-
কীটস তখন ইতালী-তে। মৃত্যু শয্যায়। একদিন রাত্রে হঠাৎ তিনি তাঁর বন্ধু সেভার্ন-কে অনুরোধ করলেন, তাঁর সমাধিস্তম্ভের ওপর যেন এই কটি কথা লিখে দেওয়া হয়: ‘হীয়ার লাইজ ওআন হুজ নেম ওআজ রিট ইন ওআটার।’
বলা বাহুল্য এ গভীর অন্ধকারের কণ্ঠস্বর, বুক-ভাঙা নৈরাশ্যের আর্তনাদ। এ সত্য নয়, একেবারে সত্য নয়। কিন্তু কী দুঃখের কথা, তার কাছে তখন এটাই সত্য ছিল। তিনি যে ইতিমধ্যেই আশ্চর্য ও অবিস্মরণীয় কাব্য সৃষ্টি করেছেন এবং সবার অলক্ষ্যে তাঁর নাম যে সাহিত্যের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেছে তা তিনি অনুভব করতে পারেন নি। সেই দুঃখ, ব্যর্থতা ও নৈরাশ্যের দিনে তা অনুভব করাও বোধহয় সম্ভব ছিল না। অবশ্য তাঁর
-
সিংভূম-জেলার বন-জঙ্গল ও পাহাড়শ্রেণী ভারতবর্ষের মধ্যে সত্যিই অতি অপূর্ব্ব। বেঙ্গল-নাগপুর-রেলপথ হওয়ার আগে এই অঞ্চলে যাবার কোনো সহজ উপায় ছিল না, কেউ যেতোও না সে সময়—যা একটু আধটু যেতো—এবং যে ভাবে যেতো—তার কিছুটা আমরা বুঝতে পারি সঞ্জীবচন্দ্রের ‘পালামৌ’ পড়ে। সিংভূম জেলার ভেতরকার পাহাড় জঙ্গলের কথা ছেড়ে দিই—বাংলাদেশের প্রত্যন্ত সীমায় অবস্থিত মেদিনীপুর ও বাঁকুড়া জেলার অনেকস্থান জনহীন অরণ্যসঙ্কুল থাকার দরুণ ‘ঝাড়খণ্ড’ অর্থাৎ বনময় দেশ বলে অভিহিত হোত। এ সব লোক প্রাণ হাতে করে যেতো ঐ সব বনের দেশে। কিন্তু না গিয়ে উপায় ছিল না—যেতেই হোত।
ওই দেশের মধ্যে দিয়ে ছিল পুরী যাওয়ার রাস্তা। মেদিনীপুর জেলার বর্তমান ঝাড়গ্রাম মহকুমার মধ্যে দিয়ে এই পুরোনো
-
অনুবাদ: মুহম্মদ আবদুল হাই
ইসলাম যখন ভারতবর্ষে এলো তখন তার প্রগতিশীল ভূমিকা নিঃশেষ হয়ে এসেছে আর শিক্ষিত ও সুসংস্কৃত আরবদের হাত থেকে তার অধিনায়কত্ব করার ভারও খসে গেছে কিন্তু তার পতাকার উপরে ইসলামের শৈশব ও যৌবনের বিজয়বহুল দিনগুলোর বৈপ্লবিক নীতি ছিলো সুগ্রথিত। প্রমাণাভিলাষী মন নিয়ে ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যাবে যে, যেমন পারস্য ও খ্রীষ্টান দেশগুলোতে তেমনি এই ভারতবর্ষেও মুসলিম বিজয়ের পথ সুপ্রশস্ত ক’রে দিয়েছিলো দেশীয় কতকগুলি ঘটনা। বিজিত জাতির বিপুল জনসাধারণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা না হোক অন্তত মৌখিক সহানুভূতি, কি মৌন সম্মতি না পেলে কোন বিদেশী আক্রমণকারীরাই সুদীর্ঘ ইতিহাস ও প্রাচীন সভ্যতাসম্পন্ন কোন বড় জাতিকে অতি সহজে তাদের পদানত করতে
-
সাজ্জাদ জহীর ১৯৬৫ সালে ‘প্রগতি সাহিত্য আন্দোলনের তিরিশ বছর’ নাম দিয়ে একটি প্রবন্ধ লেখেন নিজ মাতৃভাষা উর্দুতে। এই প্রবন্ধটি তাঁর মৃত্যুর পরে একটি সংকলনের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৩৫ থেকে ১৯৬৫, এই তিরিশ বছরের প্রগতি সাহিত্যের ইতিবৃত্ত বিশ্লেষণে রবীন্দ্রনাথ এসেছেন পুরোভাগে। এতে রবীন্দ্রনাথের একটি দুষ্প্রাপ্য বক্তব্য এবং রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে সাজ্জাদ জহীরের মূল্যায়ন আমাদের মনে করিয়ে দেয় রবীন্দ্রনাথ নব নব প্রজন্মের কাছে কত প্রাসঙ্গিক।
সাজ্জাদ জহীর এই প্রবন্ধে লিখেছেন: “প্রেমচাঁদ, জোশ মলিহাবাদী ও সুমিত্রানন্দন পন্থ প্রগতি লেখক সংঘ ও তার আন্দোলনকে বৈপ্লবিক প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। তবে এঁদের সবাইকে সম্ভবত বক্তব্যের দিক থেকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।”
এই বক্তব্যের যুক্তি হিসাবে সাজ্জাদ জহীর
-
