-
ডক্টর জনসন-এর নাম জানেন না এমন শিক্ষিত ব্যক্তি বোধহয় আমাদের দেশেও বিরল। অষ্টাদশ শতাব্দীর ইংল্যাণ্ডের তিনি ছিলেন একজন দিকপাল পণ্ডিত, একজন প্রখ্যাত লেখক ও বিশিষ্ট চিন্তানায়ক। যেমন অসাধারণ ছিল তাঁর মেধা ও বুদ্ধি, তেমনি অসাধারণ ছিল তাঁর অধ্যবসায়। অত্যন্ত প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে থেকেও দীর্ঘ আট বৎসর অক্লান্ত পরিশ্রম করে শুধুমাত্র একক চেষ্টাতেই তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ—‘ডিকশনারি অব দি ইংলিশ ল্যাংগোয়েজ’ রচনা সমাপ্ত করেন। এটা কম বিস্ময়ের কথা নয়।
১৭০৯ খ্রীস্টাব্দের ১৮ই সেপ্টেম্বর স্যামুয়েল জনসন-এর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন একজন দরিদ্র পুস্তক-বিক্রেতা। তার ফলে ছেলেবেলা থেকেই জনসন-এর পড়াশোনার নেশা। তাঁর মেধাও ছিল বিস্ময়কর। তিনি একবার যা পড়তেন তা আর ভুলতেন
-
হেগেল বিশ্ব ইতিহাসের দর্শন রচনা করিয়াছেন। এই আলোচনায়ই তাহার দর্শনের মর্ম সহজে ফুটিয়া উঠিয়াছে। কি করিয়া আত্মা (spirit) সত্যের আলোকে উদ্ভাসিত হয়, তাহা দেখানোই বিশ্ব ইতিহাসের কার্য। বিশ্ব ইতিহাসেই ‘প্রজ্ঞার’ (reason) উদয় হয়; ইহারই ভেতরে ‘প্রজ্ঞা’ তাহার বিকাশ ও স্বতস্ফূর্ততার পথ খুঁজিয়া লয় এবং পরিশেষে আত্মোপলব্ধির আনন্দে সার্থক হয়। হেগেল লিখিত ইতিহাস পর্যালোচনায় এই মূল কথাটি মনে রাখিতে হইবে।
ইতিহাসকে দেখা হইয়াছে তিন রকমে (১) মৌলিক ইতিহাস (Original History) (২) ভাবমূলক ইতিহাস (Reflective History) (৩) দার্শনিক ইতিহাস (Philosophical History). হিরোটাস এবং থুসিডিডস্ লিখিয়াছেন প্রথম শ্রেণীর ইতিহাস। তাঁহাদের রচনা সম-সাময়িক তথ্য এবং ঘটনাদি বর্ণনাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। তাহারা এমন জিনিস রচনা করিয়াছেন
-
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মধ্যে ‘মুজিববাদ’ এবং ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র’ এই দুই শ্লোগানের পরিচয়ে এক দ্বিধা-বিভক্তি ক্রমশ প্রকাশ পেতে থাকে ৷ ঐ বৎসরের ২৩শে জুলাই একই সময়ে রেসকোর্স এবং পল্টন ময়দানে পৃথক পৃথক সম্মেলন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রলীগের এই দ্বিধা-বিভক্তি চূড়ান্ত সাংগঠনিক রূপ লাভ করে। একদিকে যখন ‘মুজিববাদ’-পন্থী ছাত্রলীগ দেশে ‘মুজিববাদ’ প্রতিষ্ঠার শপথ নেয়, অন্যদিকে ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে’র অনুসারী ছাত্রলীগ দেশে ‘শ্রেণী সংগ্রামের মাধ্যমে সামাজিক বিপ্লব সংঘটিত করে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিজ্ঞা নেয়। ১৭ই সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস উপলক্ষে পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগের জনসভায় আ স ম আবদুর রব একটা পার্টি গঠন করার ইঙ্গিত দেন। ৩১শে অক্টোবর মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) জলিল এবং আ স
-
লেখক: মঈন চৌধুরী
