-
সংস্কৃতির সাধনা মানুষকে মানবিক করে তোলে, তাকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজের প্রতি, রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ করে। শুধু মানুষ-সমাজ বা রাষ্ট্র নয়, মূলত তাকে জীবনের প্রতি, প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি সংবেদনশীল করে বিশ্বদৃষ্টিসম্পন্ন করে তোলে। অগণিত মানুষের মাঝে সে তার কৃত্তির স্বাক্ষর রেখে যেতে পারে। উদীচীর প্রয়াত সভাপতি বদিউর রহমান তাঁর কৈশোর থেকেই এক ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়কে অতিক্রম করেও হয়ে উঠেছিলেন সেরকম এক ফলবান বৃক্ষ। হাসিমূখে জয় করে নিয়েছিলেন পরম দুঃখকেও। তাঁর প্রতি আভূমিনত শ্রদ্ধা।
বদিউর রহমান জন্ম নিয়েছিলেন ১৯৪৭ সালের ১৫ জানুয়ারি বরিশালে। তাঁর বাবা হাবিবুর রহমান ছিলেন রাজনীতি সচেতন একজন মানুষ। তিনি এ কে ফজলুল হকের কেএসপি’র সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে যুক্ত ছিলেন। মা
-
লেখক: মেসবাহ কামাল ও ঈশানী চক্রবর্তী
জনগণের আন্দোলন যেমনভাবে তার নেতৃত্বকে তৈরি করে, তেমনিভাবে নেতৃত্বের ভূমিকা নির্ধারণ করে আন্দোলনের সাফল্য বা ব্যর্থতার সোপান। আবার অন্যদিকে সমসাময়িক ইতিহাসের কাঠামো যেমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ব্যক্তির ভূমিকাকে, তেমনিভাবে ব্যক্তিবিশেষের ভূমিকাও বিকশিত করতে পারে জনগণের আন্দোলনকে, দ্রুততর করতে পারে পরিবর্তনের গতিবেগ। নাচোলের সাঁওতাল ও বাঙালি কৃষকদের মিলিত সংগ্রাম তৈরি করেছে তার নেতৃত্বকে যার পুরোভাগে ছিলেন রমেন্দ্রনাথ মিত্র, ইলা মিত্র, মাতলা মাঝি, শেখ আজাহার হোসেন, অনিমেষ লাহিড়ী, বৃন্দাবন সাহা প্রমুখ। তেমনি এই নেতৃত্বের এবং তাদের ঊর্ধ্বতন পার্টি নেতৃত্বের ভূমিকা নির্ধারণ করেছে এই বিদ্রোহের ফলাফল। এদের মধ্যে অনেকানেক কারণ মিলিয়ে বিশেষত ইলা মিত্রের ভূমিকা হয়ে উঠেছিল অনেকটা
-
তাঁর আসল নাম ছিল সৈয়দ ফজলুল হাসান। কিন্তু এই নাম বললে কেউ তাকে চিনবেনা। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি হজরত মোহানী নামেই সুপরিচিত। তিনি ১৮৭৮ সালে উত্তর প্রদেশের উন্নাউ জেলার ‘মোহান’ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কিশোর বয়স থেকে তিনি ‘হযরত মোহানী’ ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। সেই নামে আজও তিনি আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
উন্নত মেধার ছাত্র হিসাবে তিনি তার শিক্ষকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তিনি সরকারী বৃত্তি লাভ করে আলীগড় কলেজে এসে ভর্তি হলেন। এখানে অতি অল্পদিনের মধ্যেই তিনি তার রচনার গুণে এবং একজন সংস্কৃতিসেবী হিসাবে সকলেরই মন জয় করে নিয়েছিলেন। ভবিষ্যতে তিনি যে একজন উচ্চ শ্রেণীর লেখক বলে পরিচিত হবেন, এ
-
বিংশ শতাব্দীর এক যুগসন্ধিক্ষণে জন্মেছিলেন বিপ্লবের কিংবদন্তী, কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু কমরেড সন্তোষ ব্যানার্জী। ১৩২২ বঙ্গাব্দের জন্মাষ্টমীর দিনে তিনি ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন মায়ের অষ্টম গর্ভের সন্তান হিসেবে। মাদারীপুর শহরের এ পরিবারটি ছিল খুবই সম্ভ্রান্ত ও সম্পন্ন। তাঁর পিতার নাম প্রতাপচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা- সৌদামিনী। পূর্ণিমার মতো চাঁদমুখ পুত্রসন্তানটি তাঁরা পেয়েছিলেন পর পর সাত কন্যার পরে। তাই সেদিন তাঁদের আনন্দের আর সীমা ছিল না। তাঁরা চোখের মণির মতো ছেলেকে পরম আদর-যত্ন ও স্নেহ-ভালোবাসায় লালন-পালন করতে থাকলেন। বয়স হলে তাঁকে স্থানীয় মাদারীপুর স্কুলে ভর্তি করে দেন। লেখাপড়া চলছিল ভালোভাবেই। কিন্তু সে কালে ব্রিটিশবিরোধী যে তুমুল আন্দোলন গড়ে উঠেছিল দেশব্যাপী তার ঢেউ মাদারীপুরেও
-