লেখক: অজিত কুমার নাগভৈরব নদের পশ্চিম তীরে ছবির মত সুন্দর সাজানো শহর খুলনা। এই শহর গড়ে ওঠে ইংরেজ আমলে। কিন্তু প্রাচীন খুলনা ছিল নদীর অপর পারে। এক সময় সেখানে ছিল বিখ্যাত খুল্লনেশ্বরীর মন্দির। এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রাচীন বাংলার এক ধনী বণিক, সারা দেশ জুড়ে ছিল তাঁর ব্যবসা-বাণিজ্য-সমুদ্র পাড়ি দিয়ে যাঁর বাণিজ্যতরী চলে যেত সিংহল, স্বর্ণদ্বীপ, যবদ্বীপ, আরো কত দ্বীপ-দ্বীপান্তর। লক্ষ্মীর ঝাঁপি ভরে উঠত ধন-রত্নে, সমৃদ্ধ হত দেশ। বাংলার সে এক স্বর্ণযুগ। ইনি হলেন কবিকঙ্কন মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে বর্ণিত সেই ধনপতি সওদাগর। ধনপতির দুই স্ত্রী—লহনা ও খুল্লনা। ভক্তিমতি সতী-লক্ষ্মী স্ত্রী খুল্লনার নামে তিনি ভৈরবের পূর্ব তীরে প্রতিষ্ঠা করেন খুল্লনেশ্বরী -
সেই কতোদিন আগের কথা ৷
তখন রাজা ছিল, বাদশা ছিল। ছিল উযির-নাযির, সিপাই-সান্ত্ৰী আরো কতো কি!
সেই সব রাজা-বাদশার আবার নানান রকম খেয়াল থাকতো। তাদের আনন্দ দানের জন্য থাকতো নানান ধরনের খেলার আয়োজন। এমনি ধরনের খেলা ছিল হাতীর লড়াই।
হাতীর লড়াই?
হ্যাঁ হাতীর লড়াই। দুই প্রকাণ্ড হাতীকে লাগিয়ে দেওয়া হতো লড়াইয়ে। একটা আরেকটাকে দেখে রেগে যেতো, তারপর ঝাঁপিয়ে পড়তো অন্যটির উপর।
প্রায় সাড়ে তিন শ বছর আগে এমনি এক হাতীর লড়াই হয়েছিল যমুনা নদীর তীরে আগ্রার দুর্গের প্রাঙ্গণে।
রাজা এসে বসেছেন প্রাসাদের অলিন্দে। হাতীর লড়াই দেখবেন তিনি সেই খোলা বারান্দায় বসে। সঙ্গে তাঁর জনাকয় পারিষদ।
রাজার চার ছেলে কিন্তু লড়াই
-
আজি এ প্রভাতে আলোর প্রপাতে
আমরা করিব স্নান,
জ্যোতির্ময়ের বন্দনা করি’
ছন্দে ধরিব গান।
প্রার্থনা মোরা করিব সবাই—
এসো এসো সুন্দর,
সরস পরশে বিকশিত কর
আমাদের অন্তর।
আমাদের মন কর নিস্পাপ,
সন্তাপ কর দূর,—
চিত্ত মোদের পবিত্রতায়
কর তুমি ভরপূর।
সত্যের শুভ-শুভ্র আলোতে
প্রাণ প্রদীপ্ত হোক,
প্রেম-প্রীতি আর শ্রদ্ধা-বিনয়ে
হৃদয় ভরিয়া রোক।
মানবজীবন কর সার্থক,—
দেহে মনে দাও বল—
প্রথম প্রভাতে এই প্রার্থনা
করি কিশোরের দল।
-
সম্প্রতি পত্রান্তরে একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধ পড়লাম। তাতে সম্পাদকীয় লেখক আক্ষেপ করেছেন যে, বর্তমান বাংলাসাহিত্যে ভালো জ্ঞানমূলক বইয়ের আর কদর নেই। কদর নেই বলে, প্রকাশকেরাও আর ওই জাতীয় বই তেমন আগ্রহ করে ছাপাতে চান না। একখানা উৎকৃষ্ট সৎ গ্রন্থের মাত্র পাঁচ শত কপি বাজারে কাটতে অনেক বৎসর লেগে যায়। প্রকাশকেরা ব্যবসায় করতে বসেছেন, বই বিক্রি করে কিছু অন্তত মুনাফা তাঁরা করতে পারবেন এই আশাতেই তাঁদের পুস্তক ব্যবসায়ে প্রবৃত্ত হওয়া। নিছক সৎ গ্রন্থ প্রকাশের আকর্ষণে তাঁদের সৎ গ্রন্থ প্রকাশ করতে বলা তাঁদের কাছ থেকে একটু বেশী আশা করার সামিল হয়। সৎ গ্রন্থ প্রকাশ রূপ আদর্শবাদের পোষকতা করতে গিয়ে কেবলই যদি তাঁদের লোকসান
-
বইমেলা আমাদের দেশে একটা নতুন উৎসব। এই ধরনের উৎসব দেশে আগে ছিল না। আমাদের দেশে ধর্মীয় পালপার্বণ উপলক্ষ্যে মেলা হতো, স্মরণীয় লৌকিক ঘটনা উপলক্ষে মেলা হতো, মহাপুরুষের স্মৃতি পালনোদ্দেশ্যে মেলা হতো, আরও রকমারি কারণে মেলা হতো; কিন্তু বইয়ের মেলা আগে কখনো হয়নি। এ জিনিসের কোনো পূর্ব নজির দেখা যায় না।
হয়ত রেওয়াজটি গোড়ায় ছিল বিদেশী, বিদেশ থেকে আমরা এটা ধার করেছি। কিন্তু ধারের জিনিস হলেও তার ধার বা ভার কোনটাই কম নয়। ভাল বস্তু যে সূত্র থেকেই আহুত হোক না কেন তাকে স্বাগত জানাবার মতো খোলা মন (এবং প্রসারিত হাত) সর্বদাই আমাদের থাকা উচিত। অনুকরণ মহদুদ্দেশ্য প্রণোদিত তথা কল্যাণআশ্রিত হলে
-
