে হস্তক্ষেপ করতে পারবে বা শান্তি-অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে?
আমেরিকানরা কী শাহকে নতুন কোনো শক্তির পরীক্ষায় দ্বিতীয় ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’র দিকে ঠেলে দেবে? বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ক্লাস শুরু হওয়া, সাম্প্রতিক ধর্মঘটগুলো, আবার শুরু হওয়া সবগুলো সংকট আর আগামী
-
জিমি কার্টার : স্বদেশের দিকে মুখ ফিরাও
[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মানবিক অধিকারের অবস্থা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃক রচিত; নিউ ইয়র্ক, জুন ১৯৭৭, পৃ. ৬৭।]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের “মানবাধিকার-সংক্রান্ত প্রচার নিছক আরেকটি সমাজতন্ত্র-বিরোধী চমক। সমাজতন্ত্র, বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়নকে হেয় করবার ৬০ বৎসরব্যাপী মার্কিন পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদী নীতির এটি একটি নতুন চক্রান্ত ৷” (পৃ. ক) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃক রচিত বিশেষ দলিলে এভাবে সোভিয়েত-বিরোধিতাকে ওয়াশিংটনের নীতির একটি কেন্দ্রীয় উপাদানরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। বর্তমানে ওয়াশিংটনে “হেলসিংকি চুক্তি লঙ্ঘনের তথাকথিত অজুহাতের ভিত্তিতে সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ, বিশেষত সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে সুসংবদ্ধ প্রচারাভিযান শুরু করেছে।” (পৃ. ১)
এই গ্রন্থের লেখকরা উল্লেখ করেছেন এই প্ররোচনামূলক প্রচারাভিযানের নায়করা
-
[ম্যাক্সিম গোর্কী (১৮৫৮-১৯৩৬) সোভিয়েত রাশিয়ার অমর কথাশিল্পী হিসেবে সুপরিচিত। বিজ্ঞানের স্বপক্ষে তিনি তাঁর এই ঐতিহাসিক ভাষণটি ১৯১৭ সালে কেরেনেস্কির অস্থায়ী সরকারের সময়ে ‘ফ্রি অ্যাসোসিয়েশন ফর দি ডেভেলপমেণ্ট অ্যান্ড প্রোপাগেশন অব দ্য পজিটিভ সায়েন্স’-এর প্রথম অধিবেশনে পাঠ করেন।]
...সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ! আপনাদের কাছে সম্ভবত এটি অদ্ভূত লাগবে যে, আমি বিজ্ঞান সম্পর্কে, নবজাত রাশিয়ার জীবনে এর তাৎপর্য সম্পর্কে এবং নতুন রাশিয়ার ইতিহাসে বিজ্ঞান প্রযুক্তবিদ্যা কী ভূমিকা পালন করবে সে সম্পর্কে আমার অনভিজ্ঞ মতামত উপস্থাপিত করে আপনাদের বিব্রত করব বলে মনস্থির করেছি।
কিন্তু আমার এই ঔদ্ধত্য সম্পর্কে আপনাদের স্বাভাবিক এবং সহজবোধ্য সন্দেহজনক মনোভাব হয়ত আমি দূর করতে পারি, যদি ব্যবহারিক বিজ্ঞান সম্বন্ধে আমার মনোভাব
-
যখন যেটা
অঙ্ক কষা ফেলে রেখেই ছুটলাম বাগানে ছেলেগুলোর কাছে। ছুটছি, দেখি সামনে মাস্টার মশাই।
বললেন, ‘কী খবর? বাতাসের সঙ্গে পাল্লাই দিচ্ছিস?’
‘না, এমনি আর কি, বাগানে যাচ্ছি।’
ও’র পাশাপাশি চলেছি আর ভাবছি, এইবার নিশ্চয় জিজ্ঞেস করবেন অঙ্কটার কথা, কী বলব? এখনো তো কষা হয়নি।
উনি কিন্তু বললেন, ‘দিব্যি আবহাওয়া...’
বললাম, ‘হ্যাঁ, দিনটা ভালোই,’ আর মনে মনে ভয় হঠাৎ যদি অঙ্কটার কথা তোলেন।
বললেন, ‘নাকটা যে তোর লাল হয়ে গেছে।’ বলে হাসলেন।
‘নাক আমার অমনি, চিরকালই লাল।’
‘তাহলে লাল নাক নিয়েই দিন কাটাবি?’
ভয় পেয়ে গেলাম, ‘কিন্তু কী করব?’
