-
‘চলো বনে যাই। স্কী করব।’
‘দিনটা স্কী করার মতো নয় রে। দেখ-না, কেমন ঝড় উঠেছে।’
‘উঠুগ গে ঝড়।’
‘স্কীয়ের পথগুলো নিশ্চল বরফে ঢেকে গেছে।’
‘নতুন পথ কাটব আমরা। আমি যাব আগে-আগে। নাও, পোষাক পরো।’
‘কালকে গেলে হয় না?’
‘আমি গিয়ে স্কী নিয়ে আসছি, তুমি পোষাক পরে নাও।’
‘বেশ।’
ছেলে তার জেদ ছাড়লে না। স্কী আনতে গেল সে, আর অনিচ্ছায় জুতো পরতে লাগল বাপ।। ঠাণ্ডা,কড়া জুতো, পশমের মোটা মোজা পরা পা তাতে কিছুতেই ঢুকতে চাইছিল না। তারপর বহুক্ষণ ধরে ফিতে বাঁধতে লাগল সে, যেন ইচ্ছে করেই সময় নিচ্ছে: ঠাণ্ডায় বেরতে চাইছিল না।
ছেলে ওদিকে স্কী নিয়ে, পোষাক পরে, এসে দাঁড়িয়েছে পাশেই,
-
সম্প্রতি সোভিয়েট রাশিয়া ভ্রমণ উপলক্ষে সেখানকার সাহিত্যিকমণ্ডলীর সঙ্গে পরিচয় লাভের সুযোগ পেয়েছিলাম। এর আরেকটি কারণ এই যে, সোভিয়েট রাশিয়ায় আমরা ছিলাম মস্কো লেখক সংঘের অতিথি ৷
মস্কো, লেনিনগ্রাদ, তিব্লিসি, তাসখণ্ড সর্বত্র লেখক, কবি, নাট্যকার সংঘ আমাদের অভ্যর্থনা করেছেন। কেবল ভাবের আদানপ্রদান নয়, ভারতের প্রাচীন ও আধুনিক সংস্কৃতির সঙ্গে আদানপ্রদানের জন্যে তাঁদের আগ্রহ দেখেছি। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শ্রেণীসংঘর্ষ বর্জিত যে নুতন সভ্যতা গড়ে উঠছে, এই সমস্ত লেখক তাকে লালন করবার ভার নিয়েছেন। অনেকের সঙ্গে আলাপ করে এদের মনের প্রসারতা দেখে মুগ্ধ হলাম। সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এঁরা দেশবিদেশের গণ্ডি অতিক্রম করে সর্বমানবের কল্পনার কুহকমুক্ত জ্ঞানের সাধনাকে গ্রহণ করেছেন। এঁরা অনেকেই জানেন যে, ভারতের প্রাচীন
-
একমাসের রোজনামচা : মস্কো
অতীত আর ভবিষ্যৎ
মস্কো যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল যে, (১) কাজাকস্থানের তেশিক্তাশ্ এলাকায় নিয়েনডারথাল মানুষের যে কঙ্কাল ও পাথরের প্রাগৈতিহাসিক যন্ত্রপাতি বেরিয়েছে সেগুলি দেখব ; (২) সোবিয়েত রুশ ও মধ্য এশিয়ার সোবিয়েতে প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা ; এবং (৩) ঐ সব অঞ্চলে শ্রমিকমঙ্গলের ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করব : (৪) লেনিনের সমাধিগৃহে শ্রদ্ধানিবেদন করব। মধ্য এশিয়া যাওয়া কেন হল না, তা আগেই লিখেছি। যে ন'দিন মস্কোতে ছিলাম, বাকি কাজগুলি সম্পন্ন হয়েছিল। সে বিষয়ে কিছু বলার আগে, একটি জিনিস—যেটি মস্কো যাত্রার শুরু থেকে নজরে এসেছিল, সেটির উল্লেখ করব। প্রাগ থেকে মস্কো উড়োজাহাজ যায় সোবিয়েত দেশে। প্লেন-ছাড়ার বন্দরে ঢুকলেই চোখে পড়ে
-
