-
৭ই মার্চ থেকে এপ্রিলের ২৮ তারিখ পর্যন্ত আমি সিলেটের বিভিন্ন স্থানে সংগ্রাম পরিষদ গঠন, স্বেচ্ছাসেবক, আনসার, সাবেক ইপিআর, পুলিশ, ছাত্রকর্মীদের সহযোগে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ব্যবস্থা করি। সিলেট শহর, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, শেরপুর প্রমুখ স্থানে প্রতিরোধ যুদ্ধ পরিচালনায় সক্রিয় অংশ নেই। মেঘালয়ের করিমগঞ্জে অবস্থানকালে আমি প্রায় ৩ হাজার মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন করে তাদের থাকা-খাওয়া ও ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করি। আমি বাংলাদেশ সরকারের বেসরকারী উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করি। যুদ্ধ পরিচালনা এবং জনমত সৃষ্টি প্রভৃতি দায়িত্বও পালন করি। উত্তর-পূর্ব জোনের প্রশাসনিক পরিষদের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করি। মিত্রবাহিনরি সহযোগে যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে জাকিরগঞ্জ, খামাইঘাট, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, বিয়ানীবাজার প্রভৃতি স্থানসমূহে একের পর এক দখল
-
বারুদের গন্ধ আর ভাল লাগে না।
ক্যাপ্টেন বশীর নিজের মনে বিড়বিড় করলে। মহকুমা কাচারির পাশেই এই বিল্ডিং সে অফিস বানিয়ে নিয়েছিল গত চার মাস। এলাকার লোক শান্তিপ্রিয়। তেমন কোন গোলমাল করেনি কেউ। ‘সব সাচ্চা মুসলমান। সবাই পাকিস্তান চায়। এই দিক থেকে ক্যাপ্টেন বশীর নিশ্চিন্ত ছিল। মাঝে মাঝে গোয়েন্দারা দু’চারটে কালো ভেড়ার খবর আনত, তাদের রাস্তার কাঁটার মত সরিয়ে ফেলতে বেশী দেরী হোত না। গেরেপ্তার করে নিয়ে আসা এবং দিন শেষ হওয়ার যা অপেক্ষা। অন্ধকারে তারপর পাকিস্তান-বিরোধী নিমকহারামদের আর কোন নাম-নিশানা থাকত না দুনিয়ায়। বিলম্ব অথবা প্রকাশ্যে শাস্তি দিলে ফল খারাপ হয়, তা ক্যাপ্টেন নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছিল এই এলাকায় নয়,
-
আর থোড়া অক্ত।
আর কিছু সময়।
অনন্তের সুড়ঙ্গে এই হামাগুড়ি আর কতক্ষণ দেওয়া যায়?
সোলেমান সারেঙের কাছে তখন কি প্রশ্ন বার বার ঘাই মেরেছিল, তা আজ জানার কথা নয়।
কারণ, মুহূর্ত নির্যাস হয়ে এলে অনেক ছবি, অনেক কথা, ঘটনা একাকার যে রূপপরিগ্রহ করে তা নিতান্ত অনুভবের ব্যাপার। ক্যামেরার লেস অতি দ্রুত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একই ফিল্মের সমতলে নানা ছাপ সংগ্রহ সহজ। তার পাঠ উদ্ধারও সম্ভব। সেখানে একক ছবি ছাড়া আর কিছু নেই।
কিন্তু ঘটনা আবেগ-প্রবাহ যখন তেমন কায়দায় গতির চোটে একটার পর একটা—একটার ভিতর একটা সেঁধিয়ে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে স্বতন্ত্র জানান দেওয়ার দাবি হাঁক-ফুকর ছড়াতে থাকে, তখন অর্থহীনতার কাছে সব
-
পাটের গুদামে আগুন লেগেছিল। বিরাট টিনের শেডের নীচে হাজার হাজার গাঁট স্তূপ। কিভাবে অগ্নিকাণ্ড শুরু হয়, তা কেউ বলতে পারবে না। চারিদিকে আগুনের লকলকে জিভ যখন সব চেটেপুটে ছাই করে দিতে বেরিয়ে আসছিল, তখনই খবর পাওয়া যায়। ফায়ার ব্রিগেডে খবর পৌঁছতে বেশী দেরী হয়নি।
দমকল বাহিনী লড়ায়ে নেমে পড়েছিল যেন শত্রু পক্ষ আর এগুতে না পারে। কাছেই নদী। সুতরাং গোলাবারুদের অভাব হয়নি। হোস পাইপের ভেতর দিয়ে পানির ফোয়ারা কামানের গোলার মত ছিটিয়ে পড়ছিল।
কিন্তু এই শত্ৰু তো লাফিয়ে লাফিয়ে চলে। তাই ফায়ার ব্রিগেডের সৈন্যসামন্তরা স্থির করেছিল গুদামের চালের একদিক খুলে উপর থেকে পানি মারার বন্দোবস্তই যুক্তিযুক্ত।
কয়েকজন ফায়ারম্যান সিঁড়িযোগে চালে
-
