-
মার্কসতত্ত্বের একটি সাধারণ এবং সর্বাঙ্গীণ পরিচয় আমরা লাভ করতে পারি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ ‘কেপিটেলে’ সন্নিবিষ্ট মার্কস ও এঙ্গেলসÑএর মুখবন্ধগুলি হইতে। একটি পণ্য কি কারণে অপর একটি পণ্যের সহিত বিনিময় হয়, অথবা একটি বিশেষ পরিমাণের মুদ্রায় বাজারে বিক্রয় হয়, প্রতিদিনের এই ঘটনাটির পশ্চাতে যে রহস্য লুক্কায়িত রহিয়াছে তাহার উদ্ঘাটন মার্কসের পূর্বে দুই হাজার বৎসর সম্ভবপর হন নাই। এরিস্টটল ইহার উত্তর দিতে চেষ্টা করিয়াছেন; এডাম স্মিথ এবং রিকার্ডো অনেকখানি অগ্রসর হইয়াও সফল হন নাই। এই দুই হাজার বৎসরে অনেক রকমের বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং আবিষ্কার সম্ভব হইয়াছে; কিন্তু পণ্যে মূল্যরূপের (value form) মতো একটি ক্ষুদ্র প্রতিদিনের প্রত্যক্ষের বিষয় সম্বন্ধে বিচার ও বিশ্লেষণে যত সহজ,
-
সেই কতোদিন আগের কথা ৷
তখন রাজা ছিল, বাদশা ছিল। ছিল উযির-নাযির, সিপাই-সান্ত্ৰী আরো কতো কি!
সেই সব রাজা-বাদশার আবার নানান রকম খেয়াল থাকতো। তাদের আনন্দ দানের জন্য থাকতো নানান ধরনের খেলার আয়োজন। এমনি ধরনের খেলা ছিল হাতীর লড়াই।
হাতীর লড়াই?
হ্যাঁ হাতীর লড়াই। দুই প্রকাণ্ড হাতীকে লাগিয়ে দেওয়া হতো লড়াইয়ে। একটা আরেকটাকে দেখে রেগে যেতো, তারপর ঝাঁপিয়ে পড়তো অন্যটির উপর।
প্রায় সাড়ে তিন শ বছর আগে এমনি এক হাতীর লড়াই হয়েছিল যমুনা নদীর তীরে আগ্রার দুর্গের প্রাঙ্গণে।
রাজা এসে বসেছেন প্রাসাদের অলিন্দে। হাতীর লড়াই দেখবেন তিনি সেই খোলা বারান্দায় বসে। সঙ্গে তাঁর জনাকয় পারিষদ।
রাজার চার ছেলে কিন্তু লড়াই
-
সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে নিরবছিন্ন সংগ্রাম আমাদের দেশের বাম ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলির সামনে অন্যতম প্রধান কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংগ্রাম নিছক নেতিবাচক নয়। হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের জনগণকে উভয় ধরনের সাম্প্রদায়িকতার প্রভাব মুক্ত করে গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের সংগ্রামে সচেতনভাবে অংশগ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ করে ভুগতে হবে। এই প্রসঙ্গে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে মৌলানা আবুল কালাম আজাদের মতন ব্যক্তিত্ব যে ভূমিকা পালন করেছেন তা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যাঁরা হিন্দু ও মুসলিম দুই ধরনের সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অবিচলভাবে লড়াই করেছেন এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে যে সব মানুষ তাদের অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বলিষ্ঠভাবে দাঁড়িয়েছিলেন তাদের মধ্যে আবুল কালাম আজাদের স্থান প্রথম সারিতে। দুঃখের বিষয়, এই
-
আইনস্টাইন-রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ নিয়ে আজ কিছু আলোচনা করব। আইনস্টাইন ছিলেন বিশ্ববিশ্রুত বিজ্ঞানবিদ আর রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বিশ্বকবি, শিল্পী ও দার্শনিক। এই দুই মহামনীষীর মধ্যে কোথায় কতটুকু মিল ও পার্থক্য তা এই আলোচনা প্রসঙ্গে অনেকটা বোঝা যাবে।
