-
সোমেন চন্দ
অভিনয় শেষে গ্রিনরুমে এসে সকলে সমবেত হয়েছে। স্থান অল্প, লোক বেশি। অভিনয় ব্যাপারে এত পরিশ্রমের পরেও অজস্র কথার গতিতে মুখের রং তোলার বা পোশাক-পরিচ্ছদ বদলানোর তাড়া নেই।
স্থান-স্বল্পতা সত্ত্বেও ঘরের এক কোণে একটু নিরিবিলি আছে। মেয়েদের সেখানে আনাগোনা কম, কিন্তু ভারতী এসেই সে স্থানটুকু বেছে নিয়েছে। অত গোলমাল আর ভালো লাগে না। ভারতী তাই একটা লোহার চেয়ারে চিবুকে হাত রেখে বসে মজলিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চুপ করে আছে।
কিন্তু কোনো রকমেই রেহাই পাবার উপায় নেই। রেখা কোত্থেকে এসে ধরল।
—ইস, ভাই তোকে খুঁজতে খুঁজতে হয়রান। এমন করে একলাটি বসে আছিস কেন বল তো?
ভারতী হেসে বলল, ‘এমনি!’
—‘তোর
-
শীতের এক সুগভীর কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরবেলায় অত্যন্ত ময়লা কাপড় দিয়ে বাঁধা একটা পুঁটলি হাতে করে এক বৃদ্ধা রাজকুমার রায়ের প্রকাণ্ড ফটকওয়ালা বাড়ির ভিতরের উঠোনে গিয়ে দাঁড়াল। প্রথমে ঢুকতে একটু দ্বিধা করেছিল, কারণ এ-বাড়িতে সে এই প্রথম পদার্পণ করছে, কিন্তু মুহূর্ত পরেই সমস্ত দ্বিধা কাটিয়ে এক নিঃসংকোচ কলেজ-বালিকার মতোই চাকর-বাকরের ছুটোছুটি আর কোলাহল-কাতর উঠোনের মাঝখানে এসে দাঁড়াল। বৃদ্ধার চেহারা এমন কদাকার যে হঠাৎ দেখলে ভয় হয়। উঁচু কপাল, তুবড়ানো নাক, মাংসল মুখ অথচ চোখ দুটি অত্যন্ত ছোটো এবং গর্তে বসানো। মাথার চুল ছোটো করে ছাঁটা, বয়স পঞ্চাশের বেশি হলেও গায়ের চামড়া এখনও যথেষ্ট ঢিলে হয়ে আসেনি।
বৃদ্ধা কারুর আশায় এদিক-ওদিক চেয়ে শেষে
-
গলিটা হঠাৎ বোকার মতো শেষ হইয়া গিয়াছে। যেখানে শেষ হইয়াছে সেখানে কিছু খালি জায়গা, কিছু পুরানো ইটের স্তূপ, একটা ভাঙা দেওয়াল, আর উপরে খোলা নীল আকাশ। তার আগে শুধু এখানে-সেখানে সারি সারি টিনের ঘর, কয়েকখানা পুরানো একতলা বাড়ি, একটিমাত্র দোতলা বাড়ি, যার একতলার খানিকটা মাটির নীচে চলিয়া গিয়াছে। খোলা ড্রেন মাত্র একটি, কিন্তু খুব বড়ো, এত বড়ো যে একটা কুকুরের বাচ্চা দৈবাৎ একদিন সেখানে পড়িয়া সারা দিনে আর উঠিতে পারিল না, কেবল কেঁই কেঁই করিয়া কাঁদিল, ড্রেনের গা নখ দিয়া অনেক খুঁটিল, তারপর একদিন মরিয়া গেল। তারপর একদিন পেস্কারবাবু মথুরা চক্রবর্তীও মদের নেশায় শরীরের তাল ঠিক রাখিতে পারে নাই, হাতের
