-
ডেনমার্কের ওডেন্স শহরে হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যাণ্ডারসনের জন্ম। গরিব মুচির ছেলে। ছোটোবেলা থেকে ভারি কল্পণাপ্রবণ। ১৮১৬ সালে বাপের মৃত্যুর পর থেকে আর কেউ ছেলেটার দেখাশুনো করত না। সে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে, বাড়িতে বসে খেলনার থিয়েটার বানাত, পুতুল বানাত, তাদের জন্য নানারকম পোশাক বানাত। আর কেবলই দেশের বিদেশের যেখানকার যত নাটক পেত, সব পড়ত।
বড়োরা বললেন ওকে দরজির কাজ শেখানো যাক। এদিকে শেষকালে অ্যাণ্ডারসনের ইচ্ছা সে পেশাদার অপেরা গায়ক হবে। পালিয়ে কোপেনহাগেনে গিয়ে কিছুকাল থিয়েটারে থিয়েটারে ঘুরে বড়ো কষ্টে দিন কাটাল। সবাই বলত দূর, দূর, ছেলেটা ক্ষ্যাপা। অবশেষে হ্যান্স কয়েকজন নামকরা সঙ্গীতজ্ঞের সাহায্যও পেয়েছিল। কিন্তু গলাটাই গেল খারাপ হয়ে; তখন সে
-
ফ্যাসিবাদের শ্রেণীচরিত্র
ফ্যাসিবাদ বলতে কি বোঝায়? এই প্রশ্নটির সদুত্তর পেতে হলে আমাদের সর্বাগ্রে কমিন্টার্ণ-এর (কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল) নথিপত্রের প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ করতে হবে। ফ্যাসিবাদের যখন জন্ম হয় তখন এর চরিত্র নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন সংজ্ঞা উপস্থিত করা হতে থাকে। তখনকার দিনে অ-কমিউনিস্ট বুদ্ধিজীবী মহলে ফ্যাসিবাদকে একটি “মধ্যবিত্ত আন্দোলন”, একটি “পেটি-বুর্জোয়া আন্দোলন” হিসাবে দেখাবার চেষ্টা হয়েছিল। কমিউনিস্টরা আগাগোড়াই এই মতের বিরোধিতা করেন।
বস্তুত, একমাত্র কমিন্টার্ন ফ্যাসিবাদের একটি সঠিক সংজ্ঞা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছিল। এই কথাটি আজ স্মরণ করা আরও বিশেষ প্রয়োজন এই কারণে যে সাম্প্রতিককালে ইওরোপে কিছু সোশ্যাল ডেমোক্রাটিক পার্টির নেতা এবং কিছু ট্রটস্কীপন্থী নেতা এই বলে কুৎসা প্রচার করতে চাইছেন যে
-
[১৯৫৪ সালে প্রকাশিত ‘নানা লেখা’ সংকলন থেকে গোর্কির দুটি রচনা পুনর্মুদ্রিত করা হল। লেখাদুটিতে সংক্ষেপিত ছাপার ভুলগুলি শুদ্ধ করে নেওয়া হয়েছে, বানান ও যতিচিহ্নের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়েছে। ‘ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে’ এই শিরোনাম আমাদেরই দেওয়া।—সম্পাদক,পরিচয়]
সংস্কৃতিফ্যাসিবাদের ধ্বংসাত্মক আক্রমণ হইতে সংস্কৃতিকে রক্ষা করাই প্যারিসের লেখক-মহাসম্মেলনের মূল লক্ষ্য বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে। ধরিয়া লওয়া হইয়াছে, আধুনিক বুর্জোয়া সংস্কৃতির সত্যকার অন্তর্নিহিত বস্তুটি কি, তাহা সমস্ত প্রতিনিধিই একইভাবে বুঝিবেন এবং ইহা লইয়া কোনো মতভেদ হইবে না। কিন্তু সত্যই কি তাই?