[আমি মানুষ, তুমি মানুষ, সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মুখলোকাত। তোমার আর আমার মাঝে এমন সব গুণ সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন যার ফলে আমরা হয়েছি ফেরেশতা কিংবা জ্বীন থেকে অনেক অনেক মহৎ। আমাদের মাঝেই ঈশ্বর স্থাপন করেছেন দেবতার গুণাবলী; আমরা হয়েছি ঈশ্বরের অবতার। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত এই গুণাবলীকে কেন্দ্র করেই মাঝে মধ্যে আমরা জন্ম নিচ্ছি পীর, ফকির, সাধু, সন্ন্যাসী কিংবা সমাজ সংস্কারক হিসেবে। মানবত্বের বাণী প্রচার করে আমরা তোমাদের জীবন আর সমাজকে সুন্দর করব, আমরা জাগিয়ে তুলব তোমাদের বিবেককে। তোমরা যদি আধুনিক যুক্তিবাদী হও, যদি অবিশ্বাস কর সাধু, সন্ন্যাসী, পীর, ফকির কিংবা ধর্মকেন্দ্রিক সমাজ সংস্কারকের ভূমিকা, তবু আমরা মানবত্ব প্রচারের তাগিদেই বারবার
-
এঞ্জিন মৃদু-মৃদু আওয়াজ করতে শুরু করেছে। স্টোকহোল্ডে কয়লাওয়ালাদের মুখ লাল হয়ে উঠেছে: তাদের সামনে যে বিরাট অগ্নিকুণ্ড জ্বলে উঠেছে—তারই তাপে ঝলসাচ্ছে ওদের মুখ। ভোর নাগাদ জাহাজ ছাড়বে। কিন্তু মাল তোলা এখনো শেষ হয় নি; কার্গো-উইঞ্চে একঘেয়ে আওয়াজ হচ্ছে: ঘর ঘর ঘর। ওধারে ডকের আবরণ দেয়া-আলোর মধ্যে রহস্য, অস্পষ্ট কোলাহল, আর ধোঁয়া।
রাতের শেষাশেষি। বৃদ্ধ করিম সারেঙ্গ কেবিন হতে বেরিয়ে এল—তার ক্ষুদ্র চোখে ঘুমাবসানের ঔজ্জ্বল্য ও স্বচ্ছতা। জাহাজ কাঁপছে মৃদু-মৃদু। ওপরে ফানেল দুটো দিয়ে ধোয়ার শীর্ণ রেখা নিষ্কম্পভাবে ঋজু হয়ে উঠে হাওয়াশূন্য কালো আকাশে মিলিয়ে যাচ্ছে। করিম সারেঙ্গ ঘুরে এল এদিকে, দেখলে গ্যাঙ্গওয়ে এখনো তোলা হয় নি। কোণে আবছা অন্ধকার; সে-অন্ধকারে
-
চর আলেকজান্দ্রার সোনাভাঙা গ্রামের ঘাটে এখনো নৌকার ভিড়। কত নৌকা আসছে, যাচ্ছে: বালাম, সাম্পান, কিছু সোরঙ্গ-ও। চালের মরসুম এখনো সরগরম। অথচ এদিকে চৈত্রের শেষাশেষি। গাঁয়ের পশ্চিমে নারকেল-বন পেরিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত খোলা প্রান্তরের ধারে গিয়ে দাঁড়ালে দেখা যাবে: উদ্দাম হাওয়ায় সে-প্রান্তরময় ধুলো উড়ছে। পেছনে নারকেল-বনে অশান্ত মর্মরধ্বনি, আর সামনের জনশূন্য প্রান্তরে কেবল ধুলো উড়ছে আর উড়ছে, কখনো ঘূর্ণি হয়ে ঊর্ধ্বে উঠে, কখনো আকাশের বুক থেকে তির্যক গতিতে নিচে নেবে আসে, আবার কখনো মাটি ছুঁয়ে তীরবেগে দূরান্তে মিলিয়ে গিয়ে। আর, যে-পথটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে কিছু এঁকেবেঁকে সোজা পশ্চিমে চলে গেছে, সে পথ স্থানে স্থানে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে সে-ধুলোর মধ্যে: যেন শূন্যে মিলিয়ে
-
একটি শিশুছেলে ও মেয়েসন্তানের প্রতিভা, স্বপ্ন, ইচ্ছা, কল্পনার মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। কিন্তু পরে সমাজে চলতে গিয়ে একজন মেয়ে নিজেকে শুধু মেয়েমানুষ ভাবতে বাধ্য হয়, যা তার স্বপ্নগুলোকে বাধাগ্রস্ত করে। কর্মক্ষেত্রে তাকে শুনতে হয়—এটা মেয়েদের নয়, ছেলেদের কাজ। নারী তার জীবনকে একটি ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে সীমিত রাখতে বাধ্য হয়। তারই সমবয়সী পুরুষের স্বপ্নগুলো হয় বিশাল এবং এক বৃহৎ জগতে হয় তার বসবাস। সমাজের এ চিরাচরিত চিত্রের পরিবর্তন একান্তই কাম্য। সবার ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত যে—সে মানুষ।
