-
হেজিমনি (Hegemony) শব্দটির সঙ্গে আমরা কম-বেশি পরিচিত। ধারণা থাকলেও এ বিষয়ে বিশদে অনেকেরই অজানা। ফলে শব্দটি দিয়ে কী বোঝাতে চাইছে, তা বোঝা গেলেও ব্যাখ্যা করতে গেলেই মুশকিলে পড়তে হয়। প্রকৃত অর্থে বাংলায় এর সঠিক প্রতিশব্দ নেই। তবে বাংলা ভাষায় এর অর্থ বোঝাতে ‘নেতৃত্ব’, ‘কর্তৃত্ব’, ‘প্রাধান্য’, ‘আধিপত্য’ শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে মূল শব্দটির সবচেয়ে কাছাকাছি বাংলা প্রতিশব্দটি হলো ‘আধিপত্য’। তবে মূল বাংলা ‘আধিপত্য’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দটি হলো ‘Domination’। Domination ও Hegemony শব্দদুটি গুণগত পার্থক্য বিস্তর। শব্দদুটির কর্মকৌশলও ভিন্ন। উদাহরণ হিসেবে—‘Hegemony refers to a kind of domination’—এই কথাটির বাংলা করতে গেলে কিছুটা জটিলতায় পড়তে হবে! এক্ষেত্রে Hegemony-কে আধিপত্য ও Domination-কে কর্তৃত্ব
-
এশিয়ার ভৌগলিক কেন্দ্রে পর্বত আর মালভূমি আকীর্ণ মঙ্গোলিয়ার আয়তনের তুলনায় লোকসংখ্যা অত্যন্ত কম। ১৫ লাখ বর্গ কিলোমিটারের এই দেশটির লোকসংখ্যা ১৮ লাখের কিছু বেশি (১৯৮৫'র তথ্য)। ১৯২১ সালে দেশটিতে বিপ্লবী শক্তি ক্ষমতাসীন হয়।
প্রাচীন ইতিহাস
বিশ্বখ্যাত যোদ্ধা চেঙ্গিস খানের জন্মভূমি মঙ্গোলিয়া প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে অনেক দিন পর্যন্ত পরাধীনই থেকেছে। খ্রীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে মধ্য এশিয়া থেকে হুনরা এসে মঙ্গোলিয়া করায়ত্ত করে। ত্রয়োদশ শতক থেকে সপ্তদশ শতক পর্যন্ত চেঙ্গিস খান ও তার বংশধরদের আমলে মঙ্গোলিয়া স্বাধীন ছিল। কিন্তু সপ্তদশ শতকের শেষ দিকে মঙ্গোলিয়া চলে যায় মাঞ্চদের হাতে। ১৯১১ সাল পর্যন্ত দেশটি মাঞ্চুরিয়ার উপনিবেশ হিসেবেই থেকে যায়।
স্বাধীনতা সংগ্রাম
উনিশ শতকের শেষ
-
[২০২২ সালের জুলাই মাসে, ট্রাইকন্টিনেন্টাল: ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল রিসার্চ-এর পরিচালক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মার্কসবাদী তাত্ত্বিক বিজয় প্রসাদ ইনস্টিটিউটের চলমান কাজের ওপর ভিত্তি করে সেখানে একটি বক্তৃতা দেন। ডসিয়ার নং ৫৬, মার্কসবাদ ও বিউপনিবেশায়ন সম্বন্ধে দশটি থিসিস, সেই বক্তৃতার মূল ভাবনাগুলোকে ধারণ করেছে এবং সেগুলোকে আরও বিস্তৃত করেছে।]
এক. ইতিহাসের সমাপ্তি
সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব-ইউরোপের কমিউনিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থার পতন ঘটে ১৯৯১ সালে, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বৈশ্বিক দক্ষিণে (গ্লোবাল সাউথে) এক ভয়াবহ ঋণসংকট—যার সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৮২ সালে, মেক্সিকোর ঋণখেলাপি হওয়ার মধ্য দিয়ে। এই দুটি ঘটনা—সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং ‘তৃতীয় বিশ্ব প্রকল্প’-এর দুর্বলতা—কে কাজে লাগিয়ে ১৯৯০-এর দশকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং মার্কিন-পরিচালিত বিশ্বায়ন প্রকল্প