বুর্জোয়া সংস্কৃতির অবস্থা আজ ক্ষয় ও ভাঙনের অবস্থা। ফ্যাসিবাদ এই বুর্জোয়া সংস্কৃতিরই সৃষ্টি, বুর্জোয়া সংস্কৃতির ওপর সে এক ক্যানসারের স্ফীতি। ফ্যাসিবাদের তাত্ত্বিকেরা ও
-
[১৯৩১ সালের ১৫ নভেম্বরে এক ব্রিটিশ কমরেডকে লেখা চিঠি থেকে উদ্ধৃত, যা ১৯৩২ সালের ১৬ জানুয়ারি দ্য মিলিটান্টে প্রকাশিত হয়।]
ফ্যাসিবাদ কী? শব্দটার উৎস ইতালিতে। সব ধরনের প্রতিবিপ্লবী একনায়কতন্ত্রই কি ফ্যাসিবাদী (বলতে গেলে ইতালিতে ফ্যাসিবাদ আসার পূর্বে)?
১৯২৩-১৯৩০ সালে স্পেনে প্রিমো ডে রিভরোর একনায়কতন্ত্রী শাসনকে কমিন্টার্ন অভিহিত করেছিল ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র হিসাবে। এই বিশ্লেষণটা কি সঠিক ছিল? আমরা মনে করি এটা সঠিক ছিল না।
ইতালিতে ফ্যাসিবাদী আন্দোলন ছিল ব্যাপক জনগণের এক স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন—যেখানে নতুন নেতৃত্ব তৃণমূলের সাধারণ কর্মী থেকে উঠে আসছিল। এই আন্দোলন মূলগতভাবে ছিল বড় বড় পুঁজিপতি শক্তিদের দ্বারা পরিচালিত ও আর্থিক সাহায্যপ্রাপ্ত এক গণআন্দোলন, যার সামনের সারিতে ছিল পেটি-বুর্জোয়া
-
ফ্যাসিবাদের পরাজয়ের ৩০শ বার্ষিক উদযাপনের মুহূর্তে আজ আমরা গর্বের সঙ্গে স্মরণ করি সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই গৌরবময় ভূমিকার কথা, যা ফ্যাসিবাদী বর্বরতার আক্রমণ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করেছিল। ইতিহাস এই সাক্ষ্য বহন করছে যে ফ্যাসিবাদের পরাজয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন চূড়ান্ত ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। সোভিয়েত রেড আর্মিকে পুরোভাগে রেখে ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছিল বিভিন্ন দেশের কমিউনিস্টরা ও অন্যান্য দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক শক্তি। আজ আমরা সেই কমিউনিস্ট যোদ্ধাদের গৌরবমণ্ডিত ভূমিকা সম্পর্কে গর্ব অনুভব করি।
বিশ্ব-বিপ্লবী প্রক্রিয়ার বিকাশস্বাভাবিকভাবেই, এই দুর্জয় সংগ্রামের ফলপরিণাম হিসাবে যুদ্ধোত্তরকালে পৃথিবীর রাজনীতিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রভাব দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিহাসের পাতায় পাতায় এর প্রমাণ ছড়িয়ে
-
আমার বন্ধুদের বোলো যে আমার সারা জীবনের বিশ্বাসের প্রতি আমি শেষ পর্যন্ত অনুগত থেকেছি। আমার দেশবাসীকে বোলো যে আমি প্রাণ দিচ্ছি যাতে ফ্রান্স বাঁচতে পারে।
শেষবারের মতো আমি আমার বিবেককে পরীক্ষা করলাম। আমার কোনো খেদ নেই। আমি সবাইকে শুধু একটিই কথা বলে যেতে চাই: যদি জীবনটা এখন আবার ফিরে পাই তো এতদিন যে পথে চলেছি, আবার সে পথ দিয়েই চলব।
আজকের এই রাতে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করছি যে আমার প্রিয় বন্ধু পল ভাইলাঁ-কুতুরিয়ের ঠিকই বলতেন—কমিউনিজম হচ্ছে পৃথিবীর যৌবন এবং তা পথ তৈরি করে যায় যাতে করে আগামী দিনগুলি সঙ্গীতমুখর হয়ে উঠতে পারে। মৃত্যুর মুখোমুখি আমি যে এতটা সাহস ও স্থৈর্য
-