‘বিক্রি করে দিয়ে নতুন একটা নাক কিনে নে।’
‘আপনি ঠাট্টা করছেন।’
-
মা একদিন বাবাকে বললেন, ‘হ্যাঁগো, মৌমাছি পাললে হয় না? পাড়ার সবাই পালে। ঘরের মধু খায়।’
‘ঠিক আছে, পালা যাবে’, বললেন বাবা।
রবিবার বাজার থেকে উনি দুটি মৌমাছি পালনের খাঁচা নিয়ে এলেন।
প্রায়ই দেখতাম, বাবা এসে খাঁচার ডালাটা খুলতেন, চাকটা বার করে আনতেন সেখান থেকে, তারপর মা সেখান থেকে ঘন মধু ঢালতেন সোনালি রঙের। প্রথম প্রথম বাবা ডালা খোলার আগে মাথায় কাপড় জড়িয়ে নিতেন। পরে খালি মাথাতেই খুলতেন। মৌমাছির কামড়ের কথা কখনো বলেননি।
একদিন মা-বাবা গেছেন কী একটা বিয়ের ভোজে। একা একা আমার বিছছিরি লাগছিল, ডেকে আনলাম আহমেদকে। মৌমাছির আলাপটা ঠিক কী থেকে উঠেছিল মনে নেই। তবে আমি বড়াই করে বলেছিলাম,
-
ইসরায়েলের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসটা জুড়ে তার উগ্র ইহুদীবাদী শাসকদের অপরিবর্তনীয় নীতি হচ্ছে দেশটাকে সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করা, যার মাধ্যমে প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর ওপর আক্রমণ চালানো যায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রগতিশীল, জাতীয় মুক্তি আন্দোলনকে আঘাত করা যায়। বিগত বিশ বছরে তিনবার এই এলাকায় ইসরায়েল সামরিক সংঘর্ষ বাধিয়েছে।
মোট জাতীয় উৎপাদনের মধ্যে সামরিক ব্যয় খাতে ইস্রায়েলের অংশ বিশ্বরেকর্ড করেছে। এটা ব্রিটেন, ফ্রান্স, এফআরজি বা ইতালির চেয়েও অনেক বেশি। এমনকি সরকারি পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় (মাত্র প্রত্যক্ষ সামরিক ব্যয়কে ধরে) ১৯৭৬ সালের যুদ্ধ প্রস্তুতি মোট জাতীয় উৎপাদনের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি উৎপাদনী উপযোগিতাকে খর্ব করেছে, যা বাজেটের প্রায় অর্ধেক (১নং সারণি দেখুন):
সারণি ১ : ইসরায়েলের -
যেদিন মহাকাশ যুগের শুরু হয়েছে, বিশেষতঃ যেদিন মানুষ মহাশূন্যে পদচারণা করেছে, সেদিন থেকেই আমরা যে-পৃথিবীতে বাস করি সেই পৃথিবী সম্পর্কে 'আমাদের ধ্যান-ধারণা চূড়ান্তভাবে বদলে গেছে। ইতিহাসে এই সর্বপ্রথম, মানুষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ উভয় অর্থেই পৃথিবী এবং বিশ্বের ঘটনাবলী সম্পর্কে একটা ব্যাপক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের অবস্থায় পৌঁছেছে ৷
এই ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি মানুষের জীবন, পৃথিবী সম্পর্কে তাদের জ্ঞান এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কেও অনেক কিছুই প্রকাশ করে। নিজস্ব বিমান থেকে পৃথিবী পর্যবেক্ষণ করে বৈমানিক ও মানবতাবাদী লেখক আঁতোয়া দ্য সেন্ট এক্সিউপারী পৃথিবী সম্পর্কে বলেন যে, “মানুষের পৃথিবী” এই গ্রহের বাসিন্দাদের পরস্পর নির্ভরশীলতার ফল হিসেবে উদ্ভুত। গ্রহের ওপরে এবং সঙ্গীসাথীদের ওপরে মানুষের এই নির্ভরশীলতা, বহির্বিশ্বের
-
শ্রীলঙ্কার কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক কাটোরগে পি সিলভা-র সঙ্গে সাক্ষাৎকার ৷
প্ৰ:বিগত জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত শ্রীলঙ্কার ন্যাশনাল স্টেট এসেমব্লী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?