লেখক: সনৎকুমার সাহাঅধ্যাপক আনিসুজ্জামানের আমি ছাত্র হতে পারি নি। পড়াশোনা করেছি মফস্বল শহরে। এখনও সেখানেই পড়ে আছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সহকর্মী হবারও তাই কোনো সুযোগ ঘটে নি। ঢাকা-চট্টগ্রাম দুই-ই আমার কাছে অনেক দূরের। তাঁর কর্মক্ষেত্র প্রধানত ঢাকা। মাঝখানে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ চট্টগ্রাম। তাঁকে ঘিরে মেধার চর্চা ওই দুই জায়গাতেই। এখানেও কখনো কখনো আসেন। তবে অতিথি হয়। প্রতিদিনের কাজে আমরা তাঁকে পাই না। তাই বলে তিনি দূরের মানুষ নন। আসলে যখন আমরা ছাত্র, তখনই তাঁর নাম জানি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রত্ন। খ্যাতি তাঁর সারা দেশে ছড়ায়। মনে মনে তাঁকে আদর্শ বলে মানি। তিনি অবশ্য তা জানতেও পারেন না।বিপুল অধ্যয়নের সঙ্গে মানবমুক্তির
-
১৯৫০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাঁওতাল অধ্যূষিত এলাকা নাচোলে যে রক্তক্ষয়ী কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় তাঁর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্রবধূ বিপ্লবের অগ্নিকন্যা ইলা মিত্র (১৯২৫-২০০২)। এলাকায় তিনি পরিচিতা ছিলেন ‘বধূমাতা’ হিসেবে। ১৯৪৫ সালে রামচন্দ্রপুরের জমিদার পুত্র কমিউনিস্ট কর্মী রমেন মিত্রর সঙ্গে বিয়ে হয়। এবং এক সময় তিনি নিজে স্বামীর মত ও পথের সহযাত্রী হন। প্রথম রামচন্দ্রপুরে স্থাপন বালিকা বিদ্যালয়। তারপর আর থেমে নেই। ১৯৪৬ সালে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা প্রতিহত করতে এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। সে বছর বাগেরহাটের মৌভোগে যে ঐতিহাসিক বঙ্গীয় কৃষাণ সভার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় চির অবহেলিত কৃষকদের তে-ভাগা আন্দোলনের। সে আন্দোলনের নেতৃত্বদান করেন ইলা মিত্র।
-
মহকুমা-শহর নড়াইল, রাজনৈতিক কারণে স্বনামে পরিচিত, স্থানীয় ভাষায় নড়াল। শহরটিকে ঘিরে বয়ে চলেছে বাঁকফেরা ছোটখাট একটি ঘরোয়া চরিত্রের নদী, নাম তার চিত্রা। সে নদীতে জেলেরা মাছ ধরে, সে নদীপথে কেরায়া নৌকো, লঞ্চ এবং ছোটখাট স্টিমারও চলে। শহর থেকে সামান্য দূরে স্থানীয় জমিদারদের কল্যাণে গড়ে উঠেছে ব্যবসা কেন্দ্র রূপগঞ্জ (পোষাকিনাম রতনগঞ্জ) বাজার। অন্যদিকে জমিদারদেরই প্রতিষ্ঠিত নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজ এবং কলেজিয়েট স্কুল।
সে সময় যাতায়াতের বিবেচনায় দুর্গম হলেও রাজনীতি ও সংস্কৃতিমনস্ক শহর নড়াইল। এর বিশেষ খ্যাতি প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঐতিহাসিক তে-ভাগা আন্দোলনের ঐতিহ্য সৃষ্টির কারণে। ওই আন্দোলনের খ্যাতিমান নায়কদের মধ্যে আমার জানা মতে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য অমল সেন, মোদাচ্ছের মুন্সী, নূরজালাল, রসিক লাল ঘোষ,
-
১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে কুমিল্লার এমএলএ এডভোকেট ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পরিষদের ভাষা করার দাবি করলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান জানান যে, পাকিস্তান মুসলিম রাষ্ট্র এবং মুসলমানের ভাষা হচ্ছে উর্দু। তাই উর্দুই হবে রাষ্ট্র ভাষা। তাঁকে সমর্থন করেন পূর্ব পাকিস্তানে মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন। লিয়াকত ও নাজিম উদ্দিনের গণপরিষদের বক্তব্যের বিরুদ্ধে ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল করে। নাদেরা বেগম সে-সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যায়নরত। বড় দুইভাই কবীর চৌধুরী, মুনীর চৌধুরী সে-সময় প্রগতিশীল রাজনীতিতে সক্রিয়। পারিবারিক সূত্রেই ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে ছাত্রদের মিছিল বের হলে পুলিশ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ
-
মোগলের বলবান অশ্ব কিংবা তীক্ষ্ণধার তরবারির রাজনীতি না এলেও এদেশে এসে যেত হাফেজ-ওমর খৈয়াম-আরব্য রজনী-গজল গান-মোল্লা নাসিরুদ্দিন। কেননা কলমের ডগা দ্রুততম অশ্বের চেয়েও চিরকাল দ্রুতগামী, কেননা তীক্ষ্ণ তরবারির চেয়ে গল্প অনেক অনায়াসে দেশ জয়ে সক্ষম। কাজেই সেই সব গল্প কাহিনী বাতাসের বেগে উড়ে এল এবং জুড়ে বসল আমাদের সাহিত্যিক সাধ আহ্লাদের অন্নব্যঞ্জনে। মরু প্রান্তরের বেদুইন জীবনের গভির এই ঠিকানা পেয়ে উল্লসিত হল আমাদের লেখক ও পাঠক। খেত খামার ফল ফসল গৃহসুখ নিয়ে তৃপ্ত সীমাবদ্ধ আমাদের লোকজীবন কখনো বা নিজেকে ছড়িয়ে দেবার জন্য রূপকথা লোককথা বনিযেছে। শব্দকে তালে লয়ে বেঁধে কখনো বা বানিযেছে ছড়া। সমাজের একতলাব সাহিত্য এরকমই ছিল।