-
ছেলেগুলি যা দুষ্টু! কাল রাতে কানের কাছে কতক্ষণ ক্যান্স্ত্রা পিটিয়েছে, আজও পিটিতেছে। মানা করিলে জোরে বাজায়, কিছু না বলিলে আরও জোরে বাজায়। এমন খেলা আর খেলে নাই বুঝি। প্রত্যেকটি মধ্যযুগের দিগম্বর সম্প্রদায়ের বংশধর, মাথার চুল রোদে-পোড়া, হাতে-পায়ে বড়ো-বড়ো নখ। মুখে প্রৌঢ়া আর বৃদ্ধা মেয়েদের বিবাহের গানের অনুকরণ করিতেছে, হাতে ক্যান্স্ত্রা পিটিতেছে।
মাস্টার ছেলেটি ভালো, বড় বাধ্য। ঐশ্বর্যের লীলাভূমি শহরে অন্নের সন্ধানে আসিল, অন্ন পাইল না, কিন্তু পাইল আমাকে, তদবধি আমাকে ধরিয়াই আছে। আমি বৃক্ষ, সে লতা। মাস্টার ছেলেটি ভালো, অর্থাৎ সোজা কথায় যাকে বলে গুড বয়। মাথার চুল হইতে পায়ের নখ অবধি এমন একটি চেহারা যে, আঠারো হইতে পঁয়ত্রিশ অবধি
-
এমন আশ্চর্য ব্যাপার আর দেখি নাই, লোকটা সরবে রোদন করিতে লাগিল,—ভেউ ভেউ ভেউ! কান্নার কয়েকটি নামই জানি, জীবনের এতগুলি বছর ধরাপৃষ্ঠে অবস্থান করিয়া কান্না সম্বন্ধে অনেক অভিজ্ঞতাই লাভ করিয়াছি, কিন্তু এটি কোন্ জাতীয়, তাহাই ভাবিতে লাগিলাম। অথচ পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্বন্ধে অচেতন হইয়া এখন কোনো ভাবনাই যে ভাবা উচিত নয়, এই তথ্যটি অতি সহজেই ভুলিয়া যাওয়ায় সহজেই বাধাপ্রাপ্ত হইলাম। চিন্তার সূত্র ধরিয়া বেশি দূর অগ্রসর হয় নাই, হঠাৎ একটা প্রকাণ্ড দীর্ঘনিশ্বাসযুক্ত ফোঁপানির শব্দে সভয়ে মুখ তুলিয়া দেখি, কান্নার পর্ব সশব্দে সমাপ্ত করিয়া লোকটা এবার ফুঁপাইতেছে এবং জামার আস্তিনে চোখ মুছিতেছে।
তাড়াতাড়ি বলিলাম, দেখুন এমন করে কাঁদবেন না, ও দেখে আমারও যে
-
হাজরাদের বাড়ি বীণা বেড়াইতে গিয়াছে। পাড়ার অন্য দুই-একটা বাসা খুঁজিয়া সেখানে রনু গিয়া তাহাকে পাইল। বীণা আরও কয়েকজন মেয়ে ও বধূর সাথে বসিয়া গল্প করিতেছিল।
রনু ঘরের বাহিরে দাঁড়াইয়াই ডাক দিল, ‘বীণাদি, শুনে যান তো।’
বীণা বলিল, ‘ওখান থেকে বলো।’
হাজরাদের বধূ কনক হাসিয়া বলিল, ‘ও, রণজিতের বীণাদি বুঝি এসেছে এখানে? নইলে কোনোদিন যে ভুলেও এ বাড়িতে পা দেয় না, সে আজ এল! বীণাদির সাথে কী কথা আছে আমরা শুনতে পারব রনু?’
