-
এ—ও গজখুড়োর মুখে শোনা।
বটুকদাদুর পৈতৃক বাড়ির মতো আরেকটা বাড়ি শুধু ভূ-ভারতে কেন, দুনিয়াতে কোথাও আছে কিনা সন্দেহ। ওপরের রাস্তায় সদর ফটক, সেখান থেকে মনে হয় একতলা বাড়ি। আবার ঐ রাস্তাটাই একটা পাক খেয়ে যখন বাড়ির পেছন দিয়ে নিচে হিঞ্চে বাজারের দিকে নামতে থাকে, সেখান থেকে দেখলে বোঝা যায় আসলে তিনতলা বাড়ি। নিচের দুটো তলা পাহাড়ের গায়ে ঠেস দিয়ে হিমালয়মুখো দাঁড়িয়ে আছে।
এর আগে ন্যাকা-বোকা যায়নি কখনো ওখানে। তবে বটুকদাকে আলু— কাবলি কিম্বা চানাচূর খাওয়ালে, ঐ বাড়ির সম্বন্ধে যে—সব রোমাঞ্চকর গল্প বলত, তাই শুনে ওরা তাজ্জব বনে যেত। সব গল্পের কেন্দ্রে একজন রহস্যময লোকই থাকতেন। তিনি ওদের ছোটদাদু—যিনি প্রায় ২০
-
সে দিন রাত্রে মা আমাদের দোকানে গিয়েছিল আর ফিরে আসেনি। কখনো না। কি হয়েছিল? জানি না। আমার বাবাও একদিন চলে গিয়েছিল, কখনো আর ফিরে আসেনি; কিন্তু বাবা তো গিয়েছিল যুদ্ধে, লড়াই করতে। আমরাও তো যুদ্ধের মধ্যেই ছিলাম, কিন্তু আমরা তো ছোট ছোট ছেলেমেয়ে, আমরা ছিলাম আমাদের দিদিমা আর দাদুর মতোই, আমাদের বন্দুক পিস্তল ছিল না। আমাদের বাবা যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছিল, আমাদের সরকার তাদের বলতো—ডাকাত—তারা চারিদিক দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল আর আমরা কুকুর খেদানো মুরগির মতো তাদের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলাম। কোথায় যে পালাবো তা জানতাম না। আমাদের মা দোকানে গিয়েছিল, কে যেন তাকে বলেছিল রান্নার তেল পাওয়া যাবে। আমরাও খুশি হয়েছিলাম
-
[সামাজিক বৈষম্য, বিশেষ করে বর্ণবৈষম্যের ওপর লিখিত তাঁর গল্পগুলির জন্য সুবিদিত লেখিকা নাডাইন গর্ডিমারের জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার এক শ্বেতাঙ্গ পরিবারে। পঞ্চাশ দশকে যখন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা সম্বন্ধে তাঁর জোরালো গল্পগুলি লিখতে আরম্ভ করেন তখন ওটা ঠিক ফ্যাশানও ছিল না বা শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবিচারগুলোর কথা প্রকট করা যুক্তিযুক্তও ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও অত্যন্ত সাহসের এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি তা ব্যক্ত করে গেছেন। অগণিত ছোটগল্প ছাড়া বেশ কয়েকটি উপন্যাসও তিনি লিখেছেন। ১৯৯১ সালে সাহিত্যের জন্য তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।]
রক্তিম দিগন্তের মধ্যে থেকে ট্রেনটা বেরিয়ে এসে একক সিধা রেল লাইন ধরে সবেগে তাদের দিকে নেমে এলো। স্টেশন মাস্টার তার ছুঁচোলো
-