স্মরণে রাখার মতো অন্য একটি ঘটনা হল, ফ্রন্ট থেকে তিন-চার মাইল দূরে শহরে এক অংশ আধুনিক অস্ত্র ও কামানের গোলায় বিধ্বস্ত ট্যামবভ স্ট্রীটের একটি স্কুলবাড়ি পরিদর্শন। এটি পরিচালনা করতেন টিকোমিরভ নামে একজন বয়স্ক ব্যক্তি, যিনি ‘সোভিয়েত দেশের অন্যতম একজন ভালো শিক্ষক’ এই সুনাম অর্জন করেছিলেন। মাত্র ১৯০৭-এ একজন সাধারণ শিক্ষক হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন। চরম দুর্ভিক্ষের দিনগুলিতেও যেসব স্কুল বন্ধ হয়ে যায়নি, এটি তাদের মধ্যে একটি। চার-চার বার স্কুলটি জার্মান গোলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু স্কুলের ছেলেরাই ভাঙা কাচের টুকরো সাফ করে, ভাঙা দেওয়াল সারিয়ে জানালাগুলোতে প্লাইউড লাগিয়ে নিয়েছে। গত মে মাসের শেষ-গোলাবর্ষণে একজন শিক্ষয়িত্রী স্কুলের প্রাঙ্গণেই মারা পড়েছেন।
স্কুলের ছেলেগুলো
-
যুদ্ধের গোড়ার দিকে কয়েকমাস আমাদের সৈনিকরা ফ্যাসিস্ট সৈন্যদের প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিল। কাজেই বিপক্ষের সৈনিকদের ওরা শত্রু বলে ভাবতে পারত না। ঐ সময় আমাদের সৈনিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় কখনও নিরাশ হয়েছি, আবার কখনও গৌরব বোধ করেছি।
গৌরবের বিষয় এই যে আমাদের সৈনিকরা সৌভ্রাত্রের শিক্ষা পেয়েছে, আর নৈরাশ্য এজন্য যে ফ্যাসিস্ট সৈনিকদের প্রকৃতি না বুঝে ওদের উপর আমাদের-সৈন্যরা আস্থা রেখেছিল।
যখন হিটলারের সৈন্য একটার পর একটা শহর অধিকার করে এগিয়ে আসছে, তখনও লালফৌজ ভাবছে জার্মানির শ্রমিক-কৃষক-যারা এই যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে—কখনও ফ্যাসিজমকে মেনে নিতে পারবে না। হিটলারের জার্মানি ফ্যাসিস্ট জার্মানি; সে তুলনায় এই সব সাধারণ সৈনিকদের জার্মানির প্রকৃতি ভিন্ন; যখনই সুযোগ আসবে,
-
[জনৈক রাশিয়ান বীর কিশোরীর মর্মস্পর্শী কাহিনী]
১৯৪১ সাল। ডিসেম্বর মাসের শুরু। জার্মানেরা পেট্রিশ্চেভ অঞ্চলের ভেরিয়া শহরের নিকট একজন সৈনিকের প্রাণদণ্ড দিলো। সে ছিলো একজন আঠারো বছরের তরুণী।
তরুণীটি কে? কোথেকে সে এসেছিলো? পেট্রিশ্চেভের এ শোকাবহ ঘটনা ঘটাবার আগে ভেরিয়ার একজন সৈনিকের সঙ্গে তরুণীর সাক্ষাৎ হয়েছিলো। সৈন্যদের দ্বারা তৈরী একটি পরিখার ভেতর গোপনে তারা আশ্রয় নিয়েছিলো। তরুণী তার নাম বলেছিলো তানিয়া। তারপরে আর স্থানীয় সৈনিকেরা কেউ তাকে দেখতে পায়নি। কিন্তু তারা জানতো, বেশী দূরে নয়, কাছাকাছি কোথাও দুঃসাহাসী এবং সুকৌশলী মেয়ে তানিয়া তাদের মতো সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
সে সময়ে মস্কো নগরীর চরমতম দুর্দিন ঘনিয়ে এসেছে।
১৬ই নভেম্বর আমাদের রাজধানীতে যে আক্রমণ
-