পূর্ববাঙলা কবে স্বাধীন হবে এবং কিভাবে হবে সেসব প্রশ্নের নানাজাতীয় উত্তর দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাক্কায় যেহেতু এই লড়াইয়ে বাঙালিরা জয়ী হননি তাই আমরা মনেমনে এখন একটি দীর্ঘ অন্ধকার রাত্রির জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছি। একটি কথা যুদ্ধ বিশারদ ও রাজনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন এবং সাধারণ মানুষও একরকম বুঝতে পারছেন যে বহুদিন ধরে একাহাতে এই লড়াই চালিয়ে যাবার সাধ্য পশ্চিম-পাকিস্তানী রণনায়কদের নেই। তবে এই আত্মক্ষয়ী যুদ্ধকে কল্পতরু দাদারা কতদিন চালিয়ে যেতে সাহায্য করবেন সে বিষয়ে নানামুনির নানা মত। আমাদের দিক থেকে অন্তত কয়েক বছরের জন্য প্রস্তুত থাকা দরকার।
এই প্রস্তুতির একটা বড় অঙ্গ হলো আমাদের লক্ষ্য সম্বন্ধে দৃষ্টিকে স্বচ্ছ রাখা। নয়ত শেষে আশাভঙ্গের
-
গুজবের পর গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। খুলনা শহরে ঘরে ঘরে, ক্লাবে-মজলিসে আর চায়ের দোকানে নানারকম জল্পনা-কল্পনা চলছে। গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে শেখ মুজিবের আলাপ-আলোচনা চলছিল। এই আলোচনার পরিণতি কি ঘটতে পারে, সেই প্রসঙ্গ নিয়ে খুলনা শহরের মানুষ যেন উত্তেজনায় ফেটে পড়ছিল। শুধু খুলনা নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের মন চঞ্চল হয়ে উঠেছিল। তাদের মনের ব্যারোমিটারে আশা-নিরাশার চাপমাত্রা ক্ষণে ক্ষণে উঠছিল আর নামছিল। অবশেষে শেষ সংবাদ এলো, সকল জল্পনা-কল্পনা অবসান ঘটিয়ে আলোচনা ভেঙে গেছে। এবার কি ঘটবে?
ঘটনার পরিণতি দেখে এবার এটা সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, এতদিন পেছনে একটা গভীর জটিল ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতে ওরা প্রকাশ্য
-
বাংলা দেশে পশ্চিম পাকিস্তানের জঙ্গীশাহীর নৃশংস বর্বরতার বিরুদ্ধে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের উদ্যোগে গত ১৬ই এপ্রিল, ’৭১ তারিখে পরিষদ ভবনে পশ্চিম বঙ্গের বিজ্ঞানী, বিজ্ঞানকর্মী ও জ্ঞানানুরাগী জনসাধারণের একটি প্রতিবাদ-সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় অধ্যাপক সত্যেন্দ্রনাথ বসু। পশ্চিম পাকিস্তানের জঙ্গী গোষ্ঠী কর্তৃক হিংস্র পশুশক্তির চরম প্রকাশের তীব্র নিন্দা করে এবং বাংলা দেশের অভূতপূর্ব মুক্তি-সংগ্রামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করে ভাষণ দেন অধ্যাপক প্রিয়দারঞ্জন রায়।
নিম্নলিখিত প্রস্তাবটি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়—
“বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভা বাংলা দেশে পশ্চিম পাকিস্তানের জঙ্গী গোষ্ঠীর নৃশংস বর্বরতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাইতেছে এবং বাংলা দেশের অভূতপূর্ব মুক্তি-সংগ্রামের প্রতি সম্পূর্ণ সহানুভূতি ও সমর্থন জ্ঞাপন
-
[১৯৮০ সালে প্রেস ক্লাবের বাৎসরিক সংখ্যায় প্রকাশিত এই লেখাটি প্রয়াত অজিত চক্রবর্তীর। তিনি প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সম্পাদক এবং যুগান্তর পত্রিকার বর্ষীয়ান সাংবাদিক ছিলেন। অজিত চক্রবর্তী দীর্ঘকাল যুগান্তর পত্রিকার ডেপুটি চিহ্ন রিপোর্টারের দায়িত্ব সামলেছেন।]
১৬ এপ্রিল, ১৯৭১।
ঐ দিনটি এবং তারপরের দিনটি কলকাতা প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লিখে রাখার মতো। আমি তখন ক্লাবে সেক্রেটারী। এখন প্রকাশ করা যেতে পারে যে যোগাযোগ ঘটিয়েছিলেন সমর বসু। সমর আমার সহপাঠী, অনেক দিনের বন্ধু। তখন বিএসএফ-এর পিআরও। ঐ যোগাযোগের উপর নির্ভর করেই বিকেল পাঁচটায় প্রেস ক্লাবে একটা প্রেস কনফারেন্স ডেকে দিলুম। লিখিত নয়, মুখে মুখে সকলকে আমন্ত্রণ জানান হল। এখনও সেদিনটির কথা মনে আছে।
-
লেখক: রফিকুল ইসলাম
বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেতনার উন্মেষ কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা 'বাঙালি এথনিক ক্লিনসিং' শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। ঐদিন সকালবেলা একটি সামরিক হেলিকাপ্টারে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জানজুয়া, মেজর জেনারেল মিঠা খান, মেজর জেনারেল নজর হোসেন শাহ এবং মেজর জেনারেল ওমর রংপুর, রাজশাহী, যশোর, চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে 'অপারেশন প্ল্যান' পাকিস্তানী কমান্ডারদের দিয়ে আসেন। ঢাকায় প্রধান টার্গেট ছিল ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ইপিআর হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন। জেনারেল ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হাউস (পুরনো গণভবন) ত্যাগ করে যান
-
লাখো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এ স্বাধীনতা। আমাদের প্রিয় স্বাধীনতার জন্য অনেক মা হারিয়েছেন তার সন্তান, নারী হারিয়েছেন তার সম্ভ্রম। ১৯৭১ সালে রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি নরপিশাচেরা তখন পৈশাচিক কার্যকলাপে নিয়োজিত, বহু নারীর জীবন ধ্বংসের খেলায় ছিল মাতোয়ারা। তেমনই ভয়াল কালো থাবার শিকার বীরাঙ্গনা নারী কাননবালা। তখন গোপালগঞ্জের ভাজন্দি গ্রামের এক হিন্দু পরিবারের কিশোরী কাননবালা। তারা ছয় ভাই ও দুই বোন। ১৯৭১ সালের আষাঢ় মাসের এক বৃষ্টিভেজা অন্ধকার রাতে রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি সেনারা ঘিরে ফেলে কাননবালাদের বাড়ি। ঠাকুরমাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় তাকে। তার বাবা-মা-ভাইদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। কাননবালার চোখ বেঁধে তাকে নিয়ে
-
লেখক: ধীরাজ কুমার নাথ
১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর। সকাল থেকে মাননীয় মন্ত্রী শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের বাসায় একান্ত সচিব হিসেবে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। এক পর্যায়ে বললাম, স্যার আজ কিন্তু আমি ১২টার পরই চলে যাবো, প্রতিদিনের মতো রাত অবধি থাকবো না। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, কেন আজ কী হলো? আমি বললাম মিছিলের পর মিছিল যাচ্ছে কোলকাতার ময়দানের (গড়ের মাঠ) দিকে, লক্ষ লক্ষ লোকের সমাবেশ হবে। সবার মুখে এক কথা আজ ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিবে। মিছিলের কিছু স্লোগানে এমন দাবী আমি শুনেছি। আমি এই ঐতিহাসিক ঘোষণা নিজ কানে শুনতে চাই। আজ অনেক বাংলাদেশি সেখানে হাজির হবে, বিশেষ করে সল্ট লেইকে আশ্রয়গ্রহণকারী
ক্যাটাগরি
উৎস
- কে আমি?
- প্রক্রিয়াধীন
- রক্তাক্ত বাংলা
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- পরিচয়
- প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, পঞ্চদশ খণ্ড
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বাংলাদেশ কথা কয়
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- জীবনের রেলগাড়ি
- আশ্বাস
আর্কাইভ
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অনু ইসলাম (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আব্দুল মালেক উকিল (১)
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জহির রায়হান (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (২)
- প্রক্রিয়াধীন (৪৪)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফেরদৌসী মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (২)
- মণি সিংহ (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (২)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৪)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- সত্যেন সেন (২২)
- সন্তোষ গুপ্ত (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৪)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হাসান মুরশিদ (৬)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.