একটা মৃদু হাস্য-তরঙ্গ খেলিয়া গেল।
রনু লজ্জায় ঈষৎ কাত করিয়া বলিল, ‘আপনি কী যে বলেন বউদি। হ্যাঁ বীণাদি, শিগগির’—গোটাকতক কথা রনুর সকলের সঙ্গেই থাকে।
কনক বলল, ‘তুমি তো
-
এত বড়ো বটগাছ সচরাচর দেখা যায় না। পিরপুরের হাটকে যদি চিনিতে হয়, তবে যে-কোনো অশীতিপর ক্ষীণদৃষ্টি বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করিলেও ইহার উত্তর মিলিবে—দূরে, সে যত দূরেই হোক না কেন, যেন আকাশেরও প্রায় অর্ধেক ছাইয়া আছে, এমন একটা দৈত্যের মতো প্রকাণ্ড গোলাকার গাছের দিকে দারুণ তৎপরতায় শীর্ণ হাতটি উঠাইয়া সে বলিবে, ‘আরে, তুমি কি কানা? ওই দৈত্যিটার বরাবর চলে যেতে পার না?’ যাহাকে বলা হইবে, সে যেন কোনো ব্যবসায়ী, ওই হাটের দিকেই যাইতেছে, আর কোনো উদ্দেশ্য তাহার নাই। পিরপুর গ্রামটি অন্যান্য গ্রামের মতো নয়, সেখানে কেউ ঘর বাঁধিয়া বাস করিতে পারে, একথা কেউ ভুলেও কল্পনা করিতে পারে না। কেবল একটি হাট লইয়াই
-
(লেখকের নোট-বই থেকে)
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ফিওদোসিয়ার উপর হলদে হলদে মেঘ ঝুলে রয়েছে—গম্ভীর, ভয়ঙ্কর মেঘ। বেশ গরম। সমুদ্রটা আছড়াচ্ছে। একটা বুড়ো এ্যাকেশিয়া গাছে চড়ে ছোটো ছোটে৷ ছেলেরা শুকনো মিষ্টি ফুলগুলো দিয়ে ঠাসছে তাদের মুখগুলো। দূর-দিগন্তে এগিয়ে-আসা ওদেসার এক জাহাজ থেকে এক চিলতে ধোঁয়া উঠছে। নিছক একঘেয়েমির দরুণ এক বিষণ্ণ বৃদ্ধ জেলে শিস দিচ্ছে আর জলে ফেলছে থুথু। কোমরবন্ধের পরিবর্তে জালের একটি ফালি তার কোমরে। তার কাছে একটি ছেলে বসে বই পড়ে চলেছে। জেলে তার রুক্ষ স্বরে বললো, ‘দেখি হে ছোকরা, তোমার বইটা।’ ভীতু-ভীতু ভাবে ছেলেটি বইটা তুলে দিলো তার হাতে। জেলে পড়তে শুরু করলো। কাটলে৷ পাঁচ মিনিট, কাটলো দশ। উত্তেজিত
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
ভ্লাদিমির লাভরোভ নামে মস্কোর এক শিল্পীকে বলা হয়েছিল ভল্গার প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি আঁকতে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি রাজি হয়েছিলেন কিন্তু তাঁর চরিত্রগত দীর্ঘসূত্রতার জন্যে তৈরী হতে হতেই সমস্ত গ্রীষ্মকালটা কেটে গেল। সেপ্টেম্বরের আগে ইস্টিমারে চড়ে ভল্গায় পৌঁছুতে তিনি পারলেন না।
মোটা চোঙাওলা ইস্টিমারটা ঝকঝক করছে, তার গোল গোল জানালাগুলোকে পালিশ করে স্ফটিকের মতো করে তোলা হয়েছে। ইঞ্জিন ধক ধক করতে করতে মসৃণ দৃঢ় গতিতে ইস্টিমারটা চললো তার আলোগুলো আর এক ডেক ভৰ্ত্তি সুসজ্জিত যাত্রী নিয়ে। সহরতলীর অরণ্য আর কাঁকরাকাটা পাড়গুলো গেলো পেরিয়ে। তাদের উপর তখন শীতল সূর্যাস্তের আভা মিলিয়ে আসছে। ইতিমধ্যেই অরণ্যের রঙ হয়েছে পিঙ্গল আর সোনালী। শরতের
-
লেখক: নুরমুরাদ সারিখানভ
তুর্কমেন বিজ্ঞান আকাদমির সাহিত্য ইনস্টিটিউটের নির্দেশক্রমে আমার কাজ পুরনো পুঁথি জোগাড় করা। ভাগ্যচক্রে সেবার গিয়ে পড়েছিলাম কারা-কুমের একেবারে গভীরে, পশুপালক একটা আউলে, চারিদিকে বালির মধ্যে অনতিবৃহৎ একটা খাদের মতো জায়গাটা।