রাত্রের ট্রেনে যে সব যাত্রীরা রোম ছাড়তো, ফাব্রিয়ানা স্টেশনে তাদের ভোর পর্যন্ত থাকতে হতো তারপর সালমোনার মেল লাইন ধরবার জন্য হেরকালের ছোট্ট একটা লোকাল ট্রেনে করে তাদের যেতে হতো। দমবন্ধ করা, ধোঁয়া ভরা একটা সেকেন্ড ক্লাস গাড়ি, ইতিমধ্যেই পাঁচজন লোক যার মধ্যে রাত কাটিয়েছে, ভোরবেলায় সেটাতে গভীর শোকের পোশাক পরা প্রায় বেঢপ একটা বস্তার মতো এক মহিলাকে টেনে তোলা হলো। তার পিছনে হাঁফাতে হাঁফাতে, কাতরাতে কাতরাতে উঠে এসেছিল তার স্বামী—ছোট্ট এতটুকু এক লোক। রোগাটে আর নিস্তেজ, মুখ তার মড়ার মতো ফ্যাকাশে, চোখগুলো ছোট ছোট আর চকচকে, তাঁকে কেমন যেন সলজ্জ আর অস্থির দেখাচ্ছিল।
শেষ পর্যন্ত একটা সীটে বসে পড়ে সে,
-
কম্পমান বেলে পাথরের সুড়ঙ্গের মধ্যে থেকে ট্রেনটা বেরিয়ে এসে সুবিন্যস্ত অগণিত কলাবাগানগুলো পেরিয়ে চলতে শুরু করলো, বাতাস হয়ে গেলো সেঁতসেঁতে, সমুদ্রের হাওয়া আর তারা পাচ্ছিল না। কামরার জানলা দিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর ধোঁওয়ার একটা প্রবাহ ভেসে এলো। রেল লাইনের সমান্তরাল একটা সরু রাস্তার ওপর সবুজ সবুজ কলার কাঁদি ভর্তি বলদের সব গাড়ি। রাস্তার ওপাশে অকর্ষিত জমির ওপর ইতঃস্ততভাবে ছাড় দিয়ে দিয়ে তৈরি ইলেকট্রিক পাখা দেওয়া অফিসগুলো, লাল ইঁটের সব ইমারত, ধুলো মাখা তাল গাছ, গোলাপের ঝোপগুলোর মাঝে ছাদের ওপর সাদা রঙের ছোট ছোট টেবিল চেয়ার সাজানো বসতবাড়িগুলো। বেলা তখন এগারোটা, তাপটা তখনও প্রখর হতে শুরু করেনি।
“জানালাটা বন্ধ করো,” মহিলাটি বললে। “মাথাটা
-
আরচিল ঘুমোতে পারলো না...। সে হয় অন্ধকারাচ্ছন্ন ছাদের দিকে ক্লান্তভাবে তাকিয়ে চিৎ হয়ে শুচ্ছিলো, নয় তো উপুড় হয়ে শুয়ে বালিশের মধ্যে তার উত্তপ্ত মুখখানা গুঁজছিলো। চোখ বুজলেই চোখের সামনে ভাসছিলো কেতিনোর পাণ্ডুর মুখখানা। তুষার-ধবল বালিশের গায়ে তার কুচকুচে কালো চুল যেন আরও কালো লাগছিল। তার কালো কালো চোখ দুটো আঁখিপল্লবে ঢাকা, তার ঠোঁট দুটি কাঁপছিল, যেন সে ফিস ফিস করে কিছু বলছে।
আরচিল উঠে বসলো, চোখ খুলে যে ভয়ঙ্কর স্বপ্নগুলো তার চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছে তাদের মন থেকে তাড়াবার ব্যর্থ চেষ্টা করতে লাগলো।
উদ্বিগ্ন এক মা তার অসুস্থ কন্যার শয্যার উপর ঝুঁকে পড়েছে। নিদ্রাহীন রাতগুলোর পর ক্লান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই
-
অনুবাদক: তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়
শয্যা-থলির কবোষ্ণ আবেষ্টনে নিশ্চিন্ত মনে বেশ কিছুক্ষণ ঘুমিয়েছিল রবার্ট জর্ডান। পিস্তলটা মণিবন্ধে বেধে রেখেছিল সে। সহসা মারিয়ার কোমল করস্পর্শে শিরশির করে উঠল তার সারা শরীর। মারিয়া শীতে কাঁপছিল। জর্ডান তাকে বুকে টেন নিল। প্রথমটা সে থলির ভেতর ঢুকতে চায়নি। বারবার বলেছিল, 'লক্ষ্মীটি, আমায় ছেড়ে দাও। আমার ভয় করছে।' লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছিল সে। অবশেষে থলিতে ঢুকেছিল সে। জর্ডান তার ঘাড়ের নরম জায়গাটায় চুমু খেল। মারিয়া আবার বললে, 'না' লজ্জায় লাল হয়ো না। আমি কিছুতেই পারব না—অ্যমায় ছেড়ে দাও।' উঠেছে তার মুখ। জর্ডান বলে, 'দুষ্টুমি কারো না মারিয়া।'
