-
সুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। সুমির বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন প্রায় শেষের দিকে। পড়াশোনায় বেশ ভালো। ফলাফলের দিক থেকে প্রথম কয়েকজনের মধ্যেই তার অবস্থান। তার সঙ্গের ছেলেরা এরই মধ্যে জিআরই, টোফেল দেওয়া শুরু করে দিয়েছে। তাদের সবারই লক্ষ্য উচ্চশিক্ষা। সুমির ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন পিএইচডি করা। পদার্থবিজ্ঞান বিষয়টিও তার খুব প্রিয়। বন্ধুদের দেখাদেখি সুমিও জিআরইর একটি বই কিনেছে নীলক্ষেত থেকে। বাড়িতে সেই বই নিয়ে আসার পর থেকে তার ওপর ঝড় বয়ে চলছে। বাবা-মা দুজনেরই এক কথা, কেনোভাবেই তাকে একা বিদেশে যেতে দেওয়া হবে না। এ আদেশের সুর এতই কঠিন যে, এর কারণ জানতে চাওয়ার সাহসটুকুও সুুমির নেই। বাবার কথা, যদি
-
সোমার বয়স একত্রিশে পড়ল। আজকে তার জন্মদিন। নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছে এভাবে আর কতদিন? বিশ বছর বয়সে সংসারজীবনে প্রবেশ। তাদের তিনজনের পরিবার। মেয়ের বয়স আট। সংসার করতে গিয়ে পড়াশোনা আর হয়ে ওঠেনি। সারাদিন কাটে কখন স্বামী বাড়ি আসবে, তার সেবা করবে, সে অপেক্ষায়। পাড়া-প্রতিবেশীদের সাথে গল্প-আড্ডায় আর বাড়িতে বসে মেয়েকে পড়াতে পড়াতেই জীবন পার হয়ে যাচ্ছে। পাশের বাড়ির মেয়েটি রোজ সকালে অফিসে চলে যাচ্ছে সন্তানকে মায়ের কাছে রেখে; সন্ধ্যায় এসে বাচ্চাকে পড়ানোসহ সব কাজই করছে। তার মনে হয় সে-ও কি নিজের ইচ্ছেমতো কিছু করতে পারে না? নিজ টাকায় চলার স্বাধীনতা অর্জন করতে পারে না? তার মন চাইলেও মেয়েটির
-
নতুন অফিসে চাকরি নেওয়ার পর ছয় মাস পেরিয়ে গেছে লিনার (ছদ্মনাম)। এখনও পরিবেশের সঙ্গে কেন যেন নিজেকে ঠিকমতো মানিয়ে নিতে পারছে না। এর আগে দুইবছর এক এনজিওতে চাকরি করার পর এটি তার দ্বিতীয় কর্মক্ষেত্র। এনজিওর পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এত বড় কোম্পানিতে চাকরির অভিজ্ঞতা এই প্রথম। নতুন সহকর্মীরা বেশ বন্ধুবৎসল। কর্মক্ষেত্রের পরিবেশও খারাপ নয়, তবু কোথায় যেন একটা প্রশ্ন। অফিসে তার বসার টেবিল একেবারে কোনায়। সহকর্মীদের টেবিল থেকে বেশ বিচ্ছিন্ন। তার সঙ্গে আলাপের সময় সব সহকর্মীই যেন আলাদা সৌজন্য আর অফিসিয়াল সম্পর্ক রক্ষা করে চলে। এমনি খুব মিশুক নয়। এই আনুষ্ঠানিকতার সম্পর্ক তাকে আরও চাপা স্বভাবের বানিয়ে দিয়েছে। নিজের যতক্ষণ
-
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই তৃণার (ছদ্মনাম) চোখ চলে যায় পত্রিকার দিকে, দিনের খবর জানতে। পত্রিকায় একেক দিন ছাপা হয় বাংলাদেশি নারীর প্রথম এভারেস্ট জয়, সিনজিনি সাহার আন্তর্জাতিক ফিজিকস অলিম্পিয়াডে ব্রোঞ্জ পদক পাওয়ার মতো বহু অর্জনের খবর। এসব জয়ের খবর পড়তে পড়তে তৃণার মনটা ভরে ওঠে আনন্দে। বুকটা ফুলে ওঠে গর্বে। সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে নারীদের জীবনে চলার পথ যতই বন্ধুর হোক না কেন, তা তাদের এগিয়ে যাওয়া থেকে আটকাতে পারেনি। একথা ভেবে নিজের চলার পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য শক্তি পায় সে।
পাশাপাশি পত্রিকায় নানা দিন ছাপা হচ্ছে গৃহবধূর ওপর স্বামীর অমানুষিক অত্যাচার, রাস্তায় বাসে নারী ধষর্ণের শিকার এসব খবর। যা দেখে
-
বয়সের ভারে নুয়ে পড়া রোকেয়া উদাস দৃষ্টি মেলে ধরেন তার জীবনের আলোকোজ্জ্বল প্রভাতের দিকে। শৈশবের সেই বালিকা রোকেয়া ঈদের রাঙা প্রভাতে আনন্দের সাগরে ভাসছে। কিন্তু আজ জীবনসায়াহ্নে দাঁড়িয়ে তিনি রিক্ত, শূন্য, জীবনযুদ্ধে পরাজিত এক নারী। বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিয়েছেন। ঈদের দিনটি তার কাছে বিশেষ কোনো তাৎপর্য বয়ে আনে না। শৈশবের আনন্দের কিছু স্মৃতিই তার সম্বল। আজ তার কাছে ঈদ মানে আনন্দের স্মৃতি, আর বাস্তবের বেদনার মিশ্রকাব্য মাত্র!