বৈজ্ঞানিক খ্যাতির জন্যই যে রবীন্দ্রনাথ আইনস্টাইনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন তা নয়। আইনস্টাইন বৈজ্ঞানিক অপেক্ষা আরও বড়-কিছু ছিলেন, যার জন্যে তাঁকে বিশ্বের মানুষ বলে বিশ্ববাসী স্বীকার করে শ্রদ্ধা জানিয়েছিল। বিজ্ঞানজগতে তাঁর অবদানের তুলনা নেই—এ কথা যেমন সত্য, তাঁর বিশ্বমানবতা ও মানবপ্রীতি পৃথিবীর ইতিহাসে তাঁকে সমুচ্চ স্থান দিয়েছে—এ কথাও তেমনি সত্য। বিশ্বমানবতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হলেও আইনস্টাইন ছিলেন জাতীয়তাবাদী। এইখানেই রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আইনস্টাইনের 'আশ্চর্য মিল। স্বজাতি ও স্বদেশকে স্বীকার
-
নরেন্দ্র দেব গত ১৯শে এপ্রিল মারা গেছেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। সাহিত্য-জগতের সঙ্গে তাঁর শেষ দিন পর্যন্ত যোগাযোগ ছিল, কিন্তু তাঁর যুগ শেষ হয়েছিল অনেকদিন আগে। যে-কোনো মৃত্যুই দুঃখের, বিশেষত এমন মানুষের, যাঁর কাছ থেকে আমরা নিত্য স্নেহ ও ভালোবাসা পেয়েছি। বাঙলা সাহিত্যের দিক থেকেও ঘটনাটি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ নরেন্দ্র দেবের মৃত্যু বাঙলা সাহিত্যে একটি যুগের অবসান। বর্তমান শতাব্দীর প্রথম দুই দশকের সাহিত্যপত্রিকাগুলিতে নূতনত্ব এসেছিল বক্তব্যে ও প্রকাশরীতিতে—‘মানসী’, ‘যমুনা’, ‘ভারতী’ পত্রিকা নানা কারণেই আজকের দিনেও স্মরণীয়। নরেন্দ্র দেব সে-যুগের আধুনিক লেখক। বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস থেকে তাই তাঁর নাম বাদ পড়বে না। রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন, শরৎচন্দ্র স্নেহ করতেন; সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, মণিলাল
-
“সেই আমি প্রথম দেখলাম নজরুলকে, অন্য অনেক অসংখ্যের মতোই দেখামাত্র প্রেমে পড়ে গেলাম। চওড়া কাঁধে বলিষ্ঠ তাঁর দেহ, মাঝখান দিয়ে সোজা-সিঁথি-করা কোঁকড়া চুল গ্রীবা ছাপিয়ে প্লাবিত, মুখখানা বড়ো ও গোল ছাঁদের, নেত্র আয়ত ও কোণ রক্তিম। গায়ে গেরুয়া রঙের খদ্দর পাঞ্জাবি, কাঁধে সূর্যমূখী হলুদ চাদর। কণ্ঠে তাঁর হাসি, কণ্ঠে তাঁর গান, প্রাণে তাঁর অফুরান আনন্দ—সব মিলিয়ে মনোলুন্ঠনকারী একটি মানুষ। তাঁর জন্য আমি জগন্নাথ হল-এ যে-সভাটি আহ্বান করেছিলাম তাতে ভিড় জমে ছিল প্রচুর। দূর শহর থেকে ইডেন কলেজের অধ্যাপিকারাও এসেছিলেন, তাঁর গান ও কবিতা আবৃত্তি শুনে সকলেই মুগ্ধ: মৃত অথবা বৃদ্ধ অথবা প্রতিষ্ঠানীভূত না-হওয়া পর্যন্ত কবিদের বিষয়ে, যাঁরা স্বাস্থ্যকরভাবে সন্দিগ্ধ, সেই
-
আজ যখন পেছন ফিরে তাকাই, মনে হয় কি এক দুর্লভ ও দুর্দান্ত সময় আমরা পার হয়ে এসেছি। মনে পড়ে সেই প্রায় চার দশক আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলো। মানুষ যখন মহান কিছু সৃষ্টির কাজে মনেপ্রাণে জড়িয়ে থাকে তখন ঠিক বুঝতে পারে না কি অসাধারণ কাজ সে করে চলেছে। এটাই স্বাভাবিক। কারণ সে তো একা সব কিছু করে না। অনেকের সঙ্গে সে তার অবদান রাখে। পরে দেখে সবাই মিলে কি বিশাল একটা কাজ তারা করে ফেলেছে। আমাদের মহান স্বাধীনতা, স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টি সেরকমই এক বিপ্লবাত্মক ঘটনা। আজ গর্ব করে বলি ১৯৭০ সালের ঠিক আগে ও পরের সময়টাতে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। সে