—'আমায় ছাড়।'
—'সোনামণি, আমি তোমায় ভালোবাসি।'
—'আমিও কি তোমায় ভালোবাসিনা,'
-
পেশোয়ার স্টেসন ছাড়বার পর আমি স্বস্তির ধূম্র-নিশ্বাস ফেলে হাঁফ ছাড়লাম। আমার গাড়িতে যারা যাচ্ছে তারা প্রায় সকলেই হিন্দু ও শিখ উদ্বাস্তু ৷ তারা এসেছে পেশোয়ার, হতিমর্দান কোহাট, চারসরা, খাইবার, লাণ্ডি কোটাল, বান্নু, নওসেরা, মানসেরা থেকে, সীমান্ত প্রদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে। অত্যন্ত সজাগ দৃষ্টি রেখে নিপুণভাবে স্টেসন পাহারা দিচ্ছে মিলিটারী অফিসাররা। কিন্তু উদ্বাস্তুরা কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছিল না যে পর্যন্ত না আমি বিচিত্র পঞ্চনদীর দেশের দিকে ধাবমান হওয়ার জন্য পদ-চক্র চালিয়েছি। অন্যান্য পাঠানদের থেকে কিন্তু এই উদ্বাস্তুদের কোনরকমেই আলাদা ক’রে দেখতে পারবে না তুমি। বেশ লম্বা চওড়া সুন্দর শক্ত-সমর্থ লোকগুলো, পড়নে তাদের কুল্লা, লুঙ্গী, সালোয়ার, কথনে রূঢ় পুস্তো ভাষা। প্রত্যেকটি গাড়ির সামনে
-
“রহিম”—
বাড়ী ঢুকেই সাব ইন্সপেক্টর শেখ আবদুল হামিদ চাকরকে হাঁক দিলেন, “বশিরকে একবার আমার ঘরে পাঠিয়ে দেতো” বলে তাড়াতাড়ি নিজের ঘরে গিয়ে কোট ও বেল্ট খুলে আলনায় টাঙিয়ে, টেবিলের সামনে গিয়ে বসলেন। অজস্র জিনিস ছড়িয়ে আছে টেবিলের উপর। একধারে সরু মোটা আইনের কেতাব আর নানান বেআইনি বই। কাগজ-পত্তরে ঠাসা ফাইল। মাঝখানে কলমদান, ঠিক তার পাশেই আজকের ডাক, পাঁচ ছ’টা খাম, কয়েকটা পোষ্ট কার্ড আর দু’তিনখানা খবরের কাগজ।
শেখ সাহেব চেয়ারে বসে দূরের চশমা খুলে টেবিলে খালি জায়গাটুকুতে রেখে দিলেন। কাছের চশমা চোখে দিয়ে ডাকের চিঠিপত্র দেখতে লাগলেন।
সবে হয়তো গোটা দু’য়েক খাম খুলেছিলেন, দেখলেন, তাঁর পাঁচ বছরের ছোট্ট ছেলেটা ভেতরে
-
কমরেড ভরদ্বাজের সাথে আমার প্রথম দেখা লাহোরে ১৯৩৭ সালে। সেইসময় পার্টিকে বে-আইনী ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে পার্টির সব সদস্যই ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’এ চলে গিয়েছিল। ভরদ্বাজের গায়ের রং ছিল শামলা, কাঁধ ছোট আর রোগা পাতলা শরীর। তাকে দেখে মনে হত না যে তার ভেতরে এত অফুরন্ত প্রাণশক্তি সঞ্চিত আছে যা দিয়ে সে এত পরিশ্রম করতে পারে বা একজন রাষ্ট্রবাদী বা সমাজবাদীব জীবনে যত রকম বিপদ আছে তার অনায়াস মোকাবিলা করতে পারে।
আমি সেই সময় কলেজে পড়তাম, সেই সময় আমার চিন্তাভাবনায় ব্যক্তি উপাসনার কোন স্থান ছিল না। তাই ভরদ্বাজের ব্যক্তিত্ব আমার উপর লেশমাত্র প্রভাব ফেলে নি। সেই সময় পাঞ্জাবে কংগ্রেস নিজেদের টানাপোড়েনে ব্যস্ত।