বণিক, শিল্পপতি, মূলধনী—ধনতন্ত্রের তিন মূর্তিরই মোক্ষ হইল মুনাফার রাজত্ব বিস্তারে। কিন্তু ইহার বাধাও অনেক। প্রথমত ধনতন্ত্রের ভিতরে ধনিক গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে বিরোধ থাকে। সকল দেশের ধনতন্ত্রের উন্নতি সমান তালে চলে না। কাজেই কোনো কোনো দেশের ধনিকগোষ্ঠী মুনাফা শিকারের প্রতিযোগিতায় পিছনে পড়িয়া থাকে। ইহাদের অগ্রগতির বাধা দু’দিকে। প্রথমত, শোষণের বিরুদ্ধে নিঃস্ব মজুরশ্রেণীর প্রতিবাদ, বিদ্রোহ এবং সংঘবদ্ধ প্রতিরোধশক্তি বাড়িতে থাকে। দ্বিতীয়ত, অন্য দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ধনিকগোষ্ঠীর দুনিয়ার ব্যবসার বাজার দখল করিয়া ফেলিতে থাকে। ধনতন্ত্রের এই সংকটে-দেশে দেশে ধনিকগোষ্ঠীগুলির মধ্যে দুনিয়ার বাজার ভাগবাটোয়ারা নিয়া-কাড়াকাড়ি মারামারি শুরু হয়। জাপানের মাঞ্চুরিয়া দখল, ইটালির আবিসিনিয়া দখল, নাৎসি জার্মানির উপনিবেশ দাবি এই সকলই নিজেদের দেশের ধনিক-গোষ্ঠীর মুনাফা শিকারের পথ
-
১৯৩৯ সনের পূর্বেই পূর্ববঙ্গের ঢাকা ও অন্যান্য শহরে রাজনৈতিক চিন্তার ক্ষেত্রে নতুন ধ্যানধারণার সূত্রপাত হয়েছিল। বৃটিশ কারাগারগুলোতে যেসব রাজবন্দী ছিলেন তাঁদের অনেকেই জেলে থাকাকালীন মার্কসবাদের দিকে ঝোঁকেন এবং জেলের বাইরে এসে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদান করেন। ট্রেড ইউনিয়ন ও কৃষক সভাকে কেন্দ্র করে নতুন জীবন্ত প্রগতিশীল আন্দোলন সংগঠিত হতে থাকে এবং অল্প সময়ের মধ্যে লেখক ও বুদ্ধিজীবীদের একটি গরিষ্ঠ অংশ, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে প্রগতিশীল চিন্তাধারায় অনুপ্রাণিত হন। এঁদের মধ্যে যেমন পুরোপুরি কমিউনিস্ট মতবাদের সমর্থক লেখক ছিলেন তেমনি অকমিউনিস্ট, সাধারণভাবে মানবতাবাদী বা হিউম্যানিস্ট লেখকও ছিলেন। এইসব লেখকদের সহায়তায় ঢাকায় প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ স্থাপিত হয় ১৯৩৯ সনেই। ঐ বছরেই, সকলেরই
-
আমাদের দেশের শিক্ষিত সম্প্রদায় মার্কসবাদ সম্বন্ধে খোঁজখবর রাখবার কোনো দরকার আছে বলে মনে করেন না। বুদ্ধিজীবীসুলভ কৌতূহলের বশবর্তী হয়ে অনেকে হয়তো হিটলার মুসোলিনি প্রমুখ সংস্কৃতিবিধ্বংসী মহাপুরুষদের জীবনী ও বর্তমান ইতালি ও জার্মানির রাষ্ট্রিক ও আর্থিক পরিকল্পনার প্রতি উৎসাহ-প্রদর্শন করেন; কিন্তু যে মার্কসীয় চিন্তাধারা ও কর্মপদ্ধতির সাহায্যে লেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার মতো পৃথিবীর ইতিহাসে অভূতপূর্ব ব্যাপার-ঘটল, তার প্রতি অতি-বুদ্ধি-প্রসূত একটা ঔদাসীন্যের ভাব আমাদের দেশের উচ্চ-শিক্ষিত মহলে বেশ মজ্জাগত। এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম যে একেবারেই নাই তা অবশ্য নয়; কিন্তু মার্কসবাদ নিয়ে চিন্তা বা আলোচনা করেন, এমন লোকের সংখ্যা অন্যান্য সভ্য দেশের তুলনায় এ দেশে অতি নগণ্য বললেও অত্যুক্তি হয় না।
-
পয়লা মে-র ভোর।
জেলখানার গম্বুজের ঘড়িতে বাজল তিনটে। এই প্রথম আমি স্পষ্ট শুনতে পেলাম। এখন আমি পূর্ণ সচেতন। খোলা জানলা দিয়ে বিশুদ্ধ-হাওয়া আসছে, মেঝেয় পাতা গদির চারদিকে খেলে বেড়াচ্ছে, হাঁ, অনুভব করতে পারছি খড়গুলো লাগছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, আমার দেহের-প্রতি জায়গায় যেন হাজার বেদনা জড়িয়ে আছে। হঠাৎ জানালা খুলে দিলে যেমন সব স্পষ্ট দেখা যায়, তেমনি স্পষ্ট বুঝলাম আমার অন্তিমকাল এসেছে। আমি মরছি।