সবার কাছে ঈদ মানেই আনন্দ। এদিন ছোট-বড় সকলে মেতে ওঠে গল্প, আড্ডায়। ঈদের দিনসহ তিন-চার দিন ধরে চারদিকে বিরাজ করে এক উৎসবের আমেজ। গ্রামের বাড়িতে মায়েরা তাদের সন্তানদের দেখা পাওয়ার আশায় বছর ধরে অপেক্ষায়
-
ছোটবেলায় বহু রহস্যময় অভিযানের গল্প পড়ে আমাদের সবারই ইচ্ছা হয় সেসব অভিযানে অংশ নিতে। বিদেশে কিশোর-কিশোরীদের সে ধরনের অভিযানের জন্য রয়েছে নানা সুযোগ। সামার ক্যাম্প থেকে শুরু করে পর্বতারোহণ, রোমাঞ্চকর আরও অনেক ধরনের অভিযানের ব্যবস্থা। কিন্তু আমাদের দেশে কিশোর-কিশোরীদের সে সুযোগ নেই। স্কুল থেকে বাসা, আর বাসা থেকে স্কুলের মাঝেই তাদের জীবন সীমাবদ্ধ। তবে এর মাঝেও ব্যতিক্রম আছে। এ দেশের পর্বতারোহীরা তাদের সেই অভিযানের শখ পূরণ করছেন পর্বতারোহণের মতো এক রহসম্যয় ও কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মধ্য দিয়ে। তাদের অভিজ্ঞতা জানার জন্য আমাদের দেশের প্রথম নারী পর্বতারোহী সাদিয়া সুলতানা ও বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টজয়ী নারী নিশাত মজুমদারের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিল।
সাদিয়া
-
দেশে নারী চাকরিজীবীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তারপরও বহু নারী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করে আজ গৃহিণী। নারীদের এ অবস্থানের পেছনে অন্যতম কারণ-সন্তান। বিয়ের পর অনেক নারী পারিবারিক বাধাবিপত্তি জয় করে চাকরি চালিয়ে গেলেও সন্তানের দেখাশোনা ও লালন-পালনের জন্য চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। ইচ্ছা থাকলেও চাকরি করতে পারেন না। কারণ, শহরে একা বাসায় নবজাতককে রেখে কোনো মায়ের পক্ষে চাকরি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আগে যৌথ পরিবারের কারণে অনেক সময় নারীরা সন্তানকে নানি বা দাদির কাছে রেখে চাকরি করতে পারতেন। বর্তমানে একক পরিবারে থাকার কারণে তা-ও সম্ভব নয়। অনেক নারী মনে করেন সন্তানের বয়স নয় বা দশ
-
‘হঠাৎ অতুলের ঘর থেকে ভীষণ চিৎকার আর কান্না শুনতে পেয়ে ছুটে গেলাম ওর ঘরে। গিয়ে আবিষ্কার করলাম কান্না আর চিৎকারের কারণ। আমার বোনের ছোট মেয়ে মিলি কেন ওর খেলনা দিয়ে খেলছে, সেটাই এই চিৎকার আর কান্নাকাটির কারণ। আমার ছেলের বয়স সাত হতে চলল, আর বোনের মেয়ে মিলির বয়স ছয়।’ এভাবেই একমাত্র ছেলে অতুলের কাণ্ডকারখানা বর্ণনা করছিলেন মিসেস মনি। মিসেস মনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই অতুল ওর ঘরে কেউ ঢুকলে, ওর খেলনা কেউ ধরলে সে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করে দেয়। ওর চিৎকার-চেঁচামেচিতে থাকা কঠিন। মা হিসেবে অনেক বুঝিয়েছি, কিন্তু একমাত্র ছেলে বলে আদর সব সময় বেশিই পেয়ে এসেছে, সেজন্যই মনে হয়
-
১৯২৫ সালের দিকে বগুড়া জেলার রোহাদহ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে উম্মে হানী খানমের জন্ম। আদর্শ মা হিসেবে তিনি তার সব সন্তানকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। বৃদ্ধ বয়সেও একটি সুস্থ সমাজের স্বপ্ন তার চোখের তারায় ভাসছে। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ছিল ব্যাপক। তার বাবা চাইতেন যেন তার ছেলেরা উচ্চশিক্ষিত হয় এবং মনে করতেন মেয়েদের পড়াশোনার প্রয়োজন নেই। তিনি প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েন। সব পরীক্ষাতেই খুব ভালো করতেন। অঙ্কে সব সময় ১০০-তে ১০০ পেতেন। তবু শুধু নারী বলেই তিনি পড়া চালিয়ে যেতে পারেননি। তিনি বাড়িতে সারাদিন সাহিত্য-রাজনীতিসহ নানাবিধ বই পড়তেন দেখে মায়ের বহু বকা শুনতেন। নারী
