-
দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম ১৯৪৫ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে জয়লাভ করে সমাজ পরিবর্তনের পথে অগ্রসর হওয়ার কর্মসূচী নিলেও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ লড়াই পরিচালনা করতে বাধ্য হয়েছে আরও তিন দশক কাল। কৃষি প্রধান এই দেশের আয়তন ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৬ শত বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৫ কোটি ৭০ লাখ (১৯৮৩ সালের তথ্য)।
পূর্ব ইতিহাস
অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান ভিয়েতনামের ভূখণ্ডে মনুষ্য বসতি ছিল বলে জানা যায়। ব্রোঞ্জ যুগে হ্যাং রাজবংশের শাসনামলে ভিয়েতনামে জাতীয় রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। খ্রীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে কাও ব্যাং প্রদেশের একজন স্থানীয় রাজা গোটা দেশ অধিকার করেন। এরপর একের পর এক ঘটে চীনা আক্রমণ এবং হাজার বছর ধরে
-
শত কোটি মানুষের বিশাল দেশ চীনের আয়রন ১৬ লাখ বর্গ কিলোমিটার। বিশ্ব সভ্যতার প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক এশিয়ার এই দেশটি দীর্ঘকাল পর্যন্ত সামন্তবাদী ও আধা উপনিবেশ হিসেবে শোষিত হয়েছে। দেশী-বিদেশী শোষকদের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের দীর্ঘ সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে ১৯৪৯ সালের অক্টোবরে চীনের গণবিপ্লব বিজয় অর্জন করে।
প্রাচীন আমল
দাসযুগের খণ্ড খণ্ড রাজ্যের স্থলে খ্রীষ্টের জন্মের সোয়া দুইশত বছর আগে চীনে ছিন রাজবংশের আমলে ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় সামন্ততন্ত্র শক্ত খুঁটির ওপর দণ্ডায়মান হয়। তা টিকে ছিল বর্তমান শতাব্দীর প্রথম পর্যন্ত। ছিন, পূর্ব হান ও পশ্চিম হান রাজবংশের আমলে সামন্ততান্ত্রিক ভূমি মালিকানার পোক্ত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হলেও ব্যাপক কৃষকের জীবন ছিল চরম শোষনে ভরা। তাই
-
মধ্য ইউরোপের দেশ জার্মানীতে অনেকদিন পর্যন্ত রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছিলনা, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ট্রাইবে বিভক্ত জনগোষ্ঠী প্রাচীন গোষ্ঠীবদ্ধ জীবনের রীতিনীতিতে বসবাস করতো। বিদেশী আক্রমণ বিশেষত রোমান সাম্রাজ্যের আক্রমণ তাদেরকে সংঘবদ্ধ হতে বাধ্য করে। খ্রীষ্টজন্মের সমসাময়িক কাল থেকে রোমান, হুনসহ বিভিন্ন বাইরের শক্তির সাথে জার্মান ট্রাইবগুলোর লড়াই পরিচালনার বিবরণ পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ জার্মান সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে রাজা হেনরীর সময়ে (৯১৯-১৩৬)। সাম্রাজ্যের অধিকার নিয়ে ত্রয়োদশ শতকে সামন্ত অধিপতিদের মধ্যে সংঘাত শুরু হলে সাম্রাজ্যের ভিত দুর্বল হয়ে পড়ে।
বুর্জোয়া বিপ্লব