আয়েশার (ছদ্মনাম) মনে আজ খুবই আনন্দ। সরকারি ব্যাংকের চাকরি জীবনে তার এই দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দুপুরের দিকে জানতে পারল, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে তাকেই নির্বাচিত করা হয়েছে। পদোন্নতির তালিকায় আরও তিন সহকর্মীও ছিল। শেষ পর্যন্ত তার রিপোর্ট ভালো থাকায় তাকেই নির্বাচন করা হয়েছে। আয়েশা কখনও তা আশাও করেনি। একজন নারী হিসেবে পুরুষ সহকর্মীদের কাছ থেকে সব সময়ই নানা বিরূপ মন্তব্য তাকে সহ্য করতে হয়েছে। তার এই জয়ের কথা কাকে প্রথম বলবে, এই আনন্দ কার সঙ্গে ভাগাভাগি করবে, তা চিন্তা করতে গিয়ে বাড়ির এক প্রতিকূল চিত্র তার চোখের সামনে ফুটে উঠল। নিজ কর্মক্ষেত্রের এই সাফল্যের কথা স্বাভাবিকভাবেই প্রথমে নিজের জীবনসঙ্গীকে
-
জীবন হচ্ছে ভাঙাগড়ার খেলা। কখনও একইভাবে চলে না। বিয়ের পর সারা জীবন একসঙ্গে চলার স্বপ্ন নিয়ে যে যাত্রা শুরু, নানা রঙের খেলায় মাঝপথেই আসতে পারে তার সমাপ্তি। কিন্তু প্রচলিত সামাজিক ধারা অনুযায়ী কোনো বিয়ে টিকে না থাকার পেছনে আজও দায়ী করা হয় নারীকেই। একজন নিঃসঙ্গ নারীর জীবনধারণ সমাজে হয়ে ওঠে কঠিন থেকে কঠিনতর। তাই এখনও বহু নারী প্রতি মুহূর্তে তিলে তিলে মরেও তার স্বামীর সঙ্গে জীবন চালিয়ে নেওয়াকেই সহজ পথ মনে করে, ডিভোর্স দিয়ে একাকী জীবন নির্বাহের চেয়ে। একজন একাকী নারীর কাছে তার মা-বাবার বাড়িই প্রথম আশ্রয়স্থল। কিন্তু সামাজিক ও পারিবারিক-মানসিক চাপের কারণে একজন নিঃসঙ্গ নারীর নিজ বাড়িতে জীবনধারণও হয়ে
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- কে আমি?
- বাংলাদেশ কথা কয়
- পরিচয়
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- অর্থনীতির গোড়ার কথা
- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দেশে দেশে
- লেখকদের প্রেম
- হেগেল ও মার্কস
- রূপের ডালি খেলা
- জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বনে পাহাড়ে
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বিজ্ঞানচেতনা
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- বইয়ের জগৎ
- ভারতপথিক রবীন্দ্রনাথ
- জীবনের রেলগাড়ি
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮)
- ২০২৫ (২)
- ২০২৪ (৭)
- ২০২০ (৪৯)
- ২০১৭ (১)
- ২০১৫ (১)
- ২০১৩ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (১)
- ১৯৮৮ (৩)
- ১৯৮৭ (১৩)
- ১৯৮৬ (৬)
- ১৯৮৫ (১)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮১ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (৯)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (১)
- ১৯৫৫ (৮)
- ১৯৫৪ (১)
- ১৯৪৬ (১১)
- ১৯৪৫ (৮)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আসাহাবুর রহমান (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এন রায় (১)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১৩)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৭)
- প্রবোধচন্দ্র সেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রেবতী বর্মন (১৫)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (২)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৫)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সুনির্মল বসু (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (১৪)
- হাসান তারেক (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.