-
বৃদ্ধ জাখার আর আমি ডন নদীর ধারে একটা বুনো কাঁটাঝোপের তলায়, রৌদ্রদগ্ধ ন্যাড়া একটা ঢিবির ওপর শুয়েছিলাম। বাদামী রঙের একটা চিল একটা মেঘের আঁশালো ধারির নিচে ঘুরপাক খেয়ে বেড়াচ্ছিল। পাখিদের পুরীষ লাঞ্ছিত কাঁটাঝোপের পাতাগুলো আমাদের কোনো ছায়াই দিচ্ছিল না। গুমোট গরমে কানের মধ্যে ভোঁ ভোঁ করছিল; ডন নদীর পাকানো পাকানো ফুটকি কাটা জলের কিংবা পায়ের নিচের খাঁজকাটা তরমুজের খোলাগুলোর দিকে তাকালে, মুখের মধ্যে চটচটে একটা লালা এসে যাচ্ছিল কিন্তু মুখ থেকে সেটা ফেলে দিতেও আলসেমি লাগছিল।
নিচেয় খোদলের মধ্যে শুকিয়ে আসা পুকুরের কাছে ভেড়াগুলো গাদাগাদি করে একটা দঙ্গল পাকিয়ে একসঙ্গে জড়ো হয়েছিল। জগতের কাছে ক্লান্ত ভাবে তাদের পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে
-
“ধরো ওকে! ওকে ধরো তোমরা!” চিৎকারে সবুজ পাহাড় আর ইতঃস্তত বিক্ষিপ্ত ঝোপে ঢাকা পর্বতে ঘেরা উপত্যকার মধ্যে আরামে গা ঘেঁষে থাকা পিরিচের আকারের গ্রামটার নিস্তব্ধতা ভেঙে খানখান হয়ে গিয়েছিল।
পাহাড়ের চূড়ো থেকে প্রতিধ্বনিগুলো মাঝ আকাশে ধাক্কা খেয়ে তালগোল পাকানো কলরবে ছিটকে পড়েছিল, গমগম সেই শব্দ আমাদের কানের মধ্যে বিঁধে গিয়ে অন্য সব শব্দ আটকে দিয়েছিল।
ওয়েহ ওয়েহ ওয়েহ খাউউ খাউউ লেহ লেহ লেহ লেহ তুউ তুউ তুউ এক মুহূর্ত আগেও যেসব ন্যাকড়ার পুতুল নিয়ে আমরা নির্বিষ্ট হয়ে ছিলাম একটা শক্তিশালী চুম্বকের মতো সোরগোলটা তার থেকে আমাদের টেনে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।
ইইই-ইইই-উউ-উউউউউ!
এম এম বা-এম বিই ই ই হ হ হ-নি!
উৎস
- প্রক্রিয়াধীন
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- পাতাবাহার
- বাংলাদেশ কথা কয়
- গল্পগুচ্ছ
- বনফুল গল্পসমগ্র
- পুরাণের গল্প
- মৌরীফুল
- উপলখণ্ড
- নবাগত
- শিউলি-মালা
- ফুলকি ও ফুল
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বারো মামার এক ডজন
- মানুষের জন্ম
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বিধু মাস্টার
- ক্ষণভঙ্গুর
- পরিচয়
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- তালনবমী
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- ছায়াছবি
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- কুশলপাহাড়ী
- রূপহলুদ
- জ্যোতিরিঙ্গন
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৭৯)
- ২০২৫ (৬৫)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (৫)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (২)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৪)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (৫)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.