-
মস্কো শহরের মাঝখানে ক্রেমলিনের কাছাকাছি তিনতলা একটা বাড়ি। বাড়িটা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন কেন্দ্রীয় স্মৃতি-সৌধ ৷ এখানে দেখতে পাওয়া যাবে মহান নেতা লেনিনের হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি, তাঁর নিজের লেখা বইয়ের প্রথম সংস্করণ, যে-সব বই তিনি পড়তেন, কাজে লাগাতেন সেই বই গুলি। আর তারই সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত জিনিসপত্র—ফটো, ছবি, মূর্তি, দলিলপত্র। এর প্রত্যেকটি জিনিস দেখলেই মনে হবে কি এক অদ্ভুত অপূর্ব মানুষই না ছিলেন দুনিয়ার প্রথম সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা লেনিন ৷
হাজার হাজার জিনিসের প্রদর্শনী। প্রত্যেকটি জিনিসের পেছনেই রয়েছে তার নিজস্ব কাহিনী। ঐতিহাসিক দলিলপত্রের ভিতরে রয়েছে ভারতবাসীদের পাঠানো একখানা অভিনন্দপত্র। আবছা হয়ে এসেছে লেখা। কালি মুছে আসা বিবর্ণ সেই কাগজখানার দিকে তাকালেই
-
রেবতীমোহন বর্মণআর আমাদের ভিতরে নেই। ৬ মে (১৯৫২) তারিখে তিনি ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা শহরে মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছেন। সুদীর্ঘ বারো বৎসর কাল দুরারোগ্য কুষ্ঠ-ব্যাধির সহিত সংগ্রাম করে শেষ পর্যন্ত এই ব্যাধির হাতেই তিনি নিজের জীবনকে সঁপে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
তাঁর মৃত্যুতে আমরা যে শুধু একজন বিশিষ্ট বিপ্লবীকে হারালাম তা নয়, মার্কসবাদের একজন একনিষ্ঠ ছাত্রও আজ চিরদিনের মতো আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। এদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনকে তাঁর আরো অনেক অবদান দেওয়ার ছিল, কিন্তু দুষ্ট ব্যাধি তা থেকে আমাদের বঞ্চিত করে দিল।
তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কৃতী ছাত্র ছিলেন। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় একজন সুলেখকও ছিলেন তিনি। কিন্তু এই পরিচয় তাঁর একমাত্র পরিচয়
-
প্রথম সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পাদনকারী দেশ—রাশিয়া পৃথিবীর মানুষের দীর্ঘ পথ চলার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। ১৯১৭ সালে যুগ যুগ ধরে শোষিত, বঞ্চিত, খেটে-খাওয়া মানুষ—রাশিয়ার শ্রমিক-কৃষকেরা ক্ষমতা দখল করে শোষণমুক্ত নতুন সমাজ—সমাজতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে অগ্রসর হওয়ার মধ্য দিয়ে পৃথিবীর নিপীড়িত মানুষের সামনে আলোকোজ্জল পথরেখা তুলে ধরেছে। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দেশ এশিয়া-ইউরোপের বিশাল অঞ্চল, সাবেক পরাক্রমশালী রুশ সাম্রাজ্য পরিণত হয় শ্রমিক-কৃষকের মুক্তির কাফেলার বিপ্লবী ভূমিতে। এই বিপ্লবী পথরেখা সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে।