অনেক দেরি করে এলে মরণ। একসময়ে আশা ছিল, বহু বহুদিন পরে তোমার সঙ্গে হবে আমার পরিচয়। স্বাধীন মানুষ হয়ে বাঁচতে চেয়েছিলাম। কত কাজ করতেও তো চেয়েছিলাম, চেয়েছিলাম ভালোবাসতে। ভেবেছিলাম ঘুরে বেড়াব পৃথিবীতে, আনন্দে গান গাইব। তখন
-
মুমূর্ষু ধনতন্ত্রের জঘন্য বিকাররূপে যখন ফ্যাসিজমের উদ্ভব ঘটেছিল, তখন থেকেই সকল দেশের মুক্তিকামী, সকল দেশের জনসাধারণ, তাকে নিজেদের পরম শত্রু বলে মনে করে এসেছে।
আসন্ন বিপ্লবের আশংকায় দিগ্বিদিকশূন্য হয়ে পৃথিবীর সাম্রাজ্যবাদ এই ফ্যাসিজমের শক্তিবৃদ্ধিতে সাহায্য করে এসেছে। এশিয়ায় জাপানকে, আফ্রিকার ইতালিকে, ইয়োরোপে জার্মানিকে ইংরেজ-ফরাসী-আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ উৎসাহ দিয়েছে, সাহায্য করেছে, ছলে বলে কৌশলে দেশের জনসাধারণের ফ্যাসিজম-বিরোধকে নিষ্ফল করে দিয়েছে, আর বকধার্মিকের মতো নিজেদের গণতান্ত্রিক বলে পরিচয় দেবার চেষ্টা করে এসেছে।
এর কারণ ফ্যাসিজমের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সাম্রাজ্যবাদ যে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত ছিল, ফ্যাসিজমের দংশনভয় যে তার ছিল না, তাও নয়। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদের ভরসা ছিল ফ্যাসিস্টরা প্রথমে আক্রমণ করবে দুনিয়ার মালিকদের চক্ষুশূল সোভিয়েত ভূমিকে।
-
রাশিয়ার রণাঙ্গনে নির্ধারিত হবে গণতন্ত্রের জীবনমরণ। মিত্রশক্তির ভাগ্য এখন কমিউনিস্টদের হাতে। রাশিয়া যদি পরাভূত হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও সমৃদ্ধ মহাদেশ এশিয়া চলে যাবে নাৎসিদের অধীনে। প্রায় পুরো প্রাচ্যদেশ জাপানীদের করতলগত হওয়ায় নাৎসিরা পৃথিবীর প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ রণসামগ্রী একেবারে নাগালের মধ্যে পেয়ে যাবে। এরপর হিটলারকে হারাবার আর কি সুযোগ থাকবে আমাদের?
এদিকে যানবাহনের অসুবিধা, হাজার হাজার মাইল দূরে আমাদের যোগাযোগ রক্ষার সমস্যা, ইস্পাত, তেল ও রাবারের সমস্যা এবং বিভেদ সৃষ্টি করে জয় করার হিটলারি রণকৌশল—এ অবস্থায় রাশিয়া যদি পরাজিত হয়, আমাদের অবস্থা হবে সঙ্গিন।
কেউ কেউ বলেন, তাতে আর কি? যুদ্ধ না হয় আরও দশ কি কুড়ি বছর চলবে। আমার
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
লেখক
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার ওয়ার্থ (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- কামরুদ্দীন আহমদ (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গ্যাব্রিয়েল পেরি (১)
- চার্লি চ্যাপলিন (১)
- জর্জি ডিমিট্রভ (১)
- জুলিয়াস ফুচিক (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নলিনী দাস (১)
- নৃপেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- মোহিত সেন (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রজনীপাম দত্ত (১)
- লিও ট্রটস্কি (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- শওকত ওসমান (১০)
- সরোজ আচার্য (১)
- সুরেন্দ্রনাথ গোস্বামী (১)
- হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন (২)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.