উনিশ শতকের রুশকথাশিল্পী ফিওদর দস্তয়েভস্কি সম্বন্ধে ‘উপন্যাসের তত্ত্ব গ্রহে হাঙ্গেরীর মার্কসবাদী সৌন্দর্যতত্ত্ববিদ গিওর্গি লুকাচ ১৯১৪ সালে লিখেছিলেন যে, দস্তয়েভস্কি অনাগত লেখক লেখিকাদের জন্যে এক নতুন ধরনের বাস্তববাদের খসড়া রেখে গিয়েছেন। আমরা দেখতে পাচ্ছি এই ‘খসড়াগুলো’ সমগ্র বিশ শতকের বিশ্ব সাহিত্যের প্রাণবন্ত ধারা হিসেবে আজও সক্রিয়। বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের গল্পে উপন্যাসে দস্তয়েভস্কির উপন্যাস ‘ক্রাইম এণ্ড পানিশমেন্ট’ এবং ‘দি ইডিয়ট’ উদ্দাম মানবতাবাদী যৌবনের ভাবের ঘোর যুগিয়েছিল। সেই থেকে দস্তয়েভস্কির গল্প-উপন্যাস বাংলাভাষী পাঠক-পাঠিকাকে টানে তাঁর এই পরিচিতিকে সামনে রেখে। বিশ্ব সাহিত্যে বিশেষ করে বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের দিনবদলের পালায় তাঁকে ঘিরে যে ভাবাদর্শের লড়াই চলছে সেটাই বর্তমান নিবন্ধের আলোচ্য বিষয়।
দস্তয়েভস্কির কষ্টিপাথরে সাহিত্যে
-
‘আনা কারেনিনা,’ ‘রিসারেকসান’ এবং ‘যুদ্ধ ও শান্তি’ উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়ের জীবনসূর্য যখন অস্তমিত-প্রায় তখন ‘অগ্নিপরীক্ষা’ উপন্যাসের রচয়িতা এলেক্সি টলস্টয়ের জীবন সূর্যের উদয়। একজনের শিল্পরূপ সাধনার যখন সমাপ্তি, তখন আরেক জনের সাধনার উপক্রমণিকা। লিও টলস্টয়ের মৃত্যু ১৯১০ সালে। এলেক্সি টলস্টয়ের জন্ম ১৮৮৩ সালের ১০ই জানুয়ারী। মৃত্যু ১৯৪৫ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী।
লিও টলস্টয় উনিশ শতকের, এলেক্সি টলস্টয় বিশ শতকের। “আনা কারেনিনা—রিসারেকসান—যুদ্ধ ও শান্তি'র লিও টলস্টয় উনিশ শতকের রুশ মহাজাগরণের মহাকাব্যিক উপন্যাসের শিল্পরূপকার।
‘অগ্নিপরীক্ষা'র এলেক্সি টলস্টয় বিশ শতকের রুশ মহাবিপ্লবের মহা- কাব্যিক উপন্যাসের শিল্পরূপকার।
লিও টলস্টয়ের ‘যুদ্ধ ও শান্তি’ উপন্যাসের ঘটনাকাল উনিশ শতকের প্রথম ও দ্বিতীয় দশক। নেপোলিয়নের মস্কো অধিকার এবং মস্কো
-
সে-বার মায়ের সঙ্গে আমরা গাঁয়ের বাগান-বাড়িতে আছি। মিশকা এল দিনকতক বেড়াতে। কী যে আনন্দ হল বলবার নয়। ও না থাকায় ভারি একলা লাগছিল। মা-ও খুশি হল খুব।
বলল, ‘যাক, এসেছিস বাঁচা গেল। দুজনে মিলে তোদের আনন্দে কাটবে। তবে শোন, কাল আমায় শহরে যেতে হবে, দিন কতক আটকে যেতেও পারি। আমি না থাকলে অসুবিধা হবে না তো?’
আমি বললাম, ‘কিছু অসুবিধা হবে না, আমরা তো বাচ্চা নই!’
‘তোদের কিন্তু নিজেই রান্না করে নিতে হবে, পারবি?’
‘পারব বইকি,’ বলল মিশকা, ‘না পারার কী আছে।’
‘বেশ, তাহলে সুরুয়া আর পরিজ রাঁধিস। পরিজ রাঁধা সবচেয়ে সোজা।’
‘তা পরিজই রাঁধব, কী আর হয়েছে!’ বলল মিশকা।
-
যখন যেটা
অঙ্ক কষা ফেলে রেখেই ছুটলাম বাগানে ছেলেগুলোর কাছে। ছুটছি, দেখি সামনে মাস্টার মশাই।
বললেন, ‘কী খবর? বাতাসের সঙ্গে পাল্লাই দিচ্ছিস?’