সামন্তবাদ থেকে পুঁজিবাদ
পূর্ব শ্লাভদের প্রাচীনভূমি রাশিয়ার অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যের অন্যতম মস্কোভি রাজ্যের রাজাদের (জার) প্রচেষ্টায় কালক্রমে ঐক্যবদ্ধ হয়। এর মধ্য দিয়ে তাতারদের খবরদারি লোপ পায় এবং
-
পূর্ব ইউরোপে দানিউবের তীরে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষের দেশ হাঙ্গেরী। ১৯১৯ সালে শ্রমিক কৃষকের সরকার ক্ষমতাসীন হয়ে প্রতিক্রিয়ার আক্রমণের কাছে ১৩৩ দিনের বেশি টিকতে পারেনি। ১৯৪৫ সালের ৪ এপ্রিল দেশটি ফ্যাসিবাদের কবলমুক্ত হয় এবং শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে ধীরে ধীরে সমাজতন্ত্রের পথে অগ্রসর হয়। ১৯৪৯ সালে হাঙ্গেরীয় গণপ্রজাতন্ত্র হিসাবে দেশটি শোষণ মুক্তির চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে এগোতে থাকে। বিশ শতকের মাঝা-মাঝিতে শ্রমিক শ্রেণীর রাজত্ব কায়েম হলেও দেশটিতে মেহনতি মানুষের সংগ্রামের আছে দীর্ঘ ঐহিহ্য।
পূর্ব কথন
মধ্য এশিয়া থেকে দলে দলে মানুষ এক সময় পৃথিবীর বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। তাদেরই 'একদল এলে। ইউরোপের পূর্ব প্রান্তের দানিউব তীরে। এরাই হাঙ্গেরীয়ানদের পূর্বপুরুষ-ম্যাগিয়ার। মূল ভূখণ্ড
-
চেক ও শ্লোভাক প্রজাতন্ত্রদ্বয়ের ফেডারেশন চেকোশ্লোভাকিয়া ১৯৪৫ সালের ১ মে নাৎসী দখলদারদের কবল থেকে মুক্তি লাভ করে। দেশটির আয়তন ১ লাখ ২৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার, জনসংখ্যা ১ কোটি ৫০ লাখ । চেক ও শ্লোভাক জাতির আবাসভূমি চেকোশ্লোভাকিয়া নাৎসী দখলদারদের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর ধীরে ধীরে সমাজতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করে। ইউরোপের প্রাচীন দেশ হওয়া সত্ত্বেও চেকোশ্লোভাকিয়াকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত বিদেশী আগ্রাসনের শিকার হয়ে থাকতে হয়েছিল।
শোষণের দীর্ঘ পথ
চেকোশ্লোভাকিয়ার প্রাচীন ইতিহাস আলোচনায় দেখা যায় যে, শ্লাভ জাতির এই দেশটিতে সপ্তম শতকে সামো সাম্রাজ্য ও অষ্টম শতকে মোরাভিয়া সাম্রাজ্য বেশ প্রবল প্রতাপান্বিত ছিল। এরপর বোহেমিয়া সাম্রাজ্য তথা চেক রাষ্ট্র গড়ে ওঠে।
-
Comrade Moni Singh, one of the national heroes of Bangladesh, accepted Marxism and leninism at an early age. In his autobiographical book, ‘Jiban Sangram’, Comrade Moni Singh says that he joined the communist movement of workers and peasants during the last stage of the twenties. He used to organize the workers first and subsequently he launched the struggle for the betterment of life of peasants and other toiling masses of the people. During this tíme, Comrade Moni Singh met in Calcutta a number of famous communists including Comrade Muzaffar Ahmed.
Comrade Moni Singh's maternal uncle was a feudal lord or
-
আঠারো শতকের ফারসী বস্তুতন্ত্রীদের মত ছিল, সমাজকে নিয়ন্ত্রণ এবং শাসন করে জনমত (public opinion); এই জনমত সমাজ-পরিবেশের সৃষ্ট, ইহার প্রকাশ হয় রাষ্ট্র-বিধির ভিতর দিয়া। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক হইতেই এই মত বর্জিত হইতে লাগিল।
বিখ্যাত ঐতিহাসিক Guizot বলিলেন, অধিকাংশ লেখক সমাজের বিকাশের মূল খুঁজিয়া বাহির করিয়াছেন রাষ্ট্রনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির ভিতরে। ইহাদিগকে বিচারের মূল বিসয় না করিয়া গোড়ায় সমাজকে বুঝিবার চেষ্টা করিলেই বুদ্ধিমানের কাজ হইত। তিনি ইহাও বলিয়াছেন, রাষ্ট্র-প্রতিষ্ঠাগুলি কারণ হিসাবে কাজ করিবার পূর্বে অন্য কতকগুলি কারণ হইতে ইহাদের উদ্ভব হইয়াছে। সমাজকে ইহারা নিয়ন্ত্রণ করে বটে, কিন্তু প্রথমত সমাজই ইহাদিগকে জন্ম দিয়াছে। ঐতিহাসিকের দৃষ্টি সর্বপ্রথম আকর্ষন করিবে সমাজের বিভিন্ন পরিবর্তন, স্তর এবং
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস মূলত রাজনৈতিক মুক্তির ইতিহাস। কিন্তু রাজনৈতিক স্বাধীনতা মাত্রই সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক মুক্তির নিশ্চয়তা দেয় না। প্রায় দুইশ বছরের লড়াই-সংগ্রাম আর আত্মদানের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে এবং ত্রিশ লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি রাষ্ট্রীয় উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠিত হলেও ঔপনিবেশিকতার প্রভাব এখনো পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি। এই প্রভাব সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি ও চিন্তার গভীরে সক্রিয় রয়েছে—যা সমকালীন তাত্ত্বিক পরিভাষায় কলোনিয়ালিটি (Coloniality) বা ঔপনিবেশিকতা নামে পরিচিত। মার্কসবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কলোনিয়ালিটিকে বোঝা যায় একটি ঐতিহাসিক উৎপাদন সম্পর্ক, শ্রেণি শোষণ ও বৈশ্বিক পুঁজিবাদী ব্যবস্থার ধারাবাহিক রূপ হিসেবে। ঔপনিবেশিক
-
১৯৯৩ সালে সিপিবি এক বড় রাজনৈতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়ে, অনেক পার্টি কমরেড দল ত্যাগ করে চলে যান, অনেকে একদম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন, পার্টিকে অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে নামতে হয়েছিল, সারাদেশের মতো ময়মনসিংহ-নেত্রকোনাতেও পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত ছিল, নেতৃত্বের বড় অংশ বিভ্রান্ত হয়ে দলত্যাগ করে বিভিন্ন দলে চলে যান, তাদের কেউ একথাও বলতেন, কমিউনিস্ট পার্টির আর কোনো প্রয়োজন নেই, এই পার্টি বাংলাদেশে থাকবে না। পার্টিকে বিলোপ করার গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে দীর্ঘদিন যাবত পার্টিকে নিষ্ক্রিয় রেখে, কমরেডদের বিভ্রান্ত করে পার্টির অস্তিত্ব বিলোপ করতে চেয়েছে। এ কাজে পার্টির বিভিন্ন জেলার মূল নেতৃত্ব জড়িয়ে যান, তারা ছিলেন প্রভাবক শক্তি, ইন্টেকলেচুয়ালি নানা ডাইমেনশনে পার্টির সাধারণ কমরেডদের সরিয়ে দিতে
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অজেয়া সরকার (১)
- অরুণ সেন (১)
- আব্দুল কাইয়ুম (১)
- আলবার্ট আইনস্টাইন (১)
- আহমদ রফিক (১)
- এম আর আখতার মুকুল (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (১)
- এম এম আকাশ (২)
- এমদাদুল হক মিল্লাত (১)
- কাট্টোরগে পি সিলভা (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গোলাম সামদানী কোরায়শী (৪)
- তপন কুমার দে (১)
- তপন বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- তপনকুমার ঘোষ (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নাদেঝদা ক্রুপস্কায়া (১)
- নিতাই দাস (১৪)
- প্রক্রিয়াধীন (৫)
- বিকাশ সাহা (২)
- মওলানা হোসেন আলী (১)
- মণি সিংহ (২)
- মানস (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (৬)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মোহাম্মদ ফরহাদ (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (৪)
- রেবতী বর্মন (৪)
- শাহীন রহমান (১)
- সত্যেন সেন (৪)
- হায়দার আকবর খান রনো (২)
- হালিম দাদ খান (১)
- হাসান তারেক (২)
- হিমাচল চক্রবর্তী (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.