-
দাম্পত্য জীবনে মান-অভিমান, ঝগড়া-বিবাদ চিরসঙ্গী। বাবা-মায়ের এ বিবাদেরই নির্মম বলি হতে হলো ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী হৃদিতাকে। বাবা ও মায়ের মধ্যে ঝগড়া এবং তারই সূত্রে আলাদা বসবাসের কারণে অভিমান থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিল হৃদিতা। একটি নিষ্পাপ কিশোরীর জীবন ঝরে পড়ল অসময়ে। কীভাবে এ জীবন রক্ষা করা সম্ভব?
দিন দিন বাংলাদেশে বিবাহবিচ্ছেদের হার যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি নানা কারণে দাম্পত্যজীবনে অশান্তি লেগেই রয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি সম্মান, বিশ্বাসের অভাব থেকেই সাধারণত বিবাদের শুরু এবং সম্পর্কে টানাপড়েন। বাবা-মায়ের মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝি, ডিভোর্স সন্তানের মানসিক বিকাশে খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে এবং এক্ষেত্রে সন্তানের লেখাপড়া, জীবন সবকিছুই হয়ে ওঠে অনিশ্চিত। অনেক
-
কয়েক দিন ধরে নিলুফার ইয়াসমীন খুব চিন্তায় আছেন। তাদের একমাত্র ছেলে বর্ণকে খুব অন্যমনস্ক মনে হচ্ছে। হঠাৎ করেই ও একধরনের দূরত্ব রেখে চলছে। আগে এসেই স্কুলের সব গল্প করত। তার পাশে বসে থাকত। এখন ও ক্লাস নাইনে উঠেছে। একটু বড় বড় ভাব। তাকে এড়িয়ে চলছে। শুধু তা-ই নয়, খাওয়ার সময়ও নিজের ঘরে গিয়ে দরজা আটকে একাই খাচ্ছে। তার মনে হচ্ছে, তিনি নিজের ছেলেকেই আর চিনতে পারছেন না।
হঠাৎ করে কেন এই দূরত্ব তৈরি হলো তাদের মাঝে? এই ছেলেকেই তিনি কিছুদিন আগে নিজ হাতে খাইয়েও দিয়েছেন। তিনি বুঝতে পারছেন যে ছেলেটা মানসিকভাবে এখন একটা কঠিন সময় পার করছে। কিন্তু তিনি কোনো
-
‘কখন থেকে মেয়েটা কেঁদে যাচ্ছে। অথচ আমি ওই ঘরে যেতেই পারছি না। অপারেশনের ব্যথার কারণে অনেক সময় লাগছে যেতে। ওর কান্না বন্ধই হচ্ছে না। আমি প্রায় চিৎকারই করছি, আমার স্বামীকে ডাকছি। এমন সময় ঘুমটা ভেঙে গেল।’ যেন মেয়েটা ক্ষুধায় কান্না না শুরু করে, সেজন্য রাতে বেশ কয়েক ঘণ্টা পরপরই অ্যালার্ম দিয়ে ঘুমাই। তবে চিন্তায় অ্যালার্মের আগেই ঘুম ভেঙে যায় আমাদের। এই প্রবাসে সন্তান জন্ম, লালন পালন এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা। একজন মা হিসেবে একাকী লালন-পালন, খাওয়ানো সব করা আসলেই খুব কঠিন। মাত্র পাঁচ মাস হতে চলল আমার মেয়ের। এই আমেরিকাতেই ওর জন্ম। আমি আর ওর বাবা মিলে ওর জন্মের বহু আগে
ক্যাটাগরি
উৎস
- যুগবাণী
- প্রক্রিয়াধীন
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আলোর উদ্দাম পথিক
- বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী
- শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
- মানব সভ্যতার উষালগ্নে
- বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি
- কে আমি?