মানুষ হিসেবে তাদের উভয়েরই প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য বহু পথ রয়েছে। কিন্তু নিতু নারী হওয়ায় সমাজব্যবস্থা নিতুর জন্য সব পথকেই করে দিয়েছে
-
নতুন অফিসে চাকরি নেওয়ার পর ছয় মাস পেরিয়ে গেছে লিনার (ছদ্মনাম)। এখনও পরিবেশের সঙ্গে কেন যেন নিজেকে ঠিকমতো মানিয়ে নিতে পারছে না। এর আগে দুইবছর এক এনজিওতে চাকরি করার পর এটি তার দ্বিতীয় কর্মক্ষেত্র। এনজিওর পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এত বড় কোম্পানিতে চাকরির অভিজ্ঞতা এই প্রথম। নতুন সহকর্মীরা বেশ বন্ধুবৎসল। কর্মক্ষেত্রের পরিবেশও খারাপ নয়, তবু কোথায় যেন একটা প্রশ্ন। অফিসে তার বসার টেবিল একেবারে কোনায়। সহকর্মীদের টেবিল থেকে বেশ বিচ্ছিন্ন। তার সঙ্গে আলাপের সময় সব সহকর্মীই যেন আলাদা সৌজন্য আর অফিসিয়াল সম্পর্ক রক্ষা করে চলে। এমনি খুব মিশুক নয়। এই আনুষ্ঠানিকতার সম্পর্ক তাকে আরও চাপা স্বভাবের বানিয়ে দিয়েছে। নিজের যতক্ষণ
-
‘হঠাৎ অতুলের ঘর থেকে ভীষণ চিৎকার আর কান্না শুনতে পেয়ে ছুটে গেলাম ওর ঘরে। গিয়ে আবিষ্কার করলাম কান্না আর চিৎকারের কারণ। আমার বোনের ছোট মেয়ে মিলি কেন ওর খেলনা দিয়ে খেলছে, সেটাই এই চিৎকার আর কান্নাকাটির কারণ। আমার ছেলের বয়স সাত হতে চলল, আর বোনের মেয়ে মিলির বয়স ছয়।’ এভাবেই একমাত্র ছেলে অতুলের কাণ্ডকারখানা বর্ণনা করছিলেন মিসেস মনি। মিসেস মনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই অতুল ওর ঘরে কেউ ঢুকলে, ওর খেলনা কেউ ধরলে সে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করে দেয়। ওর চিৎকার-চেঁচামেচিতে থাকা কঠিন। মা হিসেবে অনেক বুঝিয়েছি, কিন্তু একমাত্র ছেলে বলে আদর সব সময় বেশিই পেয়ে এসেছে, সেজন্যই মনে হয়
-
কয়েক দিন ধরে নিলুফার ইয়াসমীন খুব চিন্তায় আছেন। তাদের একমাত্র ছেলে বর্ণকে খুব অন্যমনস্ক মনে হচ্ছে। হঠাৎ করেই ও একধরনের দূরত্ব রেখে চলছে। আগে এসেই স্কুলের সব গল্প করত। তার পাশে বসে থাকত। এখন ও ক্লাস নাইনে উঠেছে। একটু বড় বড় ভাব। তাকে এড়িয়ে চলছে। শুধু তা-ই নয়, খাওয়ার সময়ও নিজের ঘরে গিয়ে দরজা আটকে একাই খাচ্ছে। তার মনে হচ্ছে, তিনি নিজের ছেলেকেই আর চিনতে পারছেন না।
হঠাৎ করে কেন এই দূরত্ব তৈরি হলো তাদের মাঝে? এই ছেলেকেই তিনি কিছুদিন আগে নিজ হাতে খাইয়েও দিয়েছেন। তিনি বুঝতে পারছেন যে ছেলেটা মানসিকভাবে এখন একটা কঠিন সময় পার করছে। কিন্তু তিনি কোনো
-
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দেশের নারীদের রয়েছে ঐতিহাসিক ভূমিকা। বহু নারী যুদ্ধের সময় জীবন দিয়েছেন। অস্ত্র হাতে পুরুষের পাশাপাশি লড়াই করেছেন, নানা অপারেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। তেমনি সে সময় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন নারী মুক্তিযোদ্ধারা। বহু নারী মুক্তিযোদ্ধা বেতার কেন্দ্রে কাজ করেছেন শিল্পী হিসেবে, যা প্রতি ক্ষণে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে খবর, অস্ত্র আদান-প্রদানের কাজ করেছেন তারা। মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্ব থেকেই নারীসমাজ পালন করে আসছিল অগ্রণী ভূমিকা। তেমনি তিন মহীয়সী নারী মুক্তিযোদ্ধার কথাই বলছি।