‘না, এমনি আর কি, বাগানে যাচ্ছি।’
ও’র পাশাপাশি চলেছি আর ভাবছি, এইবার নিশ্চয় জিজ্ঞেস করবেন অঙ্কটার কথা, কী বলব? এখনো তো কষা হয়নি।
উনি কিন্তু বললেন, ‘দিব্যি আবহাওয়া...’
বললাম, ‘হ্যাঁ, দিনটা ভালোই,’ আর মনে মনে ভয় হঠাৎ যদি অঙ্কটার কথা তোলেন।
বললেন, ‘নাকটা যে তোর লাল হয়ে গেছে।’ বলে হাসলেন।
‘নাক আমার অমনি, চিরকালই লাল।’
‘তাহলে লাল নাক নিয়েই দিন কাটাবি?’
ভয় পেয়ে গেলাম, ‘কিন্তু কী করব?’
‘বিক্রি করে দিয়ে নতুন একটা নাক কিনে নে।’
‘আপনি ঠাট্টা করছেন।’
-
দাদুর জন্যে পথ চেয়ে আছে উলদুজ। দাদু কাজ করেন সামুদ্রিক পেট্রলখনিতে। আজ তাঁর ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু তুফান উঠেছে। লোকে বলে এরকম দিনে সাগরের ঢেউ ওঠে তিন তলা বাড়ির সমান উঁচু, বাতাসের ঠান্ডা ঝাপট তলোয়ারের মতো শনশনে, মেঘে ছেয়ে আসমান এমন জমাট যে চোখে কিছু দেখা যায় না।
উলদুজ দাদুর কাছে শুনেছে যে লোকে সাগরের বুকে মস্তো এক শহর তুলেছে। রাস্তাগুলো তার ভারী লম্বা লম্বা। দুধারে তার বড়ো বড়ো উঁচু বাড়ি। তারই একটা বাড়িতে থাকেন দাদু। এক হপ্তা থাকেন সেখানে, তেল তোলার ডেরিকে যতক্ষণ কাজ চলে, তারপর ফিরে আসেন বাড়িতে। ক’দিন জিরিয়ে আবার চলে যান তাঁর সাগরের শহরে। সত্যি বলতে
-
মাম্বেতের বয়স আট বছর। শীতের চারণমাঠে সে এল এই প্রথম।
সবই তার কাছে নতুন। ইচ্ছে হয় তক্ষুনি সারা এলাকাটা ঘুরে আসবে। ছুটে বেড়াবে ভেড়ার পালের পাহারাদার কুকুরগুলোর সঙ্গে। চেয়ে দেখবে তার আদরের শাদা-লেজো ভেড়াটাকে। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, তার বাপ-মায়ের এখনকার ঘরটির তলে গিয়ে ঢুকবে, কেননা ওটা তো সাধারণ ঘর নয়, চাকায় বসানো। কোনো ভিত নেই তার, শুধু চারটে চাকা। সবচেয়ে আগে অবিশ্যি দরকার আশপাশটা দেখা।
মা-বাপে কিন্তু মাম্বেতকে ছাড়ছিল না। কেবলি জিজ্ঞেস করছিল গাঁয়ের লোকের খবর কী, কেমন আছেন দিদিমা, কাকু কী করছে...
এদিকে শীতের সন্ধে তো ছোট্ট। দেখতে-না-দেখতেই বাতি জ্বলে উঠল, শুরু হল রাতের খাওয়া। শুইয়ে দিল মাম্বেতকে।
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- পরিচয়
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- ইউক্রেনের লোককথা
- রাঙা পাল
- কাজাখ লোককাহিনী
- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দেশে দেশে
- রূপের ডালি খেলা
- উক্রাইনীয় উপকথা
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- তাজিক লোককাহিনী
- সোনার পেয়ালা
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- তানিয়া
- আয়ত দৃষ্টিতে আয়ত রূপ
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- মনে রেখো আমাদের, হে বাংলাদেশ
আর্কাইভ
লেখক
- আন্তন চেখভ (১৩)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আলেকজান্ডার ওয়ার্থ (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- ইয়াকভ আকিম (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (৪)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গোপাল হালদার (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নিতাই দাস (১)
- পাভেল লিডভ (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৭৮)
- প্রযোজ্য নয় (৩)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিমির বইকো (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- রণেশ দাশগুপ্ত (২)
- লেভ তলস্তয় (২)
- শাহীন রহমান (১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (৫)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.