- সংস্কৃতির রূপান্তর
- প্রসঙ্গ মৌলবাদ
- মূল্যায়ন
- লেখকদের প্রেম
- বনে পাহাড়ে
- পরিচয়
- সুকান্তসমগ্র
- কথা পাঞ্জাব
- শহরের ইতিকথা
- বিজ্ঞানচেতনা
- বাংলাদেশ ’৭৩
- সাপ্তাহিক বিচিত্রা
- বঙ্গ বাংলা বাংলাদেশ
- বিজ্ঞান পাঠ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (২৮)
- ২০২৫ (১৫)
- ২০২৪ (৪)
- ২০২৩ (১)
- ২০২২ (১)
- ২০২১ (১)
- ২০২০ (৩৭)
- ২০১৭ (২)
- ২০১৬ (৪)
- ২০১৫ (১৭)
- ২০১২ (১)
- ২০১১ (৭)
- ২০১০ (১)
- ২০০৬ (২)
- ২০০৪ (৫)
- ২০০২ (২)
- ২০০০ (১)
- ১৯৯৯ (১)
- ১৯৯৮ (৩)
- ১৯৯৭ (২)
- ১৯৯৫ (১২)
- ১৯৯২ (২)
- ১৯৮৮ (১)
- ১৯৮৬ (৯)
- ১৯৮৪ (৫)
- ১৯৮৩ (১)
- ১৯৮০ (১)
- ১৯৭৬ (১)
- ১৯৭৩ (৪)
- ১৯৭২ (১)
- ১৯৭১ (২১)
- ১৯৭০ (১৩)
- ১৯৬৬ (১)
- ১৯৬০ (২)
- ১৯৫৬ (২)
- ১৯৫৫ (৯)
- ১৯৫১ (১)
- ১৯৪৫ (১)
- ১৯৪৪ (১)
- ১৯৩১ (১)
- ১৯২২ (২১)
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অরুণ সেন (১)
- আকবর উদ্দীন (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবুল কাসেম ফজলুল হক (১)
- আবুল হাসনাত (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- আসাহাবুর রহমান (৫)
- আহমদ কবির (১)
- আহমদ ছফা (১)
- উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (১)
- উৎপল দত্ত (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (৬)
- এম এম আকাশ (১)
- এহসান হায়দার (২)
- কবীর চৌধুরী (১)
- কল্পতরু সেনগুপ্ত (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাজী আবদুল ওদুদ (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (২১)
- কাজী মোতাহার হোসেন (১)
- কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- কিওকো নিওয়া (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- খায়রুল হাসান জাহিন (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গোলাম মুরশিদ (১)
- গোলাম মোরশেদ খান (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- চিত্রা দেব (১)
- জগৎ ঘটক (১)
- জীবনানন্দ দাস (১)
- জয়নাল হোসেন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় (১)
- পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- পাভেল পার্থ (২)
- পারভেজ আমির আলী হুডভয় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২৫)
- প্রতিভা বসু (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভোলানাথ মুখোপাধ্যায় (৯)
- মন্মথ রায় (১)
- মফিদুল হক (১)
- মালেকা বেগম (১)
- মাহবুব হাসান (১)
- মিহিরকান্তি চৌধুরী (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (২)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- মোহাম্মদ মাসুম (১)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৯)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৭)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (২)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- শামসুন নাহার মাহমুদ (১)
- শাহরিয়ার কবির (২)
- শাহীন রহমান (১)
- শিশির কর (১)
- শেখর বসু (১)
- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সন্তোষ গুপ্ত (৩)
- সনৎ কুমার সাহা (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৩)
- সামির আমিন (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৩৮)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (১)
- সুকুমার রায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সোমেন বসু (১)
- হাসান তারেক (৫)
- হাসান মুরশিদ (১২)
- হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.