উ:এ জয় উগ্র দক্ষিণপন্থী, সাম্রাজ্যবাদ-ঘেঁষা ইউনাইটেড ন্যাশন্যাল পার্টির (ইউ.এন.পি) জয় ৷ তার ফলে গণতান্ত্রিক বামশক্তির এটা একটা ভয়ানক পরাজয়।
ইউ. এন. পি জাতীয় আইন পরিষদের ১৬৮টি আসনের মধ্যে ১৩৯টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এই প্রথম এ্যাসেমব্লীতে বামপন্থীদের কোনো প্রতিনিধি নেই এবং সিরিমাভো বন্দর নায়েকের শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির (এস.এল.এফ.পি) শক্তি কমে আটটি আসনে নেমেছে। পৃথক রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসাধারণের অনুমোদন চেয়ে তামিল ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট বৃহত্তম
-
লেখক: এ্যানটোনিও বোফি লিওনি সোরোলি
সিআইএ-র অপরাধমূলক কার্যকলাপ গত কয়েক বছর ধরে মাঝে মাঝেই সংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৷ ঐসব অপরাধের কিছু কিছু এই পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছে। সি আই এ-র অপরাধের রেকর্ড গত বছরে আরও স্ফীতকায় হয়ে উঠেছিল। সেই দিক থেকে এই “গোয়েন্দা সম্প্রদায়টি”র ইতিহাস পর্যালোচনা করার প্রয়োজন আছে।
এই মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাটির সৃষ্টি হয় ১৯৪৭-এর সেপ্টেম্বর মাসে। একেবারে গোড়া থেকেই-এর হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা ও সম্পদ সমর্পণ করা হয় ৷ বলতে গেলে, এর ভবিষ্যৎ অন্তর্ঘাতী কার্যকলাপের কর্মসূচী আগে থেকেই স্থির হয়ে গিয়েছিল। ১৯৪৮ সালে মার্কিন রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এই মর্মে একটা গোপন নির্দেশ জারি করেছিল যে, সি আই
-
১
শ্রমজীবীরা বিশ্বের দেশে দেশে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছে অথবা আজ হোক কাল হোক করবে। সমস্ত মৌল অর্থনৈতিক সম্পদে ব্যক্তিগত মালিকানার উচ্ছেদ ঘটিয়ে সামাজিক মালিকানাজারী প্রথম কাজ। শিল্পকলা সাহিত্যেরও দখল নেয়া এই কাজের অন্তর্ভুক্ত। এই একান্ত বাস্তব ও অনিবার্যভাবে সম্ভাব্য বাস্তব থেকে উদ্ভব হয়েছে সাহিত্য শিল্পকলার নতুন সংজ্ঞা সমাজতান্ত্রিক বাস্তবতাবাদের। এই সংজ্ঞার মূলসূত্র, শ্রমজীবী মানুষের কর্মকাণ্ড এবং ইচ্ছা ও অনুভবই সাহিত্য-শিল্পকলার চালকশক্তি।
এই সংজ্ঞার সূচনা ঐতিহাসিকভাবে সোভিয়েত অক্টোবর বিপ্লবে, কারণ এই বিপ্লবের মধ্য দিয়েই প্রথম শ্রমজীবীদের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা এবং সাহিত্য শিল্পকলার প্রবর্তন হয়েছে।
মায়াকভস্কির বিশেষত্ব এই যে, যাঁরা সাহিত্য শিল্পকলায় শ্রমজীবীদের দখল নেয়ার কাজে সৃজনশীলতায় এবং
-
সোভিয়েত ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের দিন থেকে এই বিশ বছরে মহাকাশ-বিজ্ঞান মানুষের কল্যাণে মহাকাশকে বাস্তব কাজে ব্যবহারের দিকে এগিয়েছে। মহাকাশযুগের যে তৃতীয় দশক সবে শুরু হয়েছে তাতে এই ঝোঁক বাড়বে। বর্তমানে মহাকাশকে, শুধুমাত্র গবেষণার বস্তু হিসেবেই দেখা হয় না। মহাকাশকে দেখা হয় এক অনন্য প্রয়োগ বিদ্যাবিষয়ক পরিমণ্ডল হিসেবে, আমাদের গ্রহ ও তার সম্পদের অনুসন্ধান এবং অধিক থেকে অধিকতর কর্মক্ষম প্রয়োগবিষয়ক পদ্ধতির রূপকরণের সেতুফলক হিসেবে দেখা হয় মহাকাশকে।
উপগ্রহের প্রযুক্তি পার্থিব ক্ষেত্রে ৩টি প্রধান খাতে কাজ করছে—১. উন্নতমানের শিল্প ও নিখুঁত তাপমাত্রা/আর্দ্রতা পরীক্ষা, ২. দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও বার্তাবহন প্রযুক্তি, এবং ৩. স্মৃতির উপাদান বা ডাটা মেমোরি টেকনোলজি।
সমস্ত দেশ এবং
-
সে-বার মায়ের সঙ্গে আমরা গাঁয়ের বাগান-বাড়িতে আছি। মিশকা এল দিনকতক বেড়াতে। কী যে আনন্দ হল বলবার নয়। ও না থাকায় ভারি একলা লাগছিল। মা-ও খুশি হল খুব।
বলল, ‘যাক, এসেছিস বাঁচা গেল। দুজনে মিলে তোদের আনন্দে কাটবে। তবে শোন, কাল আমায় শহরে যেতে হবে, দিন কতক আটকে যেতেও পারি। আমি না থাকলে অসুবিধা হবে না তো?’
আমি বললাম, ‘কিছু অসুবিধা হবে না, আমরা তো বাচ্চা নই!’
‘তোদের কিন্তু নিজেই রান্না করে নিতে হবে, পারবি?’
‘পারব বইকি,’ বলল মিশকা, ‘না পারার কী আছে।’
‘বেশ, তাহলে সুরুয়া আর পরিজ রাঁধিস। পরিজ রাঁধা সবচেয়ে সোজা।’
‘তা পরিজই রাঁধব, কী আর হয়েছে!’ বলল মিশকা।
ট্যাগ
লেখক
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- এমিল হাবিবি (১)
- কাট্টোরগে পি সিলভা (১)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভিতালি সেবাস্তিয়ানভ (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মিশেল ফুকো (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- হ্যান্স্ ফিশার (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.