-
সম্ভবত ৯৮২ সালে বিক্রমপুবের বজ্রযোগিনী গ্রামে চন্দ্রগর্ভেব জন্ম। চন্দ্রগর্ভের বাবার নাম কল্যাণশ্রী, মায়ের নাম প্রভাবতী। চন্দ্রগর্ভ মা-বাবার দ্বিতীয় সন্তান। চন্দ্রগর্ভ একজন রাজপুত্র।
বজ্রযোগিনী গ্রামে চন্দ্রগর্ভের ভিটে।
খুব অল্প বয়সেই চন্দ্রগর্ভকে বিদ্যাশিক্ষার জন্য মা-বাবা পাঠালেন অবধূত জেগরির কাছে। তাঁর কাছে চন্দ্রগর্ভ পঞ্চবিজ্ঞান শিখেছেন।
তারপর অবধূত জেগরি একদিন চন্দ্রগর্ভকে বললেন-তুমি এবার নালন্দায় যাও।
বিদ্যাচর্চার জন্য নালন্দার খ্যাতি অনেকদিন আগেই দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়েছে। নালন্দায় অজস্র বিষয়ে শিক্ষার বিচিত্র ও বিপুল ব্যবস্থা। পালযুগে রাজারা দুহাতে নালন্দাকে সাহায্য করেছেন-নালন্দার তখন চূড়ান্ত খ্যাতি ও সমৃদ্ধি।
অবধূত জেগরির কথামতো চন্দ্রগর্ভ চলে এলেন নালন্দায়, দেখা করলেন আচার্য বোধিভদ্রের সঙ্গে। আচার্য বোধিভদ্র শ্রমণরূপে বরণ করে নিলেন চন্দ্রগর্ভকে; নতুন
-
ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম পরিচয় বনগাঁ শহরে। তিনিই আমাকে খুঁজে নিয়েছিলেন, না আমিই তাঁকে খুঁজে বের করেছিলাম, সে কথাটা এখন ঠিক মনে করতে পারছি না। তবে খুব অল্প সময়ের ভেতরেই আমাদের দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে একথা ওকথা বলতে বলতে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক বিয়োগবিধুর ও মর্মস্পর্শী কাহিনী বলে চলেছিলেন। ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে ইতিপূর্বে পরিচয় না থাকলেও আমি তাঁর নাম শুনেছি। তাঁর বাড়ি যশোর জিলার ঝিনাইদহ মহকুমায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে তিনি কোনো এক কলেজে অধ্যাপকের কাজ শুরু করেছিলেন। ভেবেছিলেন, অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার মধ্য দিয়েই জীবনটা কাটিয়ে দেবেন। এর চেয়ে আনন্দময় জীবন আর কি হতে পারে! কিন্তু
-
গ্রামের নাম চৈতন্য নগর। মাঝখানে গুণেশ্বরী নদী, এপারে লেংগুরা, ওপারে চৈতন্য নগর। এই চৈতন্য নগর গ্রামেই গুরুদয়াল অধিকারীর বাড়ি। হাজংদের মধ্যে যারা উপজাতীয় পুরোহিত, তারাই ‘অধিকারী’ নামে পরিচিত। তাদের নামের পিছনে তারা এই পদবীটিকে ব্যবহার করে থাকেন। গুরুদয়াল অধিকারী মাঝারি কৃষক, তার উপরে উপজাতীয় পুরোহিত। তার সংসারে বিশেষ কোনো অভাব-অনটন ছিল না।
মণিদা বলছিলেন:
এই চৈতন্য নগর গ্রামে আমি বহুবার গিয়েছি। এই অঞ্চলের কোন্ গ্রামেই বা না গিয়েছি! এদিককার সবাই আমাকে চিনত। আর আমিও তাদের অনেককেই চিনতাম। হ্যাঁ, গুরুদয়াল অধিকারীর সঙ্গেও আমার আলাপ-পরিচয় ছিল। বয়স পঞ্চাশ আর ষাটের মাঝামাঝি হবে। দেখা হলেই হাসিমুখে কথা বলতেন। তিনি তার পূজা-আর্চা, ধর্মীয় ক্রিয়া-কর্ম
-
হাজং অঞ্চলের যে সমস্ত সংগ্রামী কৃষক সৈন্য ও পুলিশদের আক্রমণের ফলে শহীদ হয়েছিলেন, তাঁদের অনেকের নামই জানা যায় নি। আবার অনেকের নাম বিস্মৃতির তলায় চাপা পড়ে গেছে। শহীদের মধ্যে শুধু পুরুষরা নয়, মেয়েরাও ছিলেন। মেয়েদের মধ্যে শুধু একটি নাম আমাদের কাছে উজ্জ্বল আর অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি হলেন শহীদ রাসিমণি। এই বীরাঙ্গনা সশন্ত্র পুলিশের অত্যাচারের প্রতিরোধ করতে গিয়ে গুলীর মুখে জীবন দিয়েছিলেন।