নাসরীন রব রুবা
১৯৭১ সালের ১০ মার্চ। তখন তিনি হলি ক্রস কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সেদিনই হঠাৎ করে জানতে পারেন ১৪
ক্যাটাগরি
উৎস
- কে আমি?
- প্রক্রিয়াধীন
- লেখকদের প্রেম
- বাংলাদেশ কথা কয়
- পরিচয়
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- অর্থনীতির গোড়ার কথা
- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দেশে দেশে
- হেগেল ও মার্কস
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- রূপের ডালি খেলা
- জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- ভারতপথিক রবীন্দ্রনাথ
- ইসলামের ঐতিহাসিক অবদান
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বিজ্ঞানচেতনা
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- বইয়ের জগৎ
- বনে পাহাড়ে
- জীবনের রেলগাড়ি
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮)
- ২০২৫ (২)
- ২০২৪ (৭)
- ২০২০ (৪৯)
- ২০১৭ (১)
- ২০১৫ (১)
- ২০১৩ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (১)
- ১৯৯৫ (৭)
- ১৯৯২ (১)
- ১৯৮৯ (১)
- ১৯৮৮ (৩)
- ১৯৮৭ (১৩)
- ১৯৮৬ (৬)
- ১৯৮৫ (১)
- ১৯৮৪ (৪)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮১ (৪)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৭ (২)
- ১৯৭৫ (১)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (৯)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৯ (১)
- ১৯৬৫ (১)
- ১৯৬২ (১)
- ১৯৬০ (১)
- ১৯৫৫ (৮)
- ১৯৫৪ (১)
- ১৯৪৬ (১১)
- ১৯৪৫ (৮)
লেখক
- অজিত কুমার নাগ (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আসাহাবুর রহমান (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এন রায় (১)
- গ্রেস ব্ল্যাকলি (১)
- চন্দন লাহিড়ী (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- নজরুল ইসলাম (৪)
- নারায়ণ চৌধুরী (৩)
- নিতাই দাস (১৩)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৭)
- প্রবোধচন্দ্র সেন (১)
- প্রমা ইসরাত (১)
- ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (১)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মণি সিংহ (১)
- মানস (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৬)
- রেবতী বর্মন (১৫)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (২)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৫)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সুনির্মল বসু (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৮)
- সোমেন চন্দ (১৪)
- হাসান তারেক (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.