সাহিত্যের দোতলায়
-
সম্ভবত ৯৮২ সালে বিক্রমপুবের বজ্রযোগিনী গ্রামে চন্দ্রগর্ভেব জন্ম। চন্দ্রগর্ভের বাবার নাম কল্যাণশ্রী, মায়ের নাম প্রভাবতী। চন্দ্রগর্ভ মা-বাবার দ্বিতীয় সন্তান। চন্দ্রগর্ভ একজন রাজপুত্র।
বজ্রযোগিনী গ্রামে চন্দ্রগর্ভের ভিটে।
খুব অল্প বয়সেই চন্দ্রগর্ভকে বিদ্যাশিক্ষার জন্য মা-বাবা পাঠালেন অবধূত জেগরির কাছে। তাঁর কাছে চন্দ্রগর্ভ পঞ্চবিজ্ঞান শিখেছেন।
তারপর অবধূত জেগরি একদিন চন্দ্রগর্ভকে বললেন-তুমি এবার নালন্দায় যাও।
বিদ্যাচর্চার জন্য নালন্দার খ্যাতি অনেকদিন আগেই দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়েছে। নালন্দায় অজস্র বিষয়ে শিক্ষার বিচিত্র ও বিপুল ব্যবস্থা। পালযুগে রাজারা দুহাতে নালন্দাকে সাহায্য করেছেন-নালন্দার তখন চূড়ান্ত খ্যাতি ও সমৃদ্ধি।
অবধূত জেগরির কথামতো চন্দ্রগর্ভ চলে এলেন নালন্দায়, দেখা করলেন আচার্য বোধিভদ্রের সঙ্গে। আচার্য বোধিভদ্র শ্রমণরূপে বরণ করে নিলেন চন্দ্রগর্ভকে; নতুন
-
ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম পরিচয় বনগাঁ শহরে। তিনিই আমাকে খুঁজে নিয়েছিলেন, না আমিই তাঁকে খুঁজে বের করেছিলাম, সে কথাটা এখন ঠিক মনে করতে পারছি না। তবে খুব অল্প সময়ের ভেতরেই আমাদের দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে একথা ওকথা বলতে বলতে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক বিয়োগবিধুর ও মর্মস্পর্শী কাহিনী বলে চলেছিলেন। ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে ইতিপূর্বে পরিচয় না থাকলেও আমি তাঁর নাম শুনেছি। তাঁর বাড়ি যশোর জিলার ঝিনাইদহ মহকুমায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে তিনি কোনো এক কলেজে অধ্যাপকের কাজ শুরু করেছিলেন। ভেবেছিলেন, অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার মধ্য দিয়েই জীবনটা কাটিয়ে দেবেন। এর চেয়ে আনন্দময় জীবন আর কি হতে পারে! কিন্তু
ক্যাটাগরি
উৎস
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- প্রক্রিয়াধীন
- ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের ভূমিকা
- গল্প ভারতী
- প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ
- জননেতা মণি সিং
- কে আমি?
- বিজ্ঞান পাঠ
- পরিচয়
- শহরের ইতিকথা
- বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রাম
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- মূল্যায়ন
- লেখকদের প্রেম
- হ্যান্স অ্যাণ্ডারসন রচনাবলী
- হেগেল ও মার্কস
আর্কাইভ
লেখক
- অমিত রঞ্জন দে (১)
- অমৃত রাই (১)
- অরবিন্দ গুহ (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আহমদ রফিক (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৭)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (১)
- কানিজ ফাতিমা (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোপাল হালদার (২)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- জাফর আলম (১)
- জয়নাল হোসেন (১)
- দীননাথ সেন (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৬)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৮)
- মালেকা বেগম (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- যতীন সরকার (২)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৫)
- রেবতী বর্মন (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- শহীদুল্লা কায়সার (১)
- শামসুর রাহমান (১)
- শাহীন রহমান (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুপা সাদিয়া (১)
- সোমেন বসু (৪)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.