ষোড়শ শতকের প্রথম দিকে জার্মানীতে সংস্কার আন্দোলন শুরু হয় এবং কৃষকদের লড়াই শুরুর লক্ষণ পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। রোমান ক্যাথলিক চার্চের আরোপিত কঠোর বিধিমালা
-
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ১০ মাইলের মধ্যে অবস্থিত পশ্চিম গোলার্ধের একমাত্র সমাজতান্ত্রিক দেশ কিউবা। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার সন্ধিস্থলে আটলান্টিক মহাসাগর বিধৌত ১৬০০ দ্বীপের দেশ কিউবার আয়তন ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার। তবে এই দ্বীপমালার মধ্যে কিউবা দ্বীপের আয়তনই সবচেয়ে বড় (৯৪%)। ১৭ লাখ জনসংখ্যার এই দেশটিতে ১৯৫৯ সালে বিপ্লবীদের শাসন কায়েম হয়।
আগের কথা
কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের (১৪৯২) আগে কিউবার আদি অধিবাসীরা ছিল রেড ইণ্ডিয়ান। দেশটিতে সোনা-রূপার সন্ধান না পাওয়ায় ইউরোপীয় অনুসন্ধানী ও বসতি স্থাপনকারীরা কিউবাকে ছাড়িয়ে চলে যায় উত্তর আর দক্ষিণ আমেরিকায়। কিন্তু কালক্রমে স্পেনীয়রা এই দ্বীপের দেশে ঘাঁটি গেড়ে বসে। তাছাড়া অনেক ভাগ্যান্বেষী এবং উদ্বাস্তু ইউরোপ থেকে এখানে
-
পুশকিন ছিলেন রাশিয়ার বসন্ত, পুশকিন ছিলেন রাশিয়ার সকাল, পুশকিন ছিলেন রূশী আদম। দান্তে এবং পেত্রার্ক ইতালীর জন্যে যা করেছিলেন, সতেরো শতকে সাহিত্যের অতিকায় বরপুত্রগণ ফ্রান্সের জন্যে যা করেছিলেন, এবং জার্মানদের জন্যে যা করেছিলেন লেসিং, শিলার আর গ্যাটে, পুশকিন তা-ই করেছিলেন আমাদের জন্যে।' এই উত্তি আবেগতাড়িত কোনো তরুণ কবির নয়, বৃদ্ধিদীপ্ত, যুক্তিনিষ্ঠ, বিদগ্ধ রুশ সাহিত্যসমালোচক আনাতিল ল,নাচারিস্কির। অসম্ভব কোনো রুশীর পক্ষে পুশকিন বিষয়ে বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত না হওয়া। আমরা যারা বাঙালি তাদের পক্ষেও কি সম্ভব রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আবেগরহিত কোনো উত্তি করা? যে-কোনো শিক্ষিত রূশীর সত্তার অন্তর্গত আলেক-জান্দর পুশকিন। রাশিয়ার জাতীয় কবি তিনি; রুশ ভাষার অন্য কোনো কবি তাঁর সমকক্ষ নন; তাঁর
-
অক্টোবর বিপ্লব ও গ্রামের গরিব
আজ যে কাহিনী বলিব, ৭০ বৎসর আগে তাহার শুরু হইয়াছিল। রাশিয়ায় শ্রমিক, ক্ষেতমজুর আর কৃষকরা মিলিয়া—জোট বাঁধিয়া ঘটাইয়াছিল এই মহান ঘটনা। ইহার ফলে সারা দুনিয়ার নগরবাসী বড়লোকদের বুক কাঁপিয়া উঠিয়াছিল। শ্রমিক আর গ্রামের গরিবদের ভাগ্য বদল সেই দিন হইতে শুরু হইয়াছিল রাশিয়ায়। তারপর তাহাদের দেখাদেখি আরো কয়েকটি দেশের খাটিয়া খাওয়া শোষিত মানুষরা এইরূপ ঘটনা ঘটাইল। আর এখন সারা দুনিয়ার শ্রমিক আর গ্রামের গরিব মানুষদের কাছে যতই ধরা পড়িতেছে কিভাবে তাহারা ঠকে, ততই তাহারা এই রকম ঘটনা ঘটাইবার যোগাড় করিতেছে।
আজ হইতে ৭০ বৎসর আগে ইংরেজি ১৯১৭ সালে রাশিয়ার শ্রমিক আর গ্রামের গরিব মানুষ সারা দেশময়
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.