এই ঘটনার পিছনকার ইতিহাসটা একটু খুলে বলি। ১৯৪৬ সনের প্রথম ভাগে ময়মনসিংহ শহরে ছাত্র ফেডারেশনের উদ্যোগে ‘ভিয়েতনাম দিবস’ উদ্যাপন করা হয়। এই উপলক্ষে ছাত্ররা বিরাট সভা ও মিছিল করেছিল। পুলিশ মিছিলের উপর গুলী চালায়। ফলে একজন ছাত্র মারা
-
যে কোনো মুক্তি আন্দোলন, গণ আন্দোলন বা শ্রেণী আন্দোলনের পেছনে তার অনুকূল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পটভূমি থাকলে তা উজ্জ্বল সম্ভাবনা সৃষ্টি করে। অবশ্য সকল ক্ষেত্রে যে তার অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে থাকে তা নয়। সময় সময় বর্হিজগতের আন্দোলনের তরঙ্গও তার উপরে এসে ঘা মারে। ফরাসী রাষ্ট্রবিপ্লব, ইতালী ও আয়ারল্যাণ্ডের মুক্তি আন্দোলন এবং সর্বশেষে রুশিয়ার সর্বহারা বিপ্লব, ভারতের রাজনৈতিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিপুল প্রভাব বিস্তার করেছিলো।
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন থেকে সর্বভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন তার প্রাথমিক প্রেরণা লাভ করেছিলো, এ বিষয়ে কোনো মতদ্বৈধতা নেই। বাংলাদেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাথমিক অধ্যায়গুলিতে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অনুকূল ক্ষেত্র তৈরী হয়ে উঠেছিলো, একথা অবশ্যই বলা চলে। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সূচনা
ক্যাটাগরি
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- পরিচয়
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বিজ্ঞানচেতনা
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বিজ্ঞান পাঠ
- মূল্যায়ন
- জননেতা মণি সিং
- কে আমি?
- হেগেল ও মার্কস
- গল্প ভারতী
- প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রাম
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- শহরের ইতিকথা
- লেখকদের প্রেম
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমৃত রাই (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ রফিক (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৭)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোপাল হালদার (২)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- জাফর আলম (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- দীননাথ সেন (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৪)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মালেকা বেগম (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (৩)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- যতীন সরকার (২)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৫)
- রেবতী বর্মন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- শহীদ আখন্দ (১)
- শহীদুর রহমান (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহীন রহমান (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.