যা হয়, আউলের লোকেরা উৎসুক হয়ে উঠল: কোথা থেকে এসেছি, কেন এসেছি? আগমনের কারণ জানালাম। উঠেছিলাম কলখোজ সভাপতির বাড়িতে। তাঁর কাছে শুনলাম তাঁর পড়শী ভেলমুরাত-আগার কাছে একটি কিতাব আছে, ঠিক যেমনটি আমার দরকার তেমনি।
বললেন, ‘জিনিসটা খুবই দুর্লভ! ভেলমুরাত-আগা ওটিকে চোখের মণির মতো আগলে থাকে। কতবার বলেছে, অমন কিতাব সোনার সিন্দুকে তুলে রাখার মতো…’
গেলাম কিতাবের মালিকের কাছে। মালিককে ঘরেই পেলাম। লোকটির বয়স হয়েছে, এক বুক সুন্দর
-
লেখক: আবদুল্লা কাখহার
চুল্লির চাকতিটা খুলে দাদী রোখাৎ পায়ে আঁচ পোয়াচ্ছিল। কিছুকাল থেকে পা দুখানা বড়ো ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে, কনকন করছে, ঘর তেমন ঠান্ডা না হলেও ভারি শীতে জমে যাচ্ছে সে। নাতি বইয়ের মলাট ছিঁড়ে ফেলেছিল, জানলার কাছে সেটা আঁটা দিয়ে জুড়তে জুড়তে বুড়ো বললে: ‘আগুন পোয়াতে হয় কী করে তা আর তোমায় শেখানো গেল না! চুল্লির দরজা খোলা রাখা আর আকাশ গরম করা একই কথা।’
দাদী রোখাৎ দরজা বন্ধ করে সোফায় গা এলালে। তারপর শুয়েই থাকল। প্রথমটা উঠতে ইচ্ছে করছিল না, পরে আর উঠতেই পারল না। তৃতীয় দিনে বুড়ি মারা গেল।
হিকমৎ-ববো দাঁড়িয়ে রইল একেবারে বজ্রাহতের মতো। ঘরে যখন
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
রাত্রে নদীর উপর কুয়াশা জমে উঠলো আর সেটা গ্রাস করলো বয়া এবং সাঙ্কেতিক আলোগুলো।
খাড়া তীরের কোল ঘেঁসে ইস্টিমারটা এসে থামলো। তীরের উপরকার এক প্রাচীন নলখাগড়ার ঝোপের সঙ্গে নোঙরের দড়িটা বাঁধবার জন্যে নাবিকরা যখন টেনে নিয়ে যাচ্ছিল, তীরে যাবার কাঠের পথটা তখন শুধু তালে তালে করছিল ক্যাচ-ক্যাচ।
মাঝরাতে মাশা ক্লিমোভার ঘুম ভাঙলো। ইস্টিমারটা এতো নিস্তব্ধ যে যাতায়াতি পথের শেষ প্রান্তের কেবিনের এক যাত্রীর নাক ডাকা সে পেলো শুনতে।
বিছানায় সে উঠে বসলো। খোলা জানালার ভিতর দিয়ে যে টাটকা বাতাস ভিতরে আসছিল তাতে জড়িয়ে ছিল উইলো পাতার মিষ্টি গন্ধ।
ছায়াচ্ছন্ন কুয়াশার ভিতর দিয়ে ঝোপ ঝাড়ের নানা শাখা ডেকের
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- পাতাবাহার
- বাংলাদেশ কথা কয়
- গল্পগুচ্ছ
- কথা পাঞ্জাব
- বনফুল গল্পসমগ্র
- পুরাণের গল্প
- মৌরীফুল
- উপলখণ্ড
- নবাগত
- শিউলি-মালা
- ফুলকি ও ফুল
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বারো মামার এক ডজন
- মানুষের জন্ম
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বিধু মাস্টার
- ক্ষণভঙ্গুর
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- তালনবমী
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- ছায়াছবি
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- কুশলপাহাড়ী
- রূপহলুদ
- জ্যোতিরিঙ্গন
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (৫